সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে নাগরিকত্ব পাওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ও নতুন শর্ত জানাল ইউএসসিআইএস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ২২:২
মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করার সূত্রে নাগরিকত্বের আবেদন করতে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করার সূত্রে নাগরিকত্বের আবেদন করতে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিককে বিয়ে করলেই বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী দেশটির নাগরিকত্ব পেয়ে যান না। বিয়ের সূত্রে তুলনামূলক কম সময়ে নাগরিকত্বের আবেদন করার সুযোগ থাকলেও এ জন্য নির্দিষ্ট বয়স, বৈধ স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস এবং দাম্পত্য সম্পর্কের শর্ত পূরণ করতে হয়। দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) জানিয়েছে, এ প্রক্রিয়ায় আবেদন জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। এ নিয়ম যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিককে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্বের আবেদন করা বিদেশি স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

 

ইউএসসিআইএসের নির্দেশনা অনুযায়ী, অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের ৩১৯(এ) ধারায় আবেদন করতে হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীকে অন্তত তিন বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। সাধারণত গ্রিন কার্ডধারী হিসেবে এই তিন বছরের সময় গণনা করা হয়। শুধু বিয়ে সম্পন্ন হওয়া বা মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে সম্পর্ক থাকাই যথেষ্ট নয়। আবেদনকারীকে নির্ধারিত সময়জুড়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের শর্তও পূরণ করতে হবে।

 

এ ছাড়া আবেদন জমা দেওয়ার আগের তিন বছর আবেদনকারীকে মার্কিন নাগরিক স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে প্রকৃত দাম্পত্য সম্পর্কে বসবাস করতে হবে। এই সময়ের পুরোটা জুড়ে তাঁর সঙ্গীকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক থাকতে হবে। আবেদন করার পর নাগরিকত্বের শপথ নেওয়া পর্যন্ত বৈধ বিবাহ বহাল রাখার শর্তও রয়েছে। অর্থাৎ, কেবল কাগজে-কলমে বিয়ে থাকলেই হবে না, সংশ্লিষ্ট অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী দাম্পত্য সম্পর্কের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

 

আবেদনের আগে অন্তত তিন মাস সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্য বা ইউএসসিআইএসের নির্ধারিত জেলায় বসবাস করতে হবে। পাশাপাশি আবেদন করার আগের তিন বছরে অন্তত ১৮ মাস যুক্তরাষ্ট্রে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকার শর্ত রয়েছে। বিদেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে স্থায়ী বসবাসের ধারাবাহিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই নাগরিকত্বের আবেদন করার আগে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে কাটানো সময়সহ নিজের বসবাসের রেকর্ড যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

 

নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নৈতিক চরিত্রও বিবেচনা করা হয়। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, আবেদন জমা দেওয়ার আগের অন্তত তিন বছরের জন্য ভালো নৈতিক চরিত্রের প্রমাণ দিতে হবে এবং নাগরিকত্বের শপথ নেওয়া পর্যন্ত এ যোগ্যতা বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের মূলনীতির প্রতি আনুগত্য এবং দেশটির আইন ও শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বিষয়টিও বিবেচনায় আসে। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত ও অভিবাসন-সংক্রান্ত রেকর্ডের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ এসব শর্ত যাচাই করতে পারে।

 

আবেদনকারীদের সাধারণত ইংরেজি ভাষা ও যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস এবং সরকারব্যবস্থা সম্পর্কে নাগরিকত্ব পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। নির্দিষ্ট বয়স, দীর্ঘদিনের স্থায়ী বসবাস বা প্রতিবন্ধকতার মতো কিছু পরিস্থিতিতে আইন অনুযায়ী ছাড় থাকতে পারে। তবে সব আবেদনকারীর ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। আবেদন জমা দেওয়ার পর ইউএসসিআইএস প্রয়োজনীয় নথি যাচাই, সাক্ষাৎকার এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে। আবেদন অনুমোদিত হলেও নাগরিকত্বের শপথ নেওয়ার আগে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নাগরিক হন না।

 

মার্কিন নাগরিকদের বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর জন্য এই তিন বছরের পথটি সাধারণত তাঁদের জন্য প্রযোজ্য, যাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করছেন এবং আইনের অন্যান্য শর্ত পূরণ করেন। অন্যদিকে, সাধারণ নিয়মে নাগরিকত্বের আবেদন করতে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর বসবাসের শর্ত থাকে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নির্দিষ্ট কিছু স্বামী বা স্ত্রীর ক্ষেত্রে আলাদা বিধানও রয়েছে। তাই বিয়ের ভিত্তিতে নাগরিকত্বের আবেদন করার আগে আবেদনকারীর নিজস্ব অভিবাসন-অবস্থা অনুযায়ী ইউএসসিআইএসের নির্দেশনা যাচাই করা প্রয়োজন।

