সাদিক কায়েম

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
বদি-আইভীর জামিন নিয়ে ডাকসু সাদিক কায়েমের হুশিয়ারি

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হত্যাযজ্ঞের মামলায় অভিযুক্ত কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি এবং নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন পাওয়ার ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।  বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই বিচারিক প্রক্রিয়া ও দেশের বর্তমান প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। সাদিক কায়েম তার পোস্টে অভিযোগ করেন, একদিকে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের কার্যালয়গুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় যোদ্ধাদের বিরুদ্ধেই সুক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বা 'নীল নকশা' চলছে। তিনি একে ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করে সতর্ক করে বলেন, এই আত্মঘাতী পদক্ষেপের পরিণতি থেকে কেউই রেহাই পাবে না। বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক রদবদলের পর বিশেষ মহলের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানকে অন্যায্য সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এটি জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল। এভাবে চলতে থাকলে জাতি আবারও দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রী ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম । ছবি: সংগৃহীত
‘ক্ষমতাসীন’ রাজনৈতিক দলকে কড়া বার্তা ডাকসু ভিপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভিপি সাদিক কায়েম।   শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতাকর্মীরা এসব হামলার সঙ্গে জড়িত এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ভিন্নমতের শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।   তিনি লিখেছেন, “আমরা আশা করি প্রত্যেক নির্বাচিত প্রতিনিধি ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ দায়িত্বশীল আচরণ করবেন এবং তাঁদের নির্বাচনী এলাকাসহ সর্বত্র সংঘাতের রাজনীতি বন্ধ করে ভিন্নমতের সবার জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবেন।”   প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডাকসু ভিপি। তিনি অভিযোগ করেন, হামলা বন্ধে প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। পরিস্থিতির অবনতি হলে ছাত্রজনতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।   নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২১২টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ৭৭টিতে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৮টিতে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
আবু সাদিক কায়েম
বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও মাফিয়াতন্ত্র কায়েম হতে দিবো না - সাদিক কায়েম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে শুরু হওয়া রাজনৈতিক সংঘাত এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে ভিন্নমতের শিক্ষার্থীদের হুমকির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।   আবু সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টে দাবি করেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীরা নৃশংস হামলা পরিচালনা করছে। এর পাশাপাশি দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভিন্নমতের অনুসারী শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হওয়া এবং তাঁদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে।   তিনি নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও জয়ী রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আমরা আশা করি, নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতৃবৃন্দ তাঁদের নির্বাচনী ক্ষেত্রসহ দেশের প্রতিটি প্রান্তে সংঘাতের রাজনীতি বন্ধ করবেন। ভিন্নমতের সবার জন্য একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন তাঁদের প্রধান দায়িত্ব।"   হামলা বন্ধে প্রশাসনের নির্লিপ্ততার কড়া সমালোচনা করে ভিপি সাদিক আরও বলেন, "একের পর এক হামলা চলতে থাকা এবং সাধারণ নাগরিকদের রক্ত ঝরানোর ঘটনাপ্রবাহে প্রশাসন কেন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। এভাবে যদি অরাজকতা চলতে থাকে, তবে আমরা সাধারণ ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলব।"   বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশের স্বপ্ন তুলে ধরে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, "জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে কোনোভাবেই সন্ত্রাসবাদ ও মাফিয়াতন্ত্র কায়েম হতে দেওয়া হবে না ইনশাআল্লাহ।" নির্বাচনের পর উদ্ভূত এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে তাঁর এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন করে সাহস সঞ্চার করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
সাদিক কায়েম
