হাতে প্রচারপত্র, সঙ্গে কয়েকজন কর্মী। কখনও পায়ে হেঁটে, কখনও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চড়ে হাট-বাজার, গ্রাম আর চা-বাগান ঘুরে ঘুরে ভোট চাইছেন সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী। যিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার একমাত্র নারী প্রার্থী। রাজনীতির চিরচেনা ছবির বাইরে দাঁড়িয়ে তার এই পথচলা হয়ে উঠেছে সাহস ও দৃঢ়তার এক আলাদা গল্প। মৌলভীবাজারের রাজনীতির মাঠে সাদিয়া নোশিনের উপস্থিতি অনেকটাই ব্যতিক্রমী। মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া উপজেলা) আসনে বাসদ (মার্ক্সবাদী) মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে তিনি ‘কাঁচি’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার লস্করপুর এলাকায়। স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনি প্রচারে বড় শোডাউন বা ব্যয়বহুল আয়োজনের বদলে সাধারণ মানুষের কাছেই যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন সাদিয়া নোশিন। চায়ের দোকান, হাটের আড্ডা কিংবা চা-বাগানের শ্রমিক লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি কথা বলছেন মানুষের দৈনন্দিন সংকট, ন্যায্য অধিকার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে। জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজারের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে সাদিয়া নোশিনই একমাত্র নারী প্রার্থী। মৌলভীবাজার-২ আসনে তিনি ছাড়াও আরও সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বিএনপির শওকতুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মো. সায়েদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াব আলী আব্বাস খান, ফজলুল হক খান, জাতীয় পার্টির আবদুল মালিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল কুদ্দুস এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এম জিমিউর রহমান চৌধুরী। সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী জানান, এমসি কলেজে পড়াশোনার সময় থেকেই তার রাজনৈতিক পথচলার শুরু। সে সময় তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। বাসদের ছাত্রসংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের এমসি কলেজ শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তিনি সিলেট নগর শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। পড়াশোনা শেষ হলে ছাত্ররাজনীতি থেকে সরে এসে তিনি মূল রাজনৈতিক সংগঠনে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর কেন্দ্রীয় নারী সংগঠনের দফতর সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। প্রচারণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সাদিয়া নোশিন জানান, তিনি বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচারপত্র বিতরণ করছেন এবং প্রতিদিন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। অনেকেই তাকে সাহস জোগান। তিনি বলেন, অনেকে বলেন, মেয়ে হয়ে সাহস করে দাঁড়ানোই বড় কথা। এসব কথা থেকেই আমি শক্তি ও সাহস পাই। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে এই প্রার্থী বলেন, চা-শ্রমিক, খাসিয়া ও গারো জনগোষ্ঠী দেশের নাগরিক হয়েও এখনও ভূমির মালিকানার অধিকার থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে এই জনগোষ্ঠীগুলো নানাভাবে অবহেলার শিকার হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভবন থাকলেও চিকিৎসক ও পরীক্ষার যন্ত্রপাতির সংকটে মানুষ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না। অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ভেঙে পড়েছে, আর রেলযোগাযোগেও অব্যবস্থাপনায় স্টেশন ও লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। নারী উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সাদিয়া নোশিন বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই নারী। এই জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে কোনো টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। চা-শ্রমিকদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নারীর অধিকার ও উন্নয়ন। এই দাবিগুলোকে সামনে রেখেই তারা রাজনীতির মাঠে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানান, জয়-পরাজয় বড় বিষয় নয়, মানুষের দাবি তুলে ধরাই তাদের মূল লক্ষ্য। কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তার এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচারণা ইতোমধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক ভোটারের কাছে সাদিয়া নোশিন হয়ে উঠছেন ভিন্ন ধারার রাজনীতির এক প্রতীক। যেখানে ক্ষমতার নয়, অগ্রাধিকার পায় মানুষের কথা।
