এপস্টেইন নথি

বিকিনি পরা দুই নারীর সঙ্গে স্টিফেন হকিং। ছবি সংগৃহীত
বিকিনি পরা নারীর সঙ্গে স্টিফেন হকিং,পুরোনো ছবি ঘিরে নতুন বিতর্ক

স্টিফেন হকিং যাকে অনেকেই আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হিসেবে দেখেন। বিরল মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ জীবন হুইলচেয়ারে কাটিয়েছেন তিনি। চলৎশক্তিহীন শরীর, কিন্তু মহাবিশ্ব নিয়ে ছিল অসাধারণ চিন্তার বিস্তার।   যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত দুই মাসে জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে যৌন পাচার–সংক্রান্ত তদন্তের বিপুলসংখ্যক নথি প্রকাশ করেছে। এসব নথিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে আসায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।   এবার প্রকাশিত নথিতে ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের একটি পুরোনো ছবি সামনে এসেছে। ছবিতে দেখা যায়, তিনি একটি সান লাউঞ্জারে হেলান দিয়ে বসে আছেন; তার হাতে একটি পানীয় এবং দুই পাশে বিকিনি পরিহিত দুই নারী অবস্থান করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।   দীর্ঘদিন মোটর নিউরন রোগে ভোগা স্টিফেন হকিং ২০১৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে মারা যান। বিরল এ রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় চলৎশক্তিহীন অবস্থায় জীবনযাপন করেন। দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছবিটি ২০০৬ সালে তোলা। সে সময় এপস্টেইনের অর্থায়নে আয়োজিত একটি বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে অংশ নিতে হকিং ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কোয়ান্টাম কসমোলজি বিষয়ে বক্তব্য দেন।   দ্য টাইমসের বরাতে জানা যায়, ওই সফরে ২১ জন বিজ্ঞানী সেন্ট থমাস দ্বীপ ও এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপ লিটল সেন্ট জেমসে অবস্থান করেছিলেন। আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় পাঁচতারকা রিটজ-কার্লটন হোটেলে।   প্রকাশিত নথিতে স্টিফেন হকিংয়ের নাম বহুবার উল্লেখ রয়েছে। তবে প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে, নথিতে কারও নাম থাকা মানেই তিনি কোনো অপরাধে জড়িত এমনটি নয়। এপস্টেইনের যৌন দাসত্বের শিকার দাবি করা ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অভিযোগ করেছিলেন, হকিং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে অর্গিতে অংশ নিয়েছিলেন। তবে এই অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
এপস্টেইন সংক্রান্ত নথিতে মোদির নাম, অভিযোগ প্রত্যাখ্যান ভারতের

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম থাকার যে তথ্য ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ‘চরম অবমাননাকর’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত সরকার।   শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এপস্টেইন ফাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে প্রচারিত একটি ই-মেইলে প্রধানমন্ত্রী মোদির ২০১৭ সালের ইসরায়েল সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে—বিষয়টি সরকার অবগত। তবে ওই সফরের তথ্য ছাড়া ই-মেইলে থাকা অন্যান্য সব বক্তব্য ভিত্তিহীন এবং একটি দণ্ডিত অপরাধীর কল্পনাপ্রসূত দাবি মাত্র।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারি সফরের অংশ হিসেবে ইসরায়েল সফর করেছিলেন। এটি একটি স্বীকৃত কূটনৈতিক সফর। তবে এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথিতে উল্লিখিত অন্যান্য ইঙ্গিত ও বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ধরনের অপপ্রচার অবজ্ঞাভরে প্রত্যাখ্যান করা উচিত।   উল্লেখ্য, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস) জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করে। মার্কিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানান, আইনি বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে এপস্টেইন–সম্পর্কিত সব নথি প্রকাশের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, তারই অংশ হিসেবে এসব তথ্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।   তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকাশিত নথির মধ্যে রয়েছে ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার দলিল, প্রায় দুই হাজার ভিডিও এবং এক লাখ ৮০ হাজারের বেশি ছবি। এপস্টেইনের অপরাধসংক্রান্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই নথিগুলো প্রকাশ করা হয়েছে।   ভারত সরকার স্পষ্ট করেছে, নথিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রসঙ্গ কেবল তাঁর ২০১৭ সালের ইসরায়েল সফরের তথ্যেই সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে মার্কিন হাউস ওভারসাইট কমিটি ও ড্রপ সাইট নিউজ-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০১৯ সালে এপস্টেইন ট্রাম্পের সাবেক কৌশলবিদ স্টিভ ব্যাননের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি সম্ভাব্য বৈঠকের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।   এ ছাড়া ২০১৭ সালের একটি ই-মেইলে মোদির ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল সফরকে ‘ইসরায়েল স্ট্র্যাটেজি’-র অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, নথিতে কোথাও এমন কোনো তথ্য নেই যা থেকে প্রমাণ হয় যে প্রধানমন্ত্রী মোদি বা তাঁর কার্যালয় এপস্টেইনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছিলেন।   প্রসঙ্গত, জেফরি এপস্টেইনকে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে যৌন অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। এর এক মাস পর নিউইয়র্কের একটি কারাগারে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   তথ্যসূত্র: দ্য হিন্দু, এনডিটিভি

শাহারিয়া নয়ন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Top week

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন
জাতীয়

তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করছে সরকার

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0