অর্থনীতি

গৃহঋণের পুনঃতপশিলের জন্য নতুন নির্দেশনা

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
গৃহঋণের পুনঃতপশিলের জন্য নতুন নির্দেশনা
গৃহঋণের পুনঃতপশিলের জন্য নতুন নির্দেশনা

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এখন থেকে ব্যাংকগুলো গ্রাহকের বিদ্যমান ঋণের মেয়াদকে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে গৃহঋণ পুনঃতপশিল করতে পারবে। তবে সর্বশেষ কিস্তি গ্রাহকের ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে পরিশোধ করতে হবে। এর আগে এই সীমা ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত নির্ধারণ করা হতো। নতুন এই নির্দেশনা সব ব্যাংকে সম্প্রতি পাঠানো হয়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, সাধারণভাবে গৃহনির্মাণ ঋণের মেয়াদ দীর্ঘ হয়। ২০২২ সালে গৃহঋণের পুনঃতপশিল ও পুনর্গঠন সংক্রান্ত নির্দেশনা অনুসারে, ১০০ কোটি টাকার কম ঋণের ক্ষেত্রে পুনঃতপশিলের পর সর্বোচ্চ ছয় বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ানো যেত। তবে এই নিয়মের কারণে অনেক সময় ঋণের শোধের সময় কমে যেতে পারতো এবং গ্রাহক সব সময় ঋণের মেয়াদ বাড়াতে পারতেন না। তাই নতুন নির্দেশনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

 

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুনঃতপশিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। প্রথম দফায়, অবশিষ্ট মেয়াদ অনুযায়ী ৩০ শতাংশ পর্যন্ত সময় বাড়ানো যাবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি ঋণের শেষ কিস্তি পরিশোধে ১০ বছর বাকি থাকে, তবে প্রথম দফায় আরও ৩ বছর বাড়ানো সম্ভব। দ্বিতীয় দফায় ২০ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় অবশিষ্ট মেয়াদ সমপরিমাণ বাড়ানো যাবে।

 

তবে কোনোভাবেই ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ মূল ঋণ মঞ্জুরির সময়ের চেয়ে বেশি হবে না। এছাড়া শেষ কিস্তির তারিখ কখনোই গ্রাহকের ৬৫ বছর বয়স অতিক্রম করবে না। অন্য ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুনঃতপশিল ঋণ অধিগ্রহণে পূর্ববর্তী পুনঃতপশিলের ক্রম অনুসরণ করতে হবে এবং গ্রাহকের থেকে একটি ঘোষণাপত্র নেওয়া আবশ্যক। পুনঃতপশিলের আগে মূল ঋণ মঞ্জুরির সব প্রযোজ্য শর্ত এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন পূর্ণ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

অর্থনীতি

View more
মাসিক ১৮১৮ টাকায় আকাশপথে কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ
মাসিক ১৮১৮ টাকায় আকাশপথে কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ

বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার কক্সবাজার ভ্রমণে আকর্ষণীয় একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। মাত্র ১,৮১৮ টাকা মাসিক কিস্তিতে দুই রাতের এই ভ্রমণ সুবিধা পাওয়া যাবে। অফারটি আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চালু থাকবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।   এই প্যাকেজটি নিতে হলে অন্তত দুইজনের জন্য বুকিং করতে হবে। প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত সুবিধার মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট (সব ধরনের ট্যাক্স ও সারচার্জসহ), হোটেলে থাকা, বিমানবন্দর থেকে হোটেলে যাতায়াত এবং সাহ্‌রি অথবা ইফতারের ব্যবস্থা।   ছয় মাসে কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ করা যাবে এবং এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো সার্ভিস চার্জ বা সুদ দিতে হবে না। দেশের শীর্ষ ২৪টি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকেরা এ প্যাকেজ কিনতে পারবেন।   ভ্রমণকারীরা কক্সবাজারের ১৫টি হোটেলের মধ্যে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী আবাসন বেছে নিতে পারবেন। নির্বাচিত হোটেলের ধরন ও রুমের মান অনুযায়ী প্যাকেজের মূল্য পরিবর্তিত হবে। তালিকাভুক্ত হোটেলের মধ্যে রয়েছে সি প্যালেস, উইনডি টেরেস, গ্রেস কক্স স্মার্ট হোটেল, হোটেল কল্লোল, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজ, বেস্ট ওয়েস্টার্ন বে হিল, কক্স টুডে, লং বিচ হোটেল, ওশান প্যারাডাইস, গ্রিন নেচার রিসোর্ট অ্যান্ড সুইট, সীগাল হোটেল, রামাদা, ডেরা রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা এবং সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা।   এ ছাড়া নভোএয়ারের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘স্মাইলস’-এর সদস্যরা ভ্রমণের মাধ্যমে পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমা হলে তারা বিনামূল্যে টিকিটসহ বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। অংশীদার বিভিন্ন ব্র্যান্ড থেকেও বিশেষ ছাড় পাওয়া যাবে। নভোএয়ারের ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের মাধ্যমে সহজেই স্মাইলস সদস্য হওয়া যায়।   বর্তমানে নভোএয়ার ঢাকা থেকে কক্সবাজার ছাড়াও চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল যুক্তরাষ্ট্র

