সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে ২ বছরের কনডিশনাল গ্রিন কার্ডধারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম,নিতে হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ২৪, ২০২৬ ৬:৪৭
যুক্তরাষ্ট্রে ২ বছরের কনডিশনাল গ্রিন কার্ডধারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম
যুক্তরাষ্ট্রে ২ বছরের কনডিশনাল গ্রিন কার্ডধারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম

যুক্তরাষ্ট্রে কিছু বিদেশি নাগরিককে দেওয়া দুই বছরের কনডিশনাল গ্রিন কার্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম আবারও সামনে এসেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আবেদন না করলে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

 

কনডিশনাল গ্রিন কার্ড সাধারণত এমন ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, যাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি কিছু শর্তের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে বিয়ের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পাওয়া কিছু ব্যক্তি এই দুই বছরের শর্তযুক্ত স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পেতে পারেন।

 

এই গ্রিন কার্ডের মেয়াদ সাধারণত দুই বছর। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে গ্রিন কার্ডের ওপর থাকা শর্ত তুলে নেওয়ার জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হয়।

 

বিয়ের ভিত্তিতে পাওয়া কনডিশনাল গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম হলো, কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে শর্ত তুলে নেওয়ার আবেদন করতে হয়। স্বামী-স্ত্রীকে যৌথভাবে আবেদন করার নিয়ম থাকলেও কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে এককভাবে আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে।

 

যেমন—দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া, বিবাহবিচ্ছেদ, নির্যাতনের শিকার হওয়া কিংবা অন্য কোনো বিশেষ পরিস্থিতি থাকলে আবেদনকারীর ক্ষেত্রে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে।

 

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দুই বছরের গ্রিন কার্ড থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী গ্রিন কার্ড পাওয়া যায় না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আবেদন এবং প্রমাণ জমা দিতে হয়। কর্তৃপক্ষ আবেদন যাচাই করে শর্ত তুলে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।

 

তাই কনডিশনাল গ্রিন কার্ডধারীদের নিজেদের কার্ডের মেয়াদ, আবেদন করার সময়সীমা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগেভাগেই যাচাই করে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

 

সময়সীমা পার হয়ে গেলে অভিবাসন স্ট্যাটাস নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।

 

অর্থাৎ, দুই বছরের কনডিশনাল গ্রিন কার্ডধারীদের জন্য মূল বিষয় হলো—কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শর্ত তুলে নেওয়ার প্রয়োজনীয় আবেদন সম্পন্ন করা।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
উচ্চতা বাড়ানোর জন্য দেড় লাখ ডলার খরচ করে ছেলের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাবা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
তিন ইঞ্চি উচ্চতা বাড়াতে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের অপারেশন, ছেলের পাশে দাঁড়ালেন বাবা

