সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত, জামায়াত থেকে বহিষ্কার এমপি গাজী নজরুল

Unknown প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ৮:৩৮
এমপি গাজী নজরুল। ছবি:সংগৃহীত
এমপি গাজী নজরুল। ছবি:সংগৃহীত

সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। সাংগঠনিক তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

 

বুধবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। নির্বাহী পরিষদের সদস্যরাও এতে উপস্থিত ছিলেন। 

 

জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিষয়গুলোর পরিপ্রেক্ষিতে দলীয়ভাবে তদন্ত করা হয়। সেই তদন্তে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দলের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। 

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তটি দ্রুত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। 

 

এর আগে গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এরপর অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে দলীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে জামায়াতে ইসলামী। তদন্ত প্রতিবেদন নির্বাহী পরিষদের কাছে উপস্থাপনের পরই তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
রন ওয়াহিদ ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গোয়েন্দা সংস্থা আরকানাম
বাংলাদেশি ওয়াহিদের কোম্পানিতে কাজ করে মোসাদের সাবেক প্রধান, আমেরিকার ১৬ গোয়েন্দা সংস্থার বস

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান ব্যবসায়ী মাসুদুল রনি ওয়াহিদ, যিনি রন ওয়াহিদ নামে পরিচিত, আন্তর্জাতিক বেসরকারি গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান আরকানামের প্রতিষ্ঠাতা। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইসরায়েলের সাবেক শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের যুক্ত করে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি সরকার ও করপোরেট গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ, অনুসন্ধান ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত সেবা দেয়। তবে ধনকুবেরদের হয়ে ব্যক্তিগত নজরদারিসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কাজে প্রতিষ্ঠানটির সম্পৃক্ততার অভিযোগও প্রকাশিত হয়েছে।  যুক্তরাজ্যের কোম্পানিজ হাউসে তাঁর নাম নথিভুক্ত আছে মাসুদুল রনি ওয়াহিদ হিসেবে। সেখানে জন্মের মাস ও বছর এপ্রিল ১৯৬৯, নাগরিকত্ব আমেরিকান এবং বসবাসের দেশ যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখ করা হয়েছে। ম্যাগেলান ইনভেস্টমেন্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে তিনি ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ থেকে তালিকাভুক্ত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবেও তাঁর নাম রয়েছে, যেখানে অন্তত ৭৫ শতাংশ শেয়ার ও ভোটাধিকার তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা বলা হয়েছে।  আরকানামের বর্তমান ওয়েবসাইটে ওয়াহিদকে চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক জীবনী অনুযায়ী, তিনি ম্যাগেলান প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৯৬ সালে এবং সাবেক জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় আরকানাম গড়ে তোলেন ২০০৬ সালে। প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের যুক্তরাষ্ট্র সরকার, মিত্রদেশ এবং নির্বাচিত করপোরেট গ্রাহকদের সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা প্রদানকারী হিসেবে বর্ণনা করে।  