নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ভোট ডাকাতি হলে মির্জা আব্বাসের 'রাজত্ব খানখান' করে দেয়া হবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ভোট ডাকাতি হলে মির্জা আব্বাসের 'রাজত্ব খানখান' করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।   আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি সেখানে বিএনপি'র কর্মী-সমর্থকদের প্রতি আঙুল তুলে বলেন, এনসিপি'র নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে ঢাকার রেলওয়ে কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করে বের হওয়ার পথে তাদের ওপর 'আঘাত' করা হয় এবং সেনাবাহিনীর সামনেই তার 'মাথায় আঘাত' করা হয়।   তিনি বলেন, এরপর সেনাবাহিনীকে তারা অভিযোগ জানালে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে পাঠিয়ে দেয়।   "আমাদের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র আছে দুইটা। রেলওয়ে কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র ও মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্র। সেখানে ভোট ডাকাতির মহোৎসব চলছে। তারা আমাদের গায়ে পড়ে মারামারি করে ঢাকা-৮ আসনের ভোট বানচাল করতে চাচ্ছে," দাবি এই এনসিপি নেতার।   এসময় তিনি মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ করে বলেন, "মির্জা আব্বাস যদি হারার ভয়ে থাকেন, আমি আপনাকে বলবো – খেলায় থাইকেন না। ভোট বানচাল করবেন না। অনেকগুলো মানুষ গণতন্ত্র রক্ষার জন্য জীবন দিয়েছে"।   তিনি এসময় হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, তাদের ওপর আঘাত করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাল্টা আঘাত করার ইচ্ছা ছিল না তাদের। কিন্তু তাদেরকে যদি মারতে আসা হয়, তাহলে এবার উল্টো পক্ষকে মার খেতেও হবে।   "এখন সময় প্রতিরোধের। যদি ঢাকা-৮'এ ভোট ডাকাতি হয়, তাহলে মির্জা আব্বাসের যেই রাজত্ব আছে, আল্লাহ'র কসম করে বলছি, সেই রাজত্ব আমরা খানখান করে দিবো। তছনছ করে দিবো। (নির্বাচনে জয়ী) হই বা না হই, বিএনপি নামক দলটিকে বাংলাদেশ থেকে আমরা নিশ্চিহ্ন করে দিবো"।  

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বাসার ঠিকানা খুঁজলেন যুবদল নেতা নয়ন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বাসার ঠিকানা খুঁজেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নাসীরুদ্দীনের নির্বাচনী বুথে গিয়ে দলীয় কর্মীদের কাছে তার বাসার ঠিকানা জানতে চান তিনি। জানা যায়, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার সময় নয়ন ওই বুথে যান।   এ সময় নয়ন বলেন, “আব্বাস ভাইয়ের সালাম নেবেন। পাটওয়ারীর খবর কী? উনি ছাত্র রাজনীতি করেছেন, আমিও ছাত্র রাজনীতি করে আসছি। এই এলাকাতেই আমার বাসা। পাটওয়ারীর বাসা খুঁজছিলাম তার বাসা কোন দিকে?”   তিনি আরও বলেন, “নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যেহেতু এই এলাকার প্রার্থী, তাই তার বাসার ঠিকানা জানা দরকার। তিনি যদি আমার প্রতিবেশী হন, তাহলে পরিচিত থাকবেন। ভবিষ্যতে কোনো প্রয়োজনে সেবা নিতে তার কাছে যেতে হতে পারে সেজন্যই ঠিকানাটি জানতে চেয়েছি।”

