সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

ইরানের প্রযুক্তিগত উন্নয়নই শত্রুর হা মলা ঠেকানোর অন্যতম হাতিয়ার, বললেন পেজেশকিয়ান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৮:২২
ইরানের প্রযুক্তিগত উন্নয়নই শত্রুর  হা মলা ঠেকানোর অন্যতম হাতিয়ার, বললেন পেজেশকিয়ান
ইরানের প্রযুক্তিগত উন্নয়নই শত্রুর হা মলা ঠেকানোর অন্যতম হাতিয়ার, বললেন পেজেশকিয়ান

ইরানকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এমন এক শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যাতে কোনো শত্রু দেশটিতে হামলার সাহস না পায়। সম্প্রতি তেহরানের কাছে ইসলামশাহর শহরে বেশ কয়েকটি স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

 

আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেছেন যে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনসহ উন্নত প্রযুক্তির নানা ক্ষেত্রে ইরানের সাম্প্রতিক অর্জনগুলো মূলত দেশের শক্তিশালী মানবসম্পদ ও বৈজ্ঞানিক সক্ষমতারই সুস্পষ্ট প্রমাণ। তবে তিনি মনে করেন, কেবল বর্তমান অর্জনেই আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই; বরং দেশের ভবিষ্যৎ ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় আরও অনেক দূর যেতে হবে।

 

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা নিশ্চিত করতে শিক্ষার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন পেজেশকিয়ান। তিনি জানান, দেশের বর্তমান অবস্থার চেয়ে আরও অনেক ভালো করার সুযোগ রয়েছে। আর এই লক্ষ্য অর্জনে এবং উন্নত প্রযুক্তিতে অগ্রগতি ধরে রাখতে যোগ্য ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

 

প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যে মূলত জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও যুগোপযোগী শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। দেশের মানবসম্পদ ও বৈজ্ঞানিক সক্ষমতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর মাধ্যমেই ইরান তার কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিডের টিকার ট্রায়ালে অংশ নিয়ে বিরল স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হলেও সরকারি সহায়তা পাননি ব্রিটিশ নার্স। ছবি: সংগৃহীত
'যথেষ্ট অক্ষম নন’, কোভিড টিকা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অসুস্থ নার্স, অক্ষমতার শর্তে মেলেনি সহায়তা

অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর বিরল স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হওয়া এক ব্রিটিশ নার্স সরকারি আর্থিক সহায়তা পাননি। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তিনি কর্মসূচির নির্ধারিত অক্ষমতার সীমা পূরণ করেননি বলে জানানো হয়েছে। তবে তাঁর দাবি, হাতে দুর্বলতা ও ব্যথাসহ অসুস্থতার কিছু প্রভাব এখনো রয়ে গেছে।   ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪৪ বছর বয়সী মেরি-ক্লেয়ার হয়েল ২০২০ সালে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে টিকার পরীক্ষায় অংশ নেন। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার দুই সপ্তাহ পর তাঁর ট্রান্সভার্স মায়েলাইটিস ধরা পড়ে। এটি মেরুরজ্জুর প্রদাহজনিত একটি রোগ।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, অসুস্থতার তীব্র পর্যায়ে হয়েল হাত স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করতে পারতেন না। পরে তাঁর শারীরিক সক্ষমতার বড় অংশ ফিরে আসে। সেই উন্নতির কারণে ভ্যাকসিন ড্যামেজ পেমেন্ট স্কিমের আওতায় অর্থ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অন্তত ৬০ শতাংশ অক্ষমতার শর্ত তিনি পূরণ করেননি।   হয়েলের ভাষ্য, তাঁর জমা দেওয়া চিকিৎসার নথির ভিত্তিতে মূল্যায়নকারীরা টিকার সঙ্গে অসুস্থতার সম্পর্ক স্বীকার করেছিলেন। তবে বর্তমান অক্ষমতার মাত্রার কারণে আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি নির্দিষ্ট সীমার বদলে ক্ষতির মাত্রা অনুযায়ী অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা চান। এই মূল্যায়নের বিবরণ তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।    যুক্তরাজ্যের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট টিকার কারণে গুরুতর অক্ষমতা তৈরি হলে যোগ্য আবেদনকারী এককালীন করমুক্ত এক লাখ ২০ হাজার পাউন্ড পেতে পারেন। এ জন্য টিকার সঙ্গে অক্ষমতার কার্যকারণ সম্পর্ক এবং অন্তত ৬০ শতাংশ অক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হতে হয়।   সরকার এই ব্যবস্থাকে পূর্ণ ক্ষতিপূরণ কর্মসূচি হিসেবে বর্ণনা করে না। এটি নির্দিষ্ট শর্তে দেওয়া এককালীন আর্থিক সহায়তা। আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার সুযোগও রয়েছে।    অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার সঙ্গে ট্রান্সভার্স মায়েলাইটিসের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাও পর্যালোচনা করেছে। ইউরোপীয় ওষুধ সংস্থা ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ভ্যাক্সজেভরিয়া এবং জ্যানসেনের কোভিড টিকার পর অত্যন্ত বিরল এই রোগের প্রতিবেদনের বিষয়ে পণ্যের তথ্যে সতর্কতা যুক্ত করার সুপারিশ করে। তবে কোনো ব্যক্তির অসুস্থতার কারণ নির্ধারণে তাঁর চিকিৎসার ইতিহাস ও পরীক্ষার ফল আলাদাভাবে মূল্যায়ন প্রয়োজন।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৯:৪২
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ধামার প্রদেশে আবাসিক বাড়িতে বিমান হামলায় তিন শিশু নিহত

