ভ্লাদিমির পুতিন

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ভ্লাদিমির পুতিন হয়তো ইরানকে কিছুটা সহায়তা দিচ্ছেন।   ফক্স নিউজকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, তার ধারণা অনুযায়ী পুতিন হয়তো তেহরানকে “সামান্য সহায়তা” করছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এর পেছনে রাশিয়ার একটি রাজনৈতিক যুক্তিও থাকতে পারে।   ট্রাম্পের মতে, পুতিন সম্ভবত মনে করছেন যে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ইউক্রেনকে সহায়তা করছে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে ইরানকে সমর্থন দেওয়াও অনেকটা তার প্রতিক্রিয়ামূলক পদক্ষেপের মতো।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও ইঙ্গিত দেন, শুধু রাশিয়াই নয়—চীনের মতো বড় শক্তিগুলিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এমন হিসাব-নিকাশ করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র যেহেতু বিভিন্ন দেশ বা মিত্রকে সহায়তা দিচ্ছে, তাই অন্য শক্তিগুলোও নিজেদের মিত্রদের সমর্থন দেওয়া স্বাভাবিক বলে তারা মনে করতে পারে।   এই ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই মার্কিন গণমাধ্যমে নতুন একটি দাবি সামনে এসেছে। ওয়াশিংটন পোস্ট–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া নাকি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান সংক্রান্ত কিছু গোয়েন্দা তথ্য ইরানের কাছে সরবরাহ করেছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, মস্কো হয়তো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তেহরানকে দিয়েছে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলো চিহ্নিত করা সহজ হয়।   যদিও ট্রাম্প বিষয়টিকে তুলনামূলকভাবে সীমিত সহায়তা হিসেবে দেখছেন, তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এবং দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।   সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দ্রুত যুদ্ধ ও সহিংসতা বন্ধ করে কূটনৈতিক আলোচনার পথে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।   শনিবার (৭ মার্চ) মাসদু পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন পুতিন। ফোনালাপে তিনি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। এ সময় পেজেশকিয়ান চলমান সংঘাতের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে পুতিনকে অবহিত করেন।   পরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় Kremlin থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরানে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ হওয়া জরুরি। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা সমাধানে সামরিক শক্তি প্রয়োগ না করে রাজনৈতিক আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পুতিন নিয়মিতভাবে ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি ইরানের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামের প্রতি রাশিয়ার সমর্থনের কথাও উল্লেখ করেন।   ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টানা আলোচনা চলে। তবে ওই আলোচনায় কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়।   এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান শুরু করে, যার নাম দেওয়া হয় Operation Epic Fury। একই সময়ে ইসরাইলও তাদের অভিযান Operation Roaring Lion শুরু করে।   এই হামলার জবাবে ইরান ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর দিকে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। একই সঙ্গে এমনও দাবি করা হচ্ছে যে, এই সংঘাতে ইরানকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন: পুতিন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রোববার এক বিবৃতিতে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান–এর কাছে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।   রুশ রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা তাস নিউজ এজেন্সি–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন খামেনির মৃত্যুকে ‘নৃশংস হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনা মানবিক নৈতিকতার সব আদর্শ এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।   অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই হত্যাকাণ্ডকে ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে প্রচারিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ ও বিশ্বজুড়ে শিয়া সম্প্রদায়ের একজন শীর্ষ নেতাকে এভাবে হত্যা করা মুসলিমদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য আগ্রাসন হিসেবে বিবেচিত হবে।   তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বৈধ অধিকার ও দায়িত্ব। একইসঙ্গে তিনি দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।   খামেনির মৃত্যুকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক মহলেও এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বাড়ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি
কাজের টোপ দিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশিদের

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হচ্ছে। বেসামরিক চাকরির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে জোর করে তাদের ইউক্রেন যুদ্ধে নামানো হয়। যুদ্ধে যেতে না চাইলে কারাদণ্ড, মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) অনুসন্ধানে এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে।   এভাবে কতজন বাংলাদেশি প্রতারিত হয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে ভুক্তভোগীরা জানান, তারা শতাধিক বাংলাদেশিকে রুশ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে দেখেছেন। এপি জানায়, এভাবে ভারত ও নেপালসহ আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিকদেরও নিয়োগ করা হয়েছে।   পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসাবে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ্মীপুরের বাসিন্দা মাকসুদুর রহমানকে এক দালাল রাশিয়ায় পাঠান। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি নিজেকে ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখভাগে দেখতে পান। মাকসুদ জানান, মস্কো পৌঁছানোর পর তাদের রুশ ভাষায় লেখা কিছু কাগজে সই করানো হয়। পরে জানা যায়, সেগুলো ছিল সামরিক চুক্তি। এরপর তাদের সেনা ক্যাম্পে নিয়ে ড্রোন যুদ্ধ, অস্ত্র ব্যবহার ও প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।   তিনি জানান, আপত্তি জানালে এক রুশ কর্মকর্তা অনুবাদ অ্যাপের মাধ্যমে বলেন, তোমাদের এজেন্টই তোমাদের এখানে পাঠিয়েছে। আমরা তোমাদের কিনেছি। এ সময় মাকসুদের সঙ্গে আরও দুজন বাংলাদেশি যুবক ছিলেন। তারা জানান, জোর করে তাদের যুদ্ধের সামনের সারিতে পাঠানো হতো, মালামাল বহন করানো হতো, আহতদের উদ্ধার ও লাশ সংগ্রহে বাধ্য করা হতো।   মাকসুদ আরও জানান, কাজ না করলে তাদের ১০ বছরের জেলের হুমকি দেওয়া হতো এবং মারধর করা হতো। সাত মাস পর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফেরেন। আরেক ভুক্তভোগী মোহান মিয়াজি জানান, ইলেকট্রিশিয়ানের কাজের কথা বলে তাকে নেওয়া হয়। পরে তাকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। আদেশ না মানলে তাকে নির্যাতন করা হতো। ভাষা না বোঝার কারণে ভুল করলে নির্মমভাবে মারধর করা হতো বলেও জানান তিনি।   লক্ষ্মীপুরের অনেক পরিবার এখনো নিখোঁজ স্বজনদের পাঠানো কাগজপত্র ধরে রেখে আশায় আছেন- একদিন তারা ফিরে আসবেন।   সালমা আক্তার জানান, তার স্বামী আজগর হোসেন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়ায় যান লন্ড্রির কর্মীর চাকরির আশায়। পরে জানা যায়, তাকে জোর করে যুদ্ধে পাঠানো হচ্ছে। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ নেই। শেষবার তিনি স্ত্রীকে বলেছিলেন, আমার জন্য দোয়া কর।   বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তাকারী সংস্থা ব্র্যাক ২০২৪ সালের শেষ দিকে বিষয়টি তদন্ত করে ১০ জন নিখোঁজ শ্রমিকের তথ্য পায়। ব্র্যাকের কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম বলেন, এখানে দুই থেকে তিন স্তরের দালালচক্র আছে। বাংলাদেশ পুলিশও একটি মানব পাচার চক্রের সন্ধান পেয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন বাংলাদেশি ইউক্রেন যুদ্ধে মারা যেতে পারেন। তদন্তে দেখা গেছে, স্থানীয় এজেন্টরা কেন্দ্রীয় দালালের মাধ্যমে শ্রমিকদের রাশিয়ায় পাঠাত। নিখোঁজদের পরিবার জানায়, তারা এখনো কোনো অর্থ পাননি।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: রাশিয়া ইরান পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইরানের পরিস্থিতি মস্কো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন। ক্রেমলিনে বৃহস্পতিবার আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে এই কথা বলেন পুতিন। খবর দিয়েছে রয়টার্স।   সম্প্রতি আমিরাতে অনুষ্ঠিত রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই প্রেক্ষাপটে পুতিন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে আমিরাতের মধ্যস্থতামূলক ভূমিকা দেখতে আগ্রহী।   ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক ব্যবহারের ফলে অঞ্চলে ‘অস্থিরতা’ সৃষ্টি হতে পারে এবং তা বিপজ্জনক ফলাফল ডেকে আনতে পারে।   পেসকভের মন্তব্য আসে একদিন পরে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করেছেন যে, পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি করতে আলোচনায় বসতে হবে, নয়তো মার্কিন আক্রমণের মুখোমুখি হতে হবে।   তবে ইরান এখনো তাদের অবস্থানে অনড়। তেহরান জানিয়েছে, যুদ্ধ হলে হামলার দায় আমেরিকাকে নিতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0