একটি দলের মতো দেশকে দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করবে না জামায়াত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দেশ থেকে সকল প্রকার চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নির্মূল করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। গত রবিবার রাতে ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকার শ্যামপুরে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।   ডাকসু ভিপি বলেন, "জামায়াতে ইসলামীতে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। অতীতের কোনো সরকার দেশকে দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বানালেও, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশ হবে সমৃদ্ধ, উন্নত এবং একটি মানবিক বাংলাদেশ। এখানে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের কোনো ঠাঁই হবে না।"   দেশবাসীকে ধোঁকায় না পড়ে বিবেক দিয়ে বিচার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "আমাদের আমির ডা. শফিকুর রহমানের অতীত কার্যক্রম দেখুন। বন্যা, ভূমিকম্প কিংবা করোনাকালীন দুর্যোগ—মানুষের প্রতিটি বিপদে তিনি সবার আগে ছুটে গেছেন। এমন ইনসাফ কায়েমকারী নেতৃত্বের হাতে দেশ থাকলে বাংলাদেশ আর কখনো পথ হারাবে না।"   পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ওই এলাকার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "ঢাকা-৪ এলাকায় গ্যাস সংকট, জলাবদ্ধতা এবং উন্নত চিকিৎসার অভাব প্রকট। এখানে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই, যার ফলে সাধারণ মানুষ মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সৎ ও দক্ষ নেতৃত্বের অভাবেই আজ এই জনপদ অবহেলিত।"   সৈয়দ জয়নুল আবেদীন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কায় ভোট দিয়ে একটি আধুনিক ও উন্নত ঢাকা-৪ গড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। ঢাকা-৪ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুর রহিম জীবনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পথসভায় ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
বিক্ষোভ মিছিলে কথা বলছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। ছবি: সংগৃহীত
তারেক রহমান- ছিলেন মজলুম, জালিম হবেন না: সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম রবিবার গাজীপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, বিএনপির নেতা তারেক রহমান মজলুম ছিলেন, তাই জালিম হয়ে উঠবেন না। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন, যদি কোনো মা-বোনের ওপর হামলা হয়, তাহলে সারাদেশের ১৮ কোটি জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক দল দেশের গণতন্ত্র নয়, বরং মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি, ধর্ষণ এবং মামলাতন্ত্রের মাধ্যমে নিজেদের দাপট দেখাচ্ছে। তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহিংসতা বন্ধের জন্য নির্বাচন কমিশনের উদাসীনতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেন। এছাড়া, শেরপুরে জামায়াত নেতার হত্যাকাণ্ডে বিএনপির জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং গাজীপুরে নারী হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান। এই সময় জাকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা এখন দেশে এসে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি করছে।” শিবির নেতারা আরও দাবি করেন, ধারাবাহিক ছাত্রসংসদ পরাজয়ের কারণে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েছে এবং দেশের ছয় কোটি নারী ভোটার দলটিকে বয়কট করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
সাদিক কায়েম
শহীদদের রক্তের সম্মান দিতে হলে আপনাকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কথা বলতে হবে: সাদিক কায়েম

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়তে কুমিল্লায় গর্জে উঠলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। শুক্রবার রাতে কুমিল্লার ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে ১১ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন।   সাদিক কায়েম সরাসরি প্রশ্ন তুলে বলেন, “শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আজ আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করছেন, কথা বলছেন। অথচ তাদের সেই রক্তের সম্মান দিতে এবং চব্বিশের আন্দোলনকে বাঁচিয়ে রাখতে আপনি কেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলছেন না? আমরা কি তবে ধরে নেব আপনি হাসিনার সেই ফ্যাসিবাদী কাঠামোকেই ভেতরে ভেতরে লালন করছেন?”   বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, “জুলাই পরবর্তী দীর্ঘ দেড় বছর পর দেশে ফিরে আপনি ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলছেন, অথচ আপনার দলের নেতাকর্মীরাই আজ আমাদের মা-বোনেদের ওপর হামলা করছে, তাঁদের বিবস্ত্র করার হুমকি দিচ্ছে। আমরা আপনার দেওয়া ওই ভুয়া ফ্যামিলি কার্ড চাই না, আমরা প্রতিটি পরিবারের সদস্য বা ‘ফ্যামিলি মেম্বার’ হতে চাই।”   এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর আমিরের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, “আমাদের আমিরে জামায়াত, আগামীর রাষ্ট্রপ্রধান গত ১৭ বছরে দেখিয়েছেন কীভাবে ১৮ কোটি মানুষের ফ্যামিলি মেম্বার হতে হয়। তিনি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন, কোনো কার্ডের প্রলোভন দেখাননি।”   ভিপি সাদিক কায়েম হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা গণভোটে ‘না’ ভোটের দালালি করছে বা নীরব থেকে ফ্যাসিবাদের দোসরদের সুযোগ করে দিচ্ছে, তাদের জুলাই প্রজন্ম কোনোভাবেই ক্ষমা করবে না। তিনি চব্বিশের বিপ্লবকে চূড়ান্ত রূপ দিতে এবং রাষ্ট্র সংস্কার নিশ্চিত করতে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে প্রতিটি গ্রাম ও মহল্লায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর জন্য সিলেটবাসীর মতো কুমিল্লাবাসীকেও উদাত্ত আহ্বান জানান।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাদিক কায়েমের এই সরাসরি আক্রমণাত্মক অবস্থান এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এই অনড় দাবি আগামী নির্বাচনের আগে এক নতুন মেরুকরণ তৈরি করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম
