সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

বাঘের খাঁচায় ঢুকে সেলফি তুলতে গিয়ে মৃ ত্যু, প্রকাশ্যে তরুণের শেষ ভিডিও

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ১৩, ২০২৬ ১৩:৪৩
বাঘের খাঁচায় ঢুকে সেলফি তুলতে গিয়ে মৃ ত্যু
বাঘের খাঁচায় ঢুকে সেলফি তুলতে গিয়ে মৃ ত্যু

যুক্তরাজ্যের ইয়র্কশায়ার ওয়াইল্ডলাইফ পার্কে বাঘের খাঁচায় ঢুকে মর্মান্তিক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন উইলিয়াম চ্যাপম্যান নামের এক তরুণ। গত শনিবার ঘটা এই ঘটনার ঠিক আগমুহূর্তের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যা মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে ওই তরুণ তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছিলেন। ভিডিওতে দেখা যায়, ৪২০ পাউন্ড ওজনের 'আলতাই' নামের একটি সাইবেরিয়ান বাঘের দিকে তিনি অত্যন্ত শান্তভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় খাঁচার বাইরে থাকা দর্শনার্থীদের আতঙ্কে চিৎকার করতে শোনা যায়।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা অন্যান্য ভিডিওতে দেখা যায়, বাঘটি যখন তাকে আক্রমণ করছে, তখনও চ্যাপম্যান অদ্ভুত আচরণ করছিলেন। আক্রমণের এক পর্যায়ে তিনি বাঘটির দিকে আঙুল তুলে বকা দেওয়ার ভঙ্গিতে 'দুষ্টুমি কোরো না' বলে নির্দেশ দেন! দর্শনার্থীদের মতে, ওই মুহূর্তে চ্যাপম্যানকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি বাস্তব জগত থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

 

পুলিশ তাকে ২০-এর কোঠায় থাকা একজন 'মানসিকভাবে সংবেদনশীল' বা ভালনারেবল তরুণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর আগেও তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে অদ্ভুত সব ছবি দেখা গেছে, যার একটিতে তিনি হাতে বাইবেল এবং মুখে তিরসহ একটি ক্রসবো ধরে ছিলেন।

 

ভয়ংকর এই ঘটনার আগে পার্কে তাকে বেশ আনন্দিত অবস্থায় নাচতে দেখা যায়। এমনকি তিনি ডেল টেইলর নামের এক অপরিচিত দর্শনার্থীকে বাঘটিকে পেছনে রেখে তার কয়েকটি ছবি তুলে দেওয়ার অনুরোধও করেছিলেন। ডনকাস্টার শহরের বাসিন্দা এই তরুণ একাই ওই পার্কে ঘুরতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হয়ে বাঘের খাঁচায় ঢুকে পড়েছিলেন, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

 

বাঘের আক্রমণ থেকে চ্যাপম্যানকে বাঁচাতে পার্কের কর্মীরা শটগান দিয়ে দুটি সতর্কতামূলক গুলি ছোড়েন। এতে বাঘটি পিছু হটে নিজের ডেরায় ফিরে গেলেও চ্যাপম্যানকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি; ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। রোববার পার্কটি দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল। ইয়র্কশায়ার ওয়াইল্ডলাইফ পার্ক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, 'আলতাই' নামের বাঘটি সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছে এবং এই ঘটনার জেরে সেটিকে ইউথেনাইজ (ঘুম পাড়িয়ে হত্যা) করা হবে না।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
অক্সফোর্ডে আফগান নারীদের স্নাতকোত্তর পড়তে ২৫ লাখ ডলারের বৃত্তি চালু
অক্সফোর্ডে আফগান নারীদের স্নাতকোত্তর পড়তে ২৫ লাখ ডলারের বৃত্তি চালু

যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আফগান নারীদের স্নাতকোত্তর অধ্যয়নের সুযোগ করে দিতে নতুন একটি বৃত্তি চালু করা হয়েছে। ‘উইডেনফেল্ড-হফম্যান ট্রাস্ট’-এ প্রদান করা ২৫ লাখ মার্কিন ডলারের এই অনুদানের মাধ্যমে প্রতি বছর একজন আফগান নারী অক্সফোর্ডে পড়ার সুযোগ পাবেন।   আফগান শিক্ষাবিদ এবং অক্সফোর্ডের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শাবানা বাসিজ-রাসিখ এই অনুদান দিয়েছেন, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আফগান নারীদের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার এবং নেতৃত্ব বিকাশে একটি দীর্ঘস্থায়ী সুযোগ তৈরি করবে।   এই বৃত্তির আওতায় প্রথম বা দ্বিতীয় প্রজন্মের আফগান বংশোদ্ভূত নারীরা আবেদন করতে পারবেন, যদি তারা অক্সফোর্ডের স্নাতকোত্তর কোর্সের সব শর্ত পূরণ করতে সক্ষম হন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ টিউশন ফি, জীবনযাপনের খরচ বা উপবৃত্তি এবং অক্সফোর্ডে আসার আগের আনুষঙ্গিক ভ্রমণ ব্যয়ও এই বৃত্তির অন্তর্ভুক্ত থাকবে।   মাত্র ১৮ বছর বয়সে 'স্কুল অব লিডারশিপ, আফগানিস্তান' (SOLA) প্রতিষ্ঠা করা শাবানা বাসিজ-রাসিখ নারী শিক্ষার অন্যতম বড় প্রবক্তা। তিনি নিজেও উইডেনফেল্ড-হফম্যান ট্রাস্টের বৃত্তির মাধ্যমে ২০১৯-২০ সালে অক্সফোর্ড থেকে পাবলিক পলিসিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।   নতুন এই অনুদান সম্পর্কে শাবানা বলেন, তারা কারও করুণা চান না, বরং নিজেদের ভবিষ্যৎ ও সাফল্য নিজে হাতে গড়ে তোলার জন্য শুধু প্রয়োজনীয় সুযোগটুকু চান। তাঁর মতে, অক্সফোর্ডে এক বছর একজন আফগান নারীর নেতৃত্বের যাত্রা শুরু হবে, আর এরপর বছরের পর বছর ধরে অন্য নারীরাও একইভাবে এই সুযোগ পেতে থাকবেন।   তালেবান শাসনে আফগান নারীদের শিক্ষার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার এই কঠিন সময়ে এমন একটি উদ্যোগ পিছিয়ে পড়া ও ঝুঁকিতে থাকা মেধাবী ছাত্রীদের জন্য এক অনন্য আশীর্বাদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৩, ২০২৬ ১৫:২২
ফিলিস্তিনকে সমর্থন করায় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় চাকরি হারালেন ৭৬ শিক্ষাবিদ

ফিলিস্তিনকে সমর্থন করায় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় চাকরি হারালেন ৭৬ শিক্ষাবিদ

ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের ক্রুদের নিষিদ্ধ করল এয়ার ফ্রান্স

ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের ক্রুদের নিষিদ্ধ করল এয়ার ফ্রান্স

আফগানিস্তানে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে বিবিসির রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করল তালেবান

আফগানিস্তানে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে বিবিসির রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করল তালেবান

বাঘের খাঁচায় ঢুকে সেলফি তুলতে গিয়ে মৃ ত্যু
বাঘের খাঁচায় ঢুকে সেলফি তুলতে গিয়ে মৃ ত্যু, প্রকাশ্যে তরুণের শেষ ভিডিও

যুক্তরাজ্যের ইয়র্কশায়ার ওয়াইল্ডলাইফ পার্কে বাঘের খাঁচায় ঢুকে মর্মান্তিক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন উইলিয়াম চ্যাপম্যান নামের এক তরুণ। গত শনিবার ঘটা এই ঘটনার ঠিক আগমুহূর্তের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যা মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে ওই তরুণ তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছিলেন। ভিডিওতে দেখা যায়, ৪২০ পাউন্ড ওজনের 'আলতাই' নামের একটি সাইবেরিয়ান বাঘের দিকে তিনি অত্যন্ত শান্তভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় খাঁচার বাইরে থাকা দর্শনার্থীদের আতঙ্কে চিৎকার করতে শোনা যায়।   প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা অন্যান্য ভিডিওতে দেখা যায়, বাঘটি যখন তাকে আক্রমণ করছে, তখনও চ্যাপম্যান অদ্ভুত আচরণ করছিলেন। আক্রমণের এক পর্যায়ে তিনি বাঘটির দিকে আঙুল তুলে বকা দেওয়ার ভঙ্গিতে 'দুষ্টুমি কোরো না' বলে নির্দেশ দেন! দর্শনার্থীদের মতে, ওই মুহূর্তে চ্যাপম্যানকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি বাস্তব জগত থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।   পুলিশ তাকে ২০-এর কোঠায় থাকা একজন 'মানসিকভাবে সংবেদনশীল' বা ভালনারেবল তরুণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর আগেও তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে অদ্ভুত সব ছবি দেখা গেছে, যার একটিতে তিনি হাতে বাইবেল এবং মুখে তিরসহ একটি ক্রসবো ধরে ছিলেন।   ভয়ংকর এই ঘটনার আগে পার্কে তাকে বেশ আনন্দিত অবস্থায় নাচতে দেখা যায়। এমনকি তিনি ডেল টেইলর নামের এক অপরিচিত দর্শনার্থীকে বাঘটিকে পেছনে রেখে তার কয়েকটি ছবি তুলে দেওয়ার অনুরোধও করেছিলেন। ডনকাস্টার শহরের বাসিন্দা এই তরুণ একাই ওই পার্কে ঘুরতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হয়ে বাঘের খাঁচায় ঢুকে পড়েছিলেন, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।   বাঘের আক্রমণ থেকে চ্যাপম্যানকে বাঁচাতে পার্কের কর্মীরা শটগান দিয়ে দুটি সতর্কতামূলক গুলি ছোড়েন। এতে বাঘটি পিছু হটে নিজের ডেরায় ফিরে গেলেও চ্যাপম্যানকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি; ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। রোববার পার্কটি দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল। ইয়র্কশায়ার ওয়াইল্ডলাইফ পার্ক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, 'আলতাই' নামের বাঘটি সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছে এবং এই ঘটনার জেরে সেটিকে ইউথেনাইজ (ঘুম পাড়িয়ে হত্যা) করা হবে না।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৩, ২০২৬ ১৩:৪৩
আজারবাইজানে হিজাব পরা ছাত্রীদের স্কুলে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় স্কুলের গেটের বাইরে ক্লাস বর্জন ও প্রতিবাদে অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

