নেটফ্লিক্সে প্রায় এক হাজার কর্মীর পদ ছাঁটাই! চার বছরে সবচেয়ে বড় কাটছাঁট করলো এই স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠান
ভিডিও স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স বিশ্বজুড়ে প্রায় এক হাজার কর্মীর পদ ছাঁটাই করছে, যা মোট কর্মীর প্রায় ৬ শতাংশ। বুধবার, ১৪ অক্টোবর কর্মীদের পাঠানো ইমেইলের বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য জানিয়েছে। ২০২২ সালের পর প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় এই ছাঁটাই এমন সময়ে হচ্ছে, যখন দর্শকদের সময় ও মনোযোগ ধরে রাখার প্রতিযোগিতা বাড়ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাঁটাইয়ের বড় অংশ হবে পণ্য উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আইন ও মানবসম্পদ বিভাগে। নেটফ্লিক্সের যৌথ প্রধান নির্বাহী গ্রেগ পিটার্স ও টেড সারান্ডোস বুধবার সকালে কর্মীদের বিষয়টি জানান। রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে প্রতিষ্ঠানটি তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
বিজনেস ইনসাইডারও পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত একজনের সঙ্গে কথা বলে প্রায় এক হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, দর্শকদের কনটেন্ট দেখার প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়া এবং শেয়ারের দুর্বল অবস্থানের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত এসেছে। গত এক বছরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ৪০ শতাংশের বেশি কমেছে।
২০ অক্টোবর তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফল প্রকাশের কথা রয়েছে নেটফ্লিক্সের। তার আগে এই ছাঁটাইয়ের খবর সামনে এল। প্রতিষ্ঠানটির আগের বড় ছাঁটাই হয়েছিল ২০২২ সালে, এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবার ত্রৈমাসিক হিসাবে গ্রাহক কমার পর।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View more‘তেলাপোকা’র পর এবার ‘মাছি’ দল, প্রধান বিচারপতির মন্তব্য ঘিরে ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক উদ্যোগ, জোটের সম্ভাবনা। ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর ‘মাখি জনতা পার্টি’ নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরে জানায়, তারা ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা করতে চায়। ঘটনার সূত্রপাত ৯ অক্টোবর ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। দিল্লিতে তেলাপোকা জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ এবং কয়েকটি ট্রেন চলাচল বাতিলের বিষয়টি আদালতে ওঠে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত হওয়া উচিত নয়। এ প্রসঙ্গেই তিনি মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহারের উপমা দেন। এই মন্তব্যের ‘মাছি’ শব্দটি ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয় নতুন ব্যঙ্গাত্মক সংগঠনটি। এর নাম ‘মাখি জনতা পার্টি’—সংক্ষেপে এমজেপি। সংগঠনটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পৃষ্ঠায় শিক্ষার্থী আরিয়ানকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, ইনস্টাগ্রামে কার্যক্রম শুরুর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের অনুসারীর সংখ্যা তিন লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে এবং বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিও মিলিয়ে ৪০ লাখের বেশি বার দেখা হয়েছে। এগুলো সংগঠনটির নিজস্ব দাবি; স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত পরিসংখ্যান হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়। তেলাপোকা জনতা পার্টি’র সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। মাছি জনতা পার্টি জানিয়েছে, পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে তারা তেলাপোকা জনতা পার্টির সঙ্গে যোগাযোগ করতে আগ্রহী। তবে দুই সংগঠনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক জোট চূড়ান্ত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। তেলাপোকা জনতা পার্টির উত্থানও শুরু হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া থেকে। পরে সংগঠনটি তরুণদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও সরকারি জবাবদিহির মতো বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে তারা ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে প্রতিবাদ করেছে। নির্বাচন কমিশন অবশ্য পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রধান বিচারপতির একটি উপমামূলক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ‘মাছি জনতা পার্টি’র আবির্ভাব ভারতের অনলাইন রাজনৈতিক ব্যঙ্গের নতুন উদাহরণ হয়ে উঠেছে। তবে সংগঠনটি ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, নাকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ হিসেবেই থাকবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
বিদ্যুৎ নেই, তবু সৌর প্যানেলের আলোয় রাতে পড়াশোনা করছে রোহিঙ্গা শিশুরা
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননার অভিযোগে ইরানে ২৩ বছরের তরুণীর মৃত্যুদণ্ড
