২৬ ও ২৭ জানুয়ারি ৮ জেলা সফরে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

উত্তরাঞ্চলের সফল সফর শেষ করে এবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আটটি জেলা চষে বেড়াবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আগামী ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি (সোমবার ও মঙ্গলবার) দুই দিনের এই সফরে তিনি নির্বাচনী জনসভা ও গণসংযোগ করবেন। মূলত ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীদের পক্ষে জনমত গঠনই এই সফরের মূল লক্ষ্য।   জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুই দিনে ডা. শফিকুর রহমান নিম্নলিখিত জেলাগুলো সফর করবেন: ২৬ জানুয়ারি (সোমবার): কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা। ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার): যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট। এই প্রতিটি জেলায় স্থানীয় জামায়াত ও ১১-দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর উদ্যোগে বিশাল জনসভা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান এসব সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন।   আমিরের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন: ১. মিয়া গোলাম পরওয়ার: জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি। ২. মোবারক হোসাইন: যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক। ৩. মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক: খুলনা অঞ্চল পরিচালক।   আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দিনভর ডা. শফিকুর রহমান তাঁর নিজস্ব নির্বাচনী এলাকা (ঢাকা-১৫) এবং রাজধানীর অন্যতম প্রবেশদ্বার যাত্রাবাড়ীসহ মোট চারটি স্থানে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। যাত্রাবাড়ীর জনসভায় তিনি চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘কমপ্লিট লালকার্ড’ ঘোষণা করে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
বিএনপির সমাবেশ থেকে ১৮টি মাইক চুরি

চট্টগ্রাম: কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড এলাকায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভাস্থলের আশপাশ থেকে ১৮টি মাইক ইউনিট ও পাঁচ কয়েল তার চুরির ঘটনা ঘটেছে।    রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে নগরের কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ঢাকা রাজ সাউন্ড সিস্টেম।   নগরের পলোগ্রাউন্ড ময়দানে তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সমন্বয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সমাবেশস্থল ও আশপাশে ড্রোন উড়ানোসহ অস্ত্র, বিস্ফোরক, দাহ্য পদার্থ, লাঠি, ধারালো অস্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ যেকোনো বস্তু বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।   তবে এতসব নিরাপত্তার মধ্যেও চুরির ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠেছে।   অভিযোগে বলা হয়, বিএনপির জনসমাবেশে ব্যবহারের জন্য পলোগ্রাউন্ড মাঠে রাখা তাদের সাউন্ড সিস্টেমের মালামাল গত শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে রোববার (২৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টার মধ্যে চুরি হয়ে যায়। এ সময় সাউন্ড সিস্টেমের ১৮টি মাইক ইউনিট ও ৫টি কয়েল তার কে বা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।     চুরির ঘটনায় রাজ সাউন্ড সিস্টেমের স্টাফ আবদুর রাজ্জাক বাংলানিউজকে বলেন, গত শুক্রবার থেকে সমাবেশে প্রায় ২০০টি মাইক স্থাপন করা হয়েছিল। শনিবার রাতে একবার লাইন চেক করে তারা চলে যান। মাইকগুলোর নিরাপত্তায় রাস্তায় তার দুইজন লোক টহলে ছিলেন। তবে সকালে পুনরায় মাইক পরীক্ষা করতে গিয়ে ১৮টি মাইকের ইউনিট ও পাঁচ কয়েল তার চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে।   খোয়া যাওয়া মাইকগুলো সমাবেশস্থলের গেটের বাইরে সড়কের বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ ফুট উচ্চতায় লাগানো ছিল। বিষয়টি বিএনপি নেতাদের জানালে তারা থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।   এদিকে চুরির বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।   উল্লেখ্য, প্রায় ২০ বছর পর চট্টগ্রামে কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি সমাবেশস্থলে পৌঁছে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পরে মঞ্চে ওঠেন।   এর আগে শনিবার রাত ৮টার দিকে তিনি চট্টগ্রামে আসেন। 

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ১৩

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আলমডাঙ্গা উপজেলার যুগিরহুদা গ্রামে বিএনপি-জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।   রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ১৩ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। খবর পেয়ে ওই গ্রামে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।   জামায়াত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রবিবার দুপুরে জামায়েতের কয়েকজন নারী কর্মী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির সমর্থকদের বাধার মুখে পড়তে হয় তাদের। একপর্যায়ে নারীদের ওপর হামলাও চালানো হয়।   বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, জামায়াতের নারী কর্মীরা সাধারণ ভোটারদের বাড়ি গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে, সত্যতা জানতে চাওয়া হয়। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে তারা জামায়াতের পুরুষ কর্মীদের ডেকে নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। বহিরাগত লোকজন এসে লাঠিশোঠা, ইটপাটকেল নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালায়।   আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামান বলেন, নির্বাচনী মাঠের শান্ত পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করা হচ্ছে। জামায়াতের অতর্কিত হামলায় নারীসহ বিএনপির ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।   অপরদিকে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, জামায়াতের নারীকর্মীদের বারবার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে। বিএনপির হামলায় জামায়াতের নারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।   আলমডাঙ্গার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানান, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। ওই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা
হর্ষ বর্ধনের বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জামায়াতের

