সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

Today latest news

20 News
বিডেফোর্ডে আইসিই এজেন্টের গুলিতে কলম্বিয়ার নাগরিক জোহান সেবাস্তিয়ান দুরান গেরেরো নিহত হওয়ার ঘটনার তদন্ত চলছে। ছবি: সংগৃহীত
মেইনে আইসিই এজেন্টের গুলিতে নিহত ব্যক্তির ৩ বছরের মেয়ের কার সিটেও লাগে গুলি

মেইনের বিডেফোর্ডে আইসিই এজেন্টের গুলিতে নিহত কলম্বিয়ার নাগরিক জোহান সেবাস্তিয়ান দুরান গেরেরোর তিন বছর বয়সী মেয়ের কার সিটেও একটি গুলি লেগে তা ভেদ করে গেছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের আইনজীবী শন মারফি। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটির এক শুনানিতে তিনি এ তথ্য জানান। শিশুটি গুলির সময় গাড়িতে ছিল না বলে আইনজীবী জানিয়েছেন।    মারফির বক্তব্য অনুযায়ী, গেরেরোর পরিবার ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ফেরত চেয়েছিল। তবে শিশুটির কার সিটটি পরিবারকে ফেরত দেওয়া হয়নি। কারণ, আইসিই এজেন্টের ছোড়া একটি গুলি সেটিতে আঘাত করে ছিদ্র করে দিয়েছে এবং সেটি এখন তদন্তের আলামত হিসেবে রয়েছে।    গেরেরোকে ১৩ জুলাই মেইনের বিডেফোর্ডে গুলি করে হত্যা করা হয়। মেইন অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, ফেডারেল এনফোর্সমেন্ট রিমুভাল অপারেশনসের এক কর্মকর্তার গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে কারও বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নির্ধারণের জন্য তদন্ত চলছে।    ঘটনার পর গেরেরোর পরিবারের প্রতিনিধিরা তার গাড়ি ও অন্যান্য জিনিসপত্রের বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবারের আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, শিশুটির কার সিটে গুলি লাগার বিষয়টি তখন সামনে আসে। এর আগে কিছু প্রতিবেদনে শিশুটি গুলির সময় গাড়িতে ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে আইনজীবী স্পষ্ট করেছেন, গেরেরোর তিন বছর বয়সী মেয়ে তখন গাড়িতে ছিল না।    গেরেরোর মৃত্যুর ঘটনায় মেইন অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় আলাদা করে তদন্ত করছে। অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যারন ফ্রের কার্যালয় জানিয়েছে, ১৩ জুলাইয়ের ঘটনার পর থেকেই তারা প্রমাণ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণ করছে। তদন্ত শেষে মেইন আইনের অধীনে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার মতো প্রমাণ আছে কি না, তা নির্ধারণ করা হবে।    অন্যদিকে, আইসিই ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই ঘটনায় কর্মকর্তারা একজন ভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গাড়ি থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। গাড়ির চালক থামেননি এবং জননিরাপত্তার আশঙ্কায় এক কর্মকর্তা গুলি চালান বলে ডিএইচএসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। তবে কাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছিল, তা ফেডারেল কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে জানায়নি।    গেরেরোর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে কংগ্রেসেও শুনানি হয়েছে। তার পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীসহ কয়েকজন ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। শুনানিতে গেরেরোর পরিবারের পক্ষ থেকে তদন্তের স্বচ্ছতা ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে।    মেইন অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে সতর্ক থাকবে, যাতে তদন্তের ওপর কোনো প্রভাব না পড়ে। তদন্ত শেষ হলে পুরো নথি মেইন ডেডলি ফোর্স রিভিউ প্যানেলের কাছে পর্যালোচনার জন্য দেওয়া হবে।    এ ঘটনায় নিহত গেরেরোর পরিবারের জন্য কার সিটটি শুধু একটি ব্যক্তিগত জিনিস নয়, মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবেও রয়ে গেছে। শিশুটি গাড়িতে না থাকায় গুলিটি তাকে আঘাত করেনি, তবে কার সিটে গুলির চিহ্ন থাকার বিষয়টি ঘটনাটির তদন্তে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ১০:৬
বারহাম সালিহ এবং তারেক রহমান।
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই: তারেক রহমান

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) বারহাম সালিহের সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার নিউইয়র্ক সময় বিকেলে হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনএইচসিআর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।   বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। কিন্তু এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য তাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকার প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নজরুল হক জানান, বৈঠকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের পাশাপাশি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে এই সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।   বৈঠকে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও উঠে আসে। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইউএনএইচসিআর প্রধান বারহাম সালিহ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।   রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জন্য বড় মানবিক ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে বলে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে। তাদের খাদ্য, পুষ্টি, শিক্ষা ও অন্যান্য মৌলিক সহায়তা দিতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কাজ করলেও তহবিল সংকটের কারণে রোহিঙ্গা সহায়তা কার্যক্রম ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে।   রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান হলো—ফেরত পাঠানোর আগে মিয়ানমারে তাদের নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মতো পরিবেশ তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছামূলক এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। মঙ্গলবারের বৈঠকেও নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়টিই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল।   জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর এবারের সফরে রোহিঙ্গা সংকটকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে রাখা হয়েছে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টেও প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটের টেকসই সমাধানে নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানাবে বাংলাদেশ।   রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে ইউএনএইচসিআর প্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেই আরও জোরদারের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৯:৫৭
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে পিএইচডি গবেষণা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কথা বলছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
আমার পিএইচডি রিসার্চের টপিক ঠিক করে দিয়েছিলেন তারেক রহমান, বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, তার পিএইচডি গবেষণার বিষয় ঠিক করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত ‘এমজিআই-এমএএ স্কলারশিপ ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।    অনুষ্ঠানে নিজের উচ্চশিক্ষার সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মিলন বলেন, মালয়েশিয়ায় থাকাকালে তিনি গবেষণা করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হলে নিজের হায়ার স্টাডিজের গবেষণার বিষয়টি তাকে দেখান। শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তখন তারেক রহমান বিষয়টি দেখে সেটিতে পরিবর্তনের পরামর্শ দেন।   মিলন বলেন, তার গবেষণার প্রাথমিক বিষয়টি ছিল উচ্চশিক্ষাকেন্দ্রিক। কিন্তু তারেক রহমান বিষয়টি দেখে ‘হায়ার’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেইনিং’, সংক্ষেপে টিভিইটি, যুক্ত করে দেন। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি এটিকে তারেক রহমানের চিন্তাভাবনা ও দূরদর্শিতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।    নিজের বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, তিনি তখন মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন এবং গবেষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় গবেষণার বিষয় নিয়ে তাদের আলোচনা হয়। এরপর বিষয়টি পরিবর্তনের পর তিনি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার দিকে গবেষণাকে যুক্ত করেন বলে জানান।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির কারণে শিক্ষার ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যের এই অংশে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্বের কথা উঠে আসে।    মিলন আরও বলেন, বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে যে ধরনের সংযোগ প্রয়োজন, তা এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। তার মতে, চীনসহ উন্নত দেশগুলোতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা সেখানে প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পান এবং অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতেই চাকরির সুযোগ তৈরি হয়।    দেশের তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনা নিয়েও বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মেধা বিশ্বের অন্য দেশের মানুষের তুলনায় কম নয়। শিক্ষা ও দক্ষতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া লিংকেজ আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।    নিজের শিক্ষাজীবনের প্রসঙ্গ তুলে মিলন বলেন, তিনি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পরে বিদেশে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ করেন। সময় ও চাহিদার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্যই তিনি বিষয় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। পরবর্তীতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।    অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার স্বীকৃতি হিসেবে এমজিআই-এমএএ স্কলারশিপ ২০২৬ প্রদান করা হয়। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে দেশের উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রবেশের প্রস্তুতির বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়।    সরকারি ও সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বর্তমানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। চলতি বছর তিনি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং শিক্ষা সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারি কর্মসূচিতে বক্তব্য দিয়েছেন।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৯:৪৮
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিহত সেনাসদস্যের প্রকাশ্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধে নতুন করে এক মার্কিন সেনার মৃত্যু! পরিচয় প্রকাশ করল পেন্টাগন, নিহতের সংখ্যা ১৯

