মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে পোল্যান্ড। এতে পশ্চিমা জোটের ভেতরে সমন্বয় ও কৌশলগত অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিস্লাভ কোসিনিয়াক-কামিশ বলেছেন, তাদের প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে দেশের আকাশসীমা ও ন্যাটোর পূর্ব সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে সেগুলো অন্য অঞ্চলে পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য ইরানি হামলা প্রতিরোধে পোল্যান্ডের কাছে অন্তত দুটি প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা ও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছিল। তবে ওয়ারশ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নিজস্ব নিরাপত্তা বিবেচনায় তারা এ অনুরোধ রাখতে পারছে না। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চললেও ইরান পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল হয়নি। পাল্টা হামলায় মার্কিন ঘাঁটি ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় মিত্রদের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি ন্যাটো জোটের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিন্ন অবস্থান ভবিষ্যতে পশ্চিমা জোটের ঐক্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এরই মধ্যে স্পেনও যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আকাশসীমা ও সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য ইসরায়েলের প্রণীত বিতর্কিত মৃত্যুদণ্ড আইনের কঠোর সমালোচনা ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পোল্যান্ড সরকার। বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দেশটি এই উদ্বেগের কথা জানায় পোলিশ কর্মকর্তারা সাফ জানিয়েছেন যে, তারা যেকোনো পরিস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ডের ঘোর বিরোধী এবং এটি আইনের শাসনের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার জন্যও তারা ইসরায়েলকে অনুরোধ করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কোনো জাতিসত্তার বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলকভাবে এই ধরনের কঠোর দণ্ড প্রয়োগ করা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। পোল্যান্ড মনে করে, এটি ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক ও অমানবিক। নিজেদের ঐতিহাসিক সংবেদনশীলতার কথা উল্লেখ করে পোল্যান্ড ইসরায়েলকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটি মনে করে, আধুনিক সভ্য সমাজে এই দণ্ডের কোনো স্থান থাকতে পারে না। উল্লেখ্য যে, গত সোমবার রাতে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে এই বিতর্কিত আইনটি ৬২-৪৮ ভোটে পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজেও এই অমানবিক আইনের পক্ষে তার সমর্থন ব্যক্ত করে ভোট দিয়েছেন। নতুন এই আইন অনুযায়ী, ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষের নিয়োগকৃত রক্ষীদের মাধ্যমে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। যারা এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন, তারা আইনি দায়মুক্তি এবং পরিচয় গোপন রাখার বিশেষ সুবিধা পাবেন। এই আইনের প্রতিবাদে রামাল্লাসহ ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ ফিলিস্তিনিরা মনে করছেন, এটি তাদের রাজনৈতিক বন্দিদের দমানোর এবং আন্দোলন নস্যাৎ করার একটি নতুন হাতিয়ার মাত্র। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত অমানবিক ও পশ্চাদপদ বলে অভিহিত করেছে। তারা মনে করছে, এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোও পোল্যান্ডের এই অবস্থানের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ড ইতোমধ্যে তাদের গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পরিচিত ইসরায়েলের এমন সিদ্ধান্ত তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে চরম সংকটের মুখে ফেলবে। বিশেষ করে পশ্চিমা মিত্রদের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধির এই আশঙ্কা এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অনেক দেশই মনে করছে, প্রতিশোধমূলক এই আইন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে একটি বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। ইসরায়েল সরকার দাবি করেছে যে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং চরমপন্থা রুখতে এই কঠোর আইনের কোনো বিকল্প নেই। তবে এই যুক্তি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে না। পোল্যান্ডের এই সরাসরি কূটনৈতিক হস্তক্ষেপকে অনেক বিশেষজ্ঞ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা আশা করছেন, এর ফলে ইউরোপের অন্যান্য প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোও সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হতে উৎসাহিত হবে। গাজা ও পশ্চিম তীরে চলমান চরম অস্থিরতার মধ্যে এমন একটি স্পর্শকাতর আইন পাস করার সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এটি সংঘাতের আগুনে নতুন করে ঘি ঢালার মতো কাজ করবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন। পরিশেষে, পোল্যান্ডের এই কঠোর বার্তাটি ইসরায়েলের জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা যে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করলে তারা মিত্রদের সমর্থন হারাবে। এখন দেখার বিষয়, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নেসেট তাদের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কি না।
পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক জোটে যোগ দিচ্ছে না জার্মানি ও পোল্যান্ড। ইরান ইস্যুতে সৃষ্ট উত্তেজনার মাঝে পোলিশ প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই যুদ্ধে তার দেশ কোনো ধরনের সেনা মোতায়েন করবে না। সরকারি এক বৈঠকের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে টাস্ক জানান, ইরান সীমান্তে কোনো অভিযানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা পোল্যান্ডের নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পোল্যান্ডের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মিত্র দেশগুলোর মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা সন্দেহের অবকাশ নেই। পোল্যান্ড বর্তমানে ইউক্রেন সীমান্তের যুদ্ধ পরিস্থিতির দিকেই বেশি মনোযোগী। টাস্ক উল্লেখ করেন, পোল্যান্ডের স্থল, বিমান ও নৌবাহিনী বর্তমানে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে কাজ করছে। তাই দূরবর্তী কোনো সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার চেয়ে নিজেদের আঞ্চলিক নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ওয়ারশ। অন্যদিকে, জার্মান চ্যান্সেলরও একই সুরে কথা বলেছেন। তার মতে, চলমান এই যুদ্ধ পরিস্থিতির কোনো সামরিক সমাধান নেই। বরং আলোচনার মাধ্যমেই স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা জরুরি।
ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতে পোল্যান্ড কোনো ধরনের সামরিক অংশগ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে মিত্রদের নিয়ে জোট গঠনের আহ্বান জানানোর পরই এ অবস্থান স্পষ্ট করে ওয়ারশ। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড তুস্ক জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে পোল্যান্ড কোনো সৈন্য পাঠাবে না। তিনি বলেন, ইরানে কোনো অভিযানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা তাদের নেই এবং এ বিষয়ে মিত্রদের মধ্যেও কোনো বিভ্রান্তি নেই। সরকারি এক বৈঠকের আগে তুস্ক আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তের আওতায় পোল্যান্ডের স্থল, বিমান ও নৌবাহিনী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে ইউক্রেন সীমান্ত সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এসব বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার কাজ চলছে। এদিকে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের সহায়তা চাইছে।
ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় দেশটিতে অবস্থানরত পোল্যান্ডের নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যেতে পারে এবং যেকোনো সময় নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে নতুন করে ইরানে ভ্রমণ না করারও কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানায়, বৃহস্পতিবার ওয়ারশর কাছে জিয়েলোনকা শহরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ডোনাল্ড টাস্ক এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘দয়া করে অবিলম্বে ইরান ত্যাগ করুন এবং কোনো পরিস্থিতিতেই এই দেশে ভ্রমণ করবেন না।’ সংঘাতের আশঙ্কাকে বাস্তব উল্লেখ করে তিনি জানান, নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ খুব দ্রুত সীমিত হয়ে যেতে পারে। ডোনাল্ড টাস্ক আরও বলেন, কয়েক ঘণ্টা বা স্বল্প সময়ের মধ্যেই মানুষকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তাই এ সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানান তিনি। অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের আহ্বান উপেক্ষা করলে গুরুতর পরিণতি হতে পারে। বর্তমানে ইরানে কতজন পোলিশ নাগরিক অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি পোল্যান্ড সরকার। এ বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনা দেবে পোলিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন সূত্র ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চললেও ওয়াশিংটন ও তেলআবিব ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিকভাবে মুখোমুখি অবস্থানের দিকে এগোচ্ছে। গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র স্বল্প সময়ের জন্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews