সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম এক মাসে ৯.১% বেড়েছে, চাপে পরিবারের বাজেট

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১৪:৪৬
যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে পেট্রলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে
যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে পেট্রলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে পেট্রলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটির শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভোক্তা মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় ০.৬ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় মূল্যসূচক বেড়েছে ৩.৭ শতাংশ।

 

সরকারি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে পেট্রলের দাম আগের মাসের তুলনায় ৯.১ শতাংশ বেড়েছে। জ্বালানি খাতের এই বৃদ্ধি মাসিক সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির অর্ধেকেরও বেশি বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। একই সময়ে আবাসন ব্যয়ও বেড়েছে।

 

পেট্রলের দাম বাড়লে গাড়িতে কর্মস্থলে যাতায়াতকারী কর্মী, ছোট ব্যবসার মালিক, পণ্য পরিবহনকারী এবং সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়া করেন এমন অভিভাবকদের ব্যয় বাড়তে পারে। তবে প্রত্যেক পরিবারের ওপর এর প্রভাব এক নয়; গাড়ির ব্যবহার, বসবাসের এলাকা এবং আয়ের ওপর খরচের পার্থক্য নির্ভর করে।

 

জ্বালানির ব্যয় শুধু গাড়ি চালানোর খরচেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পণ্য পরিবহন ও সরবরাহের খরচ বাড়লে কিছু পণ্য ও সেবার দামেও প্রভাব পড়তে পারে। তবে পেট্রলের দাম বাড়ার কারণে সব পণ্যের দাম একই হারে বাড়বে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

 

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, আবাসন সূচকও সেপ্টেম্বরে ০.৪ শতাংশ বেড়েছে। ফলে জ্বালানি ও বাসস্থানের ব্যয় একসঙ্গে বাড়লে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর মাসিক বাজেট সামলানো কঠিন হতে পারে।

 

পরিবারের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাড়ির যাত্রা পরিকল্পনা করে নেওয়া, কাছাকাছি কাজ একসঙ্গে সেরে ফেলা এবং বিভিন্ন পেট্রল স্টেশনের দাম তুলনা করা সহায়ক হতে পারে। তবে যাতায়াতের বিকল্প বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, দূরত্ব ও সময়ও বিবেচনা করা জরুরি।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ক্রেতাদের জন্য আবাসন এখনো ব্যয়বহুল।
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির দাম রেকর্ডে, সাধারণ মানুষের জন্য বাড়ি কেনা কঠিন

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার বাজারে কিছুটা গতি ফিরলেও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য আবাসন এখনো ব্যয়বহুল। বাড়ি বিক্রির সংখ্যা সামান্য বাড়লেও উচ্চ মূল্য এবং গৃহঋণের সুদের কারণে অনেক পরিবার নিজেদের সামর্থ্যের মধ্যে বাড়ি খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়ছে।   রয়টার্সের ১৩ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে আগে থেকে মালিকানাধীন বাড়ির বিক্রি আগের মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে বার্ষিক হিসাবে ৩৯ লাখ ৯০ হাজার ইউনিটে পৌঁছায়। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বিক্রি ২ দশমিক ২ শতাংশ কম ছিল।   ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব রিয়েলটরসের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে আগে থেকে মালিকানাধীন বাড়ির মধ্যম বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ৪ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ ডলার। সেপ্টেম্বর মাসের হিসাবে এটি ছিল রেকর্ড উচ্চতা। একই সময়ে ৩০ বছরের গৃহঋণের গড় সুদের হার প্রায় ৭ দশমিক ৪ শতাংশে ছিল, যা বাড়ি কেনার মাসিক কিস্তি বাড়িয়ে দেয়।   বাজারে বাড়ির সরবরাহ কিছুটা বাড়ার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। সেপ্টেম্বরে বিক্রির জন্য থাকা বাড়ির সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৬ লাখে পৌঁছায়, যা ২০১৯ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। তবে সরবরাহ বাড়লেই যে বাড়ি সবার নাগালের মধ্যে চলে আসবে, তা নয়। বাড়ির দাম এবং ঋণের সুদ বেশি থাকলে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা কঠিন হতে পারে।   যাঁরা এখনই বাড়ি কিনতে পারছেন না, তাঁরা স্থানীয় আবাসন সহায়তা কর্মসূচি, প্রথমবার বাড়ি ক্রেতাদের জন্য সম্ভাব্য সহায়তা এবং সরকারি আবাসন সংস্থার তথ্য যাচাই করতে পারেন। সহায়তার যোগ্যতা অঙ্গরাজ্য, শহর ও পারিবারিক আয়ের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে।   আবাসন বাজারের পরবর্তী গতিপথ নির্ভর করবে বাড়ির সরবরাহ, মূল্য এবং গৃহঋণের সুদের হারের ওপর। তাই বিক্রি বাড়ার খবর থাকলেও বাড়ি কেনা সাশ্রয়ী হয়ে গেছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ এখনো নেই।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১৫:৪৬
বেকারভাতার আবেদনকারী

বেকারভাতার আবেদন কম, তবু যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি পাওয়া কঠিন হচ্ছে?