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিহত সেনাসদস্যের প্রকাশ্য সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। পেন্টাগনের প্রকাশ্য সামরিক হতাহতের ডাটাবেসে নতুন করে এক নারী আর্মি অফিসারের মৃত্যুর তথ্য যুক্ত হওয়ার পর এই সংখ্যা দাঁড়ায়। ওই কর্মকর্তা মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে সামরিক বিমানে যাওয়ার সময় প্রাণঘাতী শারীরিক জরুরি অবস্থার শিকার হন বলে এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।    ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ওই নারী অফিসারের মৃত্যু ঘটে। তবে পেন্টাগন তখনও তার মৃত্যুর বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো ঘোষণা দেয়নি। পরে ২১ সেপ্টেম্বর ডিফেন্স ক্যাজুয়েলটি অ্যানালাইসিস সিস্টেমে নতুন তথ্য যুক্ত করা হয়। নিহত সেনার পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।    নতুন মৃত্যুর তথ্যটি পেন্টাগনের ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ ক্যাটাগরিতে যুক্ত হয়েছে। এর ফলে ইরান যুদ্ধসংশ্লিষ্ট প্রকাশ্য হিসাবের মধ্যে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে ১৪ জন এবং আলাদা ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ ক্যাটাগরিতে পাঁচজনের মৃত্যু তালিকাভুক্ত হয়েছে। পেন্টাগনের প্রকাশ্য ডাটাবেসে এই দুই ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট নিহতের সংখ্যা এখন ১৯।    তবে মার্কিন সেনা নিহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে ছয় মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নিহত মার্কিন সেনাসদস্যের সংখ্যা প্রকাশ্য ডাটাবেসের চেয়ে বেশি হতে পারে। ওই প্রতিবেদনের সময় পেন্টাগনের প্রকাশ্য হিসাবে নিহতের সংখ্যা ছিল ১৮ জন। পেন্টাগন ওই হিসাবের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।    নতুন করে ১৯তম মৃত্যুর তথ্য যুক্ত হওয়ায় যুদ্ধের সামরিক হতাহতের হিসাব নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। একই সঙ্গে নিহত সেনাদের মৃত্যুর ধরন এবং কোন অপারেশনের সঙ্গে তাদের মৃত্যু যুক্ত, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ সামরিক বাহিনীতে কোনো সদস্যের মৃত্যুর পর তার মৃত্যু দায়িত্ব পালনের সময় ঘটেছে কি না, তা নির্ধারণে আনুষ্ঠানিক তদন্ত করা হয়। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে পরিবারের প্রাপ্য বিভিন্ন সুবিধা ও সারভাইভার বেনিফিটের বিষয়ও যুক্ত থাকতে পারে।    পেন্টাগনের প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, অপারেশন এপিক ফিউরির অধীনে তালিকাভুক্ত ১৪ মৃত্যুর মধ্যে সাতজনের মৃত্যু ‘হোস্টাইল’ এবং সাতজনের মৃত্যু ‘নন-হোস্টাইল’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। নতুন যুক্ত হওয়া নারী আর্মি অফিসারের মৃত্যুও নন-হোস্টাইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ তার মৃত্যু সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে হামলায় ঘটেছে বলে পেন্টাগনের প্রকাশ্য শ্রেণিবিন্যাসে দেখানো হয়নি।    ইরান যুদ্ধের শুরু থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হতাহতের হিসাব নিয়ে স্বচ্ছতা এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় রয়েছে। নতুন করে আরও একজন সেনাসদস্যের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ্য তালিকায় যুক্ত হওয়ায় এখন নজর থাকবে পেন্টাগনের পরবর্তী আপডেট এবং সামরিক বাহিনীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৯:৩৮
খান ইউনিসে বিমান হামলায় নিহত দাবি করা হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আবু আলওয়ান। ছবি: সংগৃহীত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান নিহত: নেতানিয়াহু

গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে বিমান হামলায় হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আবু আলওয়ান নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। বুধবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। তাদের দাবি, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও শিন বেতের যৌথ অভিযানে তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।    ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, আবু আলওয়ান হামাসের অর্থ বিভাগের নেতৃত্বে ছিলেন এবং সংগঠনটির অর্থের উৎস ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, হামাসের নেতৃত্ব, কর্মী এবং অর্থের উৎসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।    তবে হামলার বিষয়ে ফিলিস্তিনি চিকিৎসাকর্মীদের দেওয়া তথ্যেও দুজন নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, পশ্চিম খান ইউনিসে একটি গাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় মুহাম্মদ আবু আলওয়ান ও ওসামা আবু খাতের নিহত হন। হামলায় আরও দুজন আহত হয়েছেন।    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাদের বিবৃতিতে হামাসকে পুনরায় শক্তিশালী হতে না দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে হামাসের কমান্ডার ও সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা এবং সংগঠনটির অর্থের উৎস ও অবকাঠামোর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।    অন্যদিকে, হামাস তাৎক্ষণিকভাবে আবু আলওয়ানের নিহত হওয়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি বলে রয়টার্স জানিয়েছে। ফলে ইসরায়েলের দেওয়া তার পরিচয় ও হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান হিসেবে তার ভূমিকার দাবির স্বাধীন যাচাই এখনো প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।    গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর গাজায় অন্তত ১ হাজার ৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। একই সময়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েল ও হামাস একে অপরকে দায়ী করে আসছে।    খান ইউনিসে হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধানকে লক্ষ্য করে এই হামলা এমন এক সময়ে হলো, যখন গাজায় হামাসের সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি সংগঠনটির অর্থের উৎস নিয়েও ইসরায়েলি অভিযান জোরদার রয়েছে। আবু আলওয়ানের মৃত্যু হামাসের আর্থিক কাঠামোয় কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা এখনই স্পষ্ট নয়।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৯:১৩
জর্জিয়ায় প্রায় ৫ হাজার গাড়ি ঋণগ্রহীতার জন্য আসছে আর্থিক স্বস্তি
৬৯৪ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা, হাজারো গাড়ি ঋণগ্রহীতার জন্য আসছে বড় আর্থিক স্বস্তি

