মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ফটো
হঠাৎ সক্রিয় হলেও অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হঠাৎ রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়া কিছু ঘটনাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, রাজনীতিকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে এবং গণতন্ত্রকেও স্বাভাবিক নিয়মে এগোতে দেওয়া উচিত।   বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল বলেন, “এরা হঠাৎ হঠাৎ বেরিয়ে আসে। এগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। রাজনীতি চলুক, গণতন্ত্র চলুক – তাদের নিজস্ব গতিতে।”   তিনি আরও বলেন, “বিচ্ছিন্ন ঘটনা দেখে রাজনীতিকে থামানো বা গণতন্ত্রকে আটকে দেওয়ার কোনো মানে নেই। রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিকভাবে চলতে দেওয়া উচিত।”   স্থানীয় সরকার মন্ত্রী উল্লেখ করেন, “এখন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বাকিরা যারা আছে, তারা কাজ করবে। আওয়ামী লীগ কিছু চেষ্টা করলেও জনগণ তাদের রিজেক্ট করেছে। তাই লাভ হচ্ছে না।”

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
গণমাধ্যমে কথা বলছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বৈঠক: স্থানীয় সরকার উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় ভারত

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ভারত।   মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।   প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সহযোগিতা জোরদার করার বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রগুলোতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।   ভারতীয় হাইকমিশনার আরও জানান, ভবিষ্যতে এমন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে ভারত সরকার কাজ করতে আগ্রহী, যেগুলো উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।   মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।   প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সহযোগিতা জোরদার করার বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রগুলোতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।   ভারতীয় হাইকমিশনার আরও জানান, ভবিষ্যতে এমন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে ভারত সরকার কাজ করতে আগ্রহী, যেগুলো উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী
ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত: মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।   রোববার (১ মার্চ) সকাল ৯টায় ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।   মন্ত্রী জানান, হাসপাতালটি ঘুরে দেখে তিনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ পেয়েছেন। তবে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করার সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “এখানে একটি মেডিকেল কলেজ করার সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে হয়েছে এবং স্থানও নির্ধারণ করা হয়েছে। মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা হলে এ অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা আরও বিস্তৃত ও উন্নত হবে।”   তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ চালু হলে বর্তমান ২৫০ শয্যার হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে, যাতে জেলার সাধারণ মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন।   স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় চাহিদার তালিকা দিতে বলা হয়েছে। সরকারিভাবে সেসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হাসপাতালে একটি অতিরিক্ত লিফট স্থাপনের কথাও জানান তিনি।   মন্ত্রী হাসপাতালের সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও যেন জেলার স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত করা যায়, সে লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে কর্মরতদের বিষয়টিও পর্যালোচনায় রয়েছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “আমাদের সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহ হয়েছে। আশা করছি, ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাবে।”

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আশ্বাস দিলেন মির্জা ফখরুল
দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আশ্বাস দিলেন মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, শূন্য থাকা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের পদগুলোতে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করা হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।   ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের যেসব পদ বর্তমানে খালি রয়েছে, সেগুলোতে নির্বাচন কবে হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করা হবে।   দেশের আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি দুর্বল অবস্থায় রয়েছে— এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি এতটা নেতিবাচক নয় যতটা উপস্থাপন করা হচ্ছে। তার দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে এবং ব্যাংকিং খাতও নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও ভালো করা সম্ভব বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার গঠন করা হবে। শুক্রবাভ ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে ঠাকুরগাঁও নিজ বাসভবনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়কে জনগণের ভালোবাসার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি কোনো ক্যাডারভিত্তিক সংগঠন নয়, এটি জনগণের দল।   সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর উত্থান নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল একে ‘রাজনৈতিক বিজ্ঞান’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের ফলে উগ্রবাদের এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যখনই গণতন্ত্রকে চেপে ধরা হয় এবং মানুষের কণ্ঠ রোধ করা হয়, তখনই এ ধরনের শক্তির উত্থান ঘটে। আওয়ামী লীগের দমন-পীড়ন এবং বিরোধী দলকে রাজনীতি করতে না দেওয়ার কারণেই জামায়াতেরএই অবস্থান তৈরি হয়েছে।   তিনি আরও যোগ করেন, আমি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী যে, বাংলাদেশের জনগণ ইতোমধ্যে তাদের রিজেক্ট করেছে। বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। জনগণ সুস্থ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির মাধ্যমে সব অপপ্রবণতা রুখে দিতে সক্ষম হবে।   নির্বাচনী জয় প্রসঙ্গে মহাসচিব বলেন, বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ও ৩১ দফার প্রতি জনগণের পূর্ণ সমর্থন ছিল বলেই এই ‘ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরি’ বা ভূমিধস বিজয় সম্ভব হয়েছে।    জাতীয় সরকার গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতিতে অটল। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা রাজপথে আমাদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, তাদের নিয়েই ইনশাআল্লাহ সরকার গঠন করা হবে। জুলাই সনদ প্রসঙ্গে ফখরুল জানান,সনদের যেসব অংশে বিএনপি স্বাক্ষর করেছে, সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি ৩১ দফাও পর্যায়ক্রমে কার্যকর করা হবে।   রংপুর বিভাগে জামায়াতের ভালো ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন,এর বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে বৃহত্তর দিনাজপুরের ১১টি আসনের সবকটিতেই বিএনপি জয়ী হয়েছে, সেখানে জামায়াত একটি আসনও পায়নি। আমরা যদি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে রাজনৈতিকও সাংগঠনিকভাবে কাজ করতে পারি, তবে যেকোনো উগ্রবাদী প্রবণতা দূর করা সম্ভব।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক, মেনে নেবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

