আমেরিকা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাবে দলীয় লাইনের বাইরে ভোট দিলেন কয়েকজন আইনপ্রণেতা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাবে দলীয় লাইনের বাইরে ভোট দিলেন কয়েকজন আইনপ্রণেতা
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাবে দলীয় লাইনের বাইরে ভোট দিলেন কয়েকজন আইনপ্রণেতা

ওয়াশিংটন: ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সামরিক ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটিতে দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে ভোট দিয়েছেন কয়েকজন আইনপ্রণেতা।

 

প্রতিনিধি পরিষদে উত্থাপিত যুদ্ধ ক্ষমতা–সংক্রান্ত প্রস্তাবটির লক্ষ্য ছিল কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করা। তবে ভোটে প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়নি।

 

ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, অধিকাংশ ডেমোক্র্যাট সদস্য প্রস্তাবটির পক্ষে এবং অধিকাংশ রিপাবলিকান সদস্য বিপক্ষে ভোট দেন। কিন্তু এই ভোটাভুটিতে দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে কয়েকজন আইনপ্রণেতা ভিন্ন অবস্থান নেন।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চারজন ডেমোক্র্যাট সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন, যা কার্যত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করে। অন্যদিকে দুইজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন। তারা হলেন থমাস ম্যাসি এবং ওয়ারেন ডেভিডসন।

 

প্রস্তাবটির সমর্থকরা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা বা বড় সামরিক অভিযানের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকা উচিত। অন্যদিকে বিরোধীরা মনে করেন, চলমান সংঘাতের সময় প্রেসিডেন্টের হাতে সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার যথেষ্ট ক্ষমতা থাকা জরুরি।

 

বিশ্লেষকদের মতে, এই ভোটের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে শুধু দলীয় বিভাজনই নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক ক্ষমতার প্রশ্নেও ভিন্নমত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
চার–পাঁচবার বাসা বদল, ছয়টি ফোন পরিবর্তন’- যেভাবে আত্মগোপনে থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এম আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর দীর্ঘ সময় দেশে আত্মগোপনে থেকে নানা ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হয়েছে তাকে। পরে সুযোগ পেয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান, যেখানে তার পরিবার আগে থেকেই অবস্থান করছিল।   যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টাইম টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ২৩ জুলাই তিনি নিউইয়র্কে ছিলেন এবং ২৯ জুলাই ঢাকায় ফেরেন। এর কিছুদিন পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে। সে সময় তিনি প্রথমে নিজ বাসায় থাকলেও পরে নিরাপত্তাজনিত কারণে স্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হন।   মোমেনের ভাষ্য অনুযায়ী, তার সরকারি বাসভবন ও পারিবারিক বাড়িতে দখল, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে থাকায় তিনি আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে না গিয়ে গোপনে বিভিন্ন ভাড়াবাসায় অবস্থান নেন। এসব বাসা মূলত গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের, যেগুলো বিদেশি ক্রেতাদের জন্য প্রস্তুত রাখা থাকত; তবে তখন বিদেশি ক্রেতারা না আসায় সেগুলো খালি ছিল।   তিনি জানান, আত্মগোপনে থাকার সময় চার থেকে পাঁচটি বাসা পরিবর্তন করেন এবং ট্র্যাকিং এড়াতে ছয়টি মোবাইল ফোন ও নম্বর পরিবর্তন করেন। বেশিরভাগ সময় রাতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতেন, কালো কাচযুক্ত গাড়ি ব্যবহার করতেন এবং পরিচয় গোপন রাখতে চেহারায়ও পরিবর্তন আনেন চুল কেটে ফেলা, দাড়ি রাখা ইত্যাদি।   সাবেক এই মন্ত্রী আরও দাবি করেন, ওই সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়, যেগুলোকে তিনি ‘বানোয়াট’ উল্লেখ করে বলেন, এসবের পেছনে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তিনি জানান, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে কারও সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না রেখে সহকর্মীদের মাধ্যমে চলাফেরা করতেন।   তিনি বলেন, “আমি কোনো আত্মীয়ের বাসায় যাইনি। পরিচিতদের কাছে গেলে ঝুঁকি বাড়ত। তাই ভাড়া বাসায় গোপনে থেকেছি।” একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশের ভেতরে অনেকেই তখন একইভাবে আত্মগোপনে ছিলেন এবং কেউ কেউ এখনও আছেন।   মোমেন জানান, প্রায় আট মাস এভাবে আত্মগোপনে থাকার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যেতে সক্ষম হন। তবে কীভাবে দেশ ত্যাগ করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত এখনই প্রকাশ করতে চান না বলে উল্লেখ করেন।   সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, “এটা একটা সিনেমার গল্পের মতো। অনেক কষ্ট করে বের হতে হয়েছে।” পাশাপাশি তিনি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সবাইকে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে।   উল্লেখ্য, সাবেক এই মন্ত্রী সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত-এর ছোট ভাই। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা একাধিক মামলায় তার নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: আমেরিকা বাংলা

নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান কালচারাল সেন্টারে ঈদ, হোলি ও স্বাধীনতা দিবসের বর্ণাঢ্য মিলনমেলা

ছবি: সংগৃহীত

অস্টিনে সাজু খাদেমের একক প্রদর্শনী ‘আয়না মহল’, ৩২ শিল্পকর্মে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ মিডটার্ম নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে ১ কোটি ৬০ লাখ অভিবাসী ভোটার

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ মিডটার্ম নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে ১ কোটি ৬০ লাখ অভিবাসী ভোটার

