বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

বিজয়ী বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের সাথে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরেছেন শিক্ষার্থী প্রত্যয় | ছবি : সংগৃহীত।
রসাটমের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে বাংলাদেশী স্কুলশিক্ষার্থী প্রত্যয়

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের সপ্তম আন্তর্জাতিক শিক্ষামূলক প্রকল্প আইসব্রেকার অব নলেজ-এর একজন বিজয়ী হিসেবে উত্তর মেরুতে এক বিরল অভিযানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্র মো. মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়।   বাংলাদেশসহ ২২টি দেশের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর সাথে প্রতিযোগিতা করে এই সম্মানজনক সুযোগ অর্জন করেছেন প্রত্যয়। গত ২৩ জুন মস্কোর মিউজিয়াম অব অ্যাটমিক এনার্জিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী আগস্ট মাসে তারা বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক আইসব্রেকার ৫০ লিয়েত পাবেদি-তে চড়ে সুমেরু বা আর্কটিক অঞ্চলে এক অনন্য অভিযানে অংশ নেবেন।   সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় রাশিয়ার পরমাণু সংস্থা রোসাটম।   তিনটি পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। পারমাণবিক শক্তি, আর্কটিক অনুসন্ধান এবং বিকাশমান নতুন প্রযুক্তির ওপর একটি বিজ্ঞান কুইজ, বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় শিক্ষামুলক ওয়েবিনার এবং কীভাবে পারমাণবিক প্রযুক্তি আজকের বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে শীর্ষক চূড়ান্ত উপস্থাপনা। বিজ্ঞান, শিক্ষা, পারমাণবিক শিল্প এবং আর্কটিক গবেষণায় যুক্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করেন।   প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থী প্রত্যয় তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আমার কাছে এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে, এমন একটি অনন্য সুযোগ পেয়েছি। এমন একটি অভিযানে অংশ নেওয়া কেবল ভ্রমণ নয়, বরং পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞানের জগৎ কতটা বিশাল হতে পারে, তা দেখার এক দারুণ সুযোগ। এটা আমি অনুপ্রেরণা হিসেবে ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে চাই।   বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী শিক্ষার্থীদের একত্রিত করবে এই অভিযান। এর মাধ্যমে তারা আর্কটিক অঞ্চল অন্বেষণ করার এবং পারমাণবিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি শীর্ষ বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য শোনা, কর্মশালায় অংশগ্রহণ, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মতবিনিময় সেশনের মাধ্যমে তারা রসাটমের পারমাণবিক আইসব্রেকার বহর সম্পর্কেও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।   রসাটম আয়োজিত আইসব্রেকার অব নলেজ প্রকল্পটি স্টেম (STEM) শিক্ষার প্রসার, তরুণ বৈজ্ঞানিক প্রতিভার বিকাশ এবং বিজ্ঞান ও প্রকৌশল খাতে ক্যারিয়ার গড়তে তরুণদের উৎসাহিত করে থাকে। একইসঙ্গে প্রকল্পটি আর্কটিক অঞ্চলের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সহযোগিতায় পারমাণবিক প্রযুক্তির ভূমিকা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে।   পাবনা প্রতিনিধি: এম এস রহমান

তাবাস্সুম জুন ২৮, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা: মাটিচাপা দেওয়ার পরও ১০ দিন ধরে চাওয়া হচ্ছিল মুক্তিপণ