যুক্তরাষ্ট্রে বয়স্ক নাগরিক ও মেডিকেয়ার সুবিধাভোগীদের জন্য শুরু হয়েছে স্বাস্থ্যবিমা পরিকল্পনা

মেডিকেয়ারের নতুন নিয়মে বাড়তে পারে চিকিৎসা ব্যয়, ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিকল্পনা বেছে নেওয়ার সুযোগ

যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে পেট্রলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম এক মাসে ৯.১% বেড়েছে, চাপে পরিবারের বাজেট

সাশ্রয়ী আবাসনের সুযোগ বাড়াতে নতুন একটি আবাসন প্রকল্পের প্রথম ধাপ চালু করা হয়েছে
নিউইয়র্কে আবাসন সংকট মোকাবিলায় ব্রুকলিনে ৮৩৯টি সাশ্রয়ী বাসা নির্মাণের উদ্যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ব্রুকলিনে সাশ্রয়ী আবাসনের সুযোগ বাড়াতে নতুন একটি আবাসন প্রকল্পের প্রথম ধাপ চালু করা হয়েছে। ইস্ট নিউইয়র্ক এলাকার এই প্রকল্পে ৩৮৬টি স্থায়ীভাবে সাশ্রয়ী বাসা বসবাসের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। একই প্রকল্পের পরবর্তী ধাপে আরও ৪৫৩টি বাসা এবং একটি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র নির্মাণের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।   নিউইয়র্ক সিটি মেয়র জোহরান মামদানি ও অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ক্যাথি হোকুলসহ সংশ্লিষ্ট অংশীদারেরা ১৫ অক্টোবর প্রকল্পটির অগ্রগতি তুলে ধরেন। ‘ইনোভেটিভ আরবান ভিলেজ’ নামের এই উদ্যোগটি ক্রিশ্চিয়ান কালচারাল সেন্টারের ক্যাম্পাসে গড়ে উঠছে।    নগর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, পুরো প্রকল্প শেষ হলে সেখানে ১০টি ভবনে প্রায় ২ হাজার স্থায়ীভাবে সাশ্রয়ী বাসা তৈরি হবে। আবাসনের পাশাপাশি শিশু পরিচর্যা, কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণ, কমিউনিটি কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক আয়োজন, স্থানীয় দোকানপাট এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য খোলা জায়গার ব্যবস্থাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।   নিউইয়র্কে বাড়িভাড়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক পরিবারের জন্য বড় চাপ। এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মজীবী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের শহরে বসবাস ধরে রাখার সুযোগ বাড়ানোই উদ্যোগটির অন্যতম লক্ষ্য।   মেয়র মামদানি বলেন, নিরাপদ ও স্থিতিশীল আবাসন প্রত্যেক নিউইয়র্কবাসীর প্রাপ্য। প্রকল্পটির মাধ্যমে নতুন বাসা চালুর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কমিউনিটি সুবিধা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গভর্নর হোকুলও আবাসনের সঙ্গে শিশু পরিচর্যা ও অন্যান্য সেবার সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।   তবে এই ঘোষণার অর্থ এই নয় যে সব বাসায় এখনই নতুন আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে বা প্রত্যেক আবেদনকারী বাসা পাবেন। কারা আবেদন করতে পারবেন, আয়সীমা কত এবং আবেদন কবে শুরু হবে—এসব বিষয়ে প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি যাচাই করা প্রয়োজন।   নিউইয়র্কের আবাসন সংকট মোকাবিলায় প্রকল্পটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। তবে এর প্রকৃত সুফল নির্ভর করবে যোগ্য বাসিন্দাদের কাছে বাসাগুলো কতটা সহজে পৌঁছায় এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হয় তার ওপর।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১৪:২১
হ্যালোইনের কুমড়োভর্তি ট্রাক উল্টে যুক্তরাষ্ট্রের মহাসড়কে যানজট, ভোগান্তিতে চালকরা