উচ্চতা নিয়ে দীর্ঘদিনের অস্বস্তি কাটাতে পায়ের হাড় লম্বা করার অস্ত্রোপচার করিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আল্ট্রাম্যারাথন দৌড়বিদ অ্যারন ত্রিন। এ জন্য তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যদিও বিনিময় হার অনুযায়ী এই অঙ্কে পরিবর্তন হতে পারে। ছেলের অস্ত্রোপচারের পুরো খরচ বহন করেছেন তাঁর বাবা। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অ্যারনের উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি থেকে বেড়ে ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি হয়েছে। তবে এই পরিবর্তনের জন্য তাঁকে দীর্ঘ পুনর্বাসন, তীব্র স্নায়বিক ব্যথা এবং আবার হাঁটতে শেখার মতো কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন ও জীবনধারাবিষয়ক সাময়িকী পিপলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যারন জানান, আশপাশের মানুষের তুলনায় নিজেকে খাটো মনে করা এবং উচ্চতা নিয়ে বৈষম্যের অভিজ্ঞতা তাঁর সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছিল। অন্যদের তুলনায় নিজেকে আলাদা মনে হওয়ার বিষয়টি ধীরে ধীরে তাঁর মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত পায়ের হাড় লম্বা করার অস্ত্রোপচারের বিষয়ে জানতে শুরু করেন তিনি। অ্যারনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় তাঁর সবচেয়ে বড় ভরসা ছিলেন বাবা, যিনি নিজেও সারা জীবন উচ্চতা নিয়ে নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন।   অ্যারনের বাবা নিজেও মাত্র ৫ ফুট ২ ইঞ্চি লম্বা। তাঁর দাবি, উচ্চতার কারণে পরিবার থেকে শুরু করে পরিচিতজন এবং কর্মক্ষেত্রেও তাঁকে নানা ধরনের অবমূল্যায়নের অভিজ্ঞতা পেতে হয়েছে। পিপলকে তিনি জানান, নিজের উচ্চতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অস্বস্তিতে ছিলেন এবং অনেক সময় সামাজিক মেলামেশা এড়িয়ে চলতেন। অন্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় নিচ থেকে তাকাতে হওয়া কিংবা অন্যদের তাঁর দিকে নিচের দিকে তাকিয়ে কথা বলার বিষয়টি তাঁকে বিব্রত করত। নিজের অভিজ্ঞতার কারণে ছেলের অনুভূতি বুঝতে পেরেছিলেন বলেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্তে তাঁকে সমর্থন দেন।   অ্যারন জানান, ছোটবেলা থেকেই তাঁর উচ্চতা নিয়ে বাবা সচেতন ছিলেন। তাঁকে লম্বা করতে সহায়ক হবে বলে মনে করে সকালে দুধ পান করানোর মতো অভ্যাসও গড়ে তুলেছিলেন তাঁর বাবা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পায়ের হাড় লম্বা করার অস্ত্রোপচারসংক্রান্ত একটি ভিডিও দেখে অ্যারনের আগ্রহ তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে খোঁজাখুঁজির পর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে অবস্থিত প্যালে অর্থোপেডিক অ্যান্ড স্পাইন ইনস্টিটিউটের সন্ধান পান তিনি। এরপর চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।   অ্যারনের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ত্রোপচারের পুরো খরচ বহনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। এই সিদ্ধান্তকে বাবা-ছেলের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। তাঁর বাবা জানিয়েছেন, নিজের যৌবনে এই প্রযুক্তি সহজলভ্য থাকলে তিনিও হয়তো একই ধরনের অস্ত্রোপচার করাতেন। তবে তাঁরা বিষয়টি অ্যারনের মায়ের কাছ থেকে গোপন রেখেছিলেন। অস্ত্রোপচারের আগের দিন তাঁকে বিষয়টি জানানো হয়।   ২০২৫ সালের মে মাসে অ্যারনের প্রথম অস্ত্রোপচার করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় পায়ের হাড়ে অস্ত্রোপচার করে বিশেষ ধাতব যন্ত্র বসানো হয়। পরে শরীরের বাইরে থেকে চুম্বকীয় প্রযুক্তির সাহায্যে যন্ত্রটির দৈর্ঘ্য ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়, যাতে হাড়ের দুই অংশের মধ্যবর্তী দূরত্ব বাড়ে এবং নতুন হাড় গঠনের সুযোগ তৈরি হয়। চিকিৎসাপদ্ধতি অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় এক মিলিমিটার করে হাড় লম্বা করা সম্ভব। পুরো প্রক্রিয়ায় কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এ সময় পেশি, স্নায়ু ও আশপাশের অন্যান্য টিস্যুকে নতুন দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়।   অ্যারন জানান, অস্ত্রোপচারের দিন তিনি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবে পরে তাঁর কাছে অস্ত্রোপচারের দিনটিকেই পুরো অভিজ্ঞতার তুলনায় সবচেয়ে সহজ মনে হয়েছে। সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল স্নায়বিক ব্যথা সহ্য করা। কখনো কখনো ব্যথার তীব্রতায় তাঁকে চিৎকার করে উঠতে হয়েছে এবং কেঁদেও ফেলেছেন। তবু তাঁর মতে, কষ্টটি সহনীয় ছিল এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অনুতপ্ত নন।   অস্ত্রোপচারের প্রায় আট মাস পর নিজের উচ্চতা বৃদ্ধির বিষয়টি দৈনন্দিন জীবনে স্পষ্টভাবে অনুভব করতে শুরু করেন অ্যারন। আগে হাত বাড়িয়ে সহজেই যেসব জিনিসে পৌঁছাতে পারতেন, সেগুলোর ক্ষেত্রে এখন তাঁকে আরও দূরে হাত বাড়াতে হচ্ছিল। তখনই তাঁর কাছে পরিবর্তনটি বাস্তব বলে মনে হয়। তবে অস্ত্রোপচারের পরপরই স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব হয়নি। নতুন উচ্চতার সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে আবার হাঁটাচলার স্বাভাবিক সক্ষমতা ফিরে পেতে দীর্ঘ পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। পায়ের হাড়ে বসানো ধাতব যন্ত্র অপসারণের জন্য পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় আরেকটি অস্ত্রোপচারও করাতে হয়।   বর্তমানে ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি উচ্চতার অ্যারন নিজের পড়াশোনা শেষ করা, পেশাগত জীবন এবং সামাজিক সম্পর্কের দিকে মনোযোগ দিতে চান। তিনি বলেন, উচ্চতা নিয়ে আগের অস্বস্তি কমে যাওয়ায় এখন অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মানসিকভাবে মনোযোগ দিতে পারছেন। নিজের শরীর ও মন নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তিতে রয়েছেন বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্তটি অন্যদের দেখানোর জন্য ছিল না, বরং নিজের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি অর্জন এবং মানসিকভাবে স্বস্তি পাওয়ার জন্যই এটি করেছিলেন।   অ্যারন তাঁর সিদ্ধান্তকে কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য পরিবর্তনের বিষয় হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, নিজের উন্নতির জন্য কেউ পরিশ্রম করতে চাইলে অন্যের তা নিয়ে বিচার করার অধিকার নেই। তবে পায়ের হাড় লম্বা করার অস্ত্রোপচার একটি বড় চিকিৎসাপদ্ধতি, যার সঙ্গে ব্যথা, দীর্ঘ পুনর্বাসন এবং জটিলতার ঝুঁকি জড়িত। তাই এ ধরনের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ, সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানা জরুরি।   সূত্র: পিপল ম্যাগাজিন