সাইপ্রাসে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ ওরফে ইমনকে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রটির লারনাকা শহরের একটি এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য বলছে, নিখোঁজ হওয়ার রাতেই তাকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর লাশ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হলেও তার মুঠোফোন ব্যবহার করে পরিবারের কাছে দিনের পর দিন মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছিল।   নিহত শাহরিয়ার আহমেদ (২২) নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার লোচনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গ্রিসপ্রবাসী নাসির মিয়ার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে শাহরিয়ার ছিলেন সবার বড়। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় মাত্র তিন মাস আগে শিক্ষার্থী ভিসায় সাইপ্রাসে যান তিনি। সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ খুঁজছিলেন।   পারিবারিক সূত্র ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১১ জুন স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে মায়ের সঙ্গে শেষবারের মতো কথা বলেন শাহরিয়ার। তিনি জানান, একটি চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে এবং সেদিন রাতেই কাজে যোগ দেবেন। নতুন কাজ পাওয়ার খবরটি তিনি তার বাবা এবং একই এলাকার বাসিন্দা ও রুমমেট রায়হান মিয়াকেও জানিয়েছিলেন। সেদিন রাত ৯টার দিকে কাজের স্থানে পৌঁছে রুমমেটকে নিজের অবস্থানের তথ্য পাঠান শাহরিয়ার। এরপর থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।   কিছু সময় পর তার ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে পরিবারের কাছে একটি বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে দাবি করা হয়, শাহরিয়ারকে অপহরণ করা হয়েছে এবং তাকে ফিরে পেতে ৩৫ হাজার ইউরো দিতে হবে। শুরুতে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে পারেননি। তাদের ধারণা ছিল, হয়তো তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে।   কিন্তু পরদিন সকালেও শাহরিয়ার বাসায় না ফেরায় উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমমেট রায়হান স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ তার পাঠানো সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুসরণ করে অনুসন্ধান চালালেও প্রথমদিকে কোনো সাফল্য পায়নি। এদিকে প্রতিদিনই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছিল এবং অর্থ দাবি করা হচ্ছিল। শাহরিয়ারের ব্যবহৃত নম্বরটি সারাক্ষণ সক্রিয় থাকায় পরিবার শেষ পর্যন্ত তাকে জীবিত উদ্ধারের আশায় আলোচনায় বসে। একপর্যায়ে দাবি করা অর্থ কমিয়ে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকায় সমঝোতার চেষ্টা করা হয়।   পরিবারের সদস্যরা জানান, অর্থ পাঠানোর প্রস্তুতির মধ্যেই তারা জানতে পারেন যে সাইপ্রাস পুলিশ শাহরিয়ারের মরদেহ উদ্ধার করেছে। সাইপ্রাস পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, নিখোঁজ হওয়ার রাতেই শাহরিয়ারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ লারনাকার কোফিনু এলাকার একটি স্থানে মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়। গত রোববার সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে।   এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২২ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে সাইপ্রাস পুলিশ। স্বজনদের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মরদেহ এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এখনো ঘটনার সব তথ্য প্রকাশ করেনি।   শাহরিয়ারের পরিবার জানায়, বিদেশে পড়াশোনার খরচ চালাতে প্রতি মাসে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করতে হতো। পরিবারের ওপর চাপ কমাতে তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি একটি চাকরি খুঁজছিলেন। নতুন কাজ পাওয়ার আনন্দ নিয়ে যে তরুণ সেদিন রাতে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার জীবন থেমে যায়।   নিহত শিক্ষার্থীর মা পাপিয়া বেগম ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়। রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানিয়েছেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। নিহতের পরিবার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।   বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে যাওয়া এক তরুণের এমন মর্মান্তিক পরিণতি বাংলাদেশি প্রবাসী সমাজেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুন ২২, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও অংশীদারিত্ব জোরদারে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইল ইউজিসি

বিমসটেক ও ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে উচ্চশিক্ষায় অংশীদারিত্ব জোরদারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। সোমবার (১৮ মে) ইউজিসিতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নেটওয়ার্কিং বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।   ইউজিসি সদস্য ও চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত সুহাদা ওথমান, মালয়েশিয়ার হায়ার এডুকেশন লিডারশিপ একাডেমির পরিচালক ড. হারশিতা আইনি হারুন, ইউজিসি সচিব ড. ফখরুল ইসলামসহ দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।   প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর আনোয়ার হোসেন বলেন, যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, উচ্চশিক্ষা–সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দেশ একসাথে কাজ করতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিশ্ব র‌্যাংকিং, শিক্ষার্থীদের চাকরির উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে তিনি মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।   সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর সাইদুর রহমান বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, শিক্ষা এখন দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ। এই নেটওয়ার্কিং ইভেন্টটি দুই দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে অর্থবহ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে একটি কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এই আয়োজনে বাংলাদেশের প্রায় ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন, যা উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষ ও আন্তর্জাতিকীকরণের প্রতি যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।   মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত সুহাদা ওথমান জানান, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানসম্পন্ন শিক্ষা, তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয় এবং নিরাপদ পরিবেশের কারণে মালয়েশিয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। বর্তমানে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১১ হাজার ৪০১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন, যা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যার বিচারে তৃতীয়। এদের অধিকাংশেরই পছন্দ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।   এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস (ইএমজিএস)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নভি তাজউদ্দীন সভায় একটি ইতিবাচক তথ্য তুলে ধরে বলেন, গত বছরের তুলনায় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গুণগত শিক্ষা ও আধুনিক একাডেমিক পরিবেশের কারণেই মূলত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।   উক্ত দ্বিপাক্ষিক সভায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি), উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি), কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার), রেজিস্ট্রার এবং মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম মে ১৭, ২০২৬ ১৪:০
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়তু চৌধুরী ও তার স্ত্রী অ্যাশলে ইয়ামিলত
‘মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম’— আইসিই হেফাজতের পর যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) হেফাজতে দুই মাস থাকার পর ‘অমানবিক’ পরিস্থিতির অভিযোগ তুলে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করেছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়তু চৌধুরী। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।   টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৩ ডিসেম্বর আইসিই এজেন্টদের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর জয়তুকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের একাধিক ডিটেনশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় বন্দিশিবিরের পরিবেশ তার মানসিক ও আবেগীয় স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।   জয়তু বলেন, ওই পরিবেশ তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয় এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শক্তি হারিয়ে ফেলেন। তার ভাষায়, “ব্যবস্থাটি এমন যে মানুষ ধীরে ধীরে লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।”   জয়তু চৌধুরী ২০২১ সালে এফ-১ স্টুডেন্ট ভিসায় ইলিনয় ওয়েসলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিন্যান্স ও কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে পড়াশোনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। তবে ২০২৫ সালের আগস্টে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনসংক্রান্ত জটিলতায় তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।   এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং খুচরা চুরির মতো পূর্ববর্তী কিছু অভিযোগ ছিল, যেগুলোর জন্য তিনি অনুতপ্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   আইসিই হেফাজতে থাকার সময় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সুযোগ-সুবিধার অভাবের অভিযোগ করেন জয়তু। তবে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানায়, তাদের ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে যথাযথ চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।   জয়তুর স্ত্রী অ্যাশলে ইয়ামিলত একজন মার্কিন নাগরিক। শুরুতে তিনি স্ত্রীর কাছে ফিরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিজের জীবন পুনর্গঠনের চেষ্টা করতে চেয়েছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় বন্দিশিবিরে থাকার অভিজ্ঞতা তাকে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য করে।   শেষ পর্যন্ত তিনি ‘সেলফ-ডিপোর্টেশন’ বা স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে আইসিইর সঙ্গে তার ফেরার টিকিট নিয়ে মতবিরোধও তৈরি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমান প্রশাসন স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করছে বলে জানা গেছে।