‘ভোট সুষ্ঠু হলে জামায়াতের জেতার সম্ভাবনা নেই’— বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার এমন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।     আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।    বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্রসচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা যে মন্তব্য করেছেন তা কূটনৈতিক রীতিনীতি বিরোধী।    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং একটি বৈধ ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পররাষ্ট্র নীতিমালার লঙ্ঘন। বিশেষ করে একজন সাবেক কূটনীতিক ও বর্তমান সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।   হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তথ্যবিকৃত ও রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি দেশের জনগণ কাকে ভোট দেবে এবং কাকে ভোট দেবে না, তা সম্পূর্ণ সেই দেশের জনগণেরই এখতিয়ার। কোন রাজনৈতিক দল কী পরিমাণ জনসমর্থন পাবে, তা নির্ধারণ করার এখতিয়ার কোনো বিদেশি রাজনীতিবিদের নেই। বাংলাদেশের জনগণই এ দেশের মালিক এবং তারাই নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।   তিনি বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন কীভাবে হবে কিংবা কোন দল কত ভোট পাবে—এ ধরনের মন্তব্য করে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার পরিবেশ ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন।   ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিবন্ধিত, গণতান্ত্রিক ও আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল। এ দেশের জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রশ্নে আমরা সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছি। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে জনগণই তাদের প্রকৃত রায় দেবে—এ বিষয়ে আমাদের কোনো সংশয় নেই।’   আমরা আশা করি, ‘ভারতের দায়িত্বশীল মহল এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকবেন এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে পারস্পরিক সম্মান ও কূটনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখবেন।’   প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় আসতে পারবে না।    তিনি আরও বলেন, ‘যদি নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু না হয় এবং কারচুপি হয়, তাহলে তারা ক্ষমতায় আসতে পারে। নাহলে তাদের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কম। দলটির ভোটের হার পাঁচ থেকে সাত শতাংশ, তাও আবার অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তায়।’

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
নির্বাচনে প্রশাসনের ‘দৃঢ় অবস্থানের’ অভাব, গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার ক্ষেত্রে মাঠ প্রশাসনের ‘দৃঢ় অবস্থানের অভাব’ ও ‘পাক্ষিক আচরণের’ অভিযোগ তুলেছে এবি পার্টি। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে দেশ আরেকটি কঠোর গণআন্দোলনের মুখে পড়বে।   মজিবুর রহমান মঞ্জু সিইসির কাছে একটি বিস্তারিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন, যেখানে বেশ কিছু স্পর্শকাতর বিষয় তুলে ধরা হয়েছে: দ্বিমুখী আচরণ: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দ্বিমুখী অবস্থানের সমালোচনা করা হয়েছে। ফেনী-২ আসনে সামান্য কারণে প্রার্থীদের জরিমানা করা হলেও ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার-ব্যানার সরানোর নির্দেশ তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। হামলা ও নিরাপত্তা: বরিশালে ব্যারিস্টার ফুয়াদ এবং ফেনীর ছাগলনাইয়ায় প্রচারণার সময় হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশাসনের তিন স্তরের নিরাপত্তা কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া: ফেনীর পরিস্থিতিকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থানা থেকে লুট হওয়া আধুনিক অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চললেও কার্যকর কোনো ফল আসেনি, যা অবাধ নির্বাচনের জন্য বড় হুমকি।   মঠপর্যায়ের উত্তেজনার জন্য বিএনপি ও জামায়াতের কিছু অতি-উৎসাহী সমর্থকদের দায়ী করে মঞ্জু বলেন: “বিএনপি ও জামায়াত বর্তমানে জনপ্রিয় দল। আমরা তাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু কিছু প্রার্থী ব্যক্তিগত জয়ের জন্য সারা দেশের পরিবেশ নষ্ট করছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে পালিত না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।”   এবি পার্টির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অনেক এলাকায় ভোটাররা সমর্থন দিলেও জনসম্মুখে আসতে ভয় পাচ্ছেন। নির্বাচনে কারচুপির ‘প্রাচীন ধারা’ বজায় রাখতে কিছু প্রার্থী ‘ডামি প্রার্থী’ ব্যবহার করছেন বলে ইসিকে জানানো হয়েছে। ইসি সচিব এসব বিষয় নোট করেছেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।   বৈঠক শেষে মজিবুর রহমান মঞ্জু কঠোর ভাষায় বলেন: “নির্বাচনকে ম্যানিপুলেট করার কোনো চেষ্টা হলে এবং ইসি ও প্রশাসন নির্বিকার থাকলে, দেশ আরেকটি গণআন্দোলনের দিকে যাবে—এটা আমাদের আগাম প্রেডিকশন।”

