পরিকল্পনা

জোহরান কোয়ামে মামদানি। ছবি:সংগৃহীত
ধনীদের বাড়িতে কর বসাতে বাধা , মামদানির পরিকল্পনা আটকাল আদালতে

নিউইয়র্ক সিটির বিলাসবহুল সেকেন্ড হোমের ওপর নতুন পিয়েদ-আ-তের ট্যাক্স কার্যকরের প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে আটকে দিয়েছেন স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের এক বিচারক। নিজেদের প্রাইমারি রেসিডেন্সকেও ভুলভাবে এই ট্যাক্সের আওতাভুক্ত করা হয়েছে অভিযোগ করে কয়েকজন বাড়ির মালিক মামলা করার পর আদালত এ আদেশ দেন।   রিচমন্ড কাউন্টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ওয়েন ওজি সোমবার একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আদালতের নির্দেশে নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব ফাইন্যান্সকে প্রায় ৯ লাখ ৬০ হাজার আবাসিক প্রপার্টির একটি প্রকাশিত তালিকা সরিয়ে নিতে বলা হয়। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে পাঠানো নোটিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতেও সাময়িকভাবে বাধা দেওয়া হয়।   তবে এই আদেশের পর নিউইয়র্ক সিটি আপিল করেছে। আপিলের কারণে বিচারকের অস্থায়ী আদেশের কার্যকারিতা আপাতত স্থগিত হয়েছে। মামলার পরবর্তী হিয়ারিং নির্ধারিত রয়েছে ৩১ আগস্ট। ফলে নতুন ট্যাক্সের বাস্তবায়ন নিয়ে আইনি লড়াই এখনো শেষ হয়নি।   মূল বিরোধ ট্যাক্সটি বৈধ কি না, তা নিয়ে নয়। মামলাকারীদের আপত্তির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ট্যাক্স কার্যকরের পদ্ধতি। তাদের অভিযোগ, কোন বাড়ি প্রকৃতপক্ষে সেকেন্ড হোম তা আগে নিশ্চিত করার বদলে সিটি কর্তৃপক্ষ বিপুলসংখ্যক প্রপার্টিকে সম্ভাব্য তালিকায় রেখেছে এবং অনেক মালিকের ওপর নিজেদের বাড়ি প্রাইমারি রেসিডেন্স প্রমাণ করার দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছে।   নিউইয়র্ক সিটির নতুন পিয়েদ-আ-তের ট্যাক্স মূলত এমন উচ্চমূল্যের আবাসিক প্রপার্টির জন্য, যেগুলো মালিকের প্রধান বাসস্থান নয়। চলতি বছরের শুরুতে মেয়র জোহরান মামদানি ও গভর্নর ক্যাথি হোকুল এই উদ্যোগ সামনে আনেন। তাদের লক্ষ্য ছিল বিলাসবহুল সেকেন্ড হোম থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব সংগ্রহ করে নিউইয়র্ক সিটির বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় সহায়তা করা।   প্রাথমিক প্রস্তাবে ৫০ লাখ ডলার বা তার বেশি মূল্যের বিলাসবহুল সেকেন্ড হোমকে লক্ষ্য করার কথা বলা হলেও পরে অনুমোদিত কাঠামোয় প্রপার্টির ধরন অনুযায়ী মূল্যসীমা নির্ধারণ করা হয়। এক থেকে তিন পরিবারের বাড়ির ক্ষেত্রে ৫০ লাখ ডলার বা তার বেশি মূল্য এবং কন্ডো ও কো-অপের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ১০ লাখ ডলার থেকে ট্যাক্সের আওতায় আসার সুযোগ রাখা হয়েছে।   কিন্তু বাস্তবায়নের শুরুতেই বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়। প্রায় ৯ লাখ ৬০ হাজার প্রপার্টির তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি প্রায় ১৭ হাজার বাড়ির মালিককে নোটিশ পাঠানো হয়। এর মধ্যে এমন অনেক মালিক রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, যারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতেই নিয়মিত বসবাস করেন এবং সেটিই তাদের প্রাইমারি রেসিডেন্স।   মামলাটি করেছেন র‍্যাচেল ও’ব্রায়েন, কারমাইন মোরানো ও সাইমন হেডলি। তাদের দাবি, সিটির পদ্ধতির কারণে প্রকৃত নিউইয়র্কবাসীকেও অপ্রয়োজনীয়ভাবে নিজেদের বসবাসের প্রমাণ দিতে হচ্ছে। মামলায় তারা ট্যাক্সের মূল উদ্দেশ্যের পরিবর্তে এটি বাস্তবায়নে ডিপার্টমেন্ট অব ফাইন্যান্সের ব্যবহৃত প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করেছেন।   মামদানি প্রশাসনের যুক্তি, নিউইয়র্কে উচ্চমূল্যের সেকেন্ড হোম থাকা ধনী ও শহরের বাইরে বসবাসকারী মালিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব সংগ্রহ করা হলে সাধারণ নিউইয়র্কবাসীর ওপর নতুন চাপ না দিয়েই গুরুত্বপূর্ণ সিটি সার্ভিসে অর্থায়ন সম্ভব হবে। মেয়র ও গভর্নর উদ্যোগটি ঘোষণার সময় বছরে প্রায় ৫০ কোটি ডলার রাজস্ব আসতে পারে বলে ধারণা দিয়েছিলেন।   তবে নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রোলারের অফিসের পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, ট্যাক্সটির নকশা ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রকৃত রাজস্ব নির্ভর করবে। তাদের হিসাবে বছরে সর্বোচ্চ প্রায় ৫১ কোটি ডলার সংগ্রহ সম্ভব হলেও বিভিন্ন অনিশ্চয়তার কারণে তা ৩৪ কোটি থেকে ৩৮ কোটি ডলারের মধ্যেও নেমে আসতে পারে।   এখন আদালতের সামনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, সিটি কর্তৃপক্ষ ট্যাক্সের আওতাভুক্ত প্রপার্টি চিহ্নিত করতে আইনসম্মত ও যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করেছে কি না। ৩১ আগস্টের পরবর্তী কোর্ট হিয়ারিংয়ে এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট দিকনির্দেশনা আসতে পারে। তার আগে মামদানি প্রশাসনের বহুল আলোচিত এই নতুন ট্যাক্সের বাস্তবায়ন ঘিরে আইনি অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকছে।