 

সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস), যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও জাতীয়তা আইন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
২০২৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মীদের জন্য ২৫০টির বেশি প্রেসক্রিপশনভিত্তিক ওষুধে বিনা খরচের সুবিধা চালু করছে ওয়ালমার্ট। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ওয়ালমার্টের কর্মীরা বিনা খরচে পাবেন ২৫০টির বেশি ওষুধ, থাকছে ডায়াবেটিসের চিকিৎসাও

যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট কর্মীদের স্বাস্থ্যসুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা ২৫০টির বেশি প্রেসক্রিপশনভিত্তিক ওষুধ বিনা খরচে পাওয়ার সুযোগ পাবেন। নতুন সুবিধার তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন জেনেরিক, ব্র্যান্ড ও বিশেষায়িত ওষুধের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ইনসুলিন ও ইনহেলার। টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত যোগ্য কর্মীদের জন্য কিছু জিএলপি-১ ওষুধও বিনা খরচে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকছে। তবে কোন কর্মী কোন ওষুধ পাবেন, তা নির্ভর করবে তাঁর স্বাস্থ্যবিমা পরিকল্পনা ও চিকিৎসাগত যোগ্যতার ওপর।   রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি নিয়োগদাতা ওয়ালমার্টের দেশটিতে প্রায় ১৬ লাখ কর্মী রয়েছেন। কর্মীদের বার্ষিক স্বাস্থ্যবিমা নিবন্ধনের সময় নতুন সুবিধাগুলোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের এই নিবন্ধনপর্ব ৬ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। ওয়ালমার্টের প্রধান জনবল কর্মকর্তা ডোনা মরিস কর্মীদের উদ্দেশে পাঠানো এক বার্তায় বলেছেন, কর্মী ও তাঁদের পরিবারের জন্য আরও সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি নতুন সুবিধা যুক্ত করছে।   ওয়ালমার্টের আনুষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থায় ২৫০টির বেশি ওষুধের জন্য শূন্য ডলারের একটি স্তর চালু হচ্ছে। অর্থাৎ, তালিকাভুক্ত ওষুধগুলো নির্ধারিত শর্তে নিতে কর্মীদের নিজস্ব অর্থ খরচ করতে হবে না। তবে তালিকার বাইরে থাকা অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সহ-অর্থ পরিশোধ করতে হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনার আওতায় থাকা অন্যান্য ওষুধের জন্য জেনেরিক ওষুধে সর্বোচ্চ ৪ ডলার, ব্র্যান্ডের ওষুধে সর্বোচ্চ ৫০ ডলার এবং বিশেষায়িত ওষুধে সর্বোচ্চ ২৫০ ডলার পর্যন্ত সহ-অর্থ দিতে হতে পারে। স্বাস্থ্যবিমার ধরন অনুযায়ী কিছু নিয়মে পার্থক্যও রয়েছে।   নতুন সুবিধার আলোচিত অংশগুলোর একটি হলো জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধ। টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত এই শ্রেণির কিছু ওষুধ যোগ্য কর্মীদের বিনা খরচে দেওয়া হবে। তবে এ সুবিধাকে ওজন কমানোর জন্য ব্যবহৃত সব জিএলপি-১ ওষুধের বিনা মূল্যে প্রাপ্যতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। নির্দিষ্ট ওষুধ, চিকিৎসার প্রয়োজন এবং বিমা পরিকল্পনার শর্ত অনুযায়ী সুবিধা নির্ধারিত হবে। একই সঙ্গে কিছু ইনসুলিন ও ইনহেলারও নতুন তালিকায় যুক্ত হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত কর্মীদের নিয়মিত চিকিৎসার ব্যয় কমাতে সহায়তা করতে পারে।   