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী
সরকারের একটি মহল নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে ইনকিলাব মঞ্চে হামলা চালিয়েছে: নাসীরুদ্দিন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে সরকারের একটি নির্দিষ্ট মহল ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘জুলাই ঐক্য’ আয়োজিত ‘র‍্যালি ফর বাংলাদেশ’ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।   নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “গতকাল রাজপথে যে অমানবিক ও ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তার দায় সরাসরি এই সরকারকে নিতে হবে। ইনকিলাব মঞ্চের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ যেভাবে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসনের কিছু অতি উৎসাহী লোক সরকারের ইশারায় এই ঘটনা ঘটিয়ে মূলত নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে।” তিনি অবিলম্বে এই হামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান।   কর্মসূচিতে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনি ও গণহত্যাকারীদের ভারতে আশ্রয় লাভ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থায় (আইসিসি) ভারতের একাধিপত্য এবং আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, “আমরা চাই শহীদ হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের (UN) মাধ্যমে হোক। ইনকিলাব মঞ্চ সরকার থেকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা চেয়েছিল, কিন্তু তার বদলে তাদের ওপর বলপ্রয়োগ করা হয়েছে।”   ‘র‍্যালি ফর বাংলাদেশ’ কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিনিধি রিয়াদুস জুবাহ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের, সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের জিএস আব্দুল আলিম আরিফসহ জুলাই ঐক্যের শীর্ষ সংগঠকরা। বক্তারা দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখতে এবং একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতে ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী।
কেন ‘ডার্বি নাসির’ নামে ডাকা হয়, জানালেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাকে নিয়ে করা ‘ডার্বি নাসির’ কটাক্ষের নেপথ্য কারণ খোলাসা করেছেন। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই রহস্য উন্মোচন করেন।   নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের একটি অংশ সুপরিকল্পিতভাবে তাকে এই নামে ডাকতে শুরু করে। নামের উৎস সম্পর্কে তিনি বলেন, এই শব্দটির অবতারণা হয়েছিল মূলত ছাত্রদলের এক কর্মীর মাধ্যমে। নাসীরুদ্দীন বলেন, "একবার ছাত্রদলের এক ভাইকে ডার্বি সিগারেটের প্যাকেটের ভেতরে গাঁজা ভরে খেতে দেখে আমি তাকে বাধা দিয়েছিলাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এসব কি আপনারা বন্ধ করতে পারেন না? সেই ঘটনার জের ধরে তাদের মধ্যে আমার প্রতি তীব্র ক্ষোভ জন্মায়।"   তিনি আরও যোগ করেন, পরবর্তীতে তিনি যখন সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, তখন ওই অংশটি পরিকল্পিতভাবে তাকে বিদ্রূপ করতে ‘ডার্বি’ শব্দটি ব্যবহার করতে শুরু করে। ধীরে ধীরে এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।   উল্লেখ্য, ঢাকা-৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির হেভিওয়েট নেতা মির্জা আব্বাস। নির্বাচনের প্রচারণা যখন তুঙ্গে, তখন নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এমন নেতিবাচক প্রচারণার জবাব দিয়ে সরাসরি জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরলেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি বিরোধীদের অপপ্রচারের জবাব দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা করেছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
গণতন্ত্রকে হত্যা করছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণার মাঠ গরম করে তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও স্থানীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।   নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া আজীবন গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, কিন্তু বর্তমানে তাঁর নাম ব্যবহার করে খোদ তারেক রহমানই গণতন্ত্রকে হত্যা করছেন।” তিনি দাবি করেন, বিএনপির বর্তমান রাজনীতি জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন নয়, বরং ক্ষমতা দখলের এক নতুন কৌশলে রূপ নিয়েছে।   বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লিখিত বিভিন্ন সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিএনপি এখন ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ড দেওয়ার যেসব প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, তা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও ধোঁকাবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। সাধারণ মানুষ এখন সচেতন, এসব সস্তা প্রলোভনে তাঁরা পা দেবেন না।”   বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি ঢাকা-৮ আসনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ও বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মির্জা আব্বাসকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেন। নাসীরুদ্দীন তাঁকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “এই আসনে কোনো সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজের স্থান হবে না। আমরা অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে লড়াই শুরু করেছি, সেখানে কোনো আপস করা হবে না।”   নিজের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, “আমি এই মাটির সন্তান। যদি আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে ঢাকা-৮ আসন হবে সন্ত্রাসমুক্ত ও আধুনিক এক জনপদ। ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও জনকল্যাণে উন্নয়ন কাজ করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।” শাহবাগ ও রমনা এলাকায় তাঁর এই গণসংযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Top week

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আমেরিকা

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0