এপস্টেইন

মাস্ক ও জুকারবার্গ
এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে এবার মাস্ক-জুকারবার্গ

টেসলা প্রধান এলন মাস্ক এবং মেটা কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গ—বিশ্বের প্রভাবশালী এই দুই ধনকুবেরের নাম এবার জড়িয়ে গেল কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের নথিতে।   মার্কিন বিচার বিভাগের সাম্প্রতিক রিপোর্টে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য: ২০১৫ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে এপস্টেইনের আয়োজিত এক ডিনার পার্টিতে নাকি আমন্ত্রিত ছিলেন এই দুই টেক জায়ান্ট।   রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এপস্টেইনের নিজের হাতে লেখা নোটে মাস্ক এবং জুকারবার্গের নাম পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, ডিনার পার্টির একটি রহস্যময় ছবিও এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।   যদিও সেই ছবিতে সরাসরি এপস্টেইনকে দেখা যায়নি এবং এই দুই বিলিয়নেয়ারের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি, তবুও এই যোগসূত্র জনমনে তৈরি করেছে নানা প্রশ্ন। এলন মাস্ক অবশ্য বরাবরই এপস্টেইনের সাথে কোনো ধরনের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে আসছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
জেফরি এপস্টাইন
এপস্টাইনের নথি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে ছয় সম্ভাব্য সন্দেহভাজনের তথ্য

মার্কিন বিচার বিভাগের অসম্পাদিত নথিতে জেফরি এপস্টাইন মামলার এমন কিছু তথ্য বেরিয়ে এসেছে, যা রীতিমতো তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। রিপাবলিকান থমাস ম্যাসি এবং ডেমোক্র্যাট রো খন্না জানিয়েছেন, নথিতে এমন কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে যারা সরাসরি অপরাধের সাথে জড়িত থাকতে পারেন। তবে রহস্যজনকভাবে বিচার বিভাগ সেই নামগুলো কালো কালি দিয়ে ঢেকে (Redacted) রেখেছে।   উভয় আইনপ্রণেতাই জানিয়েছেন, নথিতে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে একজন অত্যন্ত ‘পরিচিত নেতা’ এবং অন্যজন জনসমক্ষে বেশ ‘সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব’। তাঁরা এই গোপন নথিগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। তবে ‘বক্তৃতা ও বিতর্ক ধারা’র আইনি জটিলতা এবং ফৌজদারি দায়বদ্ধতার ঝুঁকি তাঁদের কিছুটা সতর্ক করে রেখেছে।   এর আগে হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির ডেমোক্র্যাট জেমি রাসকিন এবং অন্যান্য আইনপ্রণেতারা অভিযোগ করেছিলেন যে, বিচার বিভাগ উদ্দেশ্যমূলকভাবে এপস্টাইন মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করছে। এই নতুন তথ্য সেই অভিযোগকে আরও জোরালো করে তুলল। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—সেই ‘পরিচিত নেতা’ আসলে কে?

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
Norway to probe Epstein
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নরওয়েতে দুর্নীতির তদন্ত শুরু