ওষুধের পাশাপাশি জটিল ও বিরল রোগের চিকিৎসা-পরামর্শ পাওয়ার সুযোগও বাড়াচ্ছে ওয়ালমার্ট। প্রতিষ্ঠানটির ঘোষণা অনুযায়ী, একাধিক স্ক্লেরোসিস, পারকিনসনস রোগ এবং অ্যামিওট্রফিক ল্যাটেরাল স্ক্লেরোসিস বা এএলএসে আক্রান্ত কিংবা এসব রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে থাকা যোগ্য কর্মী ও তাঁদের নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যরা বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন নিতে পারবেন বিনা খরচে। এ জন্য মায়ো ক্লিনিক ও ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের মতো চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বিশেষায়িত সেবা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্ধারিত শর্তে রোগী ও তাঁর সঙ্গে যাওয়া একজন প্রাপ্তবয়স্ক পরিচর্যাকারীর যাতায়াতের খরচও বহন করবে প্রতিষ্ঠানটি।   নবজাতকের গুরুতর চিকিৎসার প্রয়োজন হলে কর্মীদের পাশে দাঁড়াতেও নতুন সুবিধা যুক্ত করছে ওয়ালমার্ট। আগামী নভেম্বর থেকে যেসব কর্মীর নবজাতককে নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করতে হবে, তাঁরা সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহের বেতনসহ ছুটি পাওয়ার যোগ্য হবেন। এ ছুটি নির্ধারিত শর্তে কর্মীদের জন্য আগে থেকে থাকা মাতৃত্বকালীন ও অভিভাবকত্বকালীন ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া যাবে। ফলে নবজাতকের দীর্ঘ চিকিৎসার সময় পরিবারকে কর্মস্থল ও হাসপাতালের দায়িত্ব সামলাতে কিছুটা বাড়তি সুযোগ দেওয়া হবে।   তবে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি ওয়ালমার্ট স্বাস্থ্যবিমার প্রাথমিক পরিকল্পনার প্রিমিয়ামও বাড়াচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালে দুই সপ্তাহ অন্তর বেতন থেকে কাটা প্রাথমিক প্রিমিয়াম ১ ডলার ৫০ সেন্ট বেড়ে ৩৯ ডলার ৮০ সেন্ট হবে। অর্থাৎ, কর্মীরা নতুন ওষুধ ও চিকিৎসাসুবিধা পেলেও তাঁদের স্বাস্থ্যবিমার নির্ধারিত খরচ কিছুটা বাড়বে। পূর্ণকালীন কর্মীদের পাশাপাশি নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণকারী খণ্ডকালীন কর্মীরাও স্বাস্থ্যবিমায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।   ওয়ালমার্ট এর আগেও কর্মীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার গঠনে সহায়তা এবং অন্যান্য চিকিৎসাসুবিধা দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, যোগ্য কর্মী ও পরিবারের সদস্যরা বছরে ২০টি পর্যন্ত মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং সেশন বিনা খরচে নিতে পারেন। সন্তান ধারণে সহায়তা, দত্তক গ্রহণ বা সারোগেসির মতো প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে। নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে ওষুধের খরচ ও জটিল রোগের বিশেষজ্ঞ সেবায় আর্থিক বাধা কমানোই প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য।   যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা ও প্রেসক্রিপশনভিত্তিক ওষুধের ব্যয় অনেক পরিবারের জন্য বড় আর্থিক চাপ তৈরি করে। এমন পরিস্থিতিতে ওয়ালমার্টের নতুন সুবিধা যোগ্য কর্মীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে সব ওষুধ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে একই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। কর্মীদের নিজ নিজ স্বাস্থ্যবিমা পরিকল্পনা, ওষুধের তালিকা এবং যোগ্যতার শর্ত যাচাই করে নিতে হবে।   সূত্র: রয়টার্স, ওয়ালমার্টের করপোরেট ওয়েবসাইট।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ২২:১৪
মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করার সূত্রে নাগরিকত্বের আবেদন করতে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে নাগরিকত্ব পাওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ও নতুন শর্ত জানাল ইউএসসিআইএস