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রায় ৫ হাজার মানুষ গাড়ির ঋণ থেকে আর্থিক স্বস্তি পেতে পারেন। ক্রেডিট অ্যাকসেপ্টেন্স করপোরেশনের সঙ্গে ৪১টি অঙ্গরাজ্যের করা ৬৯৪ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতার আওতায় জর্জিয়ার গ্রাহকদের জন্য নগদ অর্থ প্রদান ও গাড়ি ঋণের কিছু অংশ মওকুফের সুযোগ রাখা হয়েছে।   জর্জিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ক্রিস কার জানিয়েছেন, এই সমঝোতায় জর্জিয়াও অংশ নিয়েছে। অঙ্গরাজ্যটির গ্রাহকদের জন্য ২৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি নগদ অর্থ ও ঋণ ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে সব গ্রাহক এই সুবিধা পাবেন না।   এই সমঝোতার পেছনে রয়েছে গাড়ির ঋণ দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে ওঠা অভিযোগ। অভিযোগ ছিল, ক্রেডিট অ্যাকসেপ্টেন্স এমন কিছু গ্রাহককে গাড়ির ঋণ দিয়েছিল, যাদের ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য প্রতিষ্ঠানটি আগে থেকেই জানত না বা যাদের ঋণ নেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। সমঝোতায় গ্রাহকদের তথ্য দেওয়ার পদ্ধতি, গাড়ি বিক্রেতাদের ওপর নজরদারি এবং ভোক্তা সুরক্ষার আরও কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।   তবে ক্রেডিট অ্যাকসেপ্টেন্স জানিয়েছে, কোনো ধরনের অনিয়ম স্বীকার না করেই তারা এই সমঝোতায় পৌঁছেছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, কয়েক বছর ধরে চলা বিভিন্ন মামলা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিষয়গুলো নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই এই চুক্তি করা হয়েছে।   কারা এই সুবিধা পাবেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেডিট অ্যাকসেপ্টেন্স জানিয়েছে, তাদের সক্রিয় হিসাবের ৩ শতাংশেরও কম এই সমঝোতার আওতায় ঋণ মওকুফের জন্য যোগ্য হবে। অর্থাৎ অধিকাংশ গ্রাহক কোনো ধরনের ঋণ ছাড় পাবেন না এবং তাদের হিসাবেও কোনো পরিবর্তন হবে না।   যোগ্য গ্রাহকদের সঙ্গে ক্রেডিট অ্যাকসেপ্টেন্স অথবা অঙ্গরাজ্যগুলোর পক্ষ থেকে নিয়োগ করা সমঝোতা প্রশাসক সরাসরি যোগাযোগ করবে। ডাকযোগে বা ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো নোটিশে জানানো হবে, সমঝোতার আওতায় সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের জন্য কী সুবিধা রয়েছে। যোগ্যতা যাচাই করতে গ্রাহকদের আলাদাভাবে আবেদন বা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে না।   প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ফোনে যোগাযোগ করে গ্রাহকেরা নিজেদের যোগ্যতা নিশ্চিত করতে পারবেন না। তাই সম্ভাব্য যোগ্য গ্রাহকদের ডাকের ঠিকানা ও ই-মেইল ঠিকানা হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ তাদের কাছে পৌঁছায়।   এদিকে সমঝোতার বিষয়ে আলাদা নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। যারা এই সুবিধার জন্য যোগ্য নন, তাদের ক্ষেত্রে ঋণের কিস্তি পরিশোধ, হিসাব পরিচালনা বা গ্রাহকসেবা নেওয়ার নিয়মে কোনো পরিবর্তন হবে না।    

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৯:৪
জাতিসংঘে এরদোয়ানের বক্তব্যের সময় স্মার্টফোনে মনোযোগী সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণে রিলস স্ক্রল করতে দেখা গেল সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের বিতর্ক চলাকালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা’কে স্মার্টফোনে ইনস্টাগ্রাম রিলস স্ক্রল করতে দেখা গেছে। মঙ্গলবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান যখন বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন ধারণ করা একটি ভিডিওতে আল-শারা’কে ফোনের স্ক্রিনে মনোযোগ দিতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।   ভিডিওতে আল-শারা’কে মাথা নিচু করে ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। স্ক্রিনে ইনস্টাগ্রামের স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও বা রিলসের মতো কনটেন্ট স্ক্রল করার দৃশ্যও দেখা গেছে। তবে ভিডিও দেখে তিনি ঠিক কী দেখছিলেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন বা সত্যিই রিলস শেয়ার করছিলেন কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। বিভিন্ন প্রতিবেদনে রিলস শেয়ারের কথা বলা হলেও, ভিডিওটি নিজে থেকে সেই তথ্য নিশ্চিত করে না।   ঘটনাটি ঘটে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের বিতর্কের প্রথম দিকের অধিবেশনে। নিউইয়র্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। এরদোয়ানের বক্তব্যে গাজা, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের মতো বিষয় উঠে আসে। সেই সময় আল-শারা’র ফোন ব্যবহারের দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আল-শারা’র জন্য এবারের জাতিসংঘ সফরও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালে তিনি প্রথমবার সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন। এর আগে প্রায় ছয় দশক পর কোনো সিরীয় নেতা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বনেতাদের সামনে বক্তব্য দিয়েছিলেন। এবার তার অংশগ্রহণ সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   আহমেদ আল-শারা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। তার নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী বাহিনীর অভিযানে দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সিরিয়ায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। দেশটির নতুন নেতৃত্ব এরপর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।   এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন আরও একটি কারণে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের খলিলুর রহমান। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই অধিবেশনের মেয়াদ ২০২৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য হলো আস্থা পুনর্গঠন এবং পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এমন একটি জাতিসংঘ গড়ে তোলা, যা সবার জন্য কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।   আল-শারা’র ফোন ব্যবহারের কয়েক সেকেন্ডের দৃশ্য এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। কেউ ঘটনাটিকে সাধারণ ফোন ব্যবহারের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বিশ্বনেতাদের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য চলাকালে তার এমন আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তবে ভিডিওতে দেখা দৃশ্যের বাইরে তার উদ্দেশ্য বা মনোযোগের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।  

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৮:৫৪
জাপানে মেয়ের স্বামীকে দত্তক নিয়ে পরিবারের উত্তরাধিকারী করার ঐতিহ্য ‘মুকোয়োশি’
ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবার, আবেদন করতে পারবেন বাংলাদেশিরাও!

