বিশ্ব

তেলআবিবের আকাশে হাজারো কাকের ঝাঁক, আতঙ্কে স্থানীয়রা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
তেলআবিবের আকাশে হাজারো কাকের ঝাঁক, আতঙ্কে স্থানীয়রা
তেলআবিবের আকাশে হাজারো কাকের ঝাঁক, আতঙ্কে স্থানীয়রা

ইসরাইলের বাণিজ্যিক নগরী তেলআবিব–এর আকাশে হঠাৎই দেখা গেছে অসংখ্য কাকের বিশাল ঝাঁক, যা মুহূর্তেই স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার শহরের বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার কালো পাখি একসঙ্গে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়।

 

আকাশজুড়ে তাদের ঘূর্ণায়মান উড্ডয়ন এমন দৃশ্য তৈরি করে, যেন পুরো শহর একটি অন্ধকার পর্দায় ঢেকে যাচ্ছে। বিশেষ করে আজরিয়েলি টাওয়ার–এর মতো উঁচু ভবনের ওপর দিয়ে পাখির দল উড়তে থাকায় অনেকেই ভীত হয়ে পড়েন।

 

এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে অনেকেই এই অস্বাভাবিক দৃশ্যকে অশুভ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। কেউ কেউ এটিকে সম্ভাব্য বড় কোনো বিপর্যয়ের পূর্বাভাস বলেও মন্তব্য করেছেন।

 

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও ঘটনাটি নিয়ে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। কিছু মানুষ বুক অব রেভেলেশন–এর উল্লেখ করে বলছেন, ইতিহাসে বড় সংঘাতের আগে এমন লক্ষণ দেখা যাওয়ার কথা বলা আছে। ফলে ধর্মবিশ্বাসী মহলেও বিষয়টি নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা এই ঘটনাকে একেবারেই স্বাভাবিক প্রাকৃতিক আচরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তাদের মতে, ইসরাইল বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাখির পরিযায়ন পথের মধ্যে পড়ে। প্রতি বছর বসন্ত মৌসুমে বিপুল সংখ্যক পাখি এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে চলাচল করে।

 

পক্ষীবিদদের ভাষ্য অনুযায়ী, এখানে ‘হুডেড ক্রো’ নামের এক ধরনের কাক খুব সাধারণ। এই সময়টায় তাদের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় তারা দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করে এবং শহরের উঁচু ভবন ও সহজলভ্য খাদ্যের কারণে বড় ঝাঁক তৈরি করে।

 

বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, পরিবেশগত পরিবর্তন, শব্দ বা হঠাৎ কোনো ভীতি থেকেও পাখিরা এভাবে একসঙ্গে আকাশে উড়তে পারে। তাই এটিকে অতিপ্রাকৃত বা অশুভ কিছু হিসেবে দেখার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

 

তবুও চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সাধারণ মানুষের মনে ভীতি কাটছে না। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির প্রভাবেই অনেকে এই স্বাভাবিক ঘটনাকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছেন।

 

সূত্র: ডেইলি মেইল

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

Advertisement

বিশ্ব

View more
হরমুজ প্রণালীতে চলাচলে টোল আরোপের আইন আনছে ইরান
হরমুজ প্রণালীতে চলাচলে টোল আরোপের আইন আনছে ইরান

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী বিদেশি জাহাজগুলোর জন্য টোল আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। এ সংক্রান্ত একটি আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে দেশটির পার্লামেন্টে গৃহীত হয়েছে এবং এর খসড়া তৈরির কাজ চলছে।   ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ–কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্টের এক আইনপ্রণেতা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌম কর্তৃত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা এবং এই পথ ব্যবহারকারী বিদেশি জাহাজ থেকে ফি আদায়ের লক্ষ্যে এই আইন আনা হচ্ছে।   বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার হয়েছে, যার ফলে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দেখা যাচ্ছে।   ইরান জানিয়েছে, তাদের এই পদক্ষেপ মূলত ‘শত্রুভাবাপন্ন’ দেশগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে ‘মিত্র’ বা নিরপেক্ষ দেশগুলোর জাহাজ চলাচলে সরাসরি বাধা না থাকলেও নতুন নিয়ম অনুযায়ী তাদেরও নির্দিষ্ট অনুমতি নিতে হবে।   এ বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন–এর সদস্য দেশগুলোকে পাঠানো এক চিঠিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের আগে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে ইরানের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।   এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   সূত্র : দ্য স্ট্রেইট টাইমস