যুক্তরাষ্ট্রে ওবামাকেয়ারের ১ লাখ ৮৯ হাজার নিবন্ধনের বিপরীতে সরকারি ভর্তুকি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে ওবামাকেয়ারের ১ লাখ ৮৯ হাজার নিবন্ধনের ভর্তুকি বন্ধ করলেন ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা আইসের বিরুদ্ধে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট ও কাজের অনুমতিপত্র ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র ও ব্যক্তিগত জিনিস আটকে রাখার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আইসিই এর বিরুদ্ধে মামলা

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিশ্বাসের জেরে গ্রাহকদের সেবা না দেওয়ার অভিযোগ ৯ ব্যাংকের বিরুদ্ধে
যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিশ্বাসের জেরে গ্রাহকদের সেবা না দেওয়ার অভিযোগ ৯ ব্যাংকের বিরুদ্ধে

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নয়টি ব্যাংক রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা সামাজিক বিশ্বাসের কারণে গ্রাহকদের আর্থিক সেবা প্রদান থেকে বঞ্চিত করেছে। বুধবার প্রকাশিত অফিস অব দ্য কন্ট্রোলার অব দ্য কারেন্সি (ওসিসি)-এর এক নিয়ন্ত্রকমূলক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।   জেপি মরগান চেজ, ব্যাংক অব আমেরিকা, সিটিব্যাংক, ওয়েলস ফার্গো, ইউ.এস. ব্যাংক, ক্যাপিটাল ওয়ান, পিএনসি ব্যাংক, টিডি ব্যাংক এবং বিএমও ব্যাংক—এই নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক লাখ অভিযোগ এবং ৫০ হাজার নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।   পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় আর্থিক ঝুঁকির পরিবর্তে আদর্শিক অবস্থানকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যার ফলে অনেক বৈধ গ্রাহক এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ব্যাংকিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বিশেষ করে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, কয়লা খনি, আগ্নেয়াস্ত্র উৎপাদন ও বিক্রি এবং তামাক বা ই-সিগারেট ব্যবসার মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল খাতগুলোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।   ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আর্থিক ব্যবস্থাকে ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিল। 'গ্যারান্টিং ফেয়ার অ্যাক্সেস টু ব্যাংকিং ফর অল আমেরিকানস' শীর্ষক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিশেষ নির্বাহী আদেশের ভিত্তিতেই এই পর্যালোচনাটি পরিচালিত হয়।   ওসিসির কন্ট্রোলার অব দ্য কারেন্সি জোনাথন গোল্ড জানিয়েছেন, আজকের প্রতিবেদনটি স্পষ্ট প্রমাণ দিচ্ছে যে দেশের বড় ব্যাংকগুলো গ্রাহক ও বৈধ ব্যবসাগুলোর সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সব মার্কিন নাগরিকের আর্থিক সেবা পাওয়ার সমান অধিকার রয়েছে।   তবে ব্যাংকগুলোর দাবি, তারা এখন সুনামের ঝুঁকির চেয়ে আর্থিক ঝুঁকি ও অন্যান্য ব্যবসায়িক বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। জেপি মরগান চেজ ব্যাংক জানিয়েছে, তারা গ্রাহকদের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি অনুসরণ করে না এবং চলমান নিয়ন্ত্রণমূলক পরিবেশই ব্যাংক খাতে এমন মাত্রাতিরিক্ত সতর্কতার জন্ম দিয়েছে, যা দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এ ধরনের বৈষম্য রোধে ওসিসি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ১৯:৩০
নিউইয়র্কে ম্যাসেজের নামে দুই নারী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, আদালতে নিউরোলজিস্ট

নিউইয়র্কে ম্যাসেজের নামে দুই নারী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, আদালতে নিউরোলজিস্ট

ফ্লোরিডায় বাড়ি দেখতে গিয়ে বাথরুমে কিশোরকে যৌ ন নিপীড়নের অভিযোগ, গ্রেপ্তার উরিয়েল পেরেজ

ফ্লোরিডায় বাড়ি দেখতে গিয়ে বাথরুমে কিশোরকে যৌ ন নিপীড়নের অভিযোগ, গ্রেপ্তার উরিয়েল পেরেজ

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে ৫৪০ দিনের বিশেষ সুবিধা বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে ৫৪০ দিনের বিশেষ সুবিধা বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রে ৭০ শতাংশ শহরে বাড়ির দাম কমেছে, ব্যতিক্রম মিডওয়েস্টের কয়েকটি শহর
যুক্তরাষ্ট্রে ৭০ শতাংশ শহরে বাড়ির দাম কমেছে, ব্যতিক্রম মিডওয়েস্টের কয়েকটি শহর