প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ২১:৪৬
জে-১ ভিসার অপব্যবহার রোধে ৯ শীর্ষ মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক তদন্তের ঘোষণা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্তের ঘোষণা জেডি ভ্যান্সের

অপরাধের পরিণতি সম্পর্কে মানুষকে ধারণা দিতে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করবে পেন্টাগন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ফোর্ট হুড হামলাকারীর ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে নিয়োগের গতি কমে যাওয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিযোগিতা বাড়ছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির বাজারে কেন এত সংকট, মাসের পর মাস আবেদন করেও কাজ পাচ্ছেন না অনেকে

গাড়িচালকদের ‘ধনী’ আখ্যা দিয়ে তোপের মুখে নিউইয়র্কের পরিবহন কমিশনার
গাড়িচালকদের ‘ধনী’ আখ্যা দিয়ে তোপের মুখে নিউইয়র্কের পরিবহন কমিশনার

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির প্রশাসনের পরিবহন কমিশনার মাইক ফ্লিন গাড়িচালকদের বিরুদ্ধে একপ্রকার অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক ল স্কুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করেন, শহরের বেশিরভাগ গাড়ির মালিকই ‘ধনী’।   একই সঙ্গে শহরের রাস্তায় পার্কিংয়ের সুবিধা দেওয়াকে তিনি সরকারি জমি ‘উপহার’ বা 'গিভঅ্যাওয়ে' দেওয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন। ফ্লিন জানান, বর্তমান প্রশাসন হাঁটা, পাবলিক ট্রানজিট, সাইক্লিং এবং ই-বাইককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি চালানো ও পার্কিং ব্যবস্থাকে এতটা কষ্টসাধ্য করে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে চালকরা বাধ্য হয়ে গাড়ি ব্যবহার ছেড়ে দেন।   ফ্লিন তার এই পদক্ষেপকে কর্মজীবী নিউইয়র্কারদের অর্থ বাঁচানোর একটি উপায় হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আমাদের শহরে যাদের গাড়ি নেই, তাদের তুলনায় গাড়ির মালিকরা দ্বিগুণেরও বেশি ধনী।" নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য গাড়ি রাখাকে একটি 'বোঝা' হিসেবেও আখ্যায়িত করেন তিনি।   তবে তার এই মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে 'ব্রুকলিনফোরঅল' (Brooklyn4All) নামের একটি তৃণমূল সংগঠন। বাস ও সাবওয়ে যাত্রী, সাইক্লিস্ট এবং সাধারণ গাড়িচালকদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটির এক মুখপাত্র বলেন, "যাতায়াত ব্যবস্থা সবার জন্য এক নিয়মে চলতে পারে না। কার জীবনে কোনটি মানানসই, সেটি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা মানুষের থাকা উচিত।   আমরা কি একটি গণতান্ত্রিক সমাজে বাস করছি না?" পরিবহন বিভাগ (DOT) সাধারণ মানুষের কথা শুনছে না—এমন অভিযোগ থেকেই প্রায় পাঁচ মাস আগে সংগঠনটি গড়ে ওঠে।   বক্তব্যের এক পর্যায়ে ফ্লিন হান্টার কলেজের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেন। তবে মজার বিষয় হলো, ওই প্রতিবেদনেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল যে মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তদের চেয়ে নিম্ন আয়ের মানুষেরই গাড়ির বেশি প্রয়োজন।   প্রতিবেদনটির তথ্য অনুযায়ী, আয়ের চেয়ে বাসস্থানের ধরন ও এলাকাই গাড়ির মালিকানার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। যেমন—সবচেয়ে বেশি গড় আয় থাকা সত্ত্বেও ম্যানহাটনের মাত্র ২৩ শতাংশ পরিবারের গাড়ি রয়েছে, যেখানে স্টেটেন আইল্যান্ডে এই হার ৮৫ শতাংশ।   ব্রুকলিনফোরঅল জোর দিয়ে বলেছে যে, গাড়িচালকদের মধ্যে বয়স্ক, প্রতিবন্ধী এবং অনিয়মিত শিফটে কাজ করা শ্রমজীবীরাও রয়েছেন। তাদের কাছে গাড়ি কোনো বিলাসিতা নয়, বরং কর্মস্থলে যাওয়া, বাচ্চাদের স্কুলে নেওয়া বা মুদি বাজার করার মতো দৈনন্দিন কাজের জন্য এটি অপরিহার্য।   নিম্ন আয়ের মানুষের গাড়ির প্রয়োজনীয়তার কথা আংশিক স্বীকার করলেও হান্টার কলেজের ওই প্রতিবেদনে গাড়ি ব্যবহার কমাতে বেশ কিছু কঠোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে রাস্তায় পার্কিংয়ের জন্য ফি আদায়, গাড়ির মূল্যের ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত নিবন্ধন চার্জ এবং প্রতি মাইলে তিন সেন্ট করে ড্রাইভিং ফি আরোপ করা।   পরিবহন কমিশনার জানিয়েছেন, প্রশাসন এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দেখছে। তবে ব্রুকলিনফোরঅল-এর মুখপাত্র এর কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, যাতায়াত ব্যবস্থাকে কঠিন করে চালকদের শাস্তি দিলেই মানুষ বাধ্য হয়ে সাইকেল বা পাবলিক ট্রানজিটে ঝুঁকবে না। এটি কেবল সেইসব শ্রমজীবী পরিবারের ওপর একটি ভারী ও অন্যায্য করের বোঝা চাপিয়ে দেবে, যারা এমনিতেই জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ১৮:২৭
নিউইয়র্কে প্রেমিকা ও ৮ মাসের শিশুকে ১৫ তলা থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পরও মুখে হাসি