ইয়েমেনে বিমান হামলায় তিন শিশু নিহত, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বাড়ছে উত্তেজনা

ইরানের ২৫ বিলিয়ন ডলারের তেল আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র, বন্ধ আইআরজিসি সদস্যদের বেতনও

ইরানের ২৫ বিলিয়ন ডলারের তেল আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র, বন্ধ আইআরজিসি সদস্যদের বেতনও

ইরানের প্রযুক্তিগত উন্নয়নই শত্রুর  হা মলা ঠেকানোর অন্যতম হাতিয়ার, বললেন পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রযুক্তিগত উন্নয়নই শত্রুর হা মলা ঠেকানোর অন্যতম হাতিয়ার, বললেন পেজেশকিয়ান

মায়ের ভিসা প্রত্যাখ্যান, অসুস্থ স্বজনকে দেখতে ব্রিটিশ শিশুর সফর অনিশ্চিত
মায়ের ভিসা প্রত্যাখ্যান, অসুস্থ স্বজনকে দেখতে ব্রিটিশ শিশুর সফর অনিশ্চিত

মায়ের ভিজিটর ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় থাইল্যান্ডে থাকা পাঁচ মাসের ব্রিটিশ শিশু উইলিয়াম ক্রসের যুক্তরাজ্যে পারিবারিক সফর অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বড়দিনে অসুস্থ প্রপিতামহের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাতের পরিকল্পনা ছিল।   ১৭ অক্টোবর গার্ডিয়ান জানায়, শিশুটির বাবা ম্যাথিউ ক্রস ব্রিটিশ এবং মা খিন থান্ট জিন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছেন। হোম অফিস তাঁর আয় ও সফর শেষে ফেরার প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়নি।   পরিবার নতুন আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। হোম অফিস জানিয়েছে, প্রতিটি আবেদন অভিবাসন বিধি ও জমা দেওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে বিবেচিত হয়। প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তটি শিশুটির নয়, তার মায়ের ভিসার আবেদনের বিষয়ে।    যুক্তরাজ্যের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর ভিসার আবেদনকারীকে দেখাতে হয় যে তিনি অনুমোদিত উদ্দেশ্যে সাময়িক সফরে যাচ্ছেন এবং সফর শেষে দেশ ছাড়বেন। নিজের ও নির্ভরশীলদের যাতায়াত, থাকা এবং অন্যান্য যুক্তিসংগত খরচ বহনের ব্যবস্থাও দেখাতে হয়।   আবেদনের সহায়ক নথি নিয়ে সরকারি নির্দেশনায় ব্যক্তিগত ও আর্থিক পরিস্থিতির প্রমাণ দেওয়ার কথা রয়েছে। অন্য কেউ খরচ বহন করলে সেই সহায়তার ধরন এবং সহায়তাকারীর সামর্থ্যের প্রমাণও প্রাসঙ্গিক। ফলে যুক্তরাজ্যে স্বজনের আমন্ত্রণ থাকলেও ভিসার অন্যান্য শর্ত পূরণের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৮:৯
হামজা মোহাম্মদ