আরকানামের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অ্যাডমিরাল ডেনিস ব্লেয়ার। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে তাঁকে কৌশলগত গোয়েন্দাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দেখানো হয়েছে। সামরিক গোয়েন্দাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির সাবেক পরিচালক রবার্ট পি অ্যাশলি জুনিয়র। ইসরায়েলের মোসাদের সাবেক প্রধান মেইর দাগানও অতীতে প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত ছিলেন।  ওয়াহিদের প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে আলোচিত অনুসন্ধানগুলোর একটি প্রকাশ করে ফরেনসিক নিউজ, ২০২২ সালের ১ আগস্ট। চুক্তি, বিল, ব্যাংক লেনদেন ও বার্তার নথি পর্যালোচনার ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, রাশিয়ার ধনকুবের দিমিত্রি রিবোলভলেভ ২০১৫ সালে তাঁর তৎকালীন প্রেমিকার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি শহরে নজরদারি চালাতে আরকানামকে নিয়োগ করেছিলেন। প্রতিবেদনে মাসিক চুক্তিমূল্য ১০ লাখ ডলার এবং ওই বছরের আগস্টে ১০ লাখ ৬০ হাজার ডলার পরিশোধের তথ্য উঠে আসে। এটি সংবাদমাধ্যমটির অনুসন্ধানে প্রকাশিত তথ্য।  একই প্রতিবেদনে হংকংয়ের করপোরেট নথির বরাতে বলা হয়, ওই চুক্তির সময় আরকানাম এশিয়ার শেয়ারহোল্ডার ছিল যুক্তরাজ্যের ম্যাগেলান ইনভেস্টমেন্ট হোল্ডিংস, যার একক মালিক ছিলেন ওয়াহিদ। ফরেনসিক নিউজ আরও জানায়, তিনি ২০১৭ সালে ভার্জিনিয়ার ম্যাকলিনে ১৬ হাজার ৫০০ বর্গফুটের একটি বাড়ি ৫৫ লাখ ডলারে কিনেছিলেন।  কাজাখস্তানের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরোধেও আরকানামের ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধান করেছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। কেআইএআর সেন্টারে পুনঃপ্রকাশিত ২০১৭ সালের ওই প্রতিবেদনে কাজাখ ব্যবসায়ী মুখতার আবলিয়াজভের সঙ্গে ওয়াহিদের বৈঠক এবং কাজাখস্তান সরকারের হয়ে আরকানামের কাজ করার প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেখানে ওয়াহিদ প্রতিষ্ঠানটির বেআইনি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, আরকানাম কখনো বেআইনি কাজ করে না।  তবে ম্যাগেলানের পরিচয় দিতে গিয়ে পৃথক প্রতিষ্ঠানের নথি এক করে দেখার সুযোগ নেই। কোম্পানিজ হাউস অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে ২০১৫ সালে নিবন্ধিত ম্যাগেলান ইনভেস্টমেন্ট হোল্ডিংস লিমিটেড ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর বিলুপ্ত হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধিত ব্যবসার ধরন ছিল আর্থিক ব্যবস্থাপনা ছাড়া অন্যান্য ব্যবস্থাপনা পরামর্শসেবা। অন্যদিকে আরকানামের বর্তমান ওয়েবসাইটে মূল প্রতিষ্ঠান ম্যাগেলানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ কোম্পানি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ফলে যুক্তরাজ্যের নির্দিষ্ট কোম্পানিটির বিলুপ্তিকে পুরো ম্যাগেলান গোষ্ঠী বা আরকানামের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার তথ্য হিসেবে দেখানো সঠিক হবে না। সূত্র : ঘটনা ডিজিটাল