হ্যালোইনের কুমড়োভর্তি ট্রাক উল্টে যুক্তরাষ্ট্রের মহাসড়কে যানজট, ভোগান্তিতে চালকরা

নিউইয়র্ক শহরে স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের সুযোগ বাড়াতে সিটিবাইক পরিষেবা সম্প্রসারণ সম্পন্ন

নতুন করে নিউইয়র্কে আরও ৭ এলাকায় সিটিবাইক, সাইকেল পরিষেবা বাড়াচ্ছে নগর কর্তৃপক্ষ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ব্রুকলিনে আবাসনসংকট মোকাবিলায় নতুন অগ্রগতি

নিউইয়র্কে শত শত সাশ্রয়ী বাসার নতুন সুযোগ, ব্রুকলিনে খুলছে ৩৮৬টি অ্যাপার্টমেন্ট

ইলহান ওমরের পাশে ওবামা, ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপকে বললেন ‘বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’
ইলহান ওমরের পাশে ওবামা, ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপকে বললেন ‘বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’

মার্কিন কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরের নাগরিকত্ব নিয়ে চলমান তদন্তের জেরে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন তাদের রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করতে ফেডারেল সরকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।   সম্প্রতি ইলহান ওমরের ওয়াশিংটন ডিসির বাড়িতে ফেডারেল এজেন্টদের তল্লাশির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় ওবামা এই মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, কেবল প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করার কারণেই প্রশাসন ইলহান ওমরের মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল ও তাঁকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করছে।   তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দশক আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় ইলহান ওমর বা তাঁর বাবা ইমিগ্রেশন নথিতে কোনো ধরনের জালিয়াতি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই তদন্তকে 'ভিত্তিহীন তত্ত্ব' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ওবামা।   প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে তিনি জানান, ইলহান মাত্র ১২ বছর বয়সে তাঁর বাবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং ১৭ বছর বয়সে তাঁর বাবা যখন নাগরিকত্ব লাভ করেন, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তিনিও মার্কিন নাগরিক হন। ওবামার দাবি, তদন্তকারীরা এখন প্রমাণ করার চেষ্টা করছে যে ওই সময় ইলহানের বয়স ১৮ ছিল, যার ফলে তাঁকে আলাদাভাবে নাগরিকত্বের আবেদন করতে হতো। ওবামার মতে, একজন আইনমান্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর ফেডারেল সরকারের এমন চাপ প্রয়োগ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।   অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তদন্তে নিজের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা থাকার কথা অস্বীকার করে জানিয়েছেন, বিষয়টি পুরোপুরি বিচার বিভাগের হাতে। তবে একইসঙ্গে তিনি ইলহান ওমরকে ব্যক্তিগতভাবে 'পুরোপুরি দুর্নীতিগ্রস্ত' বলে মন্তব্য করেছেন।   ওবামা তাঁর বার্তায় নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল, সাবেক এফবিআই পরিচালক এবং ফেডারেল রিজার্ভের সদস্যদের বিরুদ্ধে নেওয়া ফেডারেল পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে অভিযোগ করেন যে, বর্তমান প্রশাসন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বারবার লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্বাস বা মতামতের কারণে কাউকে এভাবে হয়রানি করা মার্কিন গণতন্ত্রের মৌলিক নীতির পরিপন্থী উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন যে, এটি স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হলে ভবিষ্যতের যেকোনো প্রশাসন এই একই বিপজ্জনক পথ অনুসরণ করতে পারে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১৩:১৭
কানসাসের উইচিটায় শিশুদের ফুটবল মাঠে পিকআপ ট্রাক ঢুকে পড়ে শিশুসহ ২ জন নিহত। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে শিশুদের ফুটবল মাঠে পিকআপ ট্রাকের তাণ্ডব, নিহত ২; আহত ১১

নিউইয়র্কের বাফেলোতে পরিচিত রিয়েল এস্টেট পেশাজীবী নাজমুল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

বাফেলোতে রিয়েল এস্টেটে আস্থার নাম নাজমুল হোসেন: ৭০০ এর বেশি বাড়ি কেনাবেচায় সহায়তা

যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ৫ লাখ ডলারের বেশি আয় করেও আর্থিক চাপে ভুগছেন অনেকে। ছবি: সংগৃহীত

বছরে ৫ লাখ ডলারের বেশি আয় করেও আর্থিক চাপে যুক্তরাষ্ট্রের বহু পরিবার

0 Comments