সিদ্দিকুর রহমান আগস্ট ১১, ২০২৬ ১৪:০
ভারতে সরকারিভাবে গোমূত্র সংগ্রহ ।ছবি:সংগৃহীত
ভারতে সরকারিভাবে গোমূত্র সংগ্রহ শুরু, লিটারপ্রতি ২০ রুপি দেয়ার পরিকল্পনা

ভারতের উত্তর প্রদেশে কৃষকদের কাছ থেকে গোমূত্র সংগ্রহের পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু হয়েছে। রাজ্যের বুলন্দশহরের ১৫টি গ্রামে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে প্রতি লিটার গোমূত্র সর্বোচ্চ ২০ রুপি দরে কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে কৃষকদের পাশাপাশি গোমূত্র সংগ্রহে যুক্ত গ্রামীণ নারীদেরও বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরির কথা বলা হচ্ছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের উদ্যোগে প্রকল্পটি পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য গরু পালনকে আরও লাভজনক করা এবং দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া গরু পালনে কৃষকদের আর্থিক উৎসাহ তৈরি করা।   বুলন্দশহরের সায়ানা তহসিলের নরসাইনা গ্রামকে কেন্দ্র করে একটি কৃষক উৎপাদক সংগঠনের মাধ্যমে গোমূত্র সংগ্রহের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় থাকা ১৫টি গ্রাম থেকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ লিটার গোমূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি লিটার গোমূত্র ২০ রুপি পর্যন্ত দামে কেনা হতে পারে। সংগ্রহ করা গোমূত্র সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলোতে ২০০ লিটার ধারণক্ষমতার ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে।   প্রকল্পটিতে স্থানীয় নারীদেরও যুক্ত করা হয়েছে। গ্রামে গোমূত্র সংগ্রহে সহায়তাকারী নারীরা প্রতি লিটারের জন্য ২ রুপি কমিশন পাচ্ছেন। প্রায় ৩০০ নারী এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং তাদের প্রকল্পের শেয়ারহোল্ডার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংগৃহীত গোমূত্র কৃষিকাজে ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন পণ্য তৈরির কাঁচামাল হিসেবে কাজে লাগানো হবে। রাসায়নিকনির্ভর কৃষি উপকরণের কিছু বিকল্প তৈরির সম্ভাবনাও এই প্রকল্পের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।   উত্তর প্রদেশ সরকারের প্রত্যাশা, গরু দুধ দেওয়া বন্ধ করার পরও যদি গোমূত্র বিক্রি করে কৃষকরা আয় করতে পারেন, তাহলে ওই গরুগুলো পালন চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের আর্থিক প্রণোদনা তৈরি হবে। রাজ্যটিতে পরিত্যক্ত ও ভবঘুরে গবাদিপশুর সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই একটি আলোচিত বিষয়।   পরীক্ষামূলক প্রকল্পের ফলাফল ইতিবাচক হলে গোমূত্র সংগ্রহ ও কেনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নীতিমালা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর বুলন্দশহরের বাইরে উত্তর প্রদেশের অন্যান্য এলাকাতেও এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হতে পারে।   তবে প্রকল্পটি নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। উত্তর প্রদেশের প্রধান বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি উদ্যোগটিকে ‘কেলেঙ্কারি’ বলে আখ্যা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, উন্নয়নের নামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ তৈরি করতেই এমন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।   সমাজবাদী পার্টির মুখপাত্র মোহাম্মদ আজম খান প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। রাজ্যের গোশালা এবং সেখানে থাকা গরুগুলোর পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবে কোনো উন্নয়ন আনবে না।   বিরোধীদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটির মুখপাত্র হিরো বাজপাই বলেছেন, রাজ্য সরকার কোনো উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নিলেই সমাজবাদী পার্টি তাতে ত্রুটি খোঁজে। প্রকল্পটির মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী আর্থিকভাবে উপকৃত হতে পারে বলেও দাবি করেছেন তিনি।   তবে প্রকল্পটি নিয়ে রাজনৈতিক পক্ষগুলোর এসব বক্তব্য তাদের নিজস্ব দাবি। পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এর অর্থনৈতিক কার্যকারিতা, কৃষকদের আয় এবং সংগৃহীত গোমূত্রের বাণিজ্যিক ব্যবহার কতটা সফল হয়, তার ওপরই রাজ্যজুড়ে প্রকল্পটি সম্প্রসারণের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে।

সিদ্দিকুর রহমান আগস্ট ১১, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

ছোট ভাইকে বুকে জড়িয়ে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছিল শিশুকন্যা, পরে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

জঙ্গলে ফেলে যাওয়া দুই ভাইবোনকে উদ্ধার, ছোট ভাইকে বাঁচাতে সারা রাত বুকে আগলে রাখল বোন

মোহাম্মদ ইব্রাহিম আগস্ট ১০, ২০২৬ ১৪:০