প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ৮:২৯
সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে নতুন তথ্য

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না দূতাবাস, চিঠিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

তারেক রহমানের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় রাষ্ট্রাচার ভঙ্গ, প্রত্যাহার রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর প্রটোকল ভঙ্গ, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মনজুরুল হক
যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে, শিশু যৌন নির্যাতন মামলায় দণ্ডিত অপরাধী মনজুরুল

যুক্তরাজ্যে শিশুকে গ্রুমিংয়ের পর যৌন উদ্দেশ্যে দেখা করার চেষ্টার দায়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মনজুরুল হককে ৩২ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন চেলমসফোর্ড ক্রাউন কোর্ট। ৪১ বছর বয়সী এই ব্যক্তি বাংলাদেশে থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে সাজা ঘোষণা করেন বিচারক ক্রিস্টোফার মর্গ্যান। ২০ অক্টোবর প্রকাশিত দ্য ডেইলি ড্যাজলিং ডনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।    প্রতিবেদন অনুযায়ী, মনজুরুল অনলাইনে এমন একটি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, যেটির ব্যবহারকারীকে তিনি ১৩ বছরের কিশোরী বলে বিশ্বাস করতেন। তবে অ্যাকাউন্টটি আসলে শিশুদের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে সক্রিয় একটি দলের পরিচালিত ছদ্মপরিচয় ছিল। ফলে ঘটনাটি বাস্তব কোনো কিশোরীর সঙ্গে যোগাযোগের নয়, বরং অপ্রাপ্তবয়স্ক মনে করে যোগাযোগ ও দেখা করার চেষ্টার মামলা।  আদালতে প্রসিকিউশনের বক্তব্য অনুযায়ী, পাঁচ থেকে ছয় দিন ধরে ওই যোগাযোগ চলে। কথোপকথনে অপর পক্ষের বয়স সম্পর্কে অবগত থাকার পরও মনজুরুল যৌন উদ্দেশ্যে দেখা করার পরিকল্পনা করেন এবং বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হার্লোতে যাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।    মনজুরুলের আইনজীবী আদালতকে জানান, অসুস্থ বাবার দেখাশোনার জন্য তিনি ২০২৩ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশে যান। তাঁর আগে কোনো অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার ইতিহাস নেই এবং মোবাইল ফোন পরীক্ষায় শিশুদের যৌন নিপীড়নমূলক কোনো ছবি পাওয়া যায়নি বলেও প্রতিরক্ষা পক্ষ জানায়।  ড্যাজলিং ডনের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে যাওয়ার পর মনজুরুল প্রথম দিকে বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে দূর থেকে যোগাযোগ রাখলেও পরে তা বন্ধ করে দেন। তিনি আদালতে হাজির হতে যুক্তরাজ্যে ফেরেননি এবং ইমেইলেরও উত্তর দিচ্ছিলেন না। এরপর আদালত তাঁর অনুপস্থিতিতেই কারাদণ্ড ঘোষণা করেন।    তাঁকে যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যার্পণ ও বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার সম্ভাবনা বিবেচনার কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন, নির্দিষ্ট চুক্তির ব্যবহার কিংবা কোনো কার্যকর পদক্ষেপের সরকারি নিশ্চিত তথ্য প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।   

প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ১:২৬
প্যারিসের বুলভার মাশেন্টা এলাকায় লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত নিজের দোকানের সামনে বাংলাদেশি প্রবাসী রবিউল হাসান। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

প্যারিসে লুটপাটের শিকার বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়ালেন ফরাসিরা, সংগ্রহ হলো ৯০ হাজার ইউরো

তারেক রহমান

পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুই পক্ষ এক হয়েছে:তারেক রহমান

রাজধানীর পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করেছে ডিবি। ছবি: সংগৃহীত

অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে চলতো ডিজে পার্টি, মাদক-নারীসহ আটক ৮৪

তিন সহোদর মুসআব মোহাম্মদ আজাদ, সাদ মোহাম্মদ আজাদ ও মুআজ মোহাম্মদ আজাদ
সিডনিতে একসঙ্গে কোরআনের হাফেজ হলেন বাংলাদেশি তিন ভাই, জানানো হয় সম্মাননা

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন সহোদর মুসআব মোহাম্মদ আজাদ, সাদ মোহাম্মদ আজাদ ও মুআজ মোহাম্মদ আজাদ। শনিবার ১৭ অক্টোবর ব্যাংকসটাউনে আয়োজিত হিফজ সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে তাঁদের সম্মাননা জানানো হয়।   অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই তিন ভাই দারুল নাসিহাহ অস্ট্রেলিয়ায় হিফজ শিক্ষা সম্পন্ন করেন। দ্য মুসলিম টাইমসে প্রকাশিত সৈয়দ আতিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁদের এই অর্জনে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও প্রবাসী বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।   মাগরিবের নামাজের পর ব্যাংকসটাউনের মোনা স্ট্রিটে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে দারুল নাসিহাহ অস্ট্রেলিয়া। এতে আলেম, শিক্ষক, অভিভাবক এবং কমিউনিটির বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ অংশ নেন।   তিন ভাইয়ের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ইব্রাহিম খান নামের আরও এক নবীন হাফেজকে সম্মাননা জানানো হয়। তিনি দার আল হুফফাজ একাডেমিতে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছেন।    অনুষ্ঠানে বক্তারা কোরআন শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত রাখতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২০, ২০২৬ ২:৩
উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হওয়া কিংবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক করেন তিনি

পূজায় অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: বায়তুল মোকাররম খতিব

প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি দিতে আবেদন আহ্বান করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করতে বিভিন্ন সময় ছদ্মবেশ ধারণ করতেন নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। ছবি: সংগৃহীত

কখনো মুচি, কখনো ফেরিওয়ালা - ছদ্মবেশে অপরাধের খবর সংগ্রহ করতেন সাংবাদিক আলিফ

0 Comments