সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে হামলা চালানো কিশোর ছিল ওই বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ২২:১০
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে হামলার পর তদন্ত চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে হামলার পর তদন্ত চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের বেন্ড শহরের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে হামলা চালিয়ে তিন শিশু ও এক শিক্ষককে হত্যার ঘটনায় ১৬ বছর বয়সী সন্দেহভাজন কিশোর গ্রিফিন জে. জন দ্বিতীয় ওই বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয়ে ঢুকে সে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের একটি শ্রেণিকক্ষে গুলি চালায়। ওই শ্রেণিকক্ষে একসময় নিজেও পড়াশোনা করত সে। হামলায় আরও এক শিশু ও এক শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর বাবা কাইলুব জিয়ামাঙ্কোর গুলিতে ওই কিশোর নিহত হয়।

 

বার্তা সংস্থা এপি ও রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫৯ মিনিটে স্কুলের কাছে গুলির ঘটনার খবর পায় জরুরি সেবা বিভাগ। প্রথম দিকে একটি গাড়িতে গুলি চালানোর খবর এলেও পরে একাধিক ফোনে বিদ্যালয়ের ভেতরে বন্দুকধারী প্রবেশের তথ্য জানানো হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এর আগেই হামলাকারীকে থামাতে এগিয়ে এসেছিলেন কয়েকজন ব্যক্তি। তাঁদের মধ্যে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক এবং দুই শিক্ষার্থীর বাবা কাইলুব জিয়ামাঙ্কো ছিলেন।

 

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রিফিন পায়ে হেঁটে বিদ্যালয়ে আসে। তার কাছে ছিল মায়ের কেনা একটি ১২-গেজ পাম্প-অ্যাকশন শটগান। প্রথমে বিদ্যালয়ের সামনের প্রবেশপথ দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করার সময় বাধার মুখে পড়ে সে। এরপর পেছনের প্রবেশপথের দিকে গিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। বিদ্যালয়ের শিশুদের সুরক্ষায় প্রবেশপথে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। তবে সেটি অতিক্রম করে সে বিশেষ শিক্ষা বিভাগের শ্রেণিকক্ষে পৌঁছে গুলি চালায়।

 

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুসারে, হামলার সময় সর্বোচ্চ ১৫টি গুলি ছোড়া হয়ে থাকতে পারে। পরে হামলাকারীর কাছে আরও ৪৪টি গুলি পাওয়া যায় বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হামলার পেছনে তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি তদন্তকারীরা। বিদ্যালয়টিতে হামলার আগে বা পরে তার আচরণ সম্পর্কে কী তথ্য পাওয়া গেছে, কীভাবে সে গোলাবারুদ সংগ্রহ করেছিল এবং হামলার পরিকল্পনা কতটা আগে থেকে করেছিল, এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

এ ঘটনায় নিহত চারজনের মধ্যে পাঁচ, আট ও ১১ বছর বয়সী তিন শিশু এবং ২৫ বছর বয়সী শিক্ষক মেগান ল্যামবার্ট রয়েছেন। আহত সাত বছর বয়সী এক শিশু ও ৫৪ বছর বয়সী আরেক শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের অবস্থা গুরুতর বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহত শিশুদের মধ্যে পাঁচ বছর বয়সী রোয়াম সামারের পরিচয় প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। অন্য শিশুদের পরিচয় পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে আপাতত প্রকাশ করা হয়নি।

 

নিহত শিক্ষক মেগান ল্যামবার্ট বেন্ড শহরের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর পরিবারের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, তিনি বোইসি স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা শেষ করেছিলেন এবং খেলাধুলার প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল। তিনি স্থানীয় পর্যায়ে কোচ হিসেবেও কাজ করতেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, মেগান অন্যায়ের শিকার মানুষের পাশে দাঁড়াতেন এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি তাঁর গভীর মমতা ছিল। হামলার সময়ও তিনি শিক্ষার্থীদের রক্ষার চেষ্টা করেছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

 