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
আমির হামজার বিরুদ্ধে এবার ঝিনাইদহ আদালতে মামলা

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁদের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে জামায়াত নেতা ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের প্রার্থী মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতে এই মামলাটি করা হয়।   আদালতের বিচারক মখলেসুর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। বাদী: অ্যাডভোকেট আব্দুল আলীম। অভিযোগ: মামলার আরজিতে বলা হয়, আমির হামজা তাঁর সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্যে জিয়া পরিবারকে নিয়ে অত্যন্ত অশালীন ও মানহানিকর শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া: মামলার পক্ষে শুনানি করা অ্যাডভোকেট সর্দার মিল্টন বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে আমির হামজার বক্তব্য অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ। তিনি যদি জনসমক্ষে ক্ষমা না চান, তবে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”   উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে আমির হামজার একই ধরনের বক্তব্যের জেরে কুষ্টিয়া, যশোর ও মাগুরাতেও একাধিক মানহানি মামলা হয়েছে। কুষ্টিয়ায় বিক্ষোভ: ১৮ জানুয়ারি কুষ্টিয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ঝাঁড়ু মিছিল করেন একদল নারী। ছাত্রদলের মামলা: কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রদলের এক নেতাও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আমির হামজার অবস্থান: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর প্রেক্ষিতে আমির হামজা দাবি করেছেন, তাঁর বিতর্কিত বক্তব্যটি ২০২৩ সালের এবং সেটি কাটছাঁট করে প্রচার করা হচ্ছে। তবে তিনি তাঁর ‘ভুলের’ জন্য ইতিমধ্যেই ফেসবুকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ আসন থেকে জামায়াতের হয়ে লড়ছেন আমির হামজা। তবে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার আগেই একের পর এক আইনি ঝামেলা ও সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। বিএনপি ও জামায়াতের জোটে ফাটল ধরার অন্যতম কারণ হিসেবে আমির হামজার এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্যকে দায়ী করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
ডাকসু মাদকের আড্ডাখানা, বেশ্যাখানা ছিল—বললেন বরগুনা জেলা জামায়াত নেতা শামীম

আমেরিকা বাংলা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর ও বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান। শনিবার রাতে পাথরঘাটার কাটাখালী এলাকায় বরগুনা-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।   বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, “আমরা দেখেছি, নির্বাচনের আগে ডাকসু মাদকের আড্ডাখানা ছিল, বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে।” তিনি আরও বলেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যদি ছাত্রশিবিরকে গ্রহণ করতে পারে, তবে জামায়াতে ইসলামীও আগামী দিনে ক্ষমতায় যেতে পারবে। বক্তব্য চলাকালীন তিনি কর্মীদের উদ্দেশে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেন: বিএনপিকে হুঁশিয়ারি: আগামী দিনে ভোটকেন্দ্রে বিএনপি যাতে কোনো ধরনের হাঙ্গামা করতে না পারে, সেজন্য নেতাকর্মীদের ‘সীসা ঢালা প্রাচীরের মতো’ ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। ধর্মীয় আবেগ: রাজনীতিকে ‘ইবাদতের কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের ঈমানের বলে বলীয়ান হওয়ার পরামর্শ দেন।   আজ রোববার গণমাধ্যমে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে সাফাই গেয়েছেন শামীম আহসান। তিনি সমকালকে বলেন: “ডাকসু আগে মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা ছিল—এটি আমি বলিনি। আমি বলেছি, শিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়ী হয়ে পরিবেশ সুন্দর করেছে। জামায়াত জয়ী হলে সারাদেশে এমন পরিবেশ নিয়ে আসবে।”   ডাকসুর মতো একটি ঐতিহাসিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে ‘বেশ্যাখানা’ শব্দ ব্যবহার করায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাবেক ডাকসু নেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখছেন, এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কেবল রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতই নয়, এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাহানি। অন্যদিকে, জামায়াতের শরিক জোটের মিত্র বিএনপির সাথে দ্বন্দ্বের আভাস পাওয়া যাচ্ছে তাঁর ‘বিএনপিকে প্রতিহতের’ আহ্বানে।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
হেভিওয়েট রাজনীতিবিদদের আধিপত্য আর টিকবে না : সারজিস আলম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তথাকথিত ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীদের দিন শেষ হয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি নেতা ও পঞ্চগড়-১ আসনের জোটবদ্ধ প্রার্থী সারজিস আলম। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে অমরখানা ইউনিয়নে গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি দাবি করেন, বড় বড় দলের পরিচিত অনেক নেতার এবার ভূমিধস পতন ঘটবে।   জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে সারজিস আলম বলেন: ঘরে ঘরে বিপ্লব: ২০২৪ সালের আগস্টের বিপ্লব এখন মানুষের চেতনায় মিশে গেছে। মানুষ এখন শুধু ভোটের দিনের অপেক্ষায় আছে যাতে জুলুম ও অন্যায়ের জবাব ব্যালটে দিতে পারে। জুলুমবাজদের প্রত্যাখ্যান: গত এক বছর তিন মাস ধরে যারা দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজি এবং মামলা বাণিজ্যের সাথে জড়িত ছিল, তারা এখন ‘ফেরেশতা’ সাজলেও মানুষ তাদের ‘গিরগিটি চরিত্র’ চিনে ফেলেছে।   সারজিস আলম আত্মবিশ্বাসের সাথে জানান যে, শুধু পঞ্চগড় নয়, সারাদেশে ইনসাফের পক্ষে থাকা ১১ দলীয় ঐক্যবদ্ধ জোট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করবে এবং সরকার গঠন করবে। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “অনেকের কথাই শুনবেন, কিন্তু ভোট দেওয়ার সময় ইনসাফ কায়েমের পক্ষে শাপলা কলি প্রতীকেই আস্থা রাখবেন।”   নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সারজিস আলম স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ভোটার ও কর্মীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন: “আজ সকালেই এক জামায়াতকর্মী অভিযোগ করেছেন যে, তাকে ধানের শীষে ভোট না দিলে নির্বাচনের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, ভয় দেখিয়ে বা হুমকি দিয়ে ক্ষমতার স্বপ্ন দেখলে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে।” উল্লেখ্য, সারজিস আলম বর্তমানে পঞ্চগড়-১ আসনে তাঁর জোটের প্রতীক ‘শাপলা কলি’ নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন। আজকের সভায় বিপুল সংখ্যক তরুণ ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার অঙ্গীকার তারেক রহমানের

