যুক্তরাষ্ট্রে দরিদ্রদের ঘরের অভাবে হাহাকার, অথচ খালি হাজারো সাশ্রয়ী ইউনিট
যুক্তরাষ্ট্রে কম আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী বাসার সংকট তীব্র হলেও দেশের কিছু শহরে একই সময়ে শত শত এমন ইউনিট খালি পড়ে আছে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে, যাদের জন্য এসব বাসা তৈরি করা হয়েছে, তাদের অনেকের কাছেই নির্ধারিত ভাড়াও সামর্থ্যের বাইরে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক প্রতিবেদনে অস্টিন, টেক্সাসের ৪৯ বছর বয়সী ম্যাথিউ ডেভিসের উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। তিনি একটি গৃহহীন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকেন এবং রক্তের প্লাজমা দান করে সামান্য আয় করেন। মাসে ৪৫০ ডলারের একটি ছোট বাসাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ অস্টিনে শহর কর্তৃপক্ষের হিসাবে ৪ হাজার ৫০০টির বেশি সাশ্রয়ী বাসা খালি পড়ে আছে, যা মোট সাশ্রয়ী ইউনিটের প্রায় ১৬ শতাংশ।
এমন পরিস্থিতি শুধু অস্টিনেই নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কম আয়ের মানুষদের জন্য সাশ্রয়ী বাসার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। ন্যাশনাল লো-ইনকাম হাউজিং কোয়ালিশনের হিসাবে, দেশের প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ অত্যন্ত কম আয়ের ভাড়াটিয়া পরিবারের বিপরীতে সাশ্রয়ী ভাড়ার বাসা রয়েছে প্রায় ৪০ লাখ।
অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় বাসার ঘাটতি প্রায় ৭০ লাখ।
অত্যন্ত কম আয়ের পরিবার বলতে সাধারণত এমন পরিবারকে বোঝানো হয়, যাদের আয় দারিদ্র্যসীমার নিচে অথবা নিজ এলাকার মধ্যম আয়ের ৩০ শতাংশের মধ্যে। এই শ্রেণির মানুষদের মধ্যে কম বেতনের কর্মী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট আয়ের ওপর নির্ভরশীল প্রতিবন্ধী মানুষও রয়েছেন।
তাদের পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলছে বাড়িভাড়ার চাপ। গবেষণা অনুযায়ী, এই শ্রেণির প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পরিবার তাদের আয়ের অর্ধেকেরও বেশি রেন্ট ও ইউটিলিটি বিল দিতে ব্যয় করে। ফলে খাবার, চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচের জন্য হাতে খুব কম অর্থ থাকে।
সমস্যার একটি বড় দিক হলো, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তৈরি হওয়া অনেক ‘সাশ্রয়ী’ বাসা আসলে সবচেয়ে দরিদ্র মানুষদের জন্য যথেষ্ট সাশ্রয়ী নয়। ২০২৪ সালে লো-ইনকাম হাউজিং ট্যাক্স ক্রেডিট কর্মসূচির আওতায় অর্থায়ন পাওয়া সাশ্রয়ী ইউনিটগুলোর মাত্র প্রায় ১২ শতাংশ ছিল অত্যন্ত কম আয়ের পরিবারের জন্য নির্ধারিত।
অন্যদিকে অধিকাংশ ইউনিট এমন পরিবারগুলোর জন্য, যাদের আয় এলাকার মধ্যম আয়ের অন্তত ৫০ শতাংশ। ফলে কাগজে-কলমে এসব বাসা সাশ্রয়ী হলেও সবচেয়ে কম আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে থেকে যাচ্ছে।
অস্টিনের চিত্রটিও বিষয়টি স্পষ্ট করে। শহরটি ২০১৮ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে অত্যন্ত কম আয়ের মানুষের জন্য ২০ হাজার বাসা তৈরির লক্ষ্য নিয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৈরি হয়েছে মাত্র ৫৪৩টি। একই সময়ে এলাকার মধ্যম আয়ের ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ আয় করা পরিবারের জন্য পরিকল্পিত প্রায় ১৫ হাজার ইউনিটই তৈরি হয়ে গেছে।
এর ফলে একদিকে গৃহহীন মানুষ নিজের জন্য একটি বাসা খুঁজে পাচ্ছেন না, অন্যদিকে তাদের জন্য নির্ধারিত কিছু ইউনিটও খালি পড়ে থাকছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নতুন বাসা নির্মাণ করলেই এই সংকটের সমাধান হবে না। কার জন্য কত ভাড়ায় বাসা প্রয়োজন, সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সাশ্রয়ী বাসার কর্মসূচি সাজানো জরুরি।