হাসিনার মতোই লাত্থি দিয়ে বিদায় করা হবে: ‘না’ ভোটের সমর্থকদের সিলেটে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের হুঁশিয়ারি

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে জনমত গড়তে এবার সিলেটে গর্জে উঠলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় ‘ঐক্যবদ্ধ ছাত্রসংসদ’-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক বিশাল গণজমায়েতে তিনি এই কড়া হুঁশিয়ারি দেন।   সাদিক কায়েম সরাসরি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “আপনারা কি সেই হাসিনা হতে চান? তাহলে স্পষ্ট করে বলে দিন। মনে রাখবেন, হাসিনাকে যেভাবে বিদায় করেছি, যেভাবে লাত্থি দিয়ে ভারতে পাঠাই দিছি, ঠিক সেভাবেই আমরা আপনাদের সঙ্গেও ডিল করব।” তিনি অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল পর্দার আড়ালে থেকে ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যা মূলত স্বাধীন বাংলাদেশে আবার দিল্লির আধিপত্য ফিরিয়ে আনার একটি গভীর চক্রান্ত।   বক্তব্যে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলেন, “‘না’ মানে হচ্ছে ভারতের দালালি করা, দিল্লির পদলেহন করা এবং আবার স্বাধীন বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মতো বিভীষিকার বন্দোবস্ত করা। এই ‘না’ ভোট মানেই হলো বিচারিক হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে আবারও জাতীয় নেতাদের শহীদ করার সুপরিকল্পিত নীল নকশা।”   এসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভূমিকার সমালোচনা করে সাদিক কায়েম বলেন, “আমাদের সম্মানিত তারেক রহমান বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দিচ্ছেন। কিন্তু লক্ষ্য করছি, সেই মঞ্চগুলো থেকে একবারের জন্যও ‘হ্যাঁ’-এর সপক্ষে কোনো স্লোগান বা বক্তব্য আসছে না। আমরা কি তবে ধরে নেব আপনি ‘না’-এর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন? মনে রাখবেন, ‘না’ মানেই হলো হাসিনা, ‘না’ মানেই মোদি এবং ‘না’ মানে হাসিনার সেই ফ্যাসিবাদী কাঠামোকে রাষ্ট্রের ভেতরে জিয়ে রাখা।”   জুলাই প্রজন্মের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, “চব্বিশের বীর শহীদদের রক্ত এখনো শুকায়নি। জুলাই প্রজন্ম বেঁচে থাকতে ফ্যাসিবাদি রাজনীতি ও ‘না’-এর পক্ষে দালালি করা কাউকে এদেশের মাটিতে কোনো জায়গা দেওয়া হবে না।” সবশেষে তিনি সিলেটের প্রতিটি গ্রাম ও মহল্লায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে গণজোয়ার তৈরির আহ্বান জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
ভিপি সাদিক কায়েম ও রায়হান উদ্দীন
জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজার অনুষ্ঠানে ডাকসু ভিপিকে নিয়ে ব্যঙ্গ: রায়হান উদ্দীনের তীব্র নিন্দা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজার অনুষ্ঠানে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমকে লক্ষ্য করে ব্যঙ্গাত্মক গান বাজানোর ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতারা। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতের এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দীন।   শনিবার (২৪ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক বিবৃতিতে রায়হান উদ্দীন এই ঘটনার কঠোর সমালোচনা করে লেখেন, “জগন্নাথ হলের মাঠে সরস্বতী পূজার পবিত্র অনুষ্ঠানে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমকে ব্যঙ্গ করে রচিত গান বাজিয়ে নাচানাচি করা হয়েছে। একটি ধর্মীয় উৎসবে এমন গানের প্রাসঙ্গিকতা কী, তা আমার বোধগম্য নয়।”   তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সুস্থ ধারার রাজনৈতিক সমালোচনা বা ব্যঙ্গ করার অধিকার সবার থাকলেও ধর্মীয় মঞ্চকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ঘৃণা ছড়ানো কোনোভাবেই কাম্য নয়। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় যখন নতুন স্বপ্নের দিকে এগোচ্ছে, তখন জগন্নাথ হলে এই ধরণের নিম্নরুচির প্রবণতা শুরু হওয়াকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মনে করেন তিনি।   এই ঘটনার পেছনে কোনো বিশেষ মহলের উসকানি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার জোর দাবি তুলেছেন রায়হান উদ্দীন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, জগন্নাথ হল প্রশাসন এবং পূজা কমিটি এই ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দিচ্ছে কি না, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।   বিস্ময়কর বিষয় হলো, ভিপি সাদিক কায়েমের ব্যক্তিগত ও বিশেষ উদ্যোগেই এ বছর ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি হলের প্রত্যেকটির জন্য ১ লক্ষ টাকা করে বিশেষ অনুদান বরাদ্দ করা হয়েছিল। সেই অনুদান ব্যবহার করে বর্ণাঢ্য আয়োজনের সুযোগ পাওয়ার পরও খোদ আয়োজকদের একাংশের এমন আচরণ বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে এক ধরণের বিভেদ ও অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এ ধরণের ঘটনা ক্যাম্পাসের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সৌহার্দ্যকে বিনষ্ট করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0