Unknown এপ্রিল ২০, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
উচ্চশিক্ষায় সুযোগ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে তাঁর দপ্তরে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বেস্ট ফিউচার জেনারেশন্স’ বিষয়ক বিশেষ দূত চার্লস জে হার্ডারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।   বৈঠকে শিক্ষা ও সামাজিক খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার এবং উচ্চশিক্ষায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সুযোগ বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।   চার্লস জে হার্ডার বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বাল্যবিবাহ, শিশু নির্যাতন ও পুষ্টিহীনতার মতো সমস্যা রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও বিদ্যালয়ের খাদ্য কর্মসূচি, শিশুস্বাস্থ্যসহ সংশ্লিষ্ট খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।   জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে সরকার নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, সারাদেশে মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচি চালু, শিক্ষার্থীদের জন্য পোশাক সরবরাহ এবং খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা।   তিনি আরও জানান, শিক্ষার আধুনিকায়ন, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন এবং শিক্ষাকে আনন্দমুখর করতে বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ও কৃষি শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে।   বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণ সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিক্ষা খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদও জানান তিনি।   এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন উপস্থিত ছিলেন।

Unknown এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: ফাইল ফটো
অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসা: অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর আবেদন প্রত্যাখ্যান

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোম অ্যাফেয়ার্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ থেকে করা স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের ৫১ শতাংশই প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি আবেদনকারী ভিসা পেতে ব্যর্থ হয়েছেন, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ভিসা অনুমোদনের হারের রেকর্ড গড়েছে।   টাইমস হায়ার এডুকেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে বিদেশ থেকে করা উচ্চশিক্ষার সামগ্রিক ভিসা আবেদনের মাত্র ৬৭.৬ শতাংশ অনুমোদন পেয়েছে। কেবল বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশেও প্রত্যাখ্যানের হার বেড়েছে। নেপালে ৬৫ শতাংশ, ভারতে ৪০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৩৮ শতাংশ এবং ভুটানে ৩৬ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়েছে। এর বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন গত বছরের তুলনায় ৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ এখন আবেদনকারীদের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা ‘জেনুইন স্টুডেন্ট’ কি না, তা যাচাইয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কঠোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার কারণেই বিপুল সংখ্যক আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, গত বছরের তুলনায় আবেদন বৃদ্ধির হার নেপালে ৯১ শতাংশ এবং ভারতে ৩৬ শতাংশ হলেও চীন থেকে আবেদনের হার কমেছে।   ভিসা প্রত্যাখ্যানের এই ঊর্ধ্বগতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া। সংগঠনটির মতে, এই পরিস্থিতি অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর 'ঝুঁকি' রেটিং বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।   অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এখন থেকে আরও বেশি সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, আবেদন জমা দেওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং প্রস্তুতির বিষয়গুলো আরও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা প্রয়োজন, যাতে প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।

তাবাস্সুম এপ্রিল ১৬, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Top week

নিহত গুগল কর্মকর্তা শীতল রজেসিয়েন। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে গুগলের শীর্ষ ভারতীয় নারী কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা করলেন স্বামী, ছেলেও হাসপাতালে

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুলাই ১২, ২০২৬ ১৪:০