জাতীয়

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও ইসির পরিসংখ্যানে বড় গড়মিল, কোনো আসনে ভোট কাস্টিং ২৪৪%

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ জন। এর মধ্যে গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। এছাড়া প্রদত্ত গণভোটের মধ্যে বাতিল বা অবৈধ হয়েছে ৭৪ লাখ ২ হাজার ২৮৫টি ভোট।

 

সদ্য অনুষ্ঠিত গণভোটে প্রায় ৬২.৪৭ শতাংশ 'হ্যাঁ' এর পক্ষে এবং ২৯.৩২ শতাংশ 'না' এর পক্ষে ভোট পড়েছে। দ্বিগুণেরও বেশি ভোট নিয়ে দেশব্যাপী 'হ্যাঁ' জয়ী হলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে প্রকাশিত গণভোটের ফলাফল ও হিসাব নিয়ে বড় ধরণের গড়মিল খুঁজে পেয়েছে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস)। অধিকাংশ আসনে 'হ্যাঁ' জয়ী হলেও ১১টি আসনে 'না' ভোট জয়ী হয়েছে।

 

নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া গণভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাজশাহী-৪ আসনে গণভোট কাস্ট হয়েছে ২৪৪.২৯৫ শতাংশ। যেখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন, কিন্তু সেখানে ভোট কাস্ট দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫২৩টি। এই আসনে 'না' ভোটের পক্ষে পড়েছে ৬ লাখ ১২ হাজার ২২৯ ভোট এবং 'হ্যাঁ' এর পক্ষে পড়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮২ ভোট। উল্লেখ্য, এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল বারী সরদার।

 

এছাড়া সিরাজগঞ্জ-১ আসনে গণভোট পড়ার হার দেখানো হয়েছে মাত্র ৭.৮৯৯ শতাংশ। যা একই দিনে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের কাস্টিং ভোটের তুলনায় অনেক কম। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে ভোট পড়েছে ৬০.৮৩ শতাংশ। এই আসনে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী সেলিম রেজা।

 

এদিকে নেত্রকোনা-৩, নেত্রকোনা-৪ এবং নেত্রকোনা-৫ আসনে 'হ্যাঁ' ভোটের সংখ্যা ওই আসনগুলোর মোট ভোটারের চেয়েও বেশি দেখানো হয়েছে। নেত্রকোনা-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২০ হাজার ৬৮৬ জন হলেও 'হ্যাঁ' তে ভোট পড়েছে ৫ লাখ ২ হাজার ৪৩৮টি। অথচ সেখানে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যার স্থলে দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৫৮ ভোট এবং কাস্টিং ভোট দেখানো হয়েছে ৫৬.৬৫৯ শতাংশ। নেত্রকোনা-৪ ও নেত্রকোনা-৫ আসনেও একইভাবে তথ্যের গড়মিল রয়েছে।

 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে দেশজুড়ে 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে পড়েছে মোট ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ ভোট এবং 'না'-এর পক্ষে পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোট। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে গণভোট প্রদানের গড় হার ৬০.২৬ শতাংশ।

 

পার্বত্য জেলা ও গোপালগঞ্জের সব আসনেই 'না' জয়ী

 

২৯৯টি আসনের মধ্যে মোট ১১টি আসনে 'না' ভোট জয়ী হয়েছে। এর মধ্যে পার্বত্য তিন জেলার সবকটি (৩টি) এবং গোপালগঞ্জের সবকটি (৩টি) আসনে 'না' জয়ী হয়েছে। খাগড়াছড়ি আসনে 'হ্যাঁ' এর পক্ষে পড়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৫ ভোট এবং 'না' এর পক্ষে পড়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪২ ভোট। রাঙামাটি আসনে 'হ্যাঁ' এর চেয়ে 'না' ভোট ১ লাখ ৮ হাজার ১০৬টি বেশি পড়েছে। একইভাবে বান্দরবানেও 'না' ভোট ১৮ হাজার ৭৩৯টি বেশি পড়েছে।

 

আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই 'হ্যাঁ' এর চেয়ে প্রায় তিন গুণ ভোট পড়েছে 'না' তে। গোপালগঞ্জ-১ আসনে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ৫৪,৭১৬টি এবং 'না' ভোট পড়েছে ১,২৮,২৯৮টি। গোপালগঞ্জ-২ আসনে 'হ্যাঁ' ভোট ৩৪,৩০২টি এবং 'না' ভোট ১,০৭,২৯০টি। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে 'হ্যাঁ' ভোট ৩৩,৪৯৮টি এবং 'না' ভোট পড়েছে ৯৩,৩৬৮টি।

 

এছাড়া অন্য যে আসনগুলোতে 'না' ভোট জয়ী হয়েছে সেগুলো হলো— ঝিনাইদহ-১, সুনামগঞ্জ-২, চট্টগ্রাম-৮, চট্টগ্রাম-১২ এবং রাজশাহী-৪। 'না' ভোট বেশি পাওয়া এই ১১টি আসনের মধ্যে ১০টিতেই বিএনপির প্রার্থীরা সংসদ সদস্য হিসেবে জয়ী হয়েছেন। শুধুমাত্র রাজশাহী-৪ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।

 