কাইলুব জিয়ামাঙ্কো নিজের দুই মেয়ের বিদ্যালয়ে হামলার খবর শুনে সেখানে ছুটে যান। তিনি মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শেষে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। গুলির শব্দ শুনে স্কুলের দিকে এগিয়ে গিয়ে হামলাকারীকে অনুসরণ করেন এবং একপর্যায়ে তাকে গুলি করেন। পুলিশের তথ্য ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ঘটনার কয়েক মিনিটের মধ্যেই হামলাকারী নিহত হয়। কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা কাইলুবের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তবে তাঁর পরিবার জানিয়েছে, এই কঠিন সময়ে তাঁরা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা চান।

 

হামলার পর পুলিশ সন্দেহভাজন কিশোরের পরিবারের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কম্পিউটারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্র জব্দ করেছে। তদন্তকারীরা অস্ত্রটি কীভাবে তার হাতে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন। হামলার উদ্দেশ্য এখনো অজানা থাকায় কোনো নির্দিষ্ট কারণকে দায়ী করেনি পুলিশ। বিদ্যালয়টির নিরাপত্তাব্যবস্থা, হামলাকারীর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের পূর্ববর্তী সম্পর্ক এবং ঘটনার আগে কোনো সতর্কসংকেত ছিল কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।

 

ঘটনার পর বেন্ড শহরের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বাসিন্দাদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ শুক্রবারের সব ক্লাস ও কার্যক্রম বাতিল করে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিক্ষার্থীদের সহায়তার ব্যবস্থা করছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলের নিরাপত্তা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র পৌঁছানো ঠেকানোর বিষয়টি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), রয়টার্স ও বেন্ড পুলিশ বিভাগ।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ৭১ বছর বয়সী স্টিভেন হ্যামিলটন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ফ্লোরিডায় মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে ৭১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি পার্কে মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ৭১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে উইন্টার গার্ডেন শহরের ড. ব্র্যাডফোর্ড মেমোরিয়াল পার্কের জলাশয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে উদ্ধার করা মরদেহের পরিচয় স্টিভেন হ্যামিলটন হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও বন্যপ্রাণী কর্মকর্তারা ঘটনাটি তদন্ত করছেন।   স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফক্স ৩৫ অরল্যান্ডোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে জরুরি সেবা নম্বর ৯১১-এ ফোন করে কুমিরের সম্ভাব্য আক্রমণের খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। উইন্টার গার্ডেনের ফায়ার চিফ হোসে গেইনজা জানান, ওই ব্যক্তি মাছ ধরার সময় পানিতে কুমিরের আক্রমণের শিকার হন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।   উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সহজ ছিল না। জলাশয়ের আশপাশে আরও কুমির সক্রিয় থাকায় উদ্ধারকর্মীদের পানিতে নামতে সমস্যা হচ্ছিল। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পানির মধ্য থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কর্মকর্তারা জানান, হামলায় জড়িত বলে ধারণা করা প্রায় ১২ ফুট দীর্ঘ কুমিরটিকে পরে হত্যা করা হয়েছে। ফ্লোরিডার বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কুমিরটি প্রায় ১১ ফুট ৮ ইঞ্চি দীর্ঘ ছিল।   ফ্লোরিডার মাছ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিশন এবং উইন্টার গার্ডেন পুলিশ বিভাগ যৌথভাবে ঘটনাটি তদন্ত করছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই জলাশয়ে মাছ ধরতে স্থানীয় বাসিন্দারা নিয়মিত যাতায়াত করেন। এলাকাটি লেক অ্যাপোপকার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায় সেখানে বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর উপস্থিতিও রয়েছে। ঘটনার পর জলাশয়সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্কতা তৈরি হয়েছে।   ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে আমেরিকান অ্যালিগেটর বা এক প্রজাতির বৃহৎ জলজ সরীসৃপ নদী, হ্রদ, জলাভূমি ও খালসহ বিভিন্ন জলাশয়ে পাওয়া যায়। ফ্লোরিডা মাছ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যের ৬৭টি কাউন্টিতেই এ প্রাণীর উপস্থিতি রয়েছে। সাধারণত মানুষের ওপর এদের আক্রমণ বিরল হলেও, খুব কাছাকাছি চলে গেলে বা প্রাণীটি নিজেকে হুমকির মুখে মনে করলে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।   কমিশনের পরামর্শ অনুযায়ী, জলাশয়ের ধারে কুমির দেখা গেলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, কুমিরকে খাবার না দেওয়া এবং পানির কিনারায় দাঁড়িয়ে মাছ ধরা বা অন্য কাজের সময় সতর্ক থাকা জরুরি। কুমিরের উপস্থিতি সম্পর্কে উদ্বেগ থাকলে স্থানীয় বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে। ফ্লোরিডার এই ঘটনায় একজন প্রবীণ ব্যক্তির মৃত্যু আবারও প্রাকৃতিক জলাশয়ে মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।   সূত্র: ফক্স ৩৫ অরল্যান্ডো, উইন্টার গার্ডেন পুলিশ বিভাগ ও ফ্লোরিডা মাছ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিশন।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ২২:৫৯
করোনাকালে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পার্সেল পৌঁছে দেওয়ায় ভার্জিনিয়ার বাসিন্দাদের কাছ থেকে সংবর্ধনা পান ইউপিএস চালক অ্যান্থনি গ্যাসকিন্স। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

