জাতীয়

রাষ্ট্রপতির শপথ অবৈধ ঘোষণার রিট

তাবাস্সুম মার্চ ২, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনের শপথ গ্রহণকে অবৈধ ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে ‘নীরব ভূমিকা’ পালনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চাওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে এ রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 

এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের দাবি জানিয়ে সংসদ সচিবালয় ও আইন সচিবের কাছে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার ওই নোটিশটি প্রেরণ করেন।

 

আইনি নোটিশে অভিযোগ করা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানকে অসম্মান করে সাম্প্রতিক সময়ে দেওয়া বক্তব্যের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি তার শপথ ভঙ্গ করেছেন। এ কারণে তাকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের মাধ্যমে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন উদ্বোধনের আহ্বান জানানো হয়। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

জাতীয়

View more
ফাইল ছবি
নুরুল ইসলাম মনি চিফ হুইপ নির্বাচিত, সঙ্গে আরও ছয়জন হুইপের নিয়োগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি। সোমবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়–এর মানবসম্পদ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।   একই সঙ্গে আরও ছয়জন সংসদ সদস্যকে হুইপ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন: হবিগঞ্জ-৩ আসনের জি কে গউছ, খুলনা-৩ আসনের রকিবুল ইসলাম বকুল, শরীয়তপুর-৩ আসনের মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, নাটোর-২ আসনের রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, দিনাজপুর-৪ আসনের আখতারুজ্জামান মিয়া এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের আশরাফ উদ্দিন নিজান।   জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এসব নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে। নবনিযুক্ত চিফ হুইপ ও হুইপরা আগামীকাল মঙ্গলবার শপথ নিতে পারেন।

তাবাস্সুম মার্চ ২, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতির শপথ অবৈধ ঘোষণার রিট

সোমবার মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ/ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী নিরাপত্তা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কড়া নির্দেশ আইজিপির

ফাইল ছবি
দ্রুত স্বাভাবিক হচ্ছে ভারতীয় ভিসা? বর্ডার হাট চালু ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে আশার বার্তা দিলেন হাইকমিশনার

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি জানান, দুই দেশের গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে নতুন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চায় ভারত।   তিনি বলেন, মেডিকেল ভিসা দেওয়া অব্যাহত রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে। গত দেড় বছরে সার্বিক নিরাপত্তাজনিত কারণে ভিসা সেন্টার বন্ধ ও ভিসা দেওয়ার হার কমে গিয়েছিল। অনলাইন আবেদন ব্যবস্থায় ওয়েবসাইট হ্যাকের চেষ্টার কথাও উল্লেখ করে তিনি নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানান।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে পারস্পরিক সম্পর্ককে জনগণের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার আহ্বানও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।   অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বন্ধ থাকা বর্ডার হাট ও স্থলবন্দরগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করবে। তবে ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্প নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি বলে তিনি স্পষ্ট করেন।   দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন গতি আসছে কি না সেদিকেই এখন নজর বিশ্লেষকদের।  

আবু জোবায়ের মার্চ ২, ২০২৬ 0
২ বাংলাদেশি নিহত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: ২ বাংলাদেশি নিহত, আহত অন্তত ৭

ঐতিহাসিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস আজ

ঐতিহাসিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস আজ

ফাইল ছবি

সচিব বদলি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান

ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এক বছরের ভিআইপি মর্যাদা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এক বছরের জন্য 'অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি' বা ভিআইপি (Very Important Person) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। গত ১০ ফেব্রুয়ারি সরকারি গেজেটে এই সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়। বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১-এর ধারা ২(ক) অনুযায়ী তাঁকে এই বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মান ও সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ)-এর কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী ও ভিআইপি মর্যাদা ভোগ করবেন।   বাংলাদেশে দায়িত্ব পরবর্তী সময়ে প্রধান উপদেষ্টাকে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়ার প্রথা নতুন নয়, তবে এবারের সময়সীমা আগের তুলনায় অনেক বাড়ানো হয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর তৎকালীন বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টাকে তিন মাসের জন্য একই ধরনের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। ড. ইউনূসের ক্ষেত্রে সময়সীমা এক বছর নির্ধারণ করা হয়, যা প্রশাসনিক নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সচিব মোঃ সাইফুল্লাহ পান্না স্বাক্ষরিত আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এই আদেশের ফলে ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ স্তরের প্রটোকল ও নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন। বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১-এর আওতায় তাঁর সার্বক্ষণিক সুরক্ষা দায়িত্ব পালন করবে এসএসএফ।

তাবাস্সুম মার্চ ১, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের বিশেষ দিকনির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: প্রবাসীদের খোঁজ-খবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

0 Comments