জাপানে কোনো পরিবারে উপযুক্ত পুরুষ উত্তরাধিকারী না থাকলে মেয়ের স্বামীকে আনুষ্ঠানিকভাবে দত্তক নিয়ে পরিবারের পদবি ও ব্যবসার দায়িত্ব দেওয়ার দীর্ঘদিনের একটি রীতি রয়েছে। ‘মুকোয়োশি’ নামে পরিচিত এই প্রথায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বিয়ের পর শুধু জামাই হিসেবে নয়, আইনগতভাবে শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্য ও উত্তরাধিকারী হিসেবেও যুক্ত হতে পারেন। বিশেষ করে পারিবারিক ব্যবসা ও পরিবারের নাম প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রাখাই এই ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।   জাপানি সমাজে এই প্রথার শিকড় বহু পুরোনো। ঐতিহাসিকভাবে পরিবারের নেতৃত্ব ও সম্পদের উত্তরাধিকার অনেক ক্ষেত্রে পুরুষ উত্তরসূরির মাধ্যমে চলত। কোনো পরিবারে ছেলে না থাকলে, কিংবা থাকা ছেলে পারিবারিক ব্যবসা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত না হলে, মেয়ের স্বামীকে দত্তক নেওয়া একটি কার্যকর উত্তরাধিকার ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। দত্তক নেওয়ার পর ওই ব্যক্তি পরিবারের পদবি গ্রহণ করেন এবং পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।   তবে মুকোয়োশি শুধু মেয়ের স্বামীকে দত্তক নেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। কোনো পারিবারিক ব্যবসার জন্য উপযুক্ত উত্তরসূরি না থাকলে প্রতিষ্ঠানের ভেতরের দক্ষ কর্মীকেও দত্তক নিয়ে পরিবারের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে। অর্থাৎ রক্তের সম্পর্কের চেয়ে ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতাকেও উত্তরসূরি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করে এই প্রথা।   জাপানের পরিচিত কয়েকটি ব্যবসায়িক পরিবারের ইতিহাসেও দত্তক উত্তরসূরির নজির পাওয়া যায়। সুজুকির সাবেক চেয়ারম্যান ও দীর্ঘদিনের শীর্ষ নির্বাহী ওসামু সুজুকি জন্মসূত্রে সুজুকি পরিবারের সদস্য ছিলেন না; তিনি বিয়ের মাধ্যমে পরিবারে যুক্ত হয়ে দত্তক নেওয়া হয় এবং পরে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন। কিক্কোমানের দীর্ঘ ব্যবসায়িক ইতিহাসেও উত্তরাধিকার ব্যবস্থায় পরিবার ও ব্যবসার ধারাবাহিকতা রক্ষার বিভিন্ন কৌশলের নজির রয়েছে।   সময়ের সঙ্গে এই প্রথাকে ঘিরে ম্যাচমেকিং বা মধ্যস্থতাকারী সেবারও বিকাশ ঘটেছে। ব্যবসার উত্তরসূরি প্রয়োজন এমন পরিবার এবং মুকোয়োশি হতে আগ্রহী পুরুষদের মধ্যে বিয়ে ও পারিবারিক সম্পর্ক তৈরিতে কিছু বিশেষায়িত সেবা কাজ করেছে। তবে এটি কোনো সাধারণ ‘ঘরজামাই আবেদন’ ব্যবস্থা নয়। পরিবার, বিয়ে, দত্তক এবং ব্যবসার উত্তরাধিকার সবকিছুই আলাদা সামাজিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত।   জাপানে প্রাপ্তবয়স্ক দত্তক আইনগতভাবেও স্বীকৃত একটি ব্যবস্থা। দত্তক সম্পন্ন হলে ব্যক্তি দত্তক পরিবারের সঙ্গে আইনগত পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন এবং পরিবারের পদবি গ্রহণ করতে পারেন। মুকোয়োশির ক্ষেত্রে মেয়ের স্বামীকে তার বাবা-মা দত্তক নিলে তিনি পরিবারের আইনগত ছেলে হিসেবে যুক্ত হন। ফলে পারিবারিক সম্পদ ও ব্যবসার উত্তরাধিকার পরিকল্পনায় তার ভূমিকা তৈরি হতে পারে।   তবে মুকোয়োশি হওয়া মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাপানি নাগরিকত্ব বা ইমিগ্রেশন সুবিধা পাওয়া নয়। বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে দত্তক, বিয়ে, বসবাসের স্ট্যাটাস ও নাগরিকত্ব আলাদা আইন ও প্রক্রিয়ার বিষয়। তাই জাপানি পরিবারে দত্তক নেওয়া এবং জাপানে বৈধভাবে বসবাস বা নাগরিকত্ব পাওয়াকে একই বিষয় হিসেবে দেখা ঠিক নয়।   কম জন্মহার ও পারিবারিক ব্যবসার উত্তরাধিকার সংকটের মতো পরিবর্তনগুলো জাপানে এই ঐতিহ্যের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। রক্তের সম্পর্কের পরিবর্তে যোগ্য উত্তরসূরি বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকায় মুকোয়োশি ব্যবস্থা শুধু একটি পারিবারিক রীতিই নয়, বহু ব্যবসায়িক পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি ধারাবাহিকতা বজায় রাখার একটি বিশেষ মডেল হিসেবেও আলোচিত হয়ে আসছে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৮:৪৬
যুক্তরাষ্ট্রের ৩ ভিসায় ১ অক্টোবর থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া যাচাই
১ অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ৩ ভিসায় বাধ্যতামূলক সোশ্যাল মিডিয়া যাচাই

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও তিনটি ভিসা শ্রেণি যুক্ত হচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে আই, টিএন ও টিডি ভিসার আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ভিসা যাচাই আরও বিস্তৃত করার অংশ হিসেবে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।   নতুন নিয়মের আওতায় আই ভিসা হলো বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য, আর টিএন ভিসা যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট পেশাজীবীদের জন্য। টিডি ভিসা মূলত টিএন ভিসাধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের মতো নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের জন্য ব্যবহৃত হয়।   পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আই, টিএন ও টিডি ভিসার সব আবেদনকারীকে নিজেদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা সেটিংস ‘পাবলিক’ বা ‘ওপেন’ করতে হবে। এর মাধ্যমে ভিসা কর্মকর্তারা আবেদনকারীর অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারবেন।   এর আগে থেকেই বেশ কয়েকটি ভিসা শ্রেণির আবেদনকারীদের জন্য অনলাইন উপস্থিতি যাচাই চালু রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কূটনৈতিক ও সরকারি ভিসার কিছু শ্রেণি, এফ ও এম শিক্ষার্থী ভিসা, এইচ-১বি ও সংশ্লিষ্ট কিছু ভিসা, জে-১ ও জে-২ এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ভিসা, কে-১, কে-২ ও কে-৩ ভিসা, কিউ, আর-১ ও আর-২ এবং এস, টি ও ইউ শ্রেণির ভিসা।   পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিসা যাচাইয়ের সময় আবেদনকারীর বিষয়ে যত ধরনের তথ্য পাওয়া যায়, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে অযোগ্য হতে পারেন বা জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারেন—এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করা।   দপ্তর আরও জানিয়েছে, প্রতিটি ভিসা আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবেদনকারী যে ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, তার শর্ত মেনে চলার প্রকৃত ইচ্ছা রয়েছে কি না এবং তিনি ওই ভিসার যোগ্যতা যথাযথভাবে প্রমাণ করতে পারছেন কি না, সেটিও যাচাই করা হবে।   ২০২৬ সালের মার্চেও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বেশ কয়েকটি নতুন ভিসা শ্রেণিতে অনলাইন উপস্থিতি যাচাই সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছিল। তখন সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গোপনীয়তা সেটিংস ‘পাবলিক’ বা ‘ওপেন’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।  

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৮:৩৭
ফ্লোরিডায় বাড়ির বিমার হার কমায় স্বস্তির অপেক্ষায় হাজারো বাড়ির মালিক
১০ শতাংশের বেশি পর্যন্ত কমছে বাড়ির বিমার হার, স্বস্তি পেতে পারেন ৬২ হাজারের বেশি মালিক