গৃহঋণের পুনঃতপশিলের জন্য নতুন নির্দেশনা

গৃহঋণের পুনঃতপশিলের জন্য নতুন নির্দেশনা

বিকাশ-নগদ-রকেটে এক হাজারের বেশি লেনদেন করা যাবে না

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে না: আশিক চৌধুরী

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদকালে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান আশিক চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সংবাদ সম্মেলনে আশিক চৌধুরী জানান, আজ রবিবার ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে। সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ওই চিঠি এসেছে। চিঠিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড ইজারা চুক্তি নিয়ে চলমান দর-কষাকষির (নেগোসিয়েশন) অগ্রগতির প্রশংসা করেছে এবং এটা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছে, এই নেগোসিয়েশন ভবিষ্যতে আরও এগোবে এবং সঠিক দিকেই যাবে। নেগোসিয়েশনের অগ্রগতি প্রশংসার পাশাপাশি ডিপি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, শেয়ার করা খসড়া কনসেশন চুক্তি তারা গ্রহণ করেছে এবং বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেছে। তবে তারা এটি আরও পুনর্মূল্যায়ন (রিভিউ) করার জন্য কিছু সময় চেয়েছে। আশিক চৌধুরী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আনুষ্ঠানিক মেয়াদ রয়েছে আর দুই কার্যদিবস। যেহেতু তারা (ডিপি ওয়ার্ল্ড) সময় চেয়েছে, সে কারণে বিষয়টি বর্তমান সরকারের আমল পেরিয়ে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গিয়ে নেগোসিয়েশনটি আবারও কন্টিনিউ হতে পারে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আশিক চৌধুরী বলেন, এই সরকারের সময়ে চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে না, আমার মনে হয়, এটা নিশ্চয়তার মাত্রা বিবেচনায় বলা যায়। কারণ আর দুই কার্যদিবস আছে। এর মধ্যে ওনারা (ডিপি ওয়ার্ল্ড) ফেরত আসবে, তারপর আমরা আমাদের ক্যাবিনেটে নিয়ে এটাকে অনুমোদন করিয়ে স্বাক্ষর করব, সময়ের বিবেচনায় এই প্রক্রিয়াটা খুব কঠিন হবে। আশিক চৌধুরী জানান, নিউমুরিং টার্মিনালকে ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়া নিয়ে ২০১৯ সালে কাজ শুরু হয়েছিল। গত এক মাসে প্রকল্পটির চূড়ান্ত ধাপের দর-কষাকষি শুরু হয়েছিল।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ছবি: সংগৃহীত

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

ফেব্রুয়ারির প্রথম ৪ দিনে প্রবাসী আয় ৫০ কোটি ডলার

মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধারাবাহিক ক্রয় অভিযান

দুই দিনের ব্যবধানে আরও ১৭ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

দুই দিনের ব্যবধানে দেশের ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ (১৭১ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ক্রয় করা এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। ডলার কেনার ক্ষেত্রে কাট-অফ হারও ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   এর আগে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত আরও ২১ কোটি ৮৫ লাখ (২১৮.৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন বা ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।   একই দরে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৫০ লাখ (৫৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ২০ জানুয়ারি দুই বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি ১০ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, ৬ জানুয়ারি ১৪টি ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আজ আমরা ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২২.৩০ টাকা কাট-অফ রেটে মোট ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করেছি। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয় দাঁড়াল ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।  

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0

ডলারের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করতে নতুন পরিকল্পনা চীনের

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩.২৫ বিলিয়ন ডলারে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বাংলাদেশের

0 Comments