গাজায় চিকিৎসার অপেক্ষায় আড়াই বছরের হাশেম, অপুষ্টিতে পারছে না মাথা সোজা রাখতে
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আড়াই বছরের শিশু হাশেম আবু মুস্তাফা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। জন্মগত মাংসপেশির জটিলতার সন্দেহ, তীব্র অপুষ্টি, বারবার খিঁচুনি ও উচ্চ জ্বরে ভুগছে শিশুটি। এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে নিজে মাথা সোজা করে রাখতে পারছে না। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তাকে গাজার বাইরে নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে পরিবারটি।
সম্প্রতি নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে হাশেমের তীব্র অপুষ্টি ধরা পড়ে। ২৩ আগস্ট হাসপাতাল থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও চিকিৎসকরা তার অসুস্থতার মূল কারণ নিশ্চিত করতে পারেননি। তার আরও পরীক্ষা, বিশেষ করে এমআরআই ও রক্তের কালচার প্রয়োজন। কিন্তু গাজায় এসব পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও চিকিৎসা-সুবিধা পর্যাপ্ত নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাশেমের মা সুহা আবু মুস্তাফা জানিয়েছেন, অপুষ্টির জটিলতায় শিশুটির চার অঙ্গের নড়াচড়াও মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে গেছে। গিলতে তার গুরুতর সমস্যা হচ্ছে। বিশেষভাবে তৈরি করে নরম খাবার দিতে হয়, কিন্তু একটি খাবার খেতেই তার দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে।
হাশেমের জন্ম গাজার রাফাহ এলাকায় একটি তাঁবুতে। তার মা জানিয়েছেন, গর্ভাবস্থায়ও পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার পাননি তিনি। জন্মের সময় শিশুটির ওজন ছিল দুই কেজিরও কম।
গাজায় খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট শিশুদের অপুষ্টির ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইপিসির জুলাইয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত গাজার ১২ লাখের বেশি মানুষ খাদ্যনিরাপত্তার সংকটপূর্ণ বা তার চেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে ছিল। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করা হয়েছে। জাতিসংঘও জানিয়েছে, খাদ্য ও শিশু পুষ্টির পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হলেও তা অত্যন্ত ভঙ্গুর এবং মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা এখনো ব্যাপক।
গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থার অবস্থাও গুরুতর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জুলাইয়ের পর্যালোচনায় স্বাস্থ্যসেবা চালু রাখার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঘাটতি ও বাধার কথা উঠে এসেছে। ফলে জটিল রোগে আক্রান্ত শিশুদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
হাশেমের মতো রোগীদের জন্য গাজার বাইরে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগস্টেও রাফাহ ক্রসিং দিয়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের চিকিৎসার জন্য বাইরে নেওয়ার কার্যক্রম চালু ছিল। তবে চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট, স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা এবং অনিশ্চিত মানবিক পরিস্থিতির কারণে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা পাওয়ার পথ এখনো কঠিন।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শাবওয়া প্রদেশের আল-আলম সামরিক ঘাঁটিতে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৫৩ জন সেনা নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে নতুন রিক্রুট হওয়া তরুণ সেনাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলাকালে আকস্মিকভাবে এই ধ্বংসাত্মক হামলা চালানো হয়। হামলার পরপরই পুরো প্রশিক্ষণ মাঠ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে জানা গেছে, প্রাথমিক তথ্যে হতাহতের সংখ্যা কম মনে হলেও উদ্ধারকাজের পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নিহতের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে এবং এতে আহত হয়েছেন আরও প্রায় দুই শতাধিক সেনাসদস্য। এই বর্বরোচিত হামলার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইয়েমেন সরকার। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রধান রাশাদ আল-আলিমী হুথিদের এমন কাপুরুষোচিত কর্মকাণ্ডের কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সম্মুখসমরে টিকতে না পেরে এখন অবুঝ তরুণ প্রশিক্ষণার্থীদের ওপর নিশানা বানাচ্ছে বিদ্রোহীরা। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, এই ভয়াবহ হামলার দাঁতভাঙা ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, রাখঢাক না রেখেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার সম্পূর্ণ দায় স্বীকার করেছে হুথি বিদ্রোহীরা। রাজধানী সানা থেকে তাদের সামরিক মুখপাত্র ঘোষণা দেন যে, ইয়েমেনের মাটিতে সৌদি-সমর্থিত সব সেনাক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেওয়াই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য। এদিকে লোহিত সাগরে সংঘাতের পর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন রূপ ধারণ করেছে। সরকারি বাহিনীর হারানো অঞ্চল উদ্ধারে শুরু হওয়া ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের মুখে পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে চরম উত্তেজনা ও রক্তক্ষয় ছড়িয়ে পড়েছে।