ফ্লোরিডায় বাড়ির মালিকদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে অঙ্গরাজ্যের বিমা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। চারটি বেসরকারি বিমা কোম্পানির বাড়ির বিমার হার কমানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পলিসি নবায়নের সময় ৬২ হাজারের বেশি বাড়ির মালিক কম হারে বিমার সুবিধা পেতে পারেন।   ফ্লোরিডার বিমা কমিশনার মাইক ইয়াওরস্কি ওয়ান অ্যালায়েন্স নর্থ আমেরিকা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, সেফ হারবার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, ইউনিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি এবং ভির্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির হার কমানোর আবেদন অনুমোদন করেছেন। এসব পরিবর্তন পলিসি নবায়নের সময় কার্যকর হবে।   এর মধ্যে ওয়ান অ্যালায়েন্স নর্থ আমেরিকা ১০ দশমিক ৪ শতাংশ হার কমানোর আবেদন করেছিল, যা ১৭ হাজার ১৪৮টি পলিসিকে প্রভাবিত করবে। সেফ হারবারের ক্ষেত্রে ৪ দশমিক ১ শতাংশ কমানোর অনুমোদন হয়েছে, যার আওতায় রয়েছে ১০ হাজার ৫০১টি পলিসি। ইউনিকের ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমানোর ফলে ৮ হাজার ২৬৬টি পলিসি এবং ভির্ডের ১০ দশমিক ৪ শতাংশ কমানোর ফলে ২৬ হাজার ৭৫১টি পলিসি প্রভাবিত হবে।   তবে ঠিক কোন তারিখ থেকে প্রতিটি পলিসিধারকের বিলের নতুন হার দেখা যাবে, তা এখনো জানানো হয়নি। একইভাবে বছরের শেষ নাগাদ আরও কোনো বেসরকারি বিমা কোম্পানি তাদের হার কমানোর আবেদন করবে কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।   ফ্লোরিডায় গত কয়েক বছর ধরে বাড়ির বিমার হার নিয়ে বড় ধরনের চাপ ছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৪৮টি বিমা কোম্পানি হার কমানোর আবেদন করেছে। একই সময়ে ৫৩টি কোম্পানি কোনো হার না বাড়ানোর আবেদন করেছে।   বর্তমানে রাজ্যের পর্যালোচনায় থাকা হার কমানোর আবেদনগুলোর পরিমাণ শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ থেকে ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ পর্যন্ত। বাড়ির বিমার জন্য গত ৩০ দিনের গড় প্রস্তাবিত হার দাঁড়িয়েছে মাইনাস ৪ দশমিক ৮ শতাংশে। এক বছর আগে এই হার ছিল মাইনাস ১ দশমিক ১ শতাংশ এবং পাঁচ বছর আগে ছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ।   এদিকে কিছু এলাকায় আরও বড় ধরনের ছাড়ের খবর পাওয়া গেছে। কিন ইন্স্যুরেন্স ব্রোয়ার্ড, মিয়ামি-ডেড এবং পাম বিচ কাউন্টিতে বাড়ির বিমার কভারেজে গড়ে ২০ শতাংশের বেশি হার কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে গাড়ি ও বাড়ির বিমা একসঙ্গে নিলে অতিরিক্ত ছাড় এবং প্রবীণ গ্রাহকদের জন্যও সাশ্রয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।   এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ফ্লোরিডায় বাড়ির বিমার হারে শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ কমতি ছিল, যা দেশটির মধ্যে সর্বনিম্ন হার পরিবর্তন। একই সময়ে জাতীয়ভাবে হিসাব করা গড় হার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছিল। ফ্লোরিডার বিমা বাজারে সাম্প্রতিক এই হার কমানোর প্রবণতা তাই বাড়ির মালিকদের জন্য নতুন করে কিছুটা আর্থিক স্বস্তির সুযোগ তৈরি করছে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৮:২৩
শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে আগ্রহ
শি-ট্রাম্প মুখোমুখি, বৈঠকের বাইরেও যে প্রশ্নে নজর বিশ্বের

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন শি জিনপিং। বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তাইওয়ান, ইরানসহ যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দুই নেতার আলোচনার কথা রয়েছে।   হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, শি জিনপিং ও তার স্ত্রী পেং লিয়ুয়ানের সফর উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান, সামরিক প্রদর্শনী এবং বিশেষ উড়োজাহাজ মহড়া। ফলে দুই নেতার বৈঠক কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি নানা আনুষ্ঠানিক আয়োজনেরও কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে।   এই সফরের আগে দুই নেতার বয়স ও শারীরিক সুস্থতাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ৭৩ বছর বয়সী শি জিনপিংকে ঘিরে সম্প্রতি স্বাস্থ্য নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়ায়। ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের একটি নৈশভোজে তিনি উপস্থিত না থাকায় এবং পরে কয়েক দিন প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়ে। তবে গুরুতর অসুস্থতার কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও শি অসুস্থ হওয়ার দাবি নাকচ করে এসব পোস্টকে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে।   অন্যদিকে ৮০ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে জনসমক্ষে আলোচনা রয়েছে। সম্প্রতি ওয়াল্টার রিডে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর ট্রাম্প নিজেকে ‘পুরোপুরি সুস্থ’ বলে দাবি করেছেন। তার বয়স নিয়ে যে ধরনের আলোচনা হচ্ছে, একই ধরনের যাচাই-বাছাই সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছিল।   দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠক যতটা কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, ততটাই সামনে আসছে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার প্রশ্ন। বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দুই দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা নেতারা যখন বয়সের শেষ প্রান্তে পৌঁছাচ্ছেন, তখন তারা ভবিষ্যতে কখন নেতৃত্ব থেকে সরে যাবেন এবং তাদের পরবর্তী নেতৃত্ব কেমন হবে—সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।   আর এখানেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। কারণ বিশ্বের কিছু ক্ষমতাধর নেতা দীর্ঘ সময় ক্ষমতার শীর্ষে থাকার পথ বেছে নিয়েছেন। ফলে তাদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য নয়, নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ, ক্ষমতার হস্তান্তর এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নও আন্তর্জাতিক আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।  

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৮:১৪
ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের গ্রিন কার্ডে ৮ শর্ত জানাল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের গ্রিন কার্ড, পূরণ করতে হবে যে ৮ শর্ত

ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী বিদেশি পেশাজীবীদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ বা গ্রিন কার্ড পেতে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। কর্মসংস্থানভিত্তিক তৃতীয় পছন্দ বা ইবি-৩ ক্যাটাগরির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত যোগ্য আবেদনকারীরা ফর্ম আই-৪৮৫ জমা দিয়ে স্ট্যাটাস অ্যাডজাস্টমেন্টের মাধ্যমে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদার জন্য আবেদন করতে পারেন।   ইউএসসিআইএসের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীর প্রথমে সঠিকভাবে ফর্ম আই-৪৮৫ জমা দিতে হবে। তাকে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিদর্শিত ও যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে প্রবেশের অনুমতি পাওয়া, অথবা প্যারোল করা হয়ে থাকতে হবে। ফর্ম জমা দেওয়ার সময় তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে।   এ ছাড়া আবেদনকারীকে অভিবাসী ভিসা পাওয়ার যোগ্য হতে হবে এবং ফর্ম আই-৪৮৫ জমা দেওয়ার সময় ও ইউএসসিআইএসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময়—দুই সময়েই তার জন্য অভিবাসী ভিসা অবিলম্বে পাওয়ার মতো অবস্থায় থাকতে হবে।   আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, যে নিয়োগকর্তা আবেদনকারীর জন্য ফর্ম আই-১৪০ জমা দিয়েছেন, তার দেওয়া চাকরির অফারটি তখনও বহাল থাকতে হবে এবং আই-৪৮৫ অনুমোদিত হলে আবেদনকারীকে সেই চাকরি গ্রহণের ইচ্ছা থাকতে হবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য তাকে গ্রহণযোগ্য হতে হবে অথবা অগ্রহণযোগ্যতার কোনো শর্ত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওয়েইভার বা আইনি সুবিধার জন্য যোগ্য হতে হবে।   সবশেষে, ইউএসসিআইএসকে আবেদনকারীর পক্ষে গ্রিন কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ইতিবাচক বিবেচনা করতে হবে। অর্থাৎ তালিকাভুক্ত সব শর্ত পূরণ করলেও আবেদনটি অনুমোদনের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।   চাকরি পরিবর্তন করলে কী হবে? ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, আই-১৪০ অনুমোদনের পর চাকরি পরিবর্তন করলেই আবেদনকারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্য হয়ে যান না। ফর্ম আই-৪৮৫ অন্তত ১৮০ দিন মুলতবি থাকার পর নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে নতুন চাকরিতে যাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। নতুন চাকরিটি আগের চাকরির মতো বা একই ধরনের পেশাগত শ্রেণিতে হতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে চাকরি পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।   ইউএসসিআইএসের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ইবি-৩সহ কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রে চাকরির অফার ও সংশ্লিষ্ট আবেদনপত্রের শর্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আবেদনকারীদের ফর্ম আই-৪৮৫, আই-১৪০ এবং প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্টসহ সব নথি সঠিকভাবে জমা দেওয়া এবং নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগ্যতা যাচাই করা জরুরি।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৭:৫০
হাই স্কুল ডিপ্লোমা বা জিইডি ছাড়াই নিউইয়র্কের কিছু স্কুলে স্কুল এইড পদে আবেদনের সুযোগ
নিউইয়র্কের পাবলিক স্কুলে ডিপ্লোমা ছাড়াই চাকরির সুযোগ, চলছে নিয়োগ

নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলগুলোতে স্কুল এইড পদে নতুন নিয়োগ চলছে, আর কিছু পদের জন্য হাই স্কুল ডিপ্লোমা বা জিইডি বাধ্যতামূলক নয়। ২০২৬ থেকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষকে সামনে রেখে ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন, কুইন্স ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকার স্কুলে একাধিক পদে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলসের অফিসিয়াল চাকরির তালিকায় ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন স্কুল এইড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়েছে।   সিএসবি নিউজের প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হলেও, নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলসের অফিসিয়াল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যাচাই করে দেখা গেছে, অন্তত কয়েকটি স্কুল এইড পদের ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর হাই স্কুল ডিপ্লোমা বা জিইডি প্রয়োজন নেই। উদাহরণ হিসেবে ইস্ট ব্রঙ্কস একাডেমি ফর দ্য ফিউচারের ২০২৬ থেকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এই যোগ্যতার কথা উল্লেখ রয়েছে।   স্কুল এইডদের কাজ মূলত শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন স্কুল কার্যক্রমে সহায়তা করা। এর মধ্যে হলওয়ে, স্টাডি হল, লাঞ্চরুম ও স্কুলের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থীদের তদারকি, স্কুলে আসা ও ছুটির সময় সহায়তা, স্কুলবাসে আসা শিক্ষার্থীদের দেখভাল এবং লাঞ্চ পরিবেশনে সহযোগিতা রয়েছে। পাশাপাশি পাঠ্যবই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ইনভেন্টরি সংরক্ষণ এবং কিছু সাধারণ দাপ্তরিক কাজও করতে হতে পারে।   অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রার্থীর নিয়মিত উপস্থিতি ও সময়ানুবর্তিতার ভালো রেকর্ড থাকতে হবে। দীর্ঘ সময় হাঁটা বা দাঁড়িয়ে কাজ করার সক্ষমতা এবং সর্বোচ্চ ১০ পাউন্ড ওজনের জিনিস তোলার সামর্থ্যও প্রয়োজন হতে পারে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে তা বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। শিক্ষার্থীদের ভাষাগত প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু স্কুলে দ্বিভাষিক প্রার্থীদেরও বিবেচনা করা হতে পারে।   কাজের সময় স্কুলভেদে ভিন্ন হতে পারে। ইস্ট ব্রঙ্কস একাডেমির বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার থেকে শুক্রবার কাজের কথা বলা হয়েছে এবং প্রতিদিন ন্যূনতম চার ঘণ্টা কাজের সম্ভাবনা রয়েছে। বেতন নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট কালেকটিভ বার্গেনিং এগ্রিমেন্ট অনুযায়ী। তবে পদগুলো চূড়ান্ত বাজেট অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল।   নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্টিং ও ব্যাকগ্রাউন্ড চেক রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পদ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট শেষ তারিখ না থাকলেও পদ পূরণ হয়ে গেলে আবেদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট স্কুলের অফিসিয়াল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সক্রিয় আছে কি না যাচাই করা জরুরি।   নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলসের বর্তমান চাকরির তালিকাতেও ২০২৬ থেকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাধিক স্কুল এইড পদ দেখা যাচ্ছে। ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত তালিকায় ব্রঙ্কস ও কুইন্সের বিভিন্ন স্কুলসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি রয়েছে। একই তালিকায় স্কুল এইডকে আলাদা চাকরির ক্যাটাগরি হিসেবে দেখানো হয়েছে।   প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এ ধরনের চাকরির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি স্কুলভেদে যাচাই করা। ডিপ্লোমা বা জিইডি না থাকলেও কোনো কোনো স্কুল এইড পদে আবেদন করা সম্ভব হলেও, প্রতিটি বিজ্ঞপ্তির শর্ত একই নয়। তাই জীবনবৃত্তান্ত পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট স্কুলের সর্বশেষ অফিসিয়াল পোস্টিং দেখে যোগ্যতা, কর্মঘণ্টা, আবেদন পদ্ধতি এবং পদটি এখনও খালি আছে কি না নিশ্চিত করা প্রয়োজন।  

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৭:৪২
গর্ভবতী অবস্থায় আ টক, কারাগারেই কন্যাসন্তানের জন্ম ফিলিস্তিনি নারীর
গর্ভবতী অবস্থায় আ টক, ইসরায়েলি কারাগারেই কন্যাসন্তানের জন্ম ফিলিস্তিনি নারীর

ফিলিস্তিনি নারী বন্দি দানা জুদেহ ১৪ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের ডেমন কারাগারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। নাবলুস গভর্নরেটের ইরাক আল তাইয়েহ এলাকার ৩৫ বছর বয়সী এই নারীকে গর্ভবতী অবস্থায় আ টক করা হয়েছিল এবং পরে ছয় মাসের প্রশাসনিক আ টকাদেশে রাখা হয়। তার পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, গর্ভাবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে তিনি বঞ্চিত হয়েছেন।   মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার ডেমন কারাগারে দানা জুদেহ সন্তান জন্ম দেন। ফিলিস্তিনি বন্দি বিষয়ক সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তাকে আ টকের সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাকে প্রশাসনিক আ টকাদেশের আওতায় রাখা হয়, যার মাধ্যমে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই আ টক রাখা সম্ভব।   জুদেহর প্রশাসনিক আ টকাদেশের মেয়াদ ছিল ছয় মাস। ফিলিস্তিনি কমিশন অব ডিটেনিজ অ্যান্ড এক্স-ডিটেনিজ অ্যাফেয়ার্স জানিয়েছে, তার আ টকাদেশ শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে এলেও সন্তান প্রসবের আগ পর্যন্ত তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। প্রসবের পর তাকে ও নবজাতককে চিকিৎসার জন্য রামাল্লার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   জুদেহর পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, গর্ভাবস্থায় তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হয়নি। তারা তার গর্ভাবস্থায় আ টক রাখা এবং কারাগারের ভেতরে সন্তান প্রসবের পরিস্থিতির জন্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ও কারা প্রশাসনকে দায়ী করেছে। তাদের দাবি, এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।   ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি জুনে জানিয়েছিল, ডেমন কারাগারে জুদেহসহ তিনজন গর্ভবতী ফিলিস্তিনি নারী আ টক ছিলেন। তখন সংগঠনটি বলেছিল, গর্ভবতী বন্দিদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, খাবার ও মানসিক সহায়তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। একই সময়ে সংগঠনটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিল।   প্রশাসনিক আ টক ফিলিস্তিনি বন্দিদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের একটি বিতর্কিত ব্যবস্থা। এতে অভিযোগ বা পূর্ণাঙ্গ বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাউকে আ টক রাখা যায় এবং কিছু ক্ষেত্রে সেই আ টকাদেশ নবায়নও করা হয়। জুদেহর ঘটনাটি গর্ভবতী বন্দিদের চিকিৎসা ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।   সাম্প্রতিক ফিলিস্তিনি বন্দি বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেমন কারাগারে আ টক নারীদের মধ্যে মা ও গর্ভবতী নারীও রয়েছেন। বন্দিদের চিকিৎসা, খাবার, পরিবার-সাক্ষাৎ এবং কারাগারের সামগ্রিক পরিবেশ নিয়ে ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলো নিয়মিত অভিযোগ করে আসছে। এসব অভিযোগের অনেকগুলোই ফিলিস্তিনি পক্ষের বক্তব্য হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে; ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।   দানা জুদেহর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায় পর্যন্ত তিনি আ টক ছিলেন এবং সন্তান জন্মের পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার নবজাতক কন্যার জন্ম কারাগারের ভেতরে হওয়ায় বন্দি নারীদের জন্য গর্ভকালীন চিকিৎসা ও প্রসবকালীন নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ আরও সামনে এসেছে।  