প্রয়াত মার্কিন ধনকুবের এবং যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়েছে ইউরোপজুড়ে। এই কেলেঙ্কারির জেরে এবার নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থর্বজর্ন জাগল্যান্ডের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর দুর্নীতির’ আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।   শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টাইন সংক্রান্ত কয়েক মিলিয়ন পৃষ্ঠার নতুন নথি প্রকাশ করেছে। সেই নথিতে নরওয়ের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, রাজপরিবারের সদস্য এবং কূটনীতিকদের সঙ্গে এপস্টাইনের গভীর সম্পর্কের তথ্য বেরিয়ে এসেছে।   তদন্তের মুখে যারা:   ১. থর্বজর্ন জাগল্যান্ড: নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং নোবেল কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এপস্টাইনের কাছ থেকে উপহার, ভ্রমণ সুবিধা এবং ঋণ গ্রহণ করেছেন। নরওয়ের অর্থনৈতিক অপরাধ দমন ইউনিট (Okokrim) তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। তার কূটনৈতিক দায়মুক্তি (immunity) বাতিলের জন্য দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।   ২. ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিট: নরওয়ের রাজবধু মেটে-মারিটের সঙ্গে এপস্টাইনের কয়েকশ ইমেইল বিনিময়ের তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকি এপস্টাইনের ফ্লোরিডার বাসভবনে তার থাকার প্রমাণও মিলেছে। এই ঘটনায় তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং একে ‘বিব্রতকর’ ও তার ‘ভুল বিচার’ বলে অভিহিত করেছেন।   ৩. বোর্জ ব্রেন্ডে: বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) বর্তমান প্রধান এবং নরওয়ের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এপস্টাইনের সঙ্গে তার নৈশভোজ এবং যোগাযোগের বিষয়ে ডাবোসের এই সংস্থাটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে।   ৪. মোনা জুল ও তেরজে রোড-লারসেন: বিখ্যাত ওসলো চুক্তির মধ্যস্থতাকারী এই প্রভাবশালী দম্পতির নামও নথিতে এসেছে। জর্ডানে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মোনা জুলকে এরই মধ্যে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।   ইউরোপে প্রভাব: নরওয়ের পাশাপাশি ইউরোপের অন্যান্য দেশেও এই কেলেঙ্কারির ধাক্কা লেগেছে। ফ্রান্সে সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী জ্যাক ল্যাং এবং স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাও এপস্টাইন সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তদন্ত বা পদত্যাগের চাপের মুখে রয়েছেন।   নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গাহর স্টোর জানিয়েছেন, এই নতুন তথ্যগুলো অনেক প্রশ্ন জন্ম দিয়েছে যার উত্তর পাওয়া জরুরি। দেশটির সংসদও এই পুরো বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।   ২০১৯ সালে কারাগারে আত্মহত্যাকারী জেফরি এপস্টাইনের এই কালো অধ্যায় এখন বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির ক্যারিয়ার ও সম্মানের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
এপস্টেইন-চমস্কি আঁতাত
এপস্টেইন-চমস্কি আঁতাত ফাঁস

বিশ্বখ্যাত ভাষাবিদ নোয়াম চমস্কি এবং কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মধ্যকার গোপন ইমেইল চালাচালি এখন টক অফ দ্য টাউন। নতুন নথিতে উঠে এসেছে এমন কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা চমস্কির মতো ব্যক্তিত্বের অবস্থান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তুলেছে। গণমাধ্যমকে ‘শকুনের’ সাথে তুলনা করা থেকে শুরু করে আর্থিক পরামর্শ— কী ছিল সেই গোপন সংলাপে?   সংবাদমাধ্যমকে ‘নোংরা’ ও ‘শকুন’ সম্বোধন: নিজের বিরুদ্ধে ওঠা পাচারের অভিযোগকে কীভাবে ধামাচাপা দেবেন, তা নিয়ে চমস্কির পরামর্শ চেয়েছিলেন এপস্টেইন। জবাবে চমস্কি সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।   নারীদের ওপর নির্যাতন ও ‘উন্মাদনা’: ইমেইলে নারীদের ওপর নির্যাতন নিয়ে তৈরি হওয়া জনমতকে ‘উন্মাদনা’ হিসেবে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে চমস্কির বিরুদ্ধে।   পারিবারিক আর্থিক পরামর্শ: শুধু একাডেমিক নয়, সন্তানদের সম্পদ বণ্টন নিয়েও এপস্টেইনের ওপর অগাধ আস্থা ছিল চমস্কি পরিবারের।   গোপন বৈঠকের আমন্ত্রণ: এপস্টেইনের বিলাসবহুল বাড়িতে থাকার আমন্ত্রণ এবং তাঁদের মধ্যকার ‘গভীর আলোচনার’ চাঞ্চল্যকর তথ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
জেফরি এপস্টেইন
যে ভয়ংকর পরিকল্পনা করেছিলেন এপস্টেইন

বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের গোপন নথিতে এবার বেরিয়ে এলো এক হাড়হিম করা তথ্য। নিজের বীর্য ব্যবহার করে এক বিশেষ ‘সুপার-রেস’ বা উন্নত মানবজাতি তৈরির নীল নকশা এঁকেছিলেন তিনি। তার এই উন্মাদনার কথা শুনে খোদ নিজের আইনজীবীও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন!   এপস্টেইনের পরিকল্পনার মূল পয়েন্টগুলো একনজরে   জোরো র‍্যাঞ্চের রহস্য: নিউ মেক্সিকোর এক বিশাল খামারবাড়িকে কেন্দ্র করে এই অমানবিক প্রজনন প্রকল্পের স্বপ্ন দেখতেন তিনি।   একসঙ্গে ২০ জন নারী: লক্ষ্য ছিল নিজের ডিএনএ ব্যবহার করে একসাথে অন্তত ২০ জন নারীকে গর্ভবতী করা, যাতে পৃথিবীতে তার ‘জিন’ ছড়িয়ে পড়ে।   বিজ্ঞানে বিনিয়োগ: এই অদ্ভুত নেশা পূরণে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিজ্ঞান সংস্থায় কোটি কোটি টাকা অনুদান দিয়েছিলেন এই ধনকুবের।   নাৎসি সংযোগ: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এপস্টেইনের এই চিন্তা মূলত হিটলারের নাৎসি আমলের সেই বিতর্কিত 'ইউজেনিক্স' বা সুপ্রজননবিদ্যারই আধুনিক রূপ।   এপস্টেইনের আইনজীবী অ্যালান ডারশোভিটস এই পরিকল্পনাকে 'ন্যক্কারজনক ও ভয়ংকর' বলে উল্লেখ করেছেন। বিজ্ঞানের আড়ালে এটি কি কেবলই উচ্চাভিলাষ নাকি কোনো বিকৃত মানসিকতার চূড়ান্ত রূপ? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
জেফরি এপস্টেইন ফাইল নিয়ে তোলপাড়
হাজারো নথি সরিয়ে নিল মার্কিন বিচার বিভাগ

জেফরি এপস্টেইন মামলার স্পর্শকাতর হাজার হাজার নথি হঠাৎ করেই নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (DOJ)। কিন্তু কেন এই নাটকীয় পদক্ষেপ? ভুক্তভোগীদের গোপনীয়তা রক্ষা নাকি অন্য কোনো রহস্য?   এই ঘটনার পেছনের মূল কারণগুলো জানলে আপনিও অবাক হবেন:   বিরাট ভুল: গত শুক্রবার প্রকাশিত নথিতে তথ্য গোপন রাখার (Redaction) ক্ষেত্রে বড় ধরনের ত্রুটি ধরা পড়েছে। প্রায় ১০০ জন ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ইমেইল এবং আপত্তিকর ছবিসহ পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।   ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ: পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগীরা এই ঘটনাকে ‘জঘন্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, এটি তাদের পুনরায় ট্রমার মুখে ঠেলে দিয়েছে।   আইনজীবীদের দাবি: প্রখ্যাত আইনজীবী গ্লোরিয়া অলরেড জানিয়েছেন, অনেক নথিতে নামগুলো এমনভাবে কাটা হয়েছে যা খুব সহজেই পড়া যাচ্ছে। এমনকি ভিডিও ও ছবিতেও ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।   বিশাল তথ্যভাণ্ডার: গত বছর নতুন আইন হওয়ার পর ডিওজে এখন পর্যন্ত ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠা, ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও প্রকাশ করেছে। যার একটি বড় অংশ এখন পুনরায় যাচাইয়ের জন্য ব্লক করা হয়েছে।   বিচার বিভাগের বক্তব্য: ডিওজে জানিয়েছে, ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সাময়িকভাবে এই নথিগুলো সরানো হয়েছে। বর্তমানে নতুন করে ‘রিডাকশন’ বা তথ্য গোপনের কাজ চলছে।   এপস্টেইন মামলার এই নতুন মোড় কি সত্য আড়াল করার চেষ্টা নাকি সত্যিই কেবল কারিগরি ভুল? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন
কংগ্রেসের সামনে সাক্ষ্য দিতে রাজি বিল ও হিলারি ক্লিনটন