ক্ষমতায় গেলে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির ‘টুঁটি চেপে ধরার’ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত এক মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অঙ্গীকার করেন। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রধান অন্তরায় হলো দুর্নীতি ও নিরাপত্তাহীনতা, যা একমাত্র বিএনপিই কঠোর হস্তে দমন করতে সক্ষম।   তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে রাষ্ট্র পরিচালনার দুটি প্রধান স্তম্ভের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন: ১. কঠোর আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা: মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চলাচল করতে পারে, তার জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন: “অতীত সাক্ষী, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে নিজ দলের কেউ অপরাধ করলেও ছাড় দেয়নি। আগামী দিনেও আমরা কঠোর হাতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করব। অপরাধীর পরিচয় কেবল ‘অপরাধী’ হিসেবেই থাকবে।” ২. দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: দুর্নীতিকে উন্নয়নের প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের সরকার দেশকে দুর্নীতির মাধ্যমে পিছিয়ে দিয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেই অবস্থার পরিবর্তন করেছিল। এবারও ক্ষমতায় গেলে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির মূলোৎপাটন করা হবে।   চট্টগ্রামকে নিজের পরিবারের জন্য ‘পুণ্যভূমি’ হিসেবে অভিহিত করে তারেক রহমান বলেন: এই চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই মাটিতেই তিনি শহীদ হয়েছেন। এখান থেকেই বেগম খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তিনি চট্টগ্রামের মানুষের ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই অঞ্চলের সঙ্গে তাঁর পরিবারের রক্তের ও আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।   তারেক রহমান ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার সঙ্গে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে একসূত্রে গেঁথে বলেন: “১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছিল, আর সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন। বিগত ১৬ বছর মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। জনগণের সেই অধিকার ফিরিয়ে দিতেই ছাত্র-জনতা রাজপথে রক্ত দিয়েছে।”   সমাবেশ শেষে তারেক রহমান চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের প্রার্থীদের দেশবাসীর সামনে পরিচয় করিয়ে দেন এবং আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে একটি আমূল পরিবর্তনের অংশীদার হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক
জামায়াতের আমিরের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। রোববার সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ অবস্থান তুলে ধরেন।   রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি দল: সারাহ কুকের সঙ্গে ছিলেন উপ-হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান, রাজনীতি বিভাগের প্রধান টিমোথি ডাকেট এবং দ্বিতীয় সচিব কেট ওয়ার্ড। জামায়াতের প্রতিনিধি দল: আমিরে জামায়াতের সঙ্গে ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান।   বৈঠক শেষে দুই পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আলোচনায় প্রধান্য পেয়েছে: গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ: উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন যে, ১২ ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও মজবুত হবে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও গতিশীল করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন তাঁরা। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ: সারাহ কুক স্পষ্টভাবে জানান, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের মাত্র ১৮ দিন আগে প্রভাবশালী দেশগুলোর দূতদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর এই ঘনঘন বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর মতো বড় শক্তির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের এই খোলামেলা আলোচনা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে বড় বার্তা দিচ্ছে। একই দিন সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) অন্যান্য কূটনীতিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন, যেখানে তাঁরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
চাঁদাবাজি ভিক্ষার চেয়ে নিকৃষ্ট: জামায়াত আমির

আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক বিশাল জনসমুদ্রে ভাষণ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বর্তমান সময়ের আলোচিত সমস্যা ‘চাঁদাবাজি’র বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজদের জন্য জামায়াতের পক্ষ থেকে সরাসরি ‘লালকার্ড’ দেখানো হবে।   জনতার উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে বর্তমানে ‘চাঁদাবাজি’ একটি পেশায় পরিণত হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আপনারা কি কেউ চাঁদাবাজের ভাই, পিতা বা সন্তান হতে রাজি আছেন?” জনতার সমস্বরে ‘না’ সূচক উত্তরের পর তিনি ঘোষণা করেন: ঘৃণিত পেশা: চাঁদাবাজি ভিক্ষার চেয়েও নিকৃষ্ট এবং এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। জিরো টলারেন্স: জামায়াত নিজে কোনো চাঁদাবাজি করবে না এবং অন্য কাউকে মায়ের সন্তানকে দিয়ে চাঁদাবাজি করতে দেবে না। এ ব্যাপারে কোনো রাখঢাক নেই, কথা একদম সাফ।   ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন: “গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, আর ‘না’ মানে গোলামি।” তিনি অভিযোগ করেন, যারা জনতার মনের ভাষা বুঝতে পারছে না, তারা ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মা। ফ্যাসিবাদের শেকড় উপড়ে ফেলতে হলে গণভোটে বিপুল ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে।   নারীদের দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন: নিরাপদ কর্মসংস্থান: ঘরে-বাইরে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। ইভনিং বাস সার্ভিস: কর্মজীবী নারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে জামায়াত সরকার গঠন করলে বিশেষ ‘ইভনিং বাস সার্ভিস’ চালু করা হবে।   নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা করা হলে পরিণতি ভয়াবহ হবে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “কেউ কেউ হেরে যাওয়ার ভয়ে বাঁকা পথে পা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। যদি ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করার দুঃসাহস কেউ দেখায়, তবে বাংলার ঘরে ঘরে আগুন জ্বলবে।” এদিন সকাল থেকেই যাত্রাবাড়ী এলাকা জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মিছিলে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ের আগে এই জনসভাকে জামায়াতের বড় ধরনের শক্তির মহড়া হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
১৫ বছর মামলা আর পুলিশের তাড়ায় ছিলাম: মির্জা ফখরুল

বিগত ১৫ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর চলা জেল-জুলুমের স্মৃতিচারণ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিশোধের রাজনীতি নয় বরং সমঅধিকারের বাংলাদেশ গড়তে চায় বিএনপি। রোববার দুপুরে সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাঁও এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।   আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার দমন-পীড়নের চিত্র তুলে ধরে ফখরুল বলেন: সারাদেশে মামলা: বিএনপির প্রায় ৬০ লাখ মানুষের নামে মামলা দেওয়া হয়েছিল। এমন কোনো নেতাকর্মী নেই যাকে পুলিশের তাড়া খেতে হয়নি। ঠাকুরগাঁওয়ের চিত্র: শুধু ঠাকুরগাঁও জেলাতেই প্রায় সাড়ে সাত হাজার মামলা দেওয়া হয়েছিল। শেখ হাসিনা পালানোর পর সেসব মিথ্যা মামলা এখন তুলে নেওয়া হচ্ছে। প্রতিশ্রুতি: তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, "আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর যে অন্যায় ও নির্যাতন করেছে, আমাদের দলের কেউ তা করবে না।"   জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির আদর্শিক পার্থক্যের ইঙ্গিত দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন: “আমাদের দেশে হিন্দু-বৌদ্ধসহ সব ধর্মের মানুষ আছেন। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ঠিক নয়। ধর্ম টেনে আনলে পক্ষপাতিত্ব হয়ে যাবে। বিএনপি একটি পরীক্ষিত এবং সর্বজনীন রাজনৈতিক দল।”   ক্ষমতায় গেলে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিএনপির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন মহাসচিব: ফ্যামিলি কার্ড: দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মায়েদের জন্য 'ফ্যামিলি কার্ড' দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে চাল, ডাল ও আটা পাওয়া যাবে। কৃষক কার্ড: কৃষকদের সার ও বীজের সমস্যা সমাধানে দেওয়া হবে 'কৃষি কার্ড'। বিনামূল্যে চিকিৎসা: কার্ডধারীরা সরকারি হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা পাবেন এবং সন্তানদের শিক্ষায় সহায়তা পাবেন। নির্বাচনী এই সভায় স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করব: তারেক রহমান

