জনসভা

জামায়াত আমির
ডাল-পালা নয়, সরাসরি দুর্নীতির ঘাড় ধরে টান দেব

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাঁর দলের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে দুর্নীতি দমনে তিনি যে আপসহীন বার্তা দিয়েছেন, তা এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।   দুর্নীতি ও অর্থ পাচার নিয়ে কঠোর অবস্থান: ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা দুর্নীতির ডাল বা পাতা ধরে টান দেব না, বরং সরাসরি দুর্নীতির ঘাড় ধরে টান দেব।" তিনি বিগত সরকারের আমলে পাচার হওয়া ২৮ লক্ষ কোটি টাকা (যা দেশের ৪টি বাজেটের সমান) ফিরিয়ে আনার চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর মতে, ছোট চোরদের শাস্তি দিয়ে বড় মাফিয়াদের ছেড়ে দেওয়া চরম অন্যায়।   প্রতিশোধ নয়, সুবিচারের নিশ্চয়তা: বিগত বছরগুলোতে দলের ওপর অমানবিক নির্যাতন এবং শীর্ষ নেতাদের হারানো সত্ত্বেও ডা. শফিকুর রহমান উদারতার পরিচয় দেন। তিনি ঘোষণা করেন, জামায়াত ব্যক্তিগত কোনো প্রতিশোধ নেবে না। তবে শহীদ পরিবারগুলোর আইনি লড়াইয়ে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে। মামলা বাণিজ্য ও মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধেও তিনি কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।   নারী ও যুবকদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা: যুবকদের জন্য স্রেফ 'বেকার ভাতা' নয়, বরং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি নারীদের মর্যাদা ও ইজ্জতের শতভাগ নিরাপত্তার গ্যারান্টি না দেওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।   বরিশালের উন্নয়ন ও নদী সংস্কার: বরিশাল অঞ্চলের প্রধান সমস্যা নদী ভাঙন নিয়ে তিনি বলেন, নদী শাসন নয় বরং বৈজ্ঞানিক উপায়ে নদী সংস্কার প্রয়োজন। সঠিক বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১০ বছরের মধ্যে এই অঞ্চলের চিত্র বদলে দেওয়ার রূপরেখা দেন তিনি।   বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ: তিনি বলেন, "আমরা জামায়াতের বিজয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।" এমন এক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখান যেখানে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—সবাই আইনের চোখে সমান হবেন এবং বিচার ব্যবস্থায় কোনো দলীয় প্রভাব থাকবে না।   অনুষ্ঠান শেষে তিনি বরিশাল অঞ্চলের বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন এবং মেহেন্দিগঞ্জের স্থানীয় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জনসভাটি এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী জনসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী জনসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক : ঠাকুরগাঁওয়ে এক নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের মনে ভয় কাজ করে। ভয় করবেন না। আপনি এ দেশের নাগরিক, আমিও এ দেশের নাগরিক। আপনাদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের—আমাদের সবার। এটা আপনাদের দেশ, আপনাদের মাটি। এটা আপনার জমি, আপনার দেশ।”   বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার ফাড়াবাড়ি স্কুল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন।   তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী এখন খুব কথা বলছে। তাদের জিজ্ঞেস করুন—মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা কী ছিল। ১৯৭১ সালে তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। তখন আমাদের পালিয়ে যেতে হয়েছিল। আমরা ২৪ ভুলব না, ৭১-ও ভুলব না। আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি—একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য।”   বিএনপি মহাসচিব বলেন, “এই সরকার নিরপেক্ষ সরকার। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে, তারাই সরকার গঠন করবে। এবার একটি সুন্দর নির্বাচন হবে। মন যাকে চায়, তাকেই ভোট দেবেন।” তিনি আরও বলেন, “জেলার বড় বড় সড়ক, কলেজ-মাদ্রাসার উন্নয়ন, ভুট্টা চাষ ও বরেন্দ্র টিউবওয়েল স্থাপন—এসব কাজ আমরা করেছি।” একই সঙ্গে তিনি জামায়াত প্রার্থী সম্পর্কে না জেনে কথা না বলার আহ্বান জানান।   মির্জা ফখরুল বলেন, “হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চাই। যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাতে চাই, যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে আয় করতে পারে। দক্ষিণাঞ্চলে প্রত্যেক ঘরে একজন করে মানুষ বিদেশে থাকে—এতে এলাকার উন্নয়ন হয়। আমরা তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চাই। কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চাই। বিমানবন্দর চালুর আগে মানুষের আয় বাড়ানোকে গুরুত্ব দেব। বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল কলেজ স্থাপন করতে চাই। সবাই এক হলে এসব কাজ করা সম্ভব।”   আবারও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের ভয় করার কিছু নেই। কেউ আপনাদের ক্ষতি করবে না। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের এবং আমাদের সবার। এটা আপনাদের দেশ, আপনাদের মাটি—আপনাদের জমি, আপনাদের দেশ।”   শেষে তিনি বলেন, “আমি আপনাদের পুরনো মানুষ, পরীক্ষিত মানুষ। এটা আমার শেষ নির্বাচন। এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দিন। ভোট আপনাদের আমানত—আমি তা খেয়ানত করব না। আমরা বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি না। সততার সঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব।   প্রতিবেদক: শ্যামল সান্যাল

