বাংলাদেশি আমেরিকান

কোলাজ: আমেরিকা বাংলা
প্রবাসে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল, আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলে মেধা তালিকায় ৪ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীরা। চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকার সেরা দশে স্থান করে নিয়েছেন চারজন বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থী। তাদের এ কৃতিত্বে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।   ঐতিহাসিক জিম হুইলান বোর্ডওয়াক হলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলের গ্র্যাজুয়েশন (সমাবর্তন) অনুষ্ঠান। চার বছরের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের সফল সমাপ্তি উদযাপনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের উপস্থিতিতে মিলনায়তন মুখর হয়ে ওঠে।   গাউন পরিহিত শিক্ষার্থীরা দুপুর থেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন। অনুষ্ঠান শুরর পর মেধাবী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হলে করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন।   এবারের মেধা তালিকার শীর্ষ দশে স্থান পাওয়া চার বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থী হলেন— আলফি নাশিয়া (দ্বিতীয়), সুমাইয়া তাবাসুম (চতুর্থ), শ্রেয়ন চৌধুরী (সপ্তম) এবং রাহাত রহমান (নবম)।   প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক সাফল্যের অংশ হিসেবে এই অর্জনকে বিশেষভাবে দেখছেন কমিউনিটির নেতারা। তারা মনে করেন, নতুন প্রজন্মের এ ধরনের কৃতিত্ব বাংলাদেশি-আমেরিকানদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।   আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলের অধ্যক্ষ ড. কনস্ট্যান্স ডেইস চ্যাপম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটলান্টিক সিটির মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র, স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট ড. লা কোয়েটা স্মল এবং সিটি কাউন্সিলের সদস্যরা। এ ছাড়া বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে স্কুল বোর্ডের সদস্য সুব্রত চৌধুরী ও ফরহাদ সিদ্দিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও উৎসাহ প্রদান করেন।   যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে শিক্ষার্থীরা বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে নিজ নিজ আসনে বসেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে তারা মঞ্চে উঠে ডিপ্লোমার প্রতীকী কপি গ্রহণ করেন এবং জীবনের নতুন অধ্যায়ে পদার্পণের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করেন। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীদের এই উল্লেখযোগ্য সাফল্য প্রমাণ করে যে, শিক্ষা ও মেধার প্রতিযোগিতায় তারা ধারাবাহিকভাবে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

তাবাস্সুম জুন ২৫, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
মাত্র ১৩ ভোটে হার শামসুল হকের, নিউইয়র্ক প্রাইমারিতে জিতলেন না কোনো বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থী

