জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
উন্মুক্ত নির্বাচনী বিতর্কে তারেক রহমানকে মুখোমুখি আলোচনার আহ্বান জামায়াত আমিরের

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উন্মুক্ত মঞ্চে নির্বাচনী বিতর্কে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার রাত আটটার দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আমন্ত্রণ জানান।   ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ঘোষিত রাজনৈতিক পরিকল্পনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, একটি উন্মুক্ত মঞ্চে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে দুই নেতা জাতির সামনে নিজ নিজ নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করতে পারেন। তিনি প্রস্তাব করেন, এই বিতর্কের মাধ্যমে জনগণই তাদের জন্য উপযুক্ত নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে।   জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা প্রয়োজন, যেখানে সব রাজনৈতিক শক্তি জনগণের রায় ও ইচ্ছাকে সম্মান করার অঙ্গীকার করবে। তিনি উল্লেখ করেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল রাজনৈতিক বৈধতা অর্জন সম্ভব। জনআস্থা ও ন্যায্যতা ছাড়া কোনো নির্বাচনী ফল দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   ডা. শফিকুর রহমান জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিশেষ দায় রয়েছে। তাঁর ভাষায়, রাজনীতি যে ভদ্র, শালীন ও সংঘাতমুক্ত হতে পারে—এটি প্রমাণ করার এখনই উপযুক্ত সময়।   তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থার মানদণ্ড হওয়া উচিত এমন, যা গণমাধ্যম ও জনগণের সরাসরি নজরদারির মধ্যে থাকবে, সমালোচনার জন্য উন্মুক্ত হবে এবং যেখানে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
নওগাঁয় জামায়াত আমির
সব ধর্মের মানুষকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাবো

নওগাঁর ঐতিহাসিক এক নির্বাচনি জনসভায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দলটির আগামীর রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা ও জনকল্যাণমূলক ইশতেহার তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত এই জনসভায় তিনি তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আমরা যুবকদের অলস করে রাখতে চাই না। তাদের হাতে বেকার ভাতা ধরিয়ে না দিয়ে আমরা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই, যাতে তারা সম্মানের সাথে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে পারে।" উপস্থিত তরুণ প্রজন্মের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি অনেকটা রসিকতার ছলে বলেন, "এখানে তো যুবকদের বাইরে কাউকে দেখছি না। আপনাদের সাথে আজ আমিও একজন যুবক।"   সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিতর্ক ও আইডি হ্যাকিং প্রসঙ্গে তিনি সরাসরি পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির অনুসারীদের দায়ী করেন। তিনি বলেন, "যারা এ দেশে কেবল একটি পরিবারের শাসন দেখতে চায় এবং জনগণের উত্থানকে ভয় পায়, তারাই আমাদের কণ্ঠরোধ করতে সুপরিকল্পিতভাবে আইডি হ্যাকের মতো ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে।"   সামাজিক নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। চাঁদাবাজ, দখলদার এবং মিথ্যা মামলার কারিগরদের ভোটের দিন ব্যালটের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরও যোগ করেন, জামায়াত একটি সুশিক্ষিত ও মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে আপসহীনভাবে কাজ করে যাবে, যেখানে সব ধর্মের মানুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে বাস করবে।   জনসভায় জামায়াতের জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আগামীর নির্বাচনে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রদানের জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান স্থগিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এই ইশতেহার প্রকাশ করার কথা ছিল।   শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, অনিবার্য কারণে আজ ইশতেহার ঘোষণা করা হচ্ছে না।   জামায়াতে ইসলামীর মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমকে এই স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি জরুরি সফরে শেরপুর যাওয়ার কথা রয়েছে। আমিরের এই আকস্মিক ও জরুরি সফরের কারণেই মূলত ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।   স্থগিত হওয়া এই অনুষ্ঠানের পরবর্তী সময় ও তারিখ কবে নির্ধারণ করা হবে, তা রোববার বিকেলের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসায় রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। বিশেষ করে বড় দলগুলোর উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি জানতে সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।    

তাবাস্সুম জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ডা. শফিকুর রহমান
কুমিল্লা নামেই বিভাগ হবে: জামায়াত আমির