আজারবাইজানে হিজাব নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে স্কুলগেটে ক্লাস করলেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসপ্রীতি অসীমা চৌধুরী ও তাঁর ছেলে অরিত্র বিশ্বাস নিহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

আবুধাবিতে পারিবারিক অনুষ্ঠানের যোগদানের সময় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি মা ও ছেলে নিহত

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনে বাংলাদেশের ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ‘ইশারা’য় দিল্লিতে আন্দোলন হচ্ছে: পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী

বিহারে পুলিশ হেফাজতে যুবক দিলশাদ আনসারির মৃত্যুর ঘটনায় ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে পুলিশি হেফাজতে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করে মুসলিম যুবক দিলশাদ আনসারির মৃত্যু

ভারতের বিহারের পশ্চিম চম্পারণ জেলায় পুলিশ হেফাজতে দিলশাদ আনসারি নামের ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যুর পর ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করে তাঁকে হত্যা করেছে। তবে পুলিশের দাবি, থানায় নেওয়ার পথে চলন্ত গাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন দিলশাদ। মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরিবারের অভিযোগ এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।    বেতিয়া পুলিশের বিবৃতির বরাতে দ্য অবজারভার পোস্ট জানিয়েছে, সোমবার, ১২ অক্টোবর এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বরখাস্ত হওয়া সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক রবি শঙ্কর কুমার ও অরুণ কুমার এবং কনস্টেবল সৌদাগর কুমার যাদব, রাজকুমার ঋষি, কুন্দন কুমার ও সুমন কুমার। তাঁরা সবাই সহোদরা থানায় কর্মরত ছিলেন।    দিলশাদ বেতিয়ার বনুছাপর থানা এলাকার আওরাইয়ার বাসিন্দা ছিলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্টে দায়ের করা মাদকদ্রব্যসংক্রান্ত একটি মামলায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। ওই মামলার সূত্রে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানানো হয়েছে।    পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বনুছাপর এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর দিলশাদকে সহোদরা থানায় নেওয়া হচ্ছিল। পথে তিনি চলন্ত পুলিশ গাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়েন। আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে নারকাটিয়াগঞ্জের মহকুমা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বেতিয়ার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।    পরিবার পুলিশের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। দিলশাদের স্ত্রী নাগমা খাতুনের দাবি, সোমবার রাত প্রায় দুইটার দিকে পুলিশ তাঁদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্বামীকে নিয়ে যায়। তখন পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছিল, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে।    নাগমা জানান, পরে বনুছাপর থানা থেকে ফোন করে বলা হয়, তাঁর স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাঁদের দ্রুত বেতিয়ার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হবে। হাসপাতালে পৌঁছে তাঁরা দিলশাদকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।    দিলশাদের বাবা আকবর আনসারির অভিযোগ, পুলিশ তাঁর ছেলের মাথায় শক্ত কোনো বস্তু দিয়ে প্রচণ্ড আঘাত করেছে, যার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরিবার ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছে। অন্যদিকে পুলিশ চলন্ত গাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হওয়ার বক্তব্যেই বহাল রয়েছে। ছয় সদস্যের সাময়িক বরখাস্তকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া হিসেবে দেখানোর সুযোগ নেই।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৩, ২০২৬ ৯:২৪
বিদেশে বসে কাজ করায় চাকরি হারালেন কর্মী

অস্ট্রেলিয়ার অফিসে সিঙ্গাপুর থেকে কাজ, বসের ট্র্যাকিংয়ে ধরা পড়তেই গেল চাকরি

সৌদি আরবে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা পিছিয়ে দিল ডেল্টা

সৌদি আরবে ফ্লাইট চালুর তারিখ বদলাল ডেল্টা, যাত্রীদের জন্য রয়েছে টিকিট পরিবর্তনের সুযোগ

বলিউড অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা

ক্যামেরার নজরদারি  এড়াতে মেকআপ করুন, ভারতে  বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বলিউড অভিনেত্রী

0 Comments