নিউইয়র্ক স্টেটের বহুল আলোচিত ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থীদের কেউই জয়লাভ করতে পারেননি। মঙ্গলবার (২৪ জুন) অনুষ্ঠিত ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশিত অনানুষ্ঠানিক ফলে কয়েকটি আসনে তারা উল্লেখযোগ্য ভোট পেলেও শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের মুখ দেখেন।   সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে স্টেট অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-৩০ আসনে। সেখানে সাবেক এনওয়াইপিডি ডিটেকটিভ ও বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটি নেতা শামসুল হক মাত্র ১৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মার্টিনেজ পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৩ ভোট, আর শামসুল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৬৯০ ভোট। মোট ৬ হাজার ৩৩৬ ভোটের এই নির্বাচনে অল্প ব্যবধানের পরাজয় বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ভোটের ব্যবধান অত্যন্ত কম হওয়ায় শামসুল হকের পক্ষ থেকে পুনর্গণনার আবেদন করা হতে পারে। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছেন।   অন্যদিকে, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-৩৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মেরি জোবাইদা পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬৮ ভোট। ওই আসনে বিজয়ী হয়েছেন ডায়ানা মোরেনো, যিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ৫১ ভোট। মেরি জোবাইদা ছিলেন এবারের প্রাইমারিতে অংশ নেওয়া একমাত্র বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী প্রার্থী। এর আগেও তিনি একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানি স্টেট অ্যাসেম্বলি ছেড়ে মেয়র নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনেও তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে এবারও জয় তার নাগালের বাইরে থেকে যায়। ডিস্ট্রিক্ট-৩৭ আসনে পিয়া রহমান পেয়েছেন ১ হাজার ৮২৭ ভোট। সেখানে বিজয়ী সামান্থা কাটান পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৩৬ ভোট।   ডিস্ট্রিক্ট-৩২ আসনে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ মোল্লা (সানি) পেয়েছেন ৭৫৫ ভোট। ওই আসনে বিজয়ী নাথানিয়েল হেজেকিয়াহ পেয়েছেন ৩ হাজার ৬১৭ ভোট। প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েও তার প্রচারণা স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে উল্লেখযোগ্য আলোচনা সৃষ্টি করেছিল।   ব্রঙ্কসের ডিস্ট্রিক্ট-৮৭ আসনে প্রথমবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সিপিএ জাকির চৌধুরী পেয়েছেন ১ হাজার ৬০৯ ভোট। ওই আসনে বিজয়ী হয়েছেন কারিনেস রেয়েস, যিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ১০০ ভোট। এবারের নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের জনসংখ্যা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামাজিক প্রভাব গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও মূলধারার রাজনীতিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব এখনও সীমিত।   নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ করে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক নির্বাচনী এলাকায় জয়লাভ করতে হলে শুধু নিজস্ব কমিউনিটির সমর্থন যথেষ্ট নয়। আফ্রিকান-আমেরিকান, লাতিনো, শ্বেতাঙ্গ, এশীয় এবং তরুণ ভোটারদের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে হয়। সেই বাস্তবতায় বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থীদের সামনে এখনও রাজনৈতিক ভিত্তি আরও বিস্তৃত করার চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।   তবে প্রার্থীদের অংশগ্রহণ এবং কয়েকটি আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবেই দেখছেন কমিউনিটির অনেকে। তাদের মতে, পরাজয় সত্ত্বেও এই নির্বাচন নিউইয়র্কের মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান করেছে।

তাবাস্সুম জুন ২৪, ২০২৬ ১৪:০
আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা । ছবি: সংগৃহীত
চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকায় চার বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থী

নিউজার্সির আটলান্টিক সিটিতে অবস্থিত আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের ২০২৬ সালের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের ব্যাচে চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার শিক্ষার্থী মেধা তালিকায় স্থান অর্জন করে কমিউনিটির জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন।   মঙ্গলবার ঐতিহাসিক জিম হুইলান বোর্ডওয়াকে আয়োজিত গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং অতিথিদের উপস্থিতিতে মিলনায়তন মুখর হয়ে ওঠে। চার বছরের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের পর শিক্ষার্থীদের মুখে ফুটে ওঠে সাফল্যের আনন্দ।   অনুষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হলে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন। পূর্ববর্তী বছরগুলোর মতো এবারও বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।   স্কুলের মেধা তালিকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরফিন আশিয়া দ্বিতীয়, সুমাইয়া তাসসুম চতুর্থ, সেন চৌধুরী সপ্তম এবং রাহাত রহমান নবম স্থান অর্জন করেন।   অনুষ্ঠানের সূচনা হয় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। পরে শিক্ষার্থীরা শোভাযাত্রাসহ নির্ধারিত আসনে বসেন এবং পর্যায়ক্রমে মঞ্চে উঠে ডিপ্লোমার প্রতীকী কপি গ্রহণ করেন।   অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. কনস্ট্যান্ট। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটলান্টিক সিটির মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র, স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট ড. স্মল, স্কুল বোর্ডের সদস্যবৃন্দ এবং সিটি কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা।   শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে শুধু অভিভাবকরাই নয়, পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অভিভাবকরা বলেন, বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের এই অর্জন প্রমাণ করে যে অধ্যবসায়, পরিশ্রম এবং সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।   কমিউনিটির নেতারা মনে করেন, এই কৃতিত্ব শুধু সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর নয়, বরং পুরো প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজের গর্ব। তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে তারা উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত জীবনে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।

Unknown জুন ২৪, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের বাংলাদেশি-আমেরিকান রিয়েল এস্টেট সংগঠন আবার্নির নতুন নেতৃত্বে সাব্বির

নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলাদেশি-আমেরিকান রিয়েল এস্টেট পেশাজীবীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি আমেরিকান রিয়েলটরস অব নিউইয়র্ক (আবার্নি)-এর ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে।   সংগঠনের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের ভোটে নতুন কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাব্বির আহমেদ। সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাদির খান, সম্পাদক ইমরান ভূঁইয়া এবং কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাজনীন মির্জা।   নবনির্বাচিত বোর্ড অব ডিরেক্টরস হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কাজী হোসেন, কবির মুন্সী, হাসান ইমাম এবং তৌহিদুল ইসলাম।   সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের শেষ দিকে আবার্নির বার্ষিক ইনস্টলেশন ও অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির আনুষ্ঠানিক অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে।   এদিকে সদস্যদের আবেদন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৌহিদুল ইসলামকে পরিচালক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। পরিচালক পদে আগ্রহ প্রকাশকারী সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।   সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোহাম্মদ কবির, সাকিল আহমেদ এবং বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ রহমান নতুন নেতৃত্বকে দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে নির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন।   এক বিবৃতিতে বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ রহমান নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে সংগঠন আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।  সদস্যদের পেশাগত উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং কমিউনিটি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নতুন কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।   তিনি সংগঠনের সদস্য, শুভানুধ্যায়ী এবং কমিউনিটির সবাইকে নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানাতে এবং তাদের সফলতার জন্য সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।   মোহাম্মদ রহমান বলেন, সবাই মিলে পেশাকে আরও শক্তিশালী করা, সদস্যদের উন্নয়নে কাজ করা এবং কমিউনিটির সেবা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যেই সংগঠন এগিয়ে যাবে।

তাবাস্সুম জুন ১০, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: নিউইয়র্ক পুলিশে তিন বাংলাদেশি কর্মকর্তা
নিউইয়র্ক পুলিশে আবারও বাংলাদেশিদের সাফল্য, তিন কর্মকর্তা পেলেন পদোন্নতি

নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) সদরদপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিন বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ সদস্য পদোন্নতি লাভ করেছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।   গত ২৮ মে এনওয়াইপিডির সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মকর্তার হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের কমিশনার জেসিকা টিশ।   পদোন্নতি পাওয়া বাংলাদেশি-আমেরিকান কর্মকর্তারা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা তান্নি চন্দা, যিনি সার্জেন্ট পদে উন্নীত হয়েছেন। এছাড়া পুলিশ কর্মকর্তা সাফায়েত জামিল এবং পুলিশ কর্মকর্তা আশফাকুর রহমান ডিটেকটিভ পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এই পদোন্নতির মাধ্যমে তিনজনই তাদের দায়িত্বের নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করলেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।   এই অর্জনে বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি ক্যাপ্টেন একেএম আলম, সহ-সভাপতি সার্জেন্ট ডিটেকটিভ স্কোয়াড এরশাদুর সিদ্দিক এবং সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার এক যৌথ শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, এটি ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সমগ্র বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির জন্য গর্বের বিষয়।   বাপার গণমাধ্যম সমন্বয়কারী সার্জেন্ট জসিম মিয়া বলেন, কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পদোন্নতি এসেছে। এই অর্জন আগামী প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকান তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।   প্রবাসী কমিউনিটির নেতারা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ ও সাফল্য মূলধারার সমাজে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও সুদৃঢ় করছে।   উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও পেশাদার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পরিচিত। সেখানে বহু বাংলাদেশি-আমেরিকান সদস্য কর্মরত রয়েছেন, যারা নিজ নিজ দায়িত্বে দক্ষতা ও সেবার মাধ্যমে নিয়মিতভাবে স্বীকৃতি অর্জন করছেন।

ইসতিয়াক আহমেদ জুন ৭, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনে শীর্ষে মেক্সিকো, বাংলাদেশিদের অবস্থান কোথায়