যুক্তরাজ্যে ব্যাংককর্মী সেজে প্রবীণ নারীদের কার্ড হাতিয়ে নেয়ায় হামজা মোহাম্মদের কারাদণ্ড

কানাডায় অভিবাসী গ্রহণ আবার বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্নি

কানাডায় অভিবাসী গ্রহণ আবার বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্নি

গাজায় ইনসুলিন-সংকট

গাজায় ইনসুলিন-সংকট, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশুদের জীবনঝুঁকির সতর্কতা

আটক ইসরায়েলি-মেক্সিকান ‘দ্য ব্যাংকার’
দুবাইয়ে ১ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের ব্যাংক জালিয়াতির মামলায় কলম্বিয়ায় আটক ইসরায়েলি-মেক্সিকান ‘দ্য ব্যাংকার’

দুবাইয়ে ব্যাংক জালিয়াতির মামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির পর কলম্বিয়ায় আটক হয়েছেন ইসরায়েলি ও মেক্সিকান নাগরিক মিখায়েল মেজরাহি। ৬১ বছর বয়সী মেজরাহি ‘এল বানকেরো’ বা ‘দ্য ব্যাংকার’ নামেও পরিচিত। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বোগোতার এল দোরাদো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করে কলম্বিয়ার পুলিশ।    কলম্বিয়ার পুলিশ ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতারণা, অর্থ পাচার এবং জাল নথি ব্যবহারসংক্রান্ত মামলায় মেজরাহির বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা কার্যকর করতে তাঁকে খোঁজা হচ্ছিল। দুবাইয়ের তদন্তকারীদের অভিযোগ, তিনি এমন একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যেটি ব্যাংক অব খার্তুমের ৬ কোটি ১৪ লাখ ৪০ হাজার দিরহাম, প্রায় ১ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার, জালিয়াতি করেছে।    তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, চক্রটির সদস্যরা নিজেদের বড় বিনিয়োগকারী ও বৈধ বাণিজ্যিক প্রকল্পের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিতেন। ব্যাংক গ্যারান্টি, চুক্তিপত্র ও আর্থিক নথি ব্যবহার করে তাঁরা লেনদেনকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করতেন। এসব নথি জাল ছিল বলে অভিযোগ করেছে কলম্বিয়ার পুলিশ।    পুলিশের দাবি, অর্থের একটি অংশ মেজরাহির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হিসাবে পাঠানো হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ডব্লিউওয়াইবি এজি জেনারেল ট্রেডিংয়ের নাম উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ। পরে ভুয়া অর্থ স্থানান্তরের নির্দেশ পাঠিয়ে সময় নেওয়া এবং অর্থ বিদেশে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে চক্রটির বিরুদ্ধে। এসব বিবরণ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের ভাষ্য; সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।    কলম্বিয়ার অপরাধ তদন্ত ও ইন্টারপোল শাখা, ডিজিন, দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় বিমানবন্দরে অভিযান চালায়। আটকের পর মেজরাহিকে কলম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রত্যর্পণ করা হবে কি না, তা নির্ধারণে কূটনৈতিক ও বিচারিক প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৬:১২
ইয়েমেনের রাজধানী সানার আদালতে একাই হাজির হয়েছিল নুজুদ আলী

প্রাপ্তবয়স্ক স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ চাইতে একাই আদালতে হাজির ১০ বছরের নুজুদ

ইয়েমেনের হুতিদের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবকে ইসরায়েল অনেক সহায়তা করেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট

সৌদি আরবকে অনেক সাহায্য করছে ইসরায়েল, সম্পর্কও স্বাভাবিক হতে পারে: ট্রাম্প

জার্মানির বিমানবন্দরে যাত্রীর স্যুটকেসে মিলল ৩৭টি বিষধর সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি, হতবাক কর্মকর্তারা

জার্মানির বিমানবন্দরে যাত্রীর স্যুটকেসে মিলল ৩৭টি বিষধর সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি, হতবাক কর্মকর্তারা

0 Comments