করোনার লকডাউনে ঘরে ঘরে পার্সেল পৌঁছে দিতেন, সেই ইউপিএস চালককে ধন্যবাদ জানাতে রাস্তায় শত শত মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে হামলার পর তদন্ত চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে হামলা চালানো কিশোর ছিল ওই বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী

নেভাডায় একটি পিকআপ থেকে উদ্ধার করা সন্দেহভাজন মাদকের প্যাকেট। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেপ্তার অবৈধ অভিবাসী

নিউইয়র্ক সিটিতে গ্রিল ব্যবহারের সময় ভবন ও দাহ্য বস্তু থেকে অন্তত ১০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম রয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
বারবিকিউ থেকে অগ্নিকাণ্ড রোধে নিউ ইয়র্ক সিটির কড়াকড়ি, মানতে হবে যেসব আইন

গ্রীষ্মের ছুটিতে কিংবা পরিবারের সঙ্গে অবসর কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে বাড়ির বাইরে বারবিকিউ বা গ্রিলে খাবার রান্না করেন অনেকে। তবে গ্রিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অগ্নিনিরাপত্তা-সংক্রান্ত নিয়ম রয়েছে, বিশেষ করে নিউইয়র্ক সিটিতে। সেখানে গ্রিল ভবনের দেয়াল, কাঠের ডেক, আসবাবসহ আগুন ধরে যেতে পারে এমন বস্তু থেকে অন্তত ১০ ফুট দূরে রাখতে হয়। পাশাপাশি আগুন নেভানোর জন্য হাতের কাছে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র অথবা পানির সংযোগসহ বাগানের পাইপ রাখতে হয়।   নিউইয়র্ক সিটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কয়লা, বৈদ্যুতিক কিংবা গ্যাসচালিত গ্রিল বাইরে ব্যবহার করা গেলেও নির্দিষ্ট অগ্নিনিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে। ঘরের ভেতরে বাইরের ব্যবহারের উপযোগী গ্রিল চালানো নিষিদ্ধ। একইভাবে জরুরি অবস্থায় বের হওয়ার জন্য ব্যবহৃত অগ্নিনির্গমন সিঁড়িতেও গ্রিল রাখা বা ব্যবহার করা বেআইনি ও বিপজ্জনক। এসব নিয়মের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রিল থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়া এবং আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমানো।   নিউইয়র্ক সিটির অগ্নিনিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী, বহনযোগ্য গ্রিল ব্যবহার বা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দাহ্য বর্জ্য, আগুন ধরে যেতে পারে এমন উপকরণ এবং দাহ্য ভবনপৃষ্ঠ থেকে অন্তত ১০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হয়। গ্রিল ব্যবহারের সময় আশপাশের জানালা ও দরজা যতটা সম্ভব বন্ধ রাখার নির্দেশনাও রয়েছে। গ্রিল জ্বালানোর পর সেটি নজরদারির বাইরে ফেলে রাখা যাবে না। আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম হাতের কাছে রাখাও জরুরি।   অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসকারীদের জন্য গ্যাসচালিত গ্রিল ব্যবহারে বাড়তি বিধিনিষেধ রয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির নিয়ম অনুযায়ী, অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ছাদ বা বারান্দাসহ অধিকাংশ আবাসিক ভবনে তরল প্রোপেন গ্যাসের ব্যবহার ও সংরক্ষণ সীমিত। এসব ভবনে সাধারণত সর্বোচ্চ ১৬ দশমিক ৪ আউন্স ধারণক্ষমতার একটি ছোট, একবার ব্যবহারযোগ্য প্রোপেন সিলিন্ডার ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। তবে এক বা দুই পরিবারের বাড়িতে বাইরে সর্বোচ্চ ২০ পাউন্ডের দুটি প্রোপেন সিলিন্ডার সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে। বাড়ির ধরন ও গ্রিলের ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।   