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৭:২৯
রণধীর জয়সওয়াল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ছবি সংগৃহীত।
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন করে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী পথে এগিয়ে নিতে চায় ভারত। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মাধ্যমে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে নয়াদিল্লি।    মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ অবস্থানের কথা জানান। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে তিনি ভারতের অবস্থান তুলে ধরেন।   জয়সওয়াল বলেন, ভারতের লক্ষ্য বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচক ও গঠনমূলক দিকে এগিয়ে নেওয়া। অমীমাংসিত বা আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে—এমন দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো নিয়েও বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যে কথা বলতে নয়াদিল্লি প্রস্তুত।   এ বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। ইউএনবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর নিয়োগে ভারতের আনুষ্ঠানিক সম্মতি বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে।   এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা চলছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে সফরের সম্ভাব্য সময় নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। তবে সফরের সময়সূচি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি।   বর্তমানে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন ঘিরেও দুই দেশের সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের কোনো বৈঠক হবে কি না—এমন প্রশ্নে জয়সওয়াল জানান, এ বিষয়ে তাঁর কাছে তখন নিশ্চিত কোনো তথ্য ছিল না; নতুন কিছু হলে জানানো হবে।   দুই দেশের প্রতিরক্ষা যোগাযোগও আলোচনায় এসেছে। ভারতের যোধপুরে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় ‘তরঙ্গ শক্তি’ বহুজাতিক বিমান মহড়ায় বাংলাদেশ অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এই অংশগ্রহণকে সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যায় কি না—এমন প্রশ্নেও জয়সওয়াল ভারতের ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী’ সম্পর্কের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।    বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নতুনভাবে সাজানোর কথা বলা হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ১৩ সেপ্টেম্বর বলেছিলেন, ঢাকা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ‘রিসেট’ করে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে একটি কার্যকর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় এবং মতপার্থক্যগুলো কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পক্ষে।   সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কূটনৈতিক যোগাযোগে ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কের বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় সংলাপের মাধ্যমে মোকাবিলা এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ দুই পক্ষের বক্তব্যে দেখা যাচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। 

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৭:২০
পরিবারের সম্পর্কের ভিত্তিতে গ্রিন কার্ডের ৫ ক্যাটাগরি
গ্রিন কার্ডের আবেদন করতে পারবেন পরিবারের কারা, স্পষ্ট করল যুক্তরাষ্ট্র

পরিবারের সম্পর্কের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে কোন কোন আত্মীয় যোগ্য হতে পারেন, তা স্পষ্ট করেছে দেশটির ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস বা ইউএসসিআইএস। ফ্যামিলি-স্পনসর্ড প্রেফারেন্স প্রোগ্রামের আওতায় মার্কিন নাগরিক ও বৈধ স্থায়ী বাসিন্দাদের নির্দিষ্ট কিছু আত্মীয় গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে এসব ক্যাটাগরিতে বার্ষিক ভিসা সংখ্যার সীমা রয়েছে।   এই ব্যবস্থায় মোট পাঁচটি প্রধান ক্যাটাগরি রয়েছে—এফ১, এফ২এ, এফ২বি, এফ৩ এবং এফ৪। কোন ক্যাটাগরি প্রযোজ্য হবে, তা নির্ভর করে আবেদনকারী ও যুক্তরাষ্ট্রে থাকা পরিবারের সদস্যের সম্পর্ক এবং স্পনসর মার্কিন নাগরিক নাকি গ্রিন কার্ডধারী, তার ওপর।   এফ১: ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী অবিবাহিত ছেলে-মেয়েরা এই ক্যাটাগরির আওতায় পড়েন, যদি তাদের স্পনসর মার্কিন নাগরিক হন।   এফ২এ: যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা বা গ্রিন কার্ডধারীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এই ক্যাটাগরির জন্য বিবেচিত হন।   এফ২বি: গ্রিন কার্ডধারীর ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী অবিবাহিত ছেলে-মেয়েরা এই ক্যাটাগরির আওতায় পড়েন।   এফ৩: মার্কিন নাগরিকের বিবাহিত ছেলে-মেয়েরা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারেন। তাদের স্বামী বা স্ত্রী এবং নির্দিষ্ট যোগ্যতার অধীনে সন্তানরাও সংশ্লিষ্ট পারিবারিক ইমিগ্রেশন সুবিধার আওতায় আসতে পারেন।   এফ৪: অন্তত ২১ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিকের ভাই-বোন এই ক্যাটাগরির আওতায় পড়েন। যোগ্যতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভাই বা বোনের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের জন্যও ডেরিভেটিভ সুবিধা থাকতে পারে।   তবে এসব ক্যাটাগরিতে পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রিন কার্ড পাওয়া যায় না। সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরিতে অভিবাসী ভিসা নম্বর পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। ইউএসসিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, আবেদনকারীর প্রেফারেন্স ক্যাটাগরি ও অগ্রাধিকার তারিখের ওপর ভিসা পাওয়ার সময় নির্ভর করে। ভিসা নম্বর পাওয়া গেলে যোগ্য আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী ফর্ম আই-৪৮৫ জমা দিয়ে স্ট্যাটাস অ্যাডজাস্টমেন্টের মাধ্যমে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন।   এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের নিজেদের পারিবারিক সম্পর্ক অনুযায়ী সঠিক ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এফ১, এফ২এ, এফ২বি, এফ৩ ও এফ৪—প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য আলাদা যোগ্যতা ও ভিসা-সংক্রান্ত অপেক্ষার নিয়ম রয়েছে।    

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৭:৫
তারেক রহমানসহ নেতারা
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আজ জাতিসংঘে বড় বৈঠকে তারেক রহমানসহ বিশ্ব নেতারা

দীর্ঘদিন ধরে চলমান রোহিঙ্গা সংকটকে আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় আনতে আজ বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়া যৌথভাবে এই আয়োজন করছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এতে সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহের অংশ হিসেবে আয়োজিত বৈঠকটি নিউইয়র্ক সময় সকাল ১১টা ১৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম ১১-তে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।    অনুষ্ঠানের শিরোনাম ‘The Rohingya Crisis: A Renewed Call for a Durable Solution from Protracted Displacement, with Justice and Accountability’। এতে সদস্যরাষ্ট্র, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংগঠন, মানবিক সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার জোরদারের সুযোগ তৈরি হবে।   বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উচ্চপর্যায়ের আয়োজনে অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হচ্ছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এর আগে জানিয়েছেন, জাতিসংঘের এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপকতা, এর ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ এবং সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো আবারও বিশ্ব সম্প্রদায়ের সামনে উপস্থাপন করবে।   উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে শুধু প্রত্যাবাসন নয়, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রকাশিত কনসেপ্ট নোট অনুযায়ী, ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির পর সংকটটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল মানবিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।   জাতিসংঘ সফরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহর সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেছেন, সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই। বৈঠকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাও উঠে আসে।    জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপের সঙ্গেও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দীর্ঘদিনের এই সংকটের সমাধান এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে ফেরানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।   এদিকে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা—ওআইসিও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকটের একটি সমন্বিত ও টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মন্ত্রী পর্যায়ের কনট্যাক্ট গ্রুপ রোহিঙ্গাদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দিয়েছে।   আজকের উচ্চপর্যায়ের আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটকে আবারও বিশ্বনেতাদের আলোচনার কেন্দ্রে রাখতে চাইছে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি মানবিক সহায়তা, আন্তর্জাতিক জবাবদিহি, রাখাইনে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং সংকটের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত ভূমিকা জোরদার করাই আলোচনার অন্যতম লক্ষ্য।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৭:০
চাকরির অফার ছাড়াই গ্রিন কার্ডের সুযোগ, রয়েছে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত
গ্রিন কার্ড পেতে চাকরির অফার বাধ্যতামূলক নয়, যে ৩ শর্ত জানাল ইউএসসিআইএস