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ২ হাজার ৩৩৪ জন। এর মধ্যে গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ। 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং 'না' ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। এছাড়া প্রদত্ত গণভোটের মধ্যে বাতিল বা অবৈধ হয়েছে ৭৪ লাখ ২ হাজার ২৮৫টি ভোট।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

জাতীয়

View more
হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান। ফাইল ছবি
হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান পদত্যাগ করলেন

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান গুরুতর দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের মুখে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি তার পদত্যাগপত্র সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করেন।   এর আগে তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কেএম মজিবুল হক বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে তদন্তের আবেদন করেছিলেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।   অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিচারপতি রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলায় পক্ষপাতিত্ব করেছেন। একটি মামলায় সিনিয়র আইনজীবী অনুপস্থিত থাকলেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তি উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। আরেকটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে কোনো পক্ষ না করেই তার মালিকানাধীন ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়েছিল, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি বলে দাবি করা হয়েছিল।   আইনি মহলের মতে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্তের প্রারম্ভে বা চলাকালীন পদত্যাগ এমন গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। উচ্চ আদালতের স্বচ্ছতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য এ ধরনের ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। সংগৃহীত ছবি

স্কুল পর্যায়ে অনলাইন ক্লাস চালুর উদ্যোগ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

উপবন এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডে সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

উপবন এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডে সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

সাবেক এমপির স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা নিয়ে চাঞ্চল্য

স্ট্যাটাসে ইঙ্গিত, সাবেক এমপির স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা নিয়ে চাঞ্চল্য

ছবি: সংগৃহীত
আইএলও অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারকে ৪৭ দেশের সমর্থন

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশ ইস্যুতে আলোচনায় অংশ নেওয়া ৪৭টি দেশ বর্তমান সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। একই সঙ্গে শ্রম খাতের সংস্কার কার্যক্রমে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহও প্রকাশ করেছে তারা। সোমবার (৩০ মার্চ) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।   জেনেভায় অনুষ্ঠিত অধিবেশনে বাংলাদেশের শ্রম খাতের সংস্কার ও অগ্রগতি নিয়ে নবম প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এতে বর্তমান সরকারের গৃহীত আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে ইতিবাচকভাবে বিবেচিত হয়েছে বলে জানানো হয়। আইএলওর ৫৬ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডির মধ্যে ১৯টি দেশ, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপভুক্ত ২৮টি দেশ এবং মালিকপক্ষ বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের প্রশংসা করে। তারা দীর্ঘদিন ধরে চলমান মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বানও জানায়।   এর আগে ২০১৯ সালে আইএলও কনভেনশনের কিছু ধারা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন একটি মামলা করে। সেই প্রেক্ষিতে গত কয়েক বছরে একাধিক অধিবেশনে বিষয়টি আলোচনা হয়। অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তারা জানান, সরকার মানবাধিকার, আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ।   বক্তারা আরও জানান, শ্রম আইন সংশোধনসহ বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ আইএলওর ‘ডিসেন্ট ওয়ার্ক’ লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ ছাড়া আইন সংশোধন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। আলোচনায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশ ও আঞ্চলিক গ্রুপ—যেমন আরব গ্রুপ, উপসাগরীয় দেশসমূহ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা—বাংলাদেশের শ্রম খাতে অগ্রগতির প্রশংসা করে এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ জানায়।   অধিবেশন শেষে সর্বসম্মতিক্রমে মামলাটির পরবর্তী আলোচনা আগামী বছরের মার্চ মাসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মব কালচার নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি: বিশৃঙ্খলা দমনে কঠোর ব্যবস্থা

ফাইল ছবি

সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য বড় খবর: বাড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি!

ফাইল ছবি
অবৈধ বিশ্ববিদ্যালয় ও শাখা ক্যাম্পাস নিয়ে কঠোর ইউজিসি: সব শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ

দেশে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হওয়া সকল দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ক্যাম্পাস এবং স্টাডি সেন্টারের শিক্ষা কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) ইউজিসির ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক জরুরি আদেশে এই কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়। একইসঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা পাওয়ার জন্য আগামী ২৫ এপ্রিলের মধ্যে কমিশনের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে।   ইউজিসি তাদের আদেশে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি দেশি-বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনো প্রকার নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই তাদের শাখা ক্যাম্পাস, স্টাডি সেন্টার ও টিউটোরিয়াল সেন্টার পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যে এ ধরনের অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা কমিশনের হাতে এসেছে। ‘বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের শাখা ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টার পরিচালনা বিধিমালা, ২০১৪’ অনুযায়ী এই কার্যক্রম সম্পূর্ণ অবৈধ বলে গণ্য করা হয়েছে।   কমিশনের পরিচালক মোছা. জেসমিন পারভীন স্বাক্ষরিত আদেশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো প্রকার শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে পারবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অননুমোদিতভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
চট্টগ্রামের জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন | ছবি: সংগৃহীত

গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপি: হেলিকপ্টারে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় স্থানান্তর

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

পত্রিকা: 'সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ'

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী।

জুলাই বিপ্লবের চেতনা অস্বীকার করছে সরকার? সংসদে বিস্ফোরক বক্তব্য মাহবুব সালেহীর

0 Comments