ম্যাথিউ ডেভিসের মতো মানুষের কাছে বিষয়টি শেষ পর্যন্ত শুধু একটি বাসার প্রশ্ন নয়। নিজের একটি দরজা বন্ধ করে রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারার মতো একটি জায়গা পাওয়াই তাদের সবচেয়ে বড় চাওয়া।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ১৮ মাসে দেশটি থেকে প্রায় ৯ লাখ ৮০ হাজার অভিবাসীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ের হিসাব বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে বছরে ১০ লাখ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান বহিষ্কারের হার সেই লক্ষ্যের চেয়ে কম। একই সঙ্গে অভিবাসন কার্যক্রমের বিস্তারিত সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশ বন্ধ থাকায় প্রশাসনের অভিযান কতটা এগিয়েছে, তা মূল্যায়ন করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্প অনিবন্ধিত অভিবাসীদের ব্যাপক হারে বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর প্রশাসন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে অভিবাসন নীতির কট্টর সমর্থকদের একাংশের সমালোচনা, প্রশাসন আরও বেশি অনিবন্ধিত অভিবাসীকে দেশ থেকে সরিয়ে দিতে পারত। অন্যদিকে, বহিষ্কারের সংখ্যা ও অভিযানের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নিয়মিত বিস্তারিত পরিসংখ্যান প্রকাশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন হিসাব তৈরিতে বিভিন্ন নথি ও তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন মার্ক রোজেনব্লাম, যিনি এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের পরিসংখ্যানবিষয়ক দপ্তরের প্রধান ছিলেন। তিনি জুলাইয়ে ওই পদ ছাড়েন। তথ্য অধিকার আইনের আওতায় পাওয়া নথি এবং বাইরের গবেষকদের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বহিষ্কারের সংখ্যা নিরূপণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে ‘বহিষ্কার’ বলতে দুটি পৃথক প্রক্রিয়াকে একসঙ্গে গণনা করা হয়েছে। প্রথমটি হলো ‘রিমুভাল’, যার আইনি পরিণতি তুলনামূলক কঠোর। দ্বিতীয়টি ‘রিটার্ন’, যেখানে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো হয়, তবে প্রক্রিয়াটি আনুষ্ঠানিক বহিষ্কারের তুলনায় কম শাস্তিমূলক হতে পারে। এই দুই ধরনের প্রক্রিয়া মিলিয়েই ৯ লাখ ৮০ হাজারের হিসাব করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সময়ের মোট সংখ্যার মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার ছিল আনুষ্ঠানিক রিমুভাল। প্রায় ৩ লাখ ক্ষেত্রে অভিবাসন আইন প্রয়োগের মাধ্যমে রিটার্ন এবং আরও প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক রিটার্ন হয়েছে। অর্থাৎ সব অভিবাসীকে একই আইনি প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়নি। আনুষ্ঠানিক রিমুভালের বার্ষিক গড় হিসাবেও ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের সংখ্যা আগের কয়েকটি প্রশাসনের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদে বছরে গড়ে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার অভিবাসীকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রথম মেয়াদে এই গড় ছিল প্রায় ৩ লাখ ৯২ হাজার। ওবামার দ্বিতীয় মেয়াদে বার্ষিক গড় ছিল ৩ লাখ ৮০ হাজারের সামান্য কম। ওবামার শাসনামলে ২০১৩ অর্থবছরে ৪ লাখ ৩২ হাজার অভিবাসীকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল, যা এখনো এই ধরনের বহিষ্কারের সর্বোচ্চ বার্ষিক রেকর্ড। অন্যদিকে, দুই ধরনের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া একত্রে বিবেচনা করলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন কার্যক্রমের গতি জো বাইডেনের প্রশাসন এবং ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের তুলনায় বেশি। তবু ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, মোট বহিষ্কারের প্রায় ৬৯ শতাংশ ছিল এমন অভিবাসী, যাঁদের প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে আটক করা হয়েছিল। অর্থাৎ সীমান্তে আটক ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানোই এখনো সামগ্রিক সংখ্যার বড় অংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বসবাসরত অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করে বহিষ্কারের হারও বেড়েছে। ২০২৫ সালে অভ্যন্তরীণ গ্রেপ্তার থেকে শুরু হওয়া বহিষ্কারের অংশ ছিল ২৮ শতাংশ; ২০২৬ সালের জুলাইয়ে তা বেড়ে ৩৯ শতাংশে পৌঁছায়। অভিবাসীদের অপরাধসংক্রান্ত তথ্যও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার বহিষ্কারের মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রেকর্ড ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত দুই বছর বসবাসের পর বহিষ্কৃত অভিবাসীদের মধ্যে ৭১ শতাংশের কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রেকর্ড ছিল না। এই তথ্য থেকে বোঝা যায়, বহিষ্কারের আওতায় আসা সবাই অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন না। সামগ্রিকভাবে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে অভিবাসী বহিষ্কারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হলেও বছরে ১০ লাখ মানুষকে বহিষ্কারের ঘোষিত লক্ষ্যের সঙ্গে বর্তমান গতি মেলেনি। সরকারি বিস্তারিত তথ্য নিয়মিত প্রকাশ না হওয়ায় স্বাধীনভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের গুরুত্বও বেড়েছে। অভিবাসন নীতির বাস্তব প্রভাব মূল্যায়নে বহিষ্কারের মোট সংখ্যা, আইনি প্রক্রিয়ার ধরন, সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ গ্রেপ্তারের অনুপাত এবং বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের অপরাধসংক্রান্ত তথ্য—সবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নিউ জার্সির প্যাটারসনে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ কনস্যুলেট সেবা, মিলবে এনআইডি করার সুযোগ
হিউস্টন টেক্সাসে বাংলাদেশ দূতাবাসের মোবাইল কনস্যুলার সেবা হিউস্টনে: আবেদন ও প্রয়োজনীয় তথ্য
গ্রিন কার্ডের আবেদনে কিছুটা স্বস্তি, কয়েকটি ক্যাটাগরিতে এগিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার নির্ধারিত তারিখ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে গ্রামীণ ভোটারদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ১৫ থেকে ১৯ অক্টোবর পরিচালিত ইকেলন ইনসাইটসের এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন গ্রামীণ ভোটারদের ৫০ শতাংশ ট্রাম্পের কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বিপরীতে, ৪৯ শতাংশ তাঁর কাজের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অর্থাৎ, এই ভোটারগোষ্ঠীর মধ্যে ট্রাম্পের অনুমোদনের হার এখন এক পয়েন্ট ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। সেপ্টেম্বরে গ্রামীণ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার পর নতুন জরিপে এই পরিবর্তন দেখা গেল। তবে এক মাসের ব্যবধানে সমর্থন বাড়লেও গ্রামীণ ভোটারদের মনোভাব স্থায়ীভাবে বদলে গেছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো যথেষ্ট প্রমাণ নেই। ইকেলন ইনসাইটসের জরিপে দেখা গেছে, জুনে গ্রামীণ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন ছিল ৫১ শতাংশ, আর অসন্তোষ ছিল ৪৮ শতাংশ। জুলাইয়ে চিত্র বদলে যায়—সমর্থন নেমে আসে ৪৭ শতাংশে, আর অসন্তোষ বেড়ে দাঁড়ায় ৫১ শতাংশে। আগস্টে ব্যবধান কিছুটা কমে সমর্থন ও অসন্তোষের হার হয় যথাক্রমে ৪৯ ও ৫০ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ওই মাসে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানান মাত্র ৪০ শতাংশ গ্রামীণ ভোটার, আর ৫৯ শতাংশ তাঁর কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। অক্টোবরের নতুন জরিপে সমর্থন ৫০ শতাংশে ওঠায় এক মাসের ব্যবধানে তাঁর নিট অনুমোদনের হার ২০ পয়েন্ট উন্নত হয়েছে। তবে গ্রামীণ ভোটারদের এই উপগোষ্ঠী নিয়ে জরিপে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় ফলাফলে স্বাভাবিক ওঠানামার প্রভাব থাকতে পারে। গ্রামীণ ভোটারদের মধ্যে সমর্থন বাড়লেও সামগ্রিক মার্কিন ভোটারদের কাছে ট্রাম্পের অবস্থান এখনো নেতিবাচক। একই জরিপে তাঁর কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৩৯ শতাংশ ভোটার, আর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ৬০ শতাংশ। কংগ্রেসের নির্বাচনে কোন দলকে ভোট দেবেন—এমন প্রশ্নে ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন। জরিপে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে সমর্থন ৫০ শতাংশ, রিপাবলিকানদের পক্ষে ৪৫ শতাংশ। ১৫ থেকে ১৯ অক্টোবরের এই জরিপে সম্ভাব্য ১ হাজার ১০ জন ভোটার অংশ নেন। পুরো জরিপের নমুনাগত ত্রুটির সীমা ছিল প্লাস-মাইনাস ৩ দশমিক ৬ শতাংশ পয়েন্ট। এই ফলাফল এমন সময়ে এসেছে, যখন ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে রিপাবলিকানদের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। আইওয়া, কানসাস