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অভিবাসী গন্তব্য হিসেবে বহু বছর ধরেই শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। উন্নত জীবনযাত্রা, উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কোটি কোটি মানুষ দেশটিতে স্থায়ী কিংবা অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশে জন্ম নেওয়া মানুষের সংখ্যা ৪ কোটিরও বেশি, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ।   মার্কিন সেনসাস ব্যুরো, পিউ রিসার্চ সেন্টার এবং অভিবাসনবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী এসেছে মেক্সিকো থেকে। কয়েক দশক ধরেই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের প্রধান উৎস হিসেবে রয়েছে। অর্থনৈতিক সুযোগ, কর্মসংস্থান, পারিবারিক পুনর্মিলন এবং ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে লাখো মেক্সিকান নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হয়েছেন।   গবেষকদের মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এক কোটিরও বেশি মেক্সিকান বংশোদ্ভূত অভিবাসী বসবাস করছেন। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, অ্যারিজোনা ও ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে তাদের বড় কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। কৃষি, নির্মাণ, পরিবহন, সেবা ও ব্যবসাখাতে মেক্সিকান অভিবাসীদের বড় অবদান রয়েছে।   মেক্সিকোর পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। গত দুই দশকে ভারতীয় অভিবাসীদের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, চিকিৎসা, প্রকৌশল ও গবেষণাখাতে দক্ষ ভারতীয় পেশাজীবীদের বড় অংশ এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করছেন। বর্তমানে ভারতীয়-আমেরিকানরা দেশটির অন্যতম উচ্চশিক্ষিত ও উচ্চ আয়ের অভিবাসী জনগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।   তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন। উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তি, ব্যবসা ও গবেষণাখাতে চীনা নাগরিকদের উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই উল্লেখযোগ্য। নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসে শক্তিশালী চীনা কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। এছাড়া ফিলিপাইন, এল সালভাদর, ভিয়েতনাম, কিউবা, ডোমিনিকান রিপাবলিক, গুয়াতেমালা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরাও যুক্তরাষ্ট্রে বড় অভিবাসী জনগোষ্ঠী তৈরি করেছেন।   অভিবাসন গবেষকদের মতে, গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের ধরণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে মূলত লাতিন আমেরিকার দেশগুলো থেকে বেশি মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাতেন, এখন সেখানে এশিয়ার দেশগুলোর দক্ষ কর্মী, শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তাদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি এবং উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীর চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ভারত, চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নাগরিকরা বেশি সুযোগ পাচ্ছেন।   এই পরিবর্তনের ধারায় বাংলাদেশিদের উপস্থিতিও ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণা ও অভিবাসনভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ থেকে তিন লাখের মধ্যে। সংখ্যার হিসেবে বাংলাদেশ সাধারণত বিশ্বের শীর্ষ ২৫ থেকে ৩০টি অভিবাসী উৎস দেশের মধ্যে অবস্থান করে।   যদিও মেক্সিকো, ভারত বা চীনের তুলনায় বাংলাদেশি কমিউনিটির আকার এখনো তুলনামূলক ছোট, তবে গত এক দশকে তাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, মিশিগান, টেক্সাস, ফ্লোরিডা ও জর্জিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশিদের বসবাস দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।   বিশেষ করে নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিন, কুইন্স ও ব্রঙ্কসে বড় বাংলাদেশি কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। ছোট ব্যবসা, রেস্টুরেন্ট, পরিবহন, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা খাতে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানরা স্থানীয় রাজনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।   বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চশিক্ষিত তরুণ পেশাজীবী এবং উদ্যোক্তাদের কারণে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানও ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে। পরিবারভিত্তিক অভিবাসন, শিক্ষাভিসা, কর্মভিসা এবং বৈচিত্র্য ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবছর নতুন বাংলাদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন।   অভিবাসন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং কঠোর নীতির আলোচনা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র এখনো বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় অভিবাসী গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষ কর্মী, শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তাদের জন্য দেশটিতে নতুন সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভবিষ্যতেও বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

তাবাস্সুম মে ২৪, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Top week

ফিলাডেলফিয়ায় গুলিতে নিহত বাংলাদেশি প্রবাসী মাহফুজুল হক | ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় ডোরড্যাশে খাবার পৌঁছে দিতে গিয়ে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি মাহফুজুল হক

তাবাস্সুম জুলাই ৭, ২০২৬ ১৪:০