ছবি: সংগৃহীত
উত্তর আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ আয়োজন — ৩০তম এশিয়ান এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে সাউথ ফ্লোরিডায়

উত্তর আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ ও জনপ্রিয় কমিউনিটি আয়োজন ৩০তম এশিয়ান এক্সপো ফুড, মিউজিক অ্যান্ড কালচারাল শো আগামী ২৫ ও ২৬ এপ্রিল ২০২৬ সাউথ ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দুই দিনব্যাপী এই জমকালো আয়োজনের ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে সাউথ ফ্লোরিডা ফেয়ার গ্রাউন্ড -এর সিনার ল গ্রুপ এক্সপো সেন্টার , ওয়েস্ট পাম বিচ, ফ্লোরিডা।   দীর্ঘ ২৯টি সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার ৩০তম এশিয়ান এক্সপোকে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের এক্সপোতে থাকবে এশিয়ান ফুড ফেয়ার, লাইভ মিউজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ব্যবসায়িক প্রদর্শনী, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং এবং পরিবারভিত্তিক বিনোদনের নানা আয়োজন।   দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও খাবারের বৈচিত্র্য তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। আয়োজকদের প্রত্যাশা, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন শহর থেকে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, ভারতীয় এবং অন্যান্য এশিয়ান কমিউনিটির মানুষ এতে অংশ নেবেন।   অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চে পারফর্ম করবেন জনপ্রিয় শিল্পীরা। তাদের মধ্যে অন্যতম উপস্থিত থাকবেন নকুল কুমার বিশ্বাস, রুমেল খান, আরজিন কামাল, পাপি মোনা, সারেগামা ফাইনালিস্ট বিশ্বজিৎ, শ্রুতি ও অপসরা। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়েস্ট পাম বিচ -এ এ ধরনের বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন এই প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।   এশিয়ান এক্সপোকে ঘিরে ইতোমধ্যে সাউথ ফ্লোরিডাজুড়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ শুরু হয়েছে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সভা ও সমন্বয় কার্যক্রম। আয়োজক কমিটির কনভেনর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তামান্না আহমেদ, চেয়ারম্যান এস. আই. জুয়েল এবং উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন এম রহমান জহির। তারা জানান, প্রবাসীদের মিলনমেলা, ব্যবসায়িক সংযোগ এবং বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই আয়োজন।   আয়োজকদের আশা, ৩০তম এশিয়ান এক্সপো শুধু সাউথ ফ্লোরিডাই নয়, সমগ্র উত্তর আমেরিকার প্রবাসীদের জন্য ২০২৬ সালের অন্যতম বড় উৎসবমুখর আয়োজন হয়ে উঠবে। অনুষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যাবে মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর জুয়েল সাদত মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর, ৩০তম এশিয়ান এক্সপো, সদস্য, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডা ইমেল: @gmail.com ফোন - 407-832-2882

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের জ্বালানি নিষেধাজ্ঞায় অচল হাভানার রাত, থমকে গেছে প্রাণচঞ্চল রাতের জীবন

ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বন্দুক হামলা: ৮ শিশুসহ নিহত ৯, স্তম্ভিত লুইজিয়ানা

ছবি: সংগৃহীত।

অস্থিরতার মাঝেও যুক্তরাষ্ট্রে যেভাবে কম দামে কিনতে পারবেন জ্বালানি তেল

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে গাজা যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনার জেরে আটক, এক বছর পর দেশে ফিরছেন টাফটস শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রে আটক হওয়ার ঘটনার এক বছর পর পিএইচডি সম্পন্ন করে নিজ দেশ তুরস্কে ফিরছেন টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমেইসা ওজতুর্ক। শুক্রবার তাঁর আইনজীবীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।   রুমেইসা ওজতুর্ককে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) আটক করে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রপত্রিকায় ইসরায়েল–গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থানের সমালোচনা করে একটি মতামতধর্মী নিবন্ধের সহলেখক ছিলেন।   পরবর্তীতে আদালতের এক বিচারক তাঁকে মুক্তি দেন। বিচারক বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত থাকা বা সহিংসতার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই।   এক বিবৃতিতে ওজতুর্ক বলেন, ‘১৩ বছরের অধ্যবসায়ের পর পিএইচডি সম্পন্ন করতে পেরে আমি গর্বিত। নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে ফিরছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কারণে যে সময় হারিয়েছি, তা শুধু আমার নয়; যেসব শিশু ও তরুণদের জন্য কাজ করতে চাই, তাদেরও।’   তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি অধিকার নিয়ে মত প্রকাশ করায় তাঁকে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, তা ছিল অযৌক্তিক ও কষ্টদায়ক।   ওজতুর্কের মামলায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও তাঁর মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। এতে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে এবং সরকার স্বীকার করেছে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বৈধ অবস্থায় ছিলেন। বিষয়টি জানিয়েছে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ)। উল্লেখ্য, গত বছর ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানের কারণে আটক হওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। একই ঘটনায় আটক আরেক শিক্ষার্থী মাহমুদ খলিল এখনো আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
জর্জিয়ার ডোরাভিলে অবস্থিত দ্য গ্র্যান্ড প্যালেস ইভেন্ট হল | ছবি: সংগৃহীত

আটলান্টার বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য বড় সুখবর — আসছে আস-সাফা হালাল মার্কেট অ্যান্ড গ্রিল

ছবি: সংগৃহীত।

আলোচনার জন্য পাকিস্তানের পথে রয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিরা, জানালেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।

হরমুজ প্রণালীতে মাইন ধ্বংস করতে ‘সি রোবট’ নামালো মার্কিন সেনা

0 Comments