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
তেলআবিবের আকাশে হাজারো কাকের ঝাঁক, আতঙ্কে স্থানীয়রা

তেলআবিবের আকাশে হাজারো কাকের ঝাঁক, আতঙ্কে স্থানীয়রা

ভারতে বাস-লরির সংঘর্ষে অগ্নিকাণ্ড, প্রাণ গেল ১৩ জনের

ভারতে বাস-লরির সংঘর্ষে অগ্নিকাণ্ড, প্রাণ গেল ১৩ জনের

ছবি: সংগৃহীত

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িয়ে পড়া, কৌশলগত বাধ্যবাধকতা নাকি ঐতিহাসিক ভুল

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরায়েলের ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলবর্তী হাদেরায় অবস্থিত একটি প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর কেন্দ্রটি থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে।   বিবিসি কর্তৃক যাচাইকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কুলিং টাওয়ারের পাশ থেকে ধূসর ধোঁয়া আকাশে উঠছে। স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ভিডিওটি সাম্প্রতিক এবং ঘটনাস্থলটি হাদেরার ওই কেন্দ্রেরই।   এই কেন্দ্রটি ২০২২ সালে কয়লাচালিত থেকে গ্যাসচালিত স্থাপনায় রূপান্তরিত হয়েছে এবং ইসরায়েলের জ্বালানি অবকাঠামোর অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। বিবিসি সূত্র জানিয়েছে, ভিডিওটি আজই প্রথম অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে।   হামলার প্রেক্ষিতে ইসরায়েল ইলেকট্রিক করপোরেশনের বরাত দিয়ে ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’ জানিয়েছে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত সত্ত্বেও কেন্দ্রটির মূল অবকাঠামোতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে হামলার কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বা বিবৃতি এখনও পাওয়া যায়নি। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এই হামলাকে ইরানের সক্ষমতা প্রদর্শন এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেখছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ইরান প্রশংসা করল এরদোয়ানকে

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের, পাল্টা ৫ শর্তে নতুন উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে

ছবি: সংগৃহীত

কূটনীতির আড়ালে সামরিক তৎপরতা, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, তখন সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে।  মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, বর্তমানে এই অঞ্চলে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। ওয়াশিংটন মুখে যুদ্ধবিরতি ও শান্তির প্রস্তাব দিলেও বাস্তবে তাদের কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সেন্টকম-এর তথ্যমতে, কেবল সেনাসদস্যই নয়, এই অঞ্চলে বর্তমানে অন্তত ২০০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং দুটি বিশালাকার বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করছে। সামরিক শক্তির এই বহর আরও বাড়াতে নতুন করে মোতায়েন করা হচ্ছে '৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন'-এর আরও ১ হাজার সেনা। এছাড়া ৫ হাজার মেরিন ও নৌ-সেনা নিয়ে গঠিত দুটি বিশেষ 'মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট' এখন মধ্যপ্রাচ্যের পথে। বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব আর অন্যদিকে রেকর্ড সংখ্যক সেনা মোতায়েন—যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও বাস্তবে যুদ্ধপ্রস্তুতি কি কোনো বড় সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে শান্তির দূত পাকিস্তান! কেন ভারত নেই এই ভূমিকায়?

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজের পর এবার বাবেল মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুমকি ইরানের: বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন। ফাইল ছবি: এএফপি

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শেষের পথে: হাউস স্পিকার মাইক জনসন

0 Comments