ক্ষমতায় গেলে দেশের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষির উন্নয়নে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলের মেজবান হলে আয়োজিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক’-এ শিক্ষার্থীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান।   চট্টগ্রাম ও ঢাকার জলাবদ্ধতা নিয়ে এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন: খাল খননই সমাধান: বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত খালের অভাবকে তিনি মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, “পানি তো কোথাও যেতে হবে, তাই আমাদের কার্যকর খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিতে হবে।” ২০ হাজার কিমি লক্ষ্যমাত্রা: বিএনপির পরিকল্পনা অনুযায়ী, সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।   অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ও আশপাশের অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে চারশ শিক্ষার্থীর উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন: ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড: বাংলাদেশের বর্তমান যুব শক্তি আগামী ১৫-২০ বছর সচল থাকবে। এই বিশাল শ্রমশক্তিকে কাজে লাগিয়েই ‘নতুন বাংলাদেশ’ সাজাতে চায় বিএনপি। ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব: তিনি তরুণদের রাষ্ট্র পরিচালনার অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতে আপনারা যারা দেশ চালাবেন, আপনারা কীভাবে দেশকে দেখতে চান—সেটা শুনতেই আজ আমি এখানে এসেছি।”   সিলেটের পর চট্টগ্রামে এটি ছিল তারেক রহমানের দ্বিতীয় ‘পলিসি টক’। চট্টগ্রাম পৌঁছেই তিনি জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতাদের সাথে বৈঠক করেছেন।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে দেশ গঠনে তরুণদের পরামর্শ চায় বিএনপি

আমেরিকা বাংলা: ক্ষমতায় গেলে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট লোন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার সকালে চট্টগ্রামে তরুণদের সাথে এক বিশেষ ‘পলিসি টক’-এ অংশ নিয়ে তিনি তাঁর আগামীর ভিশন তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বিএনপি কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে তরুণদের জন্য একটি বাসযোগ্য সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার রাজনীতি করতে চায়।”   তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘খাল খনন’ কর্মসূচির গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি জানান: ২০ হাজার কিমি খাল: জলাবদ্ধতা দূর করতে এবং ভূগর্ভস্থ পানির মজুত বাড়াতে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে। পরিবেশ রক্ষা: এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সাহায্য করবে না, বরং কৃষি উৎপাদনেও বিপ্লব ঘটাবে।   বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন: স্টুডেন্ট লোন: যারা বিদেশে উচ্চশিক্ষার সময় আর্থিক সংকটে পড়েন, তাদের জন্য বিশেষ স্টুডেন্ট লোনের ব্যবস্থা করবে বিএনপি সরকার। অডিও-ভিজ্যুয়াল শিক্ষা: দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের স্কুলগুলোতে আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সংযোগ দেওয়া হবে, যাতে গ্রামের শিক্ষার্থীরাও শহরের সেরা শিক্ষকদের পাঠদান পেতে পারে। শিক্ষকদের দেওয়া হবে আধুনিক ডিজিটাল ডিভাইস।   তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন: চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা: আগামী ১০ বছরে বৈশ্বিক বাজারে কোন কোন কাজের চাহিদা বাড়বে, তা চিহ্নিত করে ভোকেশনাল কারিকুলাম সাজানো হবে। বিদেশে দক্ষ কর্মী: শুধু অদক্ষ শ্রমিক নয়, ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠিয়ে দেশের রেমিট্যান্স আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির।   তারেক রহমানের মতে, বড় বড় হাসপাতাল ভবন নির্মাণের চেয়ে মানসম্পন্ন সেবার গুরুত্ব বেশি। টেকসই স্বাস্থ্যসেবা: প্রতিটি জেলায় বড় হাসপাতালের পাশাপাশি ‘হেলথ কেয়ারার’ নিয়োগ দেওয়া হবে, যারা ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা ও প্রাথমিক সেবা নিশ্চিত করবেন।   তরুণদের এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান স্পষ্টভাবে বলেন, “দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি রুখতে না পারলে কোনো উন্নয়নই কাজে আসবে না। বিএনপির সরকার ক্ষমতায় থাকলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখবে।” তিনি রাজনীতিবিদদের পারস্পরিক দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
নব্য ফ্যাসিবাদ রুখতে আমাদের জয়ী হতেই হবে: নাহিদ ইসলাম

সংবিধান সংস্কারে বাধা দানকারী রাজনৈতিক শক্তিকে ‘নব্য ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে অভিহিত করে তাদের রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর ভাটারা থানার সাইদ নগরে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।   নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন যে, একটি নির্দিষ্ট দল দেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় বাধা দিয়ে আবারও পুরনো ধাঁচের শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চায়। তিনি বলেন: সংস্কারের বিরোধিতা: সংবিধান সংস্করণের জন্য গঠিত ঐকমত্য কমিশনের প্রায় সব সংস্কার প্রস্তাবে একটি দল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধিতা করছে। ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান: তাঁর মতে, দলটি আরেকটি ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা করছে। এই শক্তিকে প্রতিহত করতে আসন্ন নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের জয়ী হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।   জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, “হাজার হাজার শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই দ্বিতীয় স্বাধীনতাকে আমাদের যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।” তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ৫ আগস্টের বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য একটি গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে, যাদের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে।   বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উঠান বৈঠকে ঢাকা-১১ আসনের জোটবদ্ধ লড়াইয়ের চিত্র ফুটে ওঠে। বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: আতিকুর রহমান: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী। রেজাউল করিম: ভাটারা থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির। আমিনুল ইসলাম: ভাটারা থানার এনসিপি প্রধান সমন্বয়কারী। মোহাম্মদ ইদ্রিস হোসাইন: যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক।

