নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ জন। এর মধ্যে গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। এছাড়া প্রদত্ত গণভোটের মধ্যে বাতিল বা অবৈধ হয়েছে ৭৪ লাখ ২ হাজার ২৮৫টি ভোট।
সদ্য অনুষ্ঠিত গণভোটে প্রায় ৬২.৪৭ শতাংশ 'হ্যাঁ' এর পক্ষে এবং ২৯.৩২ শতাংশ 'না' এর পক্ষে ভোট পড়েছে। দ্বিগুণেরও বেশি ভোট নিয়ে দেশব্যাপী 'হ্যাঁ' জয়ী হলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে প্রকাশিত গণভোটের ফলাফল ও হিসাব নিয়ে বড় ধরণের গড়মিল খুঁজে পেয়েছে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস)। অধিকাংশ আসনে 'হ্যাঁ' জয়ী হলেও ১১টি আসনে 'না' ভোট জয়ী হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া গণভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাজশাহী-৪ আসনে গণভোট কাস্ট হয়েছে ২৪৪.২৯৫ শতাংশ। যেখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন, কিন্তু সেখানে ভোট কাস্ট দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫২৩টি। এই আসনে 'না' ভোটের পক্ষে পড়েছে ৬ লাখ ১২ হাজার ২২৯ ভোট এবং 'হ্যাঁ' এর পক্ষে পড়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮২ ভোট। উল্লেখ্য, এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল বারী সরদার।
এছাড়া সিরাজগঞ্জ-১ আসনে গণভোট পড়ার হার দেখানো হয়েছে মাত্র ৭.৮৯৯ শতাংশ। যা একই দিনে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের কাস্টিং ভোটের তুলনায় অনেক কম। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে ভোট পড়েছে ৬০.৮৩ শতাংশ। এই আসনে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী সেলিম রেজা।
এদিকে নেত্রকোনা-৩, নেত্রকোনা-৪ এবং নেত্রকোনা-৫ আসনে 'হ্যাঁ' ভোটের সংখ্যা ওই আসনগুলোর মোট ভোটারের চেয়েও বেশি দেখানো হয়েছে। নেত্রকোনা-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২০ হাজার ৬৮৬ জন হলেও 'হ্যাঁ' তে ভোট পড়েছে ৫ লাখ ২ হাজার ৪৩৮টি। অথচ সেখানে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যার স্থলে দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৫৮ ভোট এবং কাস্টিং ভোট দেখানো হয়েছে ৫৬.৬৫৯ শতাংশ। নেত্রকোনা-৪ ও নেত্রকোনা-৫ আসনেও একইভাবে তথ্যের গড়মিল রয়েছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে দেশজুড়ে 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে পড়েছে মোট ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ ভোট এবং 'না'-এর পক্ষে পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোট। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে গণভোট প্রদানের গড় হার ৬০.২৬ শতাংশ।
পার্বত্য জেলা ও গোপালগঞ্জের সব আসনেই 'না' জয়ী
২৯৯টি আসনের মধ্যে মোট ১১টি আসনে 'না' ভোট জয়ী হয়েছে। এর মধ্যে পার্বত্য তিন জেলার সবকটি (৩টি) এবং গোপালগঞ্জের সবকটি (৩টি) আসনে 'না' জয়ী হয়েছে। খাগড়াছড়ি আসনে 'হ্যাঁ' এর পক্ষে পড়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৫ ভোট এবং 'না' এর পক্ষে পড়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪২ ভোট। রাঙামাটি আসনে 'হ্যাঁ' এর চেয়ে 'না' ভোট ১ লাখ ৮ হাজার ১০৬টি বেশি পড়েছে। একইভাবে বান্দরবানেও 'না' ভোট ১৮ হাজার ৭৩৯টি বেশি পড়েছে।
আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই 'হ্যাঁ' এর চেয়ে প্রায় তিন গুণ ভোট পড়েছে 'না' তে। গোপালগঞ্জ-১ আসনে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ৫৪,৭১৬টি এবং 'না' ভোট পড়েছে ১,২৮,২৯৮টি। গোপালগঞ্জ-২ আসনে 'হ্যাঁ' ভোট ৩৪,৩০২টি এবং 'না' ভোট ১,০৭,২৯০টি। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে 'হ্যাঁ' ভোট ৩৩,৪৯৮টি এবং 'না' ভোট পড়েছে ৯৩,৩৬৮টি।
এছাড়া অন্য যে আসনগুলোতে 'না' ভোট জয়ী হয়েছে সেগুলো হলো— ঝিনাইদহ-১, সুনামগঞ্জ-২, চট্টগ্রাম-৮, চট্টগ্রাম-১২ এবং রাজশাহী-৪। 'না' ভোট বেশি পাওয়া এই ১১টি আসনের মধ্যে ১০টিতেই বিএনপির প্রার্থীরা সংসদ সদস্য হিসেবে জয়ী হয়েছেন। শুধুমাত্র রাজশাহী-৪ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ জন। এর মধ্যে গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ। 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং 'না' ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। এছাড়া প্রদত্ত গণভোটের মধ্যে বাতিল বা অবৈধ হয়েছে ৭৪ লাখ ২ হাজার ২৮৫টি ভোট।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে। ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দেশজুড়ে যখন টানটান উত্তেজনা, ঠিক তখনই গেজেট প্রকাশের দিনক্ষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিল নির্বাচন কমিশন। ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে আটকে আছে চট্টগ্রামের দুটি আসন। এখন সবার প্রশ্ন—কবে নাগাদ গেজেট প্রকাশ হবে এবং নির্বাচিতরা কবে শপথ নেবেন? খবরের মূল আকর্ষণসমূহ: দ্রুতই আসছে গেজেট: রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে হার্ড কপি পাওয়ামাত্রই যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুততম সময়ে গেজেট প্রকাশ করবে ইসি। আটকে আছে দুই আসন: চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল আদালতের নির্দেশনায় বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলাফলের চিত্র: ঘোষিত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বিজয়ী হয়েছেন। ভোটের হার: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি। শপথ গ্রহণ: গেজেট প্রকাশের পরেই শুরু হবে শপথের প্রক্রিয়া, যা সংসদ সচিবালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। নির্ভুল তথ্যের সাথে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি আসনে জয় পায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, তাদের ঝুলিতে যায় ৬৮টি আসন। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিশ্চিত করায় সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতারা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তার প্রচেষ্টার প্রতি শুভকামনা জানান এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তিনি শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ পৃথক বার্তায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তারা গণতান্ত্রিক অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক উন্নয়নের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এক বার্তায় বিএনপির বিজয়কে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নানা চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে বাংলাদেশের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের মতামত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে। এদিকে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এক বিবৃতিতে জাতীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানায় এবং নির্বাচনে এগিয়ে থাকার জন্য বিএনপিকে শুভেচ্ছা জানায়। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুও বিএনপির বড় জয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সামগ্রিকভাবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়কে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক পর্যায়ে কূটনৈতিক শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিভিন্ন দেশের নেতারা। প্রতিবেদক: শ্যামল সান্যাল
নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠন নিয়ে জনমনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সংসদ নেই, স্পিকার নেই, তাহলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন? নির্বাচন কমিশনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর এখন সবার চোখ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার দিকে। শপথের সময়সীমা ও গেজেট: সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল 'সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত' হওয়ার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ বাধ্যতামূলক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের তথ্যমতে, এই প্রক্রিয়া আগামী ১৮ই ফেব্রুয়ারির বেশি দেরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৫ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শুরু হতে পারে নতুন সরকারের পথচলা। স্পিকারের অনুপস্থিতিতে বিকল্প কী? সাধারণত স্পিকার শপথ পড়ান, কিন্তু বর্তমান বিশেষ পরিস্থিতিতে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার কেউই নেই। এক্ষেত্রে সংবিধান দুটি পথ বাতলে দিয়েছে: ১. রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি চাইলে প্রধান বিচারপতি বা অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে শপথ পড়ানোর দায়িত্ব দিতে পারেন। ২. প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC): যদি রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি নির্ধারিত তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই শপথ পরিচালনা করবেন। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মতে, সরকার দ্রুততম সময়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পক্ষে। সেক্ষেত্রে তিন দিন অপেক্ষা না করে রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমেই শপথের কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্ষমতা হস্তান্তরের চূড়ান্ত ধাপ: শপথ গ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুরু হবে আসল প্রক্রিয়া। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যাকে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন মনে হবে, রাষ্ট্রপতি তাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার মুহূর্ত থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দায়িত্ব ও ক্ষমতা লাভ করবেন, যার মাধ্যমে আগের সরকারের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হবে।