শহরের পার্কে বারবিকিউ করার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির পার্ক বিভাগ নির্ধারিত এলাকায় গ্রিল ব্যবহারের অনুমতি দেয়। অনুমোদিত এলাকার বাইরে পার্ক বা সৈকতে বারবিকিউ করা যায় না। পার্কের ভেতরে গাছের পাশে কিংবা ভবনের কাছেও গ্রিল ব্যবহার নিষিদ্ধ। এসব এলাকায় প্রোপেনচালিত গ্রিল ব্যবহারের অনুমতিও নেই। কয়লা ও দেশলাই ব্যবহারের পর নির্ধারিত পাত্রে ফেলতে হয়, যাতে আগুনের অবশিষ্টাংশ থেকে নতুন করে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি না হয়।   শুধু নিউইয়র্ক সিটিতে নয়, পুরো অঙ্গরাজ্যেই গ্রিল ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর গ্রিলের আগুনে আহত হওয়ার ঘটনায় প্রায় ১০০ জনের মৃত্যু ঘটে এবং সরাসরি সম্পত্তির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এসব পরিসংখ্যান গ্রিল ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।   কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী, গ্রিল ব্যবহারের আগে গ্যাসের পাইপ ও সংযোগে ছিদ্র বা লিকেজ আছে কি না পরীক্ষা করা উচিত। গ্রিল পরিষ্কার রাখা এবং জমে থাকা তেল ও খাবারের অবশিষ্টাংশ সরিয়ে ফেললে আগুন হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে। গ্যাসচালিত গ্রিল জ্বালানোর সময় ঢাকনা খোলা রাখতে হয়, যাতে জমে থাকা গ্যাস থেকে হঠাৎ আগুন জ্বলে ওঠার আশঙ্কা কমে। শিশু ও পোষা প্রাণীকে গ্রিলের কাছ থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি ব্যবহারের পর কয়লা সম্পূর্ণ নিভেছে কি না, তা নিশ্চিত করাও জরুরি।   তবে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সর্বত্র একই ১০ ফুট দূরত্বের নিয়ম প্রযোজ্য, এমনটি বলা ঠিক হবে না। নিউইয়র্ক সিটির ক্ষেত্রে এ দূরত্বের বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। অঙ্গরাজ্যের অন্যান্য এলাকায় স্থানীয় আইন, আবাসন কর্তৃপক্ষের বিধি এবং নির্দিষ্ট স্থানের নিয়ম আলাদা হতে পারে। তাই বাড়ির উঠান, ছাদ, বারান্দা কিংবা পার্কে গ্রিল ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্দেশনা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   সূত্র: নিউইয়র্ক সিটি ৩১১, নিউইয়র্ক সিটি ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এবং নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগ।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ২১:৪৫
ওরেগনের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে হামলার ঘটনায় বন্দুকধারীকে থামাতে এগিয়ে আসেন দুই সন্তানের বাবা কাইলুব জিয়ামাঙ্কো। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

দুই মেয়ের স্কুলে গুলির শব্দ শুনে ছুটে গিয়ে বন্দুকধারীকে থামালেন বাবা, বাঁচালেন বহু প্রাণ

হলিউড অভিনেতা টিমোথি বাসফিল্ডের বিরুদ্ধে শিশু যৌ ন নিপীড়নের মামলা খারিজ করলেন বিচারক