নিউইয়র্কে প্রেমিকা ও ৮ মাসের শিশুকে ১৫ তলা থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পরও মুখে হাসি

ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫৬৩ মৃ ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফের কথা ভাবছেন নিউসম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫৬৩ মৃ ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফের কথা ভাবছেন নিউসম

টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে  হ ত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত তরুণী ২০ লাখ ডলারের জামিনে মুক্ত

টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে হ ত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত তরুণী ২০ লাখ ডলারের জামিনে মুক্ত

ভিসা থাকলেও পাসপোর্টের এই ৮ ভুলে আটকে যেতে পারেন বিমানবন্দরে
ভিসা থাকলেও পাসপোর্টের এই ৮ ভুলে আটকে যেতে পারেন বিমানবন্দরে

বহু প্রতীক্ষিত বিদেশ ভ্রমণের আগে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও কেবল পাসপোর্টের একটি ছোট ভুলের কারণে ভেস্তে যেতে পারে আপনার পুরো পরিকল্পনা। অনেকেই মনে করেন, মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাসপোর্ট পুরোপুরি বৈধ। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা ভিন্ন কথা বলে।   উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি কখনো পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার রিপোর্ট করেন এবং পরবর্তীতে সেটি খুঁজেও পান, তবুও সেই পাসপোর্ট দিয়ে ভ্রমণ করা যাবে না। আইভিসা-এর কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স ডিরেক্টর ভিক্টর জিমেনেজ জানান, একবার সিস্টেমে হারিয়ে যাওয়ার রিপোর্ট করা হলে পাসপোর্টটি স্থায়ীভাবে বাতিল হয়ে যায়। তাই আপাতদৃষ্টিতে সম্পূর্ণ বৈধ মনে হওয়া পাসপোর্টও বিমানবন্দরে বা ইমিগ্রেশনে বড় ধরনের বিপত্তির কারণ হতে পারে।   পাসপোর্টের মেয়াদের ক্ষেত্রে একেক দেশের নিয়ম একেক রকম। সেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদ ফেরার সম্ভাব্য তারিখের পর অন্তত তিন মাস থাকতে হয় এবং পাসপোর্টটি অবশ্যই গত ১০ বছরের মধ্যে ইস্যুকৃত হতে হয়। আবার অনেক দেশ পৌঁছানোর পর থেকে পাসপোর্টের ন্যূনতম ছয় মাসের মেয়াদ দাবি করে।   শুধু মেয়াদই নয়, পাসপোর্টের ফাঁকা পাতার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন বা ভারতের মতো দেশগুলো ইমিগ্রেশন স্ট্যাম্পের জন্য অন্তত দুটি ফাঁকা পাতা দাবি করে। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে আবার নিয়ম আরেকটু কড়া; সেখানে প্রবেশের জন্য পাসপোর্টে পরপর দুটি সম্পূর্ণ ফাঁকা পাতা থাকা বাধ্যতামূলক। তাই ভ্রমণের আগে গন্তব্য দেশের এই ছোটখাটো কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলো যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।   শিশুদের পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও অনেক সময় অভিভাবকরা ভুল করে থাকেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো অনেক দেশেই শিশুদের পাসপোর্টের মেয়াদ প্রাপ্তবয়স্কদের মতো ১০ বছর হয় না, বরং তা ৫ বছর হয়ে থাকে। তাই শিশুদের নিয়ে ভ্রমণের আগে তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ যাচাই করার পাশাপাশি জন্মনিবন্ধন বা আইনি সম্পর্কের প্রমাণপত্র সাথে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়, এমনকি পদবি এক হলেও। অন্যদিকে, নববিবাহিতদের ক্ষেত্রে প্রায়ই নাম বিভ্রাটের সমস্যা দেখা যায়।   