ও আলাস্কার মতো রাজ্যে সিনেট নির্বাচন প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এসব রাজ্যে জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, কৃষি উৎপাদনের খরচ এবং পরিবারের আর্থিক চাপ ভোটারদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর আইওয়ার সিউক্স সিটিতে রিপাবলিকান সমর্থকদের এক সমাবেশে অংশ নেন ট্রাম্প। নভেম্বরের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোট টানতে তাঁর এই সফর ছিল দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ। বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে জড়ো হওয়া সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁকে যেন ব্যালটের একজন প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর ভাষায়, “ভাবুন, আমি যেন ব্যালটে আছি। কারণ আপনারা যদি ভোট দিতে বের হন, আমরা বড় ব্যবধানে জিতব।” আইওয়ার সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী অ্যাশলি হিনসন ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জশ টুরেকের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ কাছাকাছি। ইমারসন কলেজ পোলিংয়ের ৫ ও ৬ অক্টোবরের জরিপে হিনসনের সমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ, আর টুরেকের ৪৫ শতাংশ। লিবার্টারিয়ান প্রার্থী থমাস লেন পেয়েছেন ২ শতাংশ সমর্থন; ৭ শতাংশ ভোটার তখনো সিদ্ধান্ত নেননি। জরিপটির নমুনাগত ত্রুটির সীমা ছিল প্লাস-মাইনাস ৩ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে, মারিস্টের সেপ্টেম্বরের জরিপে টুরেক ৫০ শতাংশ এবং হিনসন ৪২ শতাংশ সমর্থন পান। দুটি জরিপের ফলের পার্থক্য দেখায়, ভোটারদের মনোভাব ও জরিপের পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র বদলাতে পারে। হিনসন ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান নীতি এবং গরুর মাংসের ওপর শুল্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, জ্বালানি কেনা কিংবা দোকানে বাজার করার বাড়তি খরচের বোঝা আইওয়ার বাসিন্দাদের বহন করা উচিত নয়, বিশেষ করে যখন কৃষক ও পশুপালকেরা উৎপাদন ব্যয়ের চাপের মুখে রয়েছেন। ট্রাম্পের সমর্থকদের ধরে রাখার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতির প্রশ্নে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করছেন তিনি। কানসাসেও রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শাল ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিলটনের সঙ্গে কঠিন লড়াই করছেন। কানসাসে ১৯৩২ সালের পর কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হননি। কিন্তু সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে দুই প্রার্থীর ব্যবধান খুবই কম। ইমারসন কলেজ পোলিং ও নেক্সস্টারের সেপ্টেম্বরের জরিপে হ্যামিলটন ৪৫ শতাংশ এবং মার্শাল ৪৩ শতাংশ সমর্থন পেয়েছিলেন। একই জরিপে ট্রাম্পের কাজের প্রতি সমর্থন ছিল ৪০ শতাংশ, আর অসন্তোষ ছিল ৫৩ শতাংশ। ভোটারদের ৪৮ শতাংশ অর্থনীতিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেন। আলাস্কায়ও রিপাবলিকানদের জন্য পরিস্থিতি সহজ নয়। সিনেটর ড্যান সুলিভানের বিপরীতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেরি পেলটোলা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ৮ থেকে ১৬ অক্টোবর পরিচালিত ডেটা ফর প্রগ্রেসের জরিপে পেলটোলা ৫১ শতাংশ এবং সুলিভান ৪৯ শতাংশ সমর্থন পান। তবে নমুনাগত ত্রুটির সীমা প্লাস-মাইনাস ৪ শতাংশ পয়েন্ট হওয়ায় এই ব্যবধানকে নিশ্চিত অগ্রগতি হিসেবে দেখা যায় না। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প আলাস্কায় ১৩ দশমিক ১ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। নেব্রাস্কাতেও রিপাবলিকানদের ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ আসন ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বর্তমান রিপাবলিকান সিনেটর পিট রিকেটসের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ড্যান অসবর্ন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পূর্বাভাসে এখনো রিকেটস এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক জরিপে লড়াই আগের ধারণার চেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দেখা যাচ্ছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইংল ট্রাম্পের রাজনৈতিক জোটকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী জোট হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর বক্তব্যে করছাড়, ওষুধের খরচ কমানো, সীমান্ত নিরাপত্তা, বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান এবং অবসরকালীন হিসাবের উন্নতির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। তবে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা কতটা কাজে আসবে, সেটিই বড় প্রশ্ন। কোনো ভোটার প্রেসিডেন্টের প্রতি সমর্থন জানালেও তাঁর দলের স্থানীয় প্রার্থীকে ভোট দেবেন—এমন নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে কৃষি, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় নিয়ে অসন্তোষ থাকলে ভোটাররা দলীয় আনুগত্যের বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ৩ নভেম্বরের নির্বাচন তাই দেখাবে, গ্রামীণ এলাকায় ট্রাম্পের সমর্থনের সাম্প্রতিক উন্নতি রিপাবলিকানদের জন্য বাস্তব ভোটে কতটা রূপ নেয়।
দুর্ঘটনার দুই মিনিট আগেও ফোনে প র্ণ দেখছিলেন, প্রা ণহানির ঘটনায় বিপাকে ক্যালিফোর্নিয়ার নারী
আটলান্টিকের নাম ‘ট্রাম্প মহাসাগর’ করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম, গুগল রাজি হয়নি: ট্রাম্প
হার্ভার্ডে এনভায়রনমেন্ট গবেষণায় ফেলোশিপ, বছরে বেতন ৯২ হাজার ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সিতে পরিচিত এক নারীর চায়ে বেঞ্জোডায়াজেপিন মেশানোর অভিযোগে ৫২ বছর বয়সী রোহওয়েনিভেন বাকানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৮ সেপ্টেম্বর ফোর্ট লির একটি রেস্তোরাঁয় ওই চা পান করার পর নারীটি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁকে কয়েক দিন হাসপাতালে থাকতে হয়। কয়েক সপ্তাহের তদন্ত শেষে হ্যাকেনস্যাকের বাসিন্দা বাকানির বিরুদ্ধে থার্ড ডিগ্রি অ্যাগ্রাভেটেড অ্যাসল্টের অভিযোগ আনা হয়েছে। বার্গেন কাউন্টি প্রসিকিউটরস অফিসের বিবৃতির বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজের আর্থিক হিসাবে অনুমতি ছাড়া কিছু লেনদেনের বিষয়টি শনাক্ত করেছিলেন ভুক্তভোগী নারী। ওই হিসাবগুলোতে বাকানিরও প্রবেশাধিকার ছিল। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য দুজন ফোর্ট লির রেস্তোরাঁয় দেখা করতে রাজি হন। তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী রেস্তোরাঁয় পৌঁছে দেখেন, বাকানি আগেই সেখানে উপস্থিত হয়েছেন এবং তাঁর জন্য এক কাপ চা রাখা আছে। কিছুটা চা পান করার পর অস্বাভাবিক স্বাদ টের পেয়ে তিনি আর পান করেননি। পরে রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর কীভাবে সেখানে পৌঁছেছেন, তা মনে করতে পারেননি ওই নারী। চিকিৎসার জন্য তাঁকে কয়েক দিন হাসপাতালে থাকতে হয়। পরে তিনি তদন্তকারীদের জানান, তাঁর সন্দেহ, বাকানি পানীয়তে কিছু মিশিয়েছিলেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর সম্ভাব্য বিষক্রিয়ার বিষয়টি জানতে পারে লিওনিয়া পুলিশ। এরপর বার্গেন কাউন্টি প্রসিকিউটরস অফিসের সংশ্লিষ্ট তদন্ত ইউনিটগুলো যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর চায়ে বেঞ্জোডায়াজেপিন মেশানো হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর বাকানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পরদিন হ্যাকেনস্যাকে নিজ বাড়ির বাইরে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন গোয়েন্দারা। প্রথম কোর্ট হিয়ারিংয়ের অপেক্ষায় তাঁকে বার্গেন কাউন্টি জেলে নেওয়া হয়। প্রসিকিউটরস অফিসের ১৬ অক্টোবরের ঘোষণায় জানানো হয়, ভুক্তভোগী তখনো সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। বাকানির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি। দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
অভিবাসন জালিয়াতির তদন্তে বাড়িতে তল্লাশি, ওয়াশিংটনের বাসা ছাড়ছেন ইলহান ওমর
যুক্তরাষ্ট্রে মৃত ঘোষণার সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর হাসপাতালের মর্গে শ্বাস নিচ্ছিল শিশু, চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন পরিবারের