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
বিএনপি ফোন দিয়ে বলে চরমোনাইর জন্য দরজা এখনো খোলা: মুফতী রেজাউল করিম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, বিএনপি নেতারা ফোন দিয়ে বলেন চরমোনাইর জন্য এখনো দরজা খোলা আছে।   শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে লালবাগে হাজী আব্দুল আলিম ঈদগাহ মাঠে ঢাকা-৭ আসনে হাতপাখা প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। জনসভায় ঢাকা-৭ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন। ইসলামকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সবাইকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলেন, প্রচলিত ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত মুক্তি যে সম্ভব নয়, ৫৫ বছরে তা প্রমাণিত হয়েছে। তারা একটি দুর্নীতিমুক্ত ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।   শুরুতে জামায়াতের সঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্যে থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা বলেছিল ইসলামী আন্দোলন। তবে সমঝোতা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত গত ১৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোট ছাড়ার ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। সে সময় দলের থাকা বৈধ প্রার্থী অনুযায়ী ২৬৮টি আসনে লড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল। তবে নির্বাচন কমিশনের বাছাইপর্ব এবং পারস্পরিক সম্মানে কিছু আসনে প্রার্থী প্রত্যাহার শেষে ২১ জানুয়ারি ২৫৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।   অপরদিকে ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়াই ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জোটের বাকি ১০ দল। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এই নির্বাচনী জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয় মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ লেবার পার্টি। এর ফলে ১০ দলের জোটটি আবারও ১১ দলীয় জোটে পরিণত হলো।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে যুক্ত হলো আরও একটি দল

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিল লেবার পার্টি। তাতে ১০ দল থেকে জোটটি ফের ১১ দলের হলো।    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা এ টি এম মাছুম।   এ সময় বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান উপস্থিত ছিলেন।   নির্বাচনে আসন সমঝোতা না হওয়ায় ১১ দলীয় জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেরিয়ে গেলে তা ১০ দলীয় জোটে পরিণত হয়।   লেবার পার্টি যুক্ত হওয়ায় এখন আবার ১১ দলীয় জোটে পরিণত হলো।   ১১ দলীয় এই জোটের দলগুলো হলো— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বাংলাদেশ), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টি।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
একাত্তরে যারা গুলি করেছিল, তারা ওই দলে আছে: মির্জা ফখরুল

মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দেশের মানুষের ওপর যারা গুলি চালিয়েছিল এবং অত্যাচার-নির্যাতন করেছিল, তারা এখন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে অবস্থান করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।   শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়ারপুর ইউনিয়নের ভাতগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।   ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ঝাঁটিভাঙা কিংবা শুকানপুকুরির সেই স্মৃতিসৌধের কথা কি ভুলে গেছেন? সেখানে যাদের নাম খোদাই করা আছে, তাদের যারা গুলি করে মেরেছিল, ওরাই কিন্তু এখন ওই দলটাতে আছে।   বিগত ১৫ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত ১৫ বছর আমরা ভোট দিতে পারিনি। ভোট দেওয়ার আগেই ভোট হয়ে গেছে, কিংবা আগের রাতে ভোট হয়ে গেছে। ফলে আমরা আমাদের পছন্দমতো প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারিনি। এবার সেই সুযোগ এসেছে। আগামী ১২ তারিখে আপনারা আপনাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।   হাসিনা সরকারের বিদায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগের সেই সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের সেই প্রিয় ‘নৌকা’ প্রতীকও এবার নির্বাচনে নেই। এখন মূলত ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে আপনাদের একজনকে বেছে নিতে হবে।   দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ওদের আমরা খুব একটা চিনি না। এখানে যে দাঁড়িয়েছে, সে বাচ্চা ছেলে। এমপি হতে গেলে অভিজ্ঞ ও ওজনদার হতে হয়। তার আরও অনেক পথ চলা বাকি।    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আমরা এক বৃত্তের দুটি ফুলের মতো। এখানে মসজিদ-মন্দির সব আছে, কেউ কারো সমস্যা করে না। কিছু লোক মাঝে মাঝে সমস্যা তৈরির চেষ্টা করে, তখন আপনারা ভয় পাবেন না। ভয় পেলেই শেষ।   তিনি আরও যোগ করেন, বিএনপি শহীদ জিয়ার দল, বেগম খালেদা জিয়ার দল। আপনাদের অধিকার রক্ষা করতে প্রয়োজনে আমরা বুকের রক্ত ঢেলে দেব। হাসিনা আপনাদের বিপদে ফেলে পালিয়েছে, কিন্তু আমরা আপনাদের পাশেই আছি।   বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত জনতাকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই দেশটা কারো পৈতৃক সম্পত্তি নয়, এ দেশ সবার। আমরা আপনাদের পরীক্ষিত মানুষ, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখুন।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
হর্ষবর্ধন শ্রিংলা
নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে না : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জামায়াতে ইসলামী কোনোভাবেই ক্ষমতায় আসতে পারবে না। দলটির নিজস্ব ভোটের হার মাত্র পাঁচ থেকে সাত শতাংশ, যা তারা অন্য বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তায় পেয়ে থাকে। যদি ভোটে কারচুপি না হয়, তবে তাদের জয়লাভের সম্ভাবনা ক্ষীণ।”   অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কঠোর সমালোচনা করে শ্রিংলা বলেন, “বর্তমান প্রশাসন স্বঘোষিতভাবে ক্ষমতায় বসেছে, তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে যা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ভারত সরকার শুরু থেকেই সব দলের অংশগ্রহণে একটি ইনক্লুসিভ নির্বাচনের কথা বলে আসছে, কিন্তু বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না।”   তিনি বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া ব্যক্তিদের ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে এই চর্চা বন্ধ হওয়া জরুরি। বাংলার প্রকৃত উন্নয়নের জন্য এটি একটি বড় অন্তরায়।   বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে আমার অনেক বন্ধু আছেন যারা মনে করেন এই সিদ্ধান্ত ক্রীড়াজগতের স্বার্থের পরিপন্থী। একটি অনির্বাচিত প্রশাসন যখন এ ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়, তা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”   হর্ষবর্ধন শ্রিংলার এই সরাসরি ও আক্রমণাত্মক মন্তব্য বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জামায়াত ও অন্তর্বর্তী সরকারের বিষয়ে তাঁর এই অবস্থান আগামীর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দিল্লির মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।   সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
আন্দালিব রহমান পার্থ
আমি শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতাম : আন্দালিব রহমান পার্থ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও বিএনপি জোটের ভোলা-১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ দীর্ঘ লড়াই শেষে আবারও নিজ নির্বাচনি এলাকায় ফিরেছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভোলা শহরের নতুন বাজারে জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে তিনি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে আবেগঘন ও জ্বালাময়ী বক্তব্য প্রদান করেন।   বক্তব্যের শুরুতে তিনি ২০০৮ সালের কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, "ভোলাবাসীর দোয়ায় আমি যখন প্রথমবার সংসদে গিয়েছিলাম, তখন আমরা বিরোধী দলে ছিলাম। সেই সময় বাংলাদেশে অনেকেই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেতেন না। কিন্তু আমি দমে যাইনি। শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে কথা বলেছি। বাংলাদেশের 'দরবেশ' থেকে শুরু করে লোটাস কামাল এবং বিদ্যুৎ খাতের যত বড় বড় চুরি ছিল, সবকিছুর মুখোশ আমিই জনগণের সামনে উন্মোচন করেছি।"   আগামীর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ব্যারিস্টার পার্থ বলেন, "আল্লাহ এবার আমাকে সুযোগ দিয়েছেন আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর। আমি চাই সব ভেদাভেদ ভুলে আমরা এই ভোলাটাকে সুন্দর করে গড়ি। আমার রাজনীতিতে কোনো প্রতিশোধের জায়গা নেই, কারও ওপর অন্যায় করব না। আমি এমন এক শান্তিময় ভোলা গড়তে চাই যেখানে কোনো চাঁদাবাজি, লুটতরাজ বা টেন্ডারবাজি থাকবে না। এমনকি সমাজের ছোটখাটো শালিশ নিয়ে গরিবের পকেট কাটার দিনও শেষ হয়ে যাবে।"   ভোলাবাসীকে বাস্তবধর্মী স্বপ্ন দেখিয়ে তিনি বলেন, "আমি মিথ্যা আশ্বাস দেব না যে ভোলাকে সিংগাপুর বানিয়ে ফেলব। তবে আপনাদের কথা দিচ্ছি, যদি সুযোগ পাই তবে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করব।"   এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ব্যারিস্টার পার্থ ঢাকা থেকে ভোলার খেয়াঘাটে এসে পৌঁছালে সেখানে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। তাঁকে বরণ করে নিতে কয়েক মাইল লম্বা সড়কে মানুষের ঢল নামে। বিজেপির স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার সমর্থক স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন পুরো এলাকা। রাজপথের এই নতুন উদ্দীপনা ভোলা-১ আসনের নির্বাচনি সমীকরণে এক বিশাল প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0