কুমিল্লা নামেই বিভাগ হবে এবং এটি বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী বদ্ধপরিকর। এমনকি অন্য কোনো দল সরকার গঠন করলেও এই দাবি আদায়ে তাঁদের বাধ্য করা হবে—এমনই সাহসী ও চূড়ান্ত ঘোষণা দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার রাতে কুমিল্লার ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে ১১ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। কেবল প্রশাসনিক সংস্কার নয়, বরং নারী শিক্ষা এবং পরমতসহিষ্ণু রাজনীতির এক নতুন রূপরেখা তুলে ধরেছেন তিনি।   কুমিল্লাবাসীর স্বপ্ন ও উন্নয়ন: জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে বিভাগের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে কোনো আপত্তি নেই, তবে কুমিল্লা বিভাগকে অবশ্যই তার নিজস্ব নামে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটি এখন তাঁর দলের জন্য একটি ‘পবিত্র দায়িত্ব’। পাশাপাশি কুমিল্লার ঝিমিয়ে পড়া বিমানবন্দরকে সচল করা এবং স্থানীয় ইপিজেডকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার মাধ্যমে এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র বদলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।   প্রতিশোধ নয়, নীতির রাজত্ব: বিগত সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমীর বলেন, “আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি করি না, বরং একে ‘হারাম’ মনে করি। দীর্ঘ দেড় দশকে জামায়াতে ইসলামীর ওপর যে অবর্ণনীয় জুলুম হয়েছে, নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে—এতকিছুর পরেও আমরা আইন হাতে তুলে নেব না। আমরা নীতির রাজ কায়েম করতে চাই, যেখানে একজন সাধারণ নাগরিকও মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হবে না।”   শিক্ষা ও সমাজ সংস্কার: নারী শিক্ষার প্রসারে এক বৈপ্লবিক ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে এ দেশের মেয়েরা সরকারি খরচে মাস্টার্স পর্যন্ত পড়াশোনা করতে পারবে। তিনি প্রশাসনকে কোনো দলের আনুকূল্য না করে জনগণের সেবক হওয়ার এবং গণমাধ্যমকে ‘জাতির বিবেক’ হিসেবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।   শহীদ পরিবারের প্রতি সংহতি: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আজ জাতি কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছে। জামায়াত প্রতিটি শহীদ পরিবারের পাশে সদস্য হিসেবে দাঁড়িয়েছে এবং ইনসাফ কায়েমের মাধ্যমে তাঁদের রক্তের ঋণ শোধ করতে চায়।   বক্তব্য শেষে তিনি কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থীদের হাতে নির্বাচনি প্রতীক তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার জোয়ার সৃষ্টি করেন। জনসভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এনসিপি ও ডাকসু’র প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ফেনীতে বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: ফেসবুক
ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে ফেনীতে বাঁধ নির্মাণ করা হবে: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন, ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের দুঃখ হিসেবে পরিচিত বাঁধটির সংকট নিরসনে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা হবে।    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে ১১ দলীয় জোটের বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।    তিনি বলেন, সীমান্তে ওপার থেকে ধেয়ে আসা পানির তোড়ে ফেনী যখন সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল, তখন তিনি নিজে কোমর পানি ভেঙে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি এখন বাংলাদেশের মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং জামায়াত ক্ষমতায় গেলে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে প্রতিবেশী দেশের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান করা হবে।   জনসভায় বক্তব্য প্রদানকালে ডা. শফিকুর রহমান ফেনী নদীর ন্যায্য হিস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শহীদ আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন যে, বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ দেশের পানির অধিকার নিয়ে কথা বলায় তাকে জীবন দিতে হয়েছে এবং আবরার ফাহাদকে ফেনীবাসীর কলিজায় জায়গা দেওয়ার আহ্বান জানান।     জামায়াত আমির আরও বলেন, আধিপত্যবাদের দোসররা আবরারের সত্য কথা সহ্য করতে না পেরে তাকে হত্যা করেছে। এই সময় তিনি ফেনীর উন্নয়নের একগুচ্ছ অঙ্গীকার করেন, যার মধ্যে একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন এবং ফেনীর স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি অন্যতম।   নির্বাচন ও গণতন্ত্রের রূপরেখা তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন যে, আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের প্রথম ভোট হবে স্বাধীনতার পক্ষে এবং দ্বিতীয় ভোট হবে সার্বভৌমত্ব রক্ষার পক্ষে। তিনি এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখান যেখানে বংশপরম্পরায় শাসন ব্যবস্থার সংস্কৃতি ভেঙে একজন রিকশাচালকের সন্তানও নিজের মেধা দিয়ে একদিন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারবে।    সমাবেশে তিনি ফেনী-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিনের হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ এবং ফেনী-২ আসনে জোট প্রার্থী জহিরুল ইসলামের হাতে ‘ঈগল’ প্রতীক তুলে দিয়ে ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। ১১টি দল এখন একাকার হয়ে কাজ করছে এবং এই জোটের বিজয় নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।   সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নারী অধিকার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির স্পষ্ট করেন যে, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরের বাইরে বের হতে দেবে না বলে যে অপপ্রচার চালানো হয় তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, তার দল মায়েদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা—দুটিই নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে এবং কওমি মাদ্রাসার ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখা হবে।    নির্বাচনী উত্তেজনার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি নেতাকর্মীদের মাথা ঠান্ডা রাখার পরামর্শ দেন এবং জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে ফলাফল নিশ্চিত করে ঘরে ফেরার কড়া নির্দেশ প্রদান করেন।

তাবাস্সুম জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Top week

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আমেরিকা

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0