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শহরগুলোতে গত এক বছরে বাড়ির দাম কমলেও, অপ্রত্যাশিতভাবে কিছু মাঝারি শহর আবাসন বাজারে রীতিমতো চমক দেখাচ্ছে। স্মার্টঅ্যাসেট-এর সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি প্রধান শহরের মধ্যে ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহরে বাড়ির দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।   শহরটিতে গত এক বছরে বাড়ির দাম ৫.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ঠিক পরেই রয়েছে নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের লিংকন শহর, যেখানে দাম বেড়েছে ৪.১ শতাংশ। মজার বিষয় হলো, আবাসন খাতের এই দৌড়ে মিডওয়েস্টের এই শহরগুলো নিউইয়র্ক সিটি এবং সান ফ্রান্সিসকোর মতো মেগাসিটিগুলোকেও পেছনে ফেলেছে, যেখানে দাম বেড়েছে আনুমানিক ৪ শতাংশ।   টলেডোর এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে মূল কারণ হিসেবে শহরটির সাশ্রয়ী জীবনযাত্রাকে তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। স্মার্টঅ্যাসেটের তথ্যমতে, গত ফেব্রুয়ারিতে শহরটির একটি সাধারণ বাড়ির গড় মূল্য ছিল মাত্র ১ লাখ ২৬ হাজার ২৭০ ডলার। বড় মেট্রোপলিটান শহরগুলোতে বাড়ির আকাশছোঁয়া দামের কারণে ক্রেতারা এখন অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী এই শহরগুলোর দিকে ঝুঁকছেন।   এছাড়া বাজারে বাড়ির সীমিত সরবরাহের কারণেও সেখানে চাহিদা তুঙ্গে রয়েছে। অন্যদিকে, নেব্রাস্কার লিংকনে একটি সাধারণ বাড়ির গড় মূল্য বর্তমানে ২ লাখ ৮৫ হাজার ডলারের কাছাকাছি। শহরটির আবাসন বাজার বিক্রেতাদের জন্য অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও লাভজনক হয়ে উঠেছে, যেখানে বাজারে বিক্রির জন্য বাড়ির তালিকা বাড়লেও বছরওয়ারি হিসেবে বিক্রয়মূল্য ৬.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।   মিডওয়েস্টের শহরগুলোতে এমন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক চিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ শহরে বাড়ির দাম কমেছে। সান ফ্রান্সিসকোতে কিছুটা দাম বাড়লেও, এর নিকটবর্তী শহর অকল্যান্ডে বাড়ির দাম সবচেয়ে বেশি (৯.১ শতাংশ) কমেছে।   এছাড়া ফ্লোরিডার সেন্ট পিটার্সবার্গ এবং নেপলসে উল্লেখযোগ্য হারে দাম কমেছে। টেক্সাসের অস্টিনেও প্রায় ৬ শতাংশ দরপতন রেকর্ড করা হয়েছে।   এদিকে, সাধারণ আবাসন বাজারে দরপতন চললেও আমেরিকার অভিজাত ও বিলাসবহুল এলাকাগুলোর চিত্র একেবারেই ভিন্ন। প্রপার্টিশার্ক-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি বিলিয়নিয়ারদের প্রিয় এলাকা ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাথারটন দেশের প্রথম জিপ কোড হিসেবে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) ডলারের বেশি গড় বিক্রয়মূল্যের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।   গত বছরের তুলনায় এই এলাকায় বাড়ির দাম ২৯ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনটির লেখক এলিজা থিসের মতে, ধনী ক্রেতারা অর্থনৈতিক মন্দা বা সাশ্রয় সংকটের ঊর্ধ্বে থাকেন, যে কারণে বিলাসবহুল বাজারগুলো তাদের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারে। হ্যাম্পটনসের সাগাপোনাক ও ব্রিজহ্যাম্পটনও তালিকার শীর্ষস্থানগুলোতে রয়েছে। তবে বিলাসবহুল বাজারও পুরোপুরি ঝুঁকিহীন নয়, যার প্রমাণ মায়ামি সৈকতের ফিশার আইল্যান্ড; গত বছর শীর্ষে থাকা এই এলাকার বাড়ির গড় দাম ২৪ শতাংশ কমে এবার তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ১৭:৫৯
যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতা বাড়ছে ৩.৬ শতাংশ, সুবিধা পাবেন সাড়ে ৭ কোটি মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতা বাড়ছে ৩.৬ শতাংশ, সুবিধা পাবেন সাড়ে ৭ কোটি মানুষ

নিউইয়র্কবাসীর জন্য সুখবর, বিদ্যুৎ বিলের খরচ কমাতে ডাকযোগে আসছে ২০০ ডলার পর্যন্ত রিবেট চেক

নিউইয়র্কবাসীর জন্য সুখবর, বিদ্যুৎ বিলের খরচ কমাতে ডাকযোগে আসছে ২০০ ডলার পর্যন্ত রিবেট চেক

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ ফুট উঁচু ঝরনার নিচে মৃ ত্যুফাঁদ, প্রাণ গেল ২৪ বছরের সাহিল জিলানির

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ ফুট উঁচু ঝরনার নিচে মৃ ত্যুফাঁদ, প্রাণ গেল ২৪ বছরের সাহিল জিলানির

0 Comments