হলিউড অভিনেতা টিমোথি বাসফিল্ডের বিরুদ্ধে শিশু যৌ ন নিপীড়নের মামলা খারিজ করলেন বিচারক

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৫ বছরের শিশুকে লাঞ্চবক্স দিয়ে আঘাত, গ্রেপ্তার থেরাপিস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৫ বছরের শিশুকে লাঞ্চবক্স দিয়ে আঘাত, গ্রেপ্তার থেরাপিস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে বন্দুক হা মলায় প্রাণ গেল ২৫ বছরের শিক্ষিকার, দরিদ্র শিশুদের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে বন্দুক হা মলায় প্রাণ গেল ২৫ বছরের শিক্ষিকার, দরিদ্র শিশুদের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি এলিমেন্টারি স্কুলে বন্দুকধারীর বর্বরোচিত হামলায় নিহত ২৫ বছর বয়সী শিক্ষিকাকে মেগান ল্যাম্বার্ট হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। বেন্ড শহরের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে ১৬ বছর বয়সী গ্রিফিন জনের ওই নারকীয় হামলায় মেগানসহ মোট চারজন প্রাণ হারান। নিহত বাকি তিনজনের সবাই ওই স্কুলের শিক্ষার্থী, যাদের বয়স যথাক্রমে ৫, ৮ ও ১১ বছর। মেগান ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকা এবং দারুণ একজন ভলিবল কোচ।   শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে মেগানের শোকস্তব্ধ পরিবার অত্যন্ত আবেগঘন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, "মেগান কেমন মানুষ ছিল, তা বলে শেষ করতে অন্তত ২৫ বছর সময় লাগবে।" ভলিবল ও খেলাধুলার প্রতি তাঁর ছিল প্রবল আবেগ। দরিদ্র পরিবারের শিশুরাও যেন খেলাধুলায় অংশ নিতে পারে, সেজন্য ভলিবল কোচ হিসেবে প্রাপ্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক তিনি হাসিমুখে ফিরিয়ে দিতেন।   বেন্ড পুলিশ বিভাগের মাধ্যমে দেওয়া ওই বিবৃতিতে পরিবার আরও জানায়, মেগান অত্যন্ত দয়ালু ও বিশাল হৃদয়ের অধিকারী ছিলেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুসহ পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য তিনি সবসময় লড়াই করতেন। পরিবারের মতে, মেগান যেখানেই যেতেন, নিজের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে চারপাশ আলোকিত করে রাখতেন।   এই মর্মান্তিক হত্যাযজ্ঞের অবসান ঘটে কাইলুব জিয়াম্যানকো নামের এক বীর প্রত্যক্ষদর্শীর সাহসিকতায়। তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন এবং বন্দুকধারী কিশোর গ্রিফিনকে গুলি করে হত্যা করেন, যার ফলে আরও বড় কোনো প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়।   নিহত শিক্ষিকার পরিবার এই বীরের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছে, "আমরা জানি ওই ব্যক্তি এখন একটি কঠিন মানসিক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে আমরা তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ এবং আমাদের চোখে তিনি একজন সত্যিকারের বীর।"

প্রকাশ: অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ১৯:০
ব্রুকলিন ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ ১৯ বছরের তরুণের, মুহূর্তেই ছুটে এসে প্রাণ বাঁচালেন জেট-স্কিয়াররা

ব্রুকলিন ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ ১৯ বছরের তরুণের, মুহূর্তেই ছুটে এসে প্রাণ বাঁচালেন জেট-স্কিয়াররা

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় ২১ কোটি ডলারের তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, কড়া বার্তা শ্রম দপ্তরের

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় ২১ কোটি ডলারের তহবিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, কড়া বার্তা শ্রম দপ্তরের

বিবিসির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা করে বিপাকে ট্রাম্প, জবানবন্দি না দিলে নিষেধাজ্ঞার মুখে প্রেসিডেন্ট

বিবিসির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা করে বিপাকে ট্রাম্প, জবানবন্দি না দিলে নিষেধাজ্ঞার মুখে প্রেসিডেন্ট

0 Comments