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
কুড়িগ্রামে ডা. শফিকুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ কুড়িগ্রামের এক বিশাল জনসভায় দেশ গড়ার নতুন রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জামায়াত কেবল একটি দলের বিজয় নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও সম্মান ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর।   বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের বীরত্বগাঁথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শহীদদের রক্তের সাথে কোনো আপস করা হবে না। নদী ভাঙন রোধে দুর্নীতির অবসান এবং পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি কুড়িগ্রামকে উন্নয়নের মডেলে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেন।   সাফল্যের চাবিকাঠি ও আজকের বিশেষ বার্তা:   আমরা কোনো দলীয় বা গোষ্ঠীগত সরকার চাই না, আমাদের লক্ষ্য ১৮ কোটি মানুষের সামগ্রিক বিজয়। তিস্তা পাড় থেকেই সূচিত হয়েছে মুক্তির গণজোয়ার; মা-বোনদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। শহীদ আবু সাইদ ও আবরার ফাহাদের রক্তে ভেজা এই মাটি কখনোই আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করবে না। বিদেশে পাচার হওয়া ২৮ লক্ষ কোটি টাকা ফিরিয়ে এনে কুড়িগ্রামের মতো পিছিয়ে পড়া জনপদ থেকেই শুরু হবে নতুন বাংলাদেশের উন্নয়ন। গুজব ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে সত্যের জয় নিশ্চিত করেছে আমাদের সাইবার টিম; অপরাধীদের ঠাঁই নেই এই বাংলায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে রূপান্তরের ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমানের!

কিশোরগঞ্জকে ঘিরে এক নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লবের স্বপ্ন দেখালেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠের বিশাল জনসভায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, শুধু গতানুগতিক চাষাবাদ নয়, বরং কিশোরগঞ্জের উর্বর মাটিকে কেন্দ্র করে কৃষিকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পে পরিণত করা হবে। পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে উন্নয়নের চাকাকে সচল করার অঙ্গীকারও করেছেন তিনি। জনসভার মূল আকর্ষনসমূহ: কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন: কিশোরগঞ্জের প্রধান চালিকাশক্তি কৃষিকে আধুনিকায়ন করে শিল্পে রূপান্তর করার ঘোষণা। অর্থ পাচার রোধ ও পুনরুদ্ধার: দেশ থেকে পাচার হওয়া বিপুল অর্থ ফেরত এনে জনকল্যাণে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি। ভোটের অধিকার রক্ষা: "এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত ভোটে হাত দিতে পারবে না"—অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কড়া বার্তা। গণমানুষের সরকার: কেবল নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের সরকার গঠনের প্রত্যয়। অনগ্রসর এলাকার উন্নয়ন: জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার। কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলা থেকে আগত লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এই নির্বাচনী জনসভা এক অনন্য জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0