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির অফার বা নিয়োগকর্তার স্পনসরশিপ ছাড়াই গ্রিন কার্ড পাওয়ার একটি সুযোগ রয়েছে বিদেশি পেশাজীবীদের জন্য। ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভার বা এনআইডব্লিউ নামের এই প্রক্রিয়াটি ইবি-২ ইমিগ্রেশন শ্রেণির আওতায় পড়ে। এর মাধ্যমে যোগ্য আবেদনকারীরা নিজেরাই আবেদন করতে পারেন এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চাকরির অফার ও পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশনের শর্ত মওকুফের আবেদন করতে পারেন।   তবে এনআইডব্লিউর জন্য আবেদন করলেই সরাসরি গ্রিন কার্ড পাওয়া যায় না। প্রথমে আবেদনকারীকে ইবি-২ শ্রেণির মৌলিক যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। অর্থাৎ তাকে অ্যাডভান্সড ডিগ্রিধারী পেশাজীবী হতে হবে অথবা বিজ্ঞান, শিল্পকলা কিংবা ব্যবসায় অসাধারণ দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। এই প্রাথমিক যোগ্যতা পূরণ না হলে ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভার বিবেচনাই করা হয় না।   ইউএসসিআইএসের নীতিমালা অনুযায়ী, ইবি-২ যোগ্যতা প্রমাণের পর এনআইডব্লিউ পেতে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত, আবেদনকারীর প্রস্তাবিত কাজের যথেষ্ট গুরুত্ব এবং জাতীয় গুরুত্ব থাকতে হবে। অর্থাৎ শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার নয়, ওই কাজের সম্ভাব্য প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।   দ্বিতীয়ত, আবেদনকারীকে প্রস্তাবিত কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সক্ষম অবস্থানে থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে তার শিক্ষা, দক্ষতা, জ্ঞান, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আগের সাফল্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং কাজটি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে করা অগ্রগতি বিবেচনা করতে পারে ইউএসসিআইএস।   তৃতীয়ত, সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চাকরির অফার এবং সংশ্লিষ্ট লেবার সার্টিফিকেশনের শর্ত মওকুফ করা লাভজনক হবে—এটি প্রমাণ করতে হবে। ইউএসসিআইএসের মূল্যায়নে আবেদনকারীর কাজ, যোগ্যতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে তার সম্ভাব্য অবদানসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে।   অর্থাৎ এনআইডব্লিউর ক্ষেত্রে তিনটি শর্তই পূরণ করা প্রয়োজন। ইউএসসিআইএস প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে মূল্যায়ন করে এবং আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় প্রমাণের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করতে হয়।   চাকরির অফারের শর্ত মওকুফ হলেও আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হয়। এনআইডব্লিউ আবেদনের ক্ষেত্রে লেবার সার্টিফিকেশনের কিছু আবেদনকারী-সংক্রান্ত অংশ জমা দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে, যদিও নিয়োগকর্তার মাধ্যমে ওই সার্টিফিকেশনের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন থাকে না।   এই পথটি বিশেষ করে গবেষক, বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা এবং অন্যান্য দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে, যারা যুক্তরাষ্ট্রে এমন কোনো কাজ করতে চান যার সম্ভাব্য গুরুত্ব বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং যারা নিয়োগকর্তার স্পনসরশিপ ছাড়াই নিজেদের পেশাগত উদ্যোগ এগিয়ে নিতে চান।  

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৬:৫১
নিউইয়র্কে তারেক রহমান–এরদোয়ান
নিউইয়র্কে তারেক রহমান–এরদোয়ান বৈঠক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আলোচনা

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।   স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের কাছে ৮২১ ইউনাইটেড নেশনস প্লাজায় অবস্থিত তুর্কি হাউসে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই নেতা বাংলাদেশ ও তুরস্কের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী এবং বহুমাত্রিক করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।    আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ। দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে যেসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা রয়েছে, সেগুলো আরও সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান ও এরদোয়ান।   বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও উঠে আসে। এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন দুই নেতা।   তুরস্কের পক্ষের বিবরণ উদ্ধৃত করে আজকের পত্রিকা জানিয়েছে, এরদোয়ান ঢাকা–আঙ্কারা সম্পর্ককে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।    রোহিঙ্গা সংকটও আলোচনায় আসে বলে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে এরদোয়ান আশ্রয়, শিক্ষা ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তুরস্কের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানান।   বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান উপস্থিত ছিলেন বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে।    দুই নেতা বৈঠক শেষে বাংলাদেশ–তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৬:৪১
মেক্সিকোর উপকূলে শক্তিশালী হ্যারিকেন পোলা, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলেও ঝড়ের শঙ্কা
সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে ঝড়ের শঙ্কা, মেক্সিকোর কাছে শক্তিশালী হ্যারিকেন পোলা

প্রশান্ত মহাসাগরে মেক্সিকোর উপকূলের কাছে শক্তিশালী হ্যারিকেন পোলা অবস্থান করছে। একই সময়ে আটলান্টিক মহাসাগরে তৈরি হওয়া আরেকটি আবহাওয়া ব্যবস্থা সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি, দমকা বাতাস ও উপকূলে ক্ষয়ের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।   হ্যারিকেন পোলা দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বর্তমানে ঘণ্টায় প্রায় ১৫৫ মাইল বেগে বাতাস নিয়ে মেক্সিকোর দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের কাছে রয়েছে। এর আগে ঝড়টির সর্বোচ্চ বাতাসের গতি প্রায় ১৮০ মাইল প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছেছিল। সর্বশেষ জাতীয় হ্যারিকেন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, পোলা বর্তমানে ক্যাটাগরি ৪ হ্যারিকেন হিসেবে রয়েছে এবং আগামী কয়েক দিন শক্তিশালী অবস্থায় থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।   পোলার প্রভাবে মেক্সিকোর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ঝড়টির কেন্দ্র মেক্সিকোর উপকূলের কাছ দিয়ে অগ্রসর হলেও পূর্বাভাস অনুযায়ী এটি মূলত সমুদ্রের ওপর দিয়েই থাকার কথা।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উপকূলের কাছেও নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। মধ্য-আটলান্টিক উপকূলের কাছে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়ে সপ্তাহান্তে নিউ ইংল্যান্ডের দিকে অগ্রসর হতে পারে। তবে এর সঠিক গতিপথ নিয়ে আবহাওয়ার মডেলগুলোর মধ্যে এখনও পার্থক্য রয়েছে।   কোন পথে নিম্নচাপটি এগোবে, তার ওপর ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করবে। তবে উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টি, দমকা বাতাস, জলোচ্ছ্বাস এবং সৈকত ক্ষয়ের আশঙ্কা রয়েছে। ফক্স ১৩-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোকে সপ্তাহান্তের আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।   আটলান্টিক অববাহিকায় সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি প্রশান্ত মহাসাগরের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম উদ্বেগজনক। আফ্রিকার উপকূল থেকে দূরে একটি ক্রান্তীয় তরঙ্গ রয়েছে, যেটি আগামী সাত দিনে নামকরণযোগ্য ঝড়ে পরিণত হওয়ার ৪০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   কম্পিউটার মডেলগুলো বলছে, ওই সিস্টেমটি কেপ ভার্দে দ্বীপপুঞ্জের কাছে উত্তরমুখী হয়ে যেতে পারে। ফলে বর্তমানে এটি জনবসতিপূর্ণ স্থলভাগ থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনাই বেশি।    

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৬:৩৮