সৌদি আরবে পাঁচ শিয়া তরুণের ফাঁসি, মানবাধিকার সংগঠন বলছে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একসঙ্গে কোরআনে হাফেজ হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন ভাই
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি ইরানের, এবার হা মলার নিশানায় বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা
ডিজিটাল প্রতারণা এবং চরম একাকীত্ব যে কতটা ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে, তার এক করুণ দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো ব্রাজিলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক নারীর প্রেমে পড়ে বিয়ের আশায় নিজের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছিলেন এদিমার মার্তিন্স নামের ৪৯ বছর বয়সী এক রাজমিস্ত্রি। কিন্তু দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তিনি যে ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি হলেন, তা যেকোনো কল্পবিজ্ঞানের গল্পকেও হার মানায়। তিনি জানতে পারেন, যাঁর টানে তিনি ছুটে এসেছেন, বাস্তবে তাঁর কোনো অস্তিত্বই নেই; ওই নারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি একটি কাল্পনিক চরিত্র মাত্র। জানা যায়, ২০২০ সালে মায়ের মৃত্যুর পর চরম একাকীত্বে ভুগছিলেন এদিমার। সেসময় সোশ্যাল মিডিয়ায় তিন লাখেরও বেশি অনুসারী থাকা 'জেসিকা অলিভেইরা' নামের একটি অ্যাকাউন্টের খোঁজ পান তিনি। ভিডিওগুলোতে মনোরম গ্রামীণ জীবনের দৃশ্য তুলে ধরে পুরুষদের খামারে আসার আমন্ত্রণ জানানো হতো, দেওয়া হতো আর্থিক সহায়তা ও বাসস্থানের প্রলোভন। এই ফাঁদে পা দিয়ে গত ৯ অক্টোবর ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মারানহাও থেকে বেলো হরিজন্তের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। স্বপ্নের শহরে পৌঁছে হবু স্ত্রীর ছবি হাতে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে থাকেন এদিমার। কিন্তু কেউ ওই নারীকে চিনতে না পারায় বাধ্য হয়ে স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশনে যান তিনি। সেখানেই তাঁর মোহ ভাঙে এবং তিনি পুরো সত্যটি জানতে পারেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ঘটনার পর ওই ভুয়া অ্যাকাউন্টের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরো দায় এড়াতে সেই এআই চরিত্রের মাধ্যমেই একটি বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়, প্রোফাইলটি কেবল রিচ বাড়ানোর জন্য খোলা হয়েছিল এবং কাউকে সরাসরি আসতে বলা হয়নি। এদিকে পকেটের সব টাকা খুইয়ে অপরিচিত শহরে আটকে পড়া সর্বস্বান্ত এদিমারকে শেষমেশ উদ্ধার করেন স্থানীয় সমাজকর্মীরা। তাঁরাই তাঁকে খাবার ও শহর ছাড়ার বাসের টিকিট কিনে দেন। তবে অবাক করা তথ্য হলো, গত ছয় মাসের মধ্যে একই 'এআই সুন্দরী'র খোঁজে এসে ধোঁকা খেয়েছেন আরও দুজন ব্যক্তি। এত কিছুর পরও এদিমারের মনে প্রেমের আশা ফুরায়নি; তিনি জানিয়েছেন, সত্যিকারের রক্তমাংসের মানুষের খোঁজে একদিন আবারও এই শহরে ফিরে আসবেন তিনি।
সৌদি আরবে মৃ ত্যুদণ্ডে প্রাণ গেল দুই বাংলাদেশির, আইনি সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগ দূতাবাসের বিরুদ্ধে
যুক্তরাজ্যের ১২ বিমানবন্দরে পাসপোর্ট চেকিংয়ে আসছে নতুন প্রযুক্তি, চেহারা দেখেই পার হওয়া যাবে গেট
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম ইরান সফরে তেহরানে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিলি জিন কিং কাপ টেনিসে সৌদি আরবের হয়ে খেলবেন ইয়ারা আল হোগবানি, লারা বুখারি ও মাইসান বিন হাসিন। ভিয়েতনামে ২১ থেকে ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য এই তিন খেলোয়াড়কে নির্বাচিত করেছে সৌদি টেনিস ফেডারেশন। আরব নিউজের ১৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেডারেশন নিজেদের আনুষ্ঠানিক এক্স অ্যাকাউন্টে দল ঘোষণার তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে প্রতিযোগিতার ভেন্যু হিসেবে ভিয়েতনামের দা নাং শহরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিলি জিন কিং কাপ নারীদের জাতীয় দলভিত্তিক আন্তর্জাতিক টেনিস প্রতিযোগিতা। এতে খেলোয়াড়েরা নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। এবারের ভিয়েতনাম পর্বে সৌদি দলের হয়ে অংশ নেবেন নির্বাচিত তিনজন।
৪০০ ফুট উঁচু ভবনের ২ কোটি ডলারের বিলাসবহুল বাড়ি! এক দিনের জন্যও পা রাখেননি মালিক বিজয়
উত্তর প্রদেশে নির্বাচনের আগে মুসলিমদের ওপর হামলা ও গ্রেপ্তার, দুই মাসে নিহত ৪