নেটফ্লিক্সে প্রায় এক হাজার কর্মীর পদ ছাঁটাই! চার বছরে সবচেয়ে বড় কাটছাঁট করলো এই স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠান
ভারতের মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলা হাসপাতালে অসুস্থ ছেলের সঙ্গে আসা এক নারীকে দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর একজন নার্সিং কর্মকর্তা, পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে থাকা সংস্থা এবং হাসপাতালের সহকারী প্রশাসককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। ফ্রি প্রেস জার্নালের ১২ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫৮ বছর বয়সী ওই নারী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছেলেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন। চিকিৎসার সময় ছেলের অনিচ্ছাকৃত মলত্যাগে মেঝে নোংরা হয়ে যায়। অভিযোগ, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ডাকার পরিবর্তে হাসপাতালের এক কর্মী তাঁকেই জায়গাটি পরিষ্কার করতে বলেন। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ওই নারীকে হাসপাতালের করিডরের মেঝে পরিষ্কার করতে দেখা যায়। কেন তিনি এই কাজ করছেন, জানতে চাইলে তিনি জানান, তাঁকে পরিষ্কার করতে বলা হয়েছে। তবে ভিডিওতে মেঝে পরিষ্কারের দৃশ্য থাকলেও কে কী পরিস্থিতিতে তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা শুধু ওই দৃশ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় না। দ্য ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. প্রহ্লাদ প্যাটেল বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কারণ দর্শানোর নোটিশ সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা চাওয়ার পদক্ষেপ, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া বা চূড়ান্ত শাস্তির সিদ্ধান্ত নয়। এদিকে ১৪ অক্টোবরের মেডিক্যাল ডায়ালগসের প্রতিবেদনে ভিডিওটির সময়কাল নিয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নারীকে কেন মেঝে পরিষ্কার করতে বলা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ভূমিকা কী ছিল, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে ভিডিওটি সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়লেও ঘটনাটি ঠিক কবে ঘটেছে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
প্রেমের টানে রাশিয়া থেকে ভারতে তরুণী, প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তুতি ঘিরে চাঞ্চল্য
চা রপ্তানি, বিনামূল্যে লিভার প্রতিস্থাপন, যৌথ কারখানা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের একাধিক প্রস্তাব
তথ্য লুকিয়ে এক সাথে পাঁচটি কোম্পানীতে ফুল টাইম জব করে এবার আদালতের কাঠগড়ায় ইস্ট লন্ডনের এক বাঙালী
জার্মানির কোলন শহরে রোবট ব্যবহার করে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে যৌ ন হয় রা নির অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রোবটটির ১৬ বছর বয়সী মালিক ও তাঁর ১৯ বছর বয়সী সঙ্গী ঘটনাটি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আলামত হিসেবে রোবট ও সন্দেহভাজনদের দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। কোলন পুলিশের ১২ অক্টোবরের বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে মধ্যরাতের মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় কিশোরী তাঁর দুই বান্ধবীর সঙ্গে শহরের একটি ফাস্ট ফুড রেস্তোরাঁর বাইরে ছিলেন। প্রায় ১ দশমিক ২০ মিটার উঁচু রোবটটি পেছন থেকে এগিয়ে এসে তাঁকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করে এবং যৌ ন ইঙ্গিতপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের কাছাকাছি সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে। পরে একটি ফক্সওয়াগন গাড়ির ট্রাংক থেকে লাল ও সোনালি রঙের রোবটটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, রোবটের মালিক সেটি গাড়িতে রেখেছিলেন। তদন্তের মূল বিষয় হলো, ঘটনার সময় রোবটটি কীভাবে কাজ করছিল এবং কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে তার নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করছিলেন কি না। আগে থেকে প্রোগ্রাম করা নির্দেশনা নাকি তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণে এসব আচরণ ঘটেছে, তা পরীক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। কোলন পুলিশের মুখপাত্র ক্রিস্টফ বেরমেল অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, দুইজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি। এমন ঘটনা তদন্তের অভিজ্ঞতা তাঁদের আগে ছিল না বলেও জানান তিনি। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুপযুক্ত মন্তব্যেরও সমালোচনা করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা ছড়িয়ে দেওয়া কিংবা তা নিয়ে ঠাট্টা করা ভুক্তভোগীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়াতে পারে।
বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে: ভারতের জেন জি আন্দোলন নিয়ে নেহা বোরা
হু তি বি দ্রো হীদের হা মলার মুখে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদ, দফায় দফায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সৌদি যুবরাজকে