অনেকেই বিয়ের পর পদবি পরিবর্তন করলেও পাসপোর্টে তা আপডেট করতে ভুলে যান এবং নতুন নামে ফ্লাইটের টিকিট বুক করেন। পাসপোর্ট ও টিকিটের নামের এই অমিলের কারণে বিমানবন্দরে বোর্ডিং থেকে ছিটকে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।   পাসপোর্টের বাহ্যিক অবস্থাও আপনার ভ্রমণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। পানি লেগে নষ্ট হওয়া, ল্যামিনেশন উঠে যাওয়া, পাতা আটকে থাকা বা ছিঁড়ে যাওয়াকে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন। পাসপোর্টের বায়োগ্রাফিক্যাল পাতায় (যেখানে ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য থাকে) কোনো ধরনের অননুমোদিত দাগ, স্টিকার বা শিশুদের আঁকিবুঁকি থাকলে সেটি বাতিল বলে গণ্য হতে পারে।   তবে স্বাভাবিক ব্যবহারের কারণে মলাটে সামান্য দাগ পড়লে বা পাতা কিছুটা বাঁকা হলে সাধারণত সমস্যা হয় না। মূল বিষয় হলো, পাসপোর্টের তথ্যগুলো যাতে মেশিন রিডেবল বা স্ক্যান করার মতো অবস্থায় থাকে।   অনেক গন্তব্যস্থল ‘ভিসা-মুক্ত’ হলেও এর অর্থ এই নয় যে কোনো কাগজপত্র ছাড়াই সেখানে যাওয়া যাবে। যুক্তরাজ্য বা নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে ভিসা না লাগলেও যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) পূরণ করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া, আপনি যদি নতুন পাসপোর্ট তৈরি করেন, তবে পুরোনো পাসপোর্টের ইটিএ বা কিছু ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুনটিতে স্থানান্তরিত হয় না।   কারণ, নতুন পাসপোর্টের নম্বর ভিন্ন হয়। এক্ষেত্রে অনেক দেশ পুরোনো ও নতুন দুটি পাসপোর্টই সাথে রাখার পরামর্শ দেয়, আবার কিছু দেশ নতুন করে ইটিএ বা ভিসার আবেদন করতে বলে। বিশ্বজুড়ে ভ্রমণের নিয়মকানুন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ফ্লাইট বুকিংয়ের আগে এবং ভ্রমণের কয়েক সপ্তাহ আগে গন্তব্য দেশের সরকারি ওয়েবসাইট ও এয়ারলাইন্সের নিয়মাবলি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ১৫:৫৪
মূলধনের অভাবে থেমে যাবে না স্বপ্ন, তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে দুই দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত হার্ভার্ড শিক্ষার্থী

মূলধনের অভাবে থেমে যাবে না স্বপ্ন, তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে দুই দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত হার্ভার্ড শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে লাভজনক ডিগ্রির তালিকায় ইউসিএলএর কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে লাভজনক ডিগ্রির তালিকায় ইউসিএলএর কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং

নিউইয়র্ক টাইমসের ট্রান্সজেন্ডার নির্বাহীকে হ ত্যার পর সামনে এলো স্ত্রীর ভয়াবহ নি র্যাতনের অভিযোগ

নিউইয়র্ক টাইমসের ট্রান্সজেন্ডার নির্বাহীকে হ ত্যার পর সামনে এলো স্ত্রীর ভয়াবহ নি র্যাতনের অভিযোগ

0 Comments