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইন সংক্রান্ত একটি তদন্তে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের (হাউজ) কমিটির সামনে সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। মঙ্গলবার হাউস ওভারসাইট কমিটির পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত 'কন্টেইম্পট অফ কংগ্রেস' বা কংগ্রেস অবমাননার ভোটের ঠিক আগ মুহূর্তে ক্লিনটন দম্পতি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। এর আগে তারা তদন্ত কমিটির তলবে সাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিলেন, যার ফলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল কমিটি। তদন্ত কমিটির রিপাবলিকান সদস্যরা দীর্ঘ দিন ধরে এপস্টাইনের সাথে ক্লিনটন পরিবারের সম্পর্ক এবং তার দ্বীপে যাতায়াতের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে আসছিলেন। যদিও বিল ক্লিনটন আগে জানিয়েছিলেন যে, তিনি এপস্টাইনের ব্যক্তিগত বিমানে কয়েকবার যাতায়াত করলেও তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে এপস্টাইনের প্রভাব ও তার সাথে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লেনদেনের বিষয়ে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। হিলারি ক্লিনটনও এই তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই সাক্ষ্যদান প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে ক্লিনটন দম্পতির এই সাক্ষ্যদান মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির ও তার মা চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার
এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে এবার আলোচনায় মামদানির মা মীরা নায়ার

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের নতুন ফাইলে এবার নাম এল নিউ ইয়র্কের মেয়র প্রার্থী জোহরান মামদানির মা ও প্রখ্যাত পরিচালক মীরা নায়ারের। ফাঁস হওয়া ইমেইলে মীরা নায়ার ছাড়াও নাম এসেছে বিল ক্লিনটন ও জেফ বেজোসের! কেন গিয়েছিলেন তিনি সেই কুখ্যাত পার্টিতে? জানুন বিস্তারিত।   যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার নতুন নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এই নথিতে এবার নাম উঠে এসেছে নিউ ইয়র্কের মেয়র পদপ্রার্থী জোহরান মামদানির মা ও বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ারের।   সদ্য উন্মুক্ত হওয়া ফাইলে দাবি করা হয়েছে, ২০০৯ সালে এপস্টেইনের সহযোগী গিজলাইন ম্যাক্সওয়েলের ম্যানহাটনের বাসভবনে আয়োজিত একটি পার্টিতে মীরা নায়ার উপস্থিত ছিলেন। মূলত সেই বছর মুক্তি পাওয়া তার পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘অ্যামেলিয়া’র প্রচারণার অংশ হিসেবেই তিনি ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ শুক্রবার যে নতুন দফার নথি প্রকাশ করেছে, তাতে ২০০৯ সালে জনসংযোগকর্মী পেগি সিগালের পাঠানো একটি ইমেইল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০০৯ সালের ২১ অক্টোবর পাঠানো ওই বার্তায় সিগাল উল্লেখ করেন যে, তিনি গিজলাইনের টাউনহাউসে আয়োজিত একটি চলচ্চিত্রের ‘আফটার পার্টি’ থেকে ফিরেছেন। সেই ইমেইলে তিনি স্পষ্ট করে লেখেন যে, অনুষ্ঠানে মীরা নায়ারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসও উপস্থিত ছিলেন।   ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ জানিয়েছেন, এপস্টেইন–সংক্রান্ত সর্বশেষ এই প্রকাশনায় প্রায় ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার নথি, ২ হাজারের বেশি ভিডিও এবং ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে এমন অনেক সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে যা এর আগে ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তার খাতিরে গোপন রাখা হয়েছিল। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে এপস্টেইনের এই নিবিড় যোগাযোগের বিষয়টি নতুন করে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   মীরা নায়ার পরিচালিত ‘অ্যামেলিয়া’ চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছিলেন অস্কারজয়ী হিলারি সোয়াঙ্ক এবং রিচার্ড গিয়ার। এপস্টেইনকাণ্ডে একের পর এক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম আসায় বিশ্ব রাজনীতি ও বিনোদন অঙ্গনে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0