হাতে প্রচারপত্র, সঙ্গে কয়েকজন কর্মী। কখনও পায়ে হেঁটে, কখনও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চড়ে হাট-বাজার, গ্রাম আর চা-বাগান ঘুরে ঘুরে ভোট চাইছেন সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী। যিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার একমাত্র নারী প্রার্থী। রাজনীতির চিরচেনা ছবির বাইরে দাঁড়িয়ে তার এই পথচলা হয়ে উঠেছে সাহস ও দৃঢ়তার এক আলাদা গল্প। মৌলভীবাজারের রাজনীতির মাঠে সাদিয়া নোশিনের উপস্থিতি অনেকটাই ব্যতিক্রমী। মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া উপজেলা) আসনে বাসদ (মার্ক্সবাদী) মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে তিনি ‘কাঁচি’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার লস্করপুর এলাকায়। স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনি প্রচারে বড় শোডাউন বা ব্যয়বহুল আয়োজনের বদলে সাধারণ মানুষের কাছেই যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন সাদিয়া নোশিন। চায়ের দোকান, হাটের আড্ডা কিংবা চা-বাগানের শ্রমিক লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি কথা বলছেন মানুষের দৈনন্দিন সংকট, ন্যায্য অধিকার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে। জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজারের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে সাদিয়া নোশিনই একমাত্র নারী প্রার্থী। মৌলভীবাজার-২ আসনে তিনি ছাড়াও আরও সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বিএনপির শওকতুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মো. সায়েদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াব আলী আব্বাস খান, ফজলুল হক খান, জাতীয় পার্টির আবদুল মালিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল কুদ্দুস এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এম জিমিউর রহমান চৌধুরী। সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী জানান, এমসি কলেজে পড়াশোনার সময় থেকেই তার রাজনৈতিক পথচলার শুরু। সে সময় তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। বাসদের ছাত্রসংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের এমসি কলেজ শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তিনি সিলেট নগর শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। পড়াশোনা শেষ হলে ছাত্ররাজনীতি থেকে সরে এসে তিনি মূল রাজনৈতিক সংগঠনে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর কেন্দ্রীয় নারী সংগঠনের দফতর সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। প্রচারণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সাদিয়া নোশিন জানান, তিনি বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচারপত্র বিতরণ করছেন এবং প্রতিদিন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। অনেকেই তাকে সাহস জোগান। তিনি বলেন, অনেকে বলেন, মেয়ে হয়ে সাহস করে দাঁড়ানোই বড় কথা। এসব কথা থেকেই আমি শক্তি ও সাহস পাই। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে এই প্রার্থী বলেন, চা-শ্রমিক, খাসিয়া ও গারো জনগোষ্ঠী দেশের নাগরিক হয়েও এখনও ভূমির মালিকানার অধিকার থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে এই জনগোষ্ঠীগুলো নানাভাবে অবহেলার শিকার হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভবন থাকলেও চিকিৎসক ও পরীক্ষার যন্ত্রপাতির সংকটে মানুষ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না। অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ভেঙে পড়েছে, আর রেলযোগাযোগেও অব্যবস্থাপনায় স্টেশন ও লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। নারী উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সাদিয়া নোশিন বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই নারী। এই জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে কোনো টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। চা-শ্রমিকদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নারীর অধিকার ও উন্নয়ন। এই দাবিগুলোকে সামনে রেখেই তারা রাজনীতির মাঠে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানান, জয়-পরাজয় বড় বিষয় নয়, মানুষের দাবি তুলে ধরাই তাদের মূল লক্ষ্য। কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তার এই নিরবচ্ছিন্ন প্রচারণা ইতোমধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক ভোটারের কাছে সাদিয়া নোশিন হয়ে উঠছেন ভিন্ন ধারার রাজনীতির এক প্রতীক। যেখানে ক্ষমতার নয়, অগ্রাধিকার পায় মানুষের কথা।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
We use cookies to improve your experience, deliver personalized content and ads, and analyze our traffic. By continuing to browse our site, you agree to our use of cookies. Cookie Policy