আসন্ন নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এক সাহসী ও ইতিবাচক বার্তা দিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।   আজ মঙ্গলবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট জানান, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, বিএনপি তা সাদরে গ্রহণ করবে। তিনি বিশ্বাস করেন, কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে জনগণের রায়কে বদলে দেওয়া সম্ভব নয়।   জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী মির্জা ফখরুল সাধারণ ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, বিএনপি এবার একটি বিশাল ব্যবধানে জয়ী হতে যাচ্ছে।   একইসঙ্গে তিনি জামায়াতের ছড়ানো বিভিন্ন অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য দেশবাসীকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
মির্জা ফখরুল
আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, জামায়াতকে রাষ্ট্রের ক্ষমতা দিতে পারি না: মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনি লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখনগর ইউনিয়নের দোলুয়াপাড়ায় আয়োজিত এক পথসভায় তিনি জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসানোর ঘোর বিরোধিতা করেন।   নিজেকে একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, "আমি ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করতে যুদ্ধ করেছি। যারা সেই সময়ে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, তাদের হাতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তুলে দেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ কারণেই আমরা জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতার আসনে দেখতে চাই না।"   সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভোটারদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, "আপনারা সুরক্ষার প্রশ্নে অনেকেই চিন্তিত। আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গ্যারান্টি দিচ্ছি—আপনাদের সুরক্ষায় কোনো গাফিলতি হবে না। আসুন, আমরা হিন্দু-মুসলিম এক হয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের জন্য ধানের শীষে ভোট দেই।"   জনসভায় তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে জানান, দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে তারেক রহমান সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা ভাবছেন। ক্ষমতায় আসলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে নিত্যপণ্য, শিক্ষা ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি, যাতে ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজ পাওয়া সম্ভব হয়।   ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফখরুল বলেন, "এবার নির্বাচিত হলে আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে পরিত্যক্ত বিমানবন্দরটি চালু করব এবং একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করব। বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি মা-বোনদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে যাতে তারা ঘরে বসেই আয় করতে পারেন।"   পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রবীণ এই নেতার বক্তব্যে নির্বাচনি এলাকায় ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
নারীদের এনজিও ঋণ শোধের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে এবং এনজিও থেকে নেওয়া নারীদের কিস্তির ঋণের দায়িত্ব সরকার নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।   শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।   তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষকদের কৃষি ঋণ সুদসহ মাফ করে দেওয়া হবে। আর নারীদের জন্য ভালো খবর—আপনারা এনজিও থেকে কিস্তিতে ঋণ নেন না? তারেক রহমান বলছেন, ওই ঋণ সরকার নিয়ে নেবে। আমরা যখন সরকারে ছিলাম, তখন ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মাফ করেছিলাম এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেছিলাম।   এবারের নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে এবার ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। ভালো মানুষ ও ভালো দলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার সুযোগ আছে। আপনারা সবাই ভোট দিতে চান।    তিনি বলেন, আমাদের দরকার এমন সরকার যার অভিজ্ঞতা আছে এবং আমানতের খেয়ানত করে না।   প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবার আওয়ামী লীগ নেই, নৌকা মার্কা নেই—এবার দাঁড়িপাল্লা। দাঁড়িপাল্লা অনেক আগে থেকে রাজনীতি করে আসছে, কিন্তু প্রশ্ন অন্য জায়গায়।   ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি। এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। আমার ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে বিদ্যুতের তারসহ সবকিছু পাকিস্তানিরা খুলে নিয়ে গিয়েছিল। বহু মানুষ হত্যা করা হয়েছে, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি হয়েছে। যারা বাংলাদেশকে মানতে চায়নি, শুধু বাংলাদেশ নয়—পাকিস্তান ও চায়নি—তাদের কী করে ভোট দেব?    মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। এ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে বিভাজনের রাজনীতি বড় বাধা। যারা ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে, তারা এলে দেশের স্বার্থের বিরোধী বলে মন্তব্য করেন তিনি।   তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।   বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন কারো কাছ থেকে এক কাপ চাও গ্রহণ করিনি।   সভায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0