বাংলাদেশ

পীরগঞ্জে ভোটগ্রহণের চার দিন পর সিলমরা ব্যালট উদ্ধার, ইউএনও এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

রংপুরের পীরগঞ্জে ভোটগ্রহণের চার দিন পর একটি কেন্দ্র থেকে সিলমরা ব্যালট পেপার ও সিল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার তোপের মুখে পড়েন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পপি খাতুন। প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশের সহায়তায় তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তার গাড়ির পেছনের গ্লাস ভাঙচুর করে।

 

ঘটনাটি সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের হাসারপারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিক্ষার্থীরা স্কুলে গিয়ে একটি পরিত্যক্ত আলমারির পাশে দুটি সিলসহ ছয়টি ব্যালট পেপার পড়ে থাকতে দেখে। এর মধ্যে দুটিতে যানের শীষ প্রতীকের সিল এবং বাকি চারটিতে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের সিল ছিল। শিক্ষার্থীরা সেগুলো প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দেয়।

 

প্রধান শিক্ষক বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। খবর পেয়ে ইউএনও ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এলাকাবাসী বিক্ষোভ শুরু করে। ঝাড়ু হাতে নারীরাও বিক্ষোভে অংশ নেন। প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর স্থানীয় বিএনপি ও পুলিশের সহায়তায় ইউএনও স্থান ত্যাগ করেন।

 

পীরগঞ্জ থানার ওসি সোহেল রানা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ইউএনও পপি খাতুন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. রাহিদুজ্জামান জানান, ভোটের দিন সকল এজেন্টের উপস্থিতিতে এবং সম্মতিতে যথাযথ নিয়ম মেনে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়েছে। ব্যালট বাক্সের বাইরে আলাদা ব্যালট পাওয়ার বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই।

 

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে ১ লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমীন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৩ ভোট। কারচুপির অভিযোগ তুলে বিএনপি কর্মী-সমর্থকেরা গত তিন দিন ধরে পুনঃগণনার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
ছবি: সংগৃহীত।
কেরাণীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, পাঁচ মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে একটি গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও কারখানাটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শনিবার দুপুর সোয়া একটার দিকে কেরাণীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকার একটি টিনশেড কারখানায় এই আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।  ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, প্রায় দেড় ঘণ্টার আপ্রাণ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর কারখানার ভেতর থেকে একে একে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। তবে নিহদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।  ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, কারখানার ভেতরে আর কেউ আটকে আছে কি না তা দেখতে এখনো তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

রামগঞ্জে দিনে দুপুরে যুবদল নেতার মোটরসাইকেলের ট্যাংকি ভেঙে পেট্রল চুরি

ফাইল ছবি

দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুরোধ ব্যবসায়ীদের

জোনায়েদ সাকি। ফাইল ছবি

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি

ছবি: সংগৃহীত
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন; কবে হবে স্বস্তির বৃষ্টি?

চৈত্র মাসের মাঝামাঝিতে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহ। আজ শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের এই তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির অনুপস্থিতি ও বাতাসে আর্দ্রতার কারণে গরমের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।   আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, এই তাপপ্রবাহ আরও দু-তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আগামী পরশু থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তীব্র গরমের কারণে বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। রাজশাহী ও সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলায় দুপুরের পর রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ছে। প্রচণ্ড রোদের মধ্যে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।   বৃষ্টি কবে? স্বস্তির খবর দিয়ে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, আগামী সোম বা মঙ্গলবার থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সিলেটে আগামী রোববারের মধ্যেই বৃষ্টি হতে পারে। যেহেতু এখন কালবৈশাখীর মৌসুম, তাই বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া বা কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।   বিশেষজ্ঞ পরামর্শ: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ কাজী আরিফ আহমেদ জানান, এই অস্বাভাবিক গরমে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়া, ছায়াযুক্ত স্থানে থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাড়তে পারে জ্বালানির দাম; শিগগিরই মূল্য সমন্বয়ের ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর

দেশের পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি | ছবি: রয়টার্স

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবার আফ্রিকার দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: পল কাপুর

ফাইল ছবি
ঢাকা-সহ পাঁচ বিভাগে গরমের দাপট, পঞ্চগড়ে শীতে এখনও কাঁপচ্ছে

ঢাকাসহ দেশের পাঁচটি বিভাগে তাপমাত্রা বাড়লেও দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে চলছে অস্বাভাবিক শীত। মার্চ মাসের শেষেও পঞ্চগড়ে ভোররাত থেকে ঘন কুয়াশা ও হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, পঞ্চগড়ের আবহাওয়া বর্তমানে ভারতের দার্জিলিংয়ের সঙ্গে প্রায় অভিন্ন।   ভোরে ঘন কুয়াশা ও শীতল হাওয়ায় পঞ্চগড়ে প্রকৃতি যেন অনিন্দ্য সুন্দর এক চিত্র呈 করছে। তবে স্থানীয়রা এই আবহাওয়ার বিচিত্রতায় বিস্মিত। শীতজনিত অসুস্থতা, সর্দি-কাশি ও নিমুনিয়ার রোগী হাসপাতালে প্রতিদিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা এর প্রভাবে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।   পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্র নাথ রায় জানান, বায়ুমণ্ডলে আদ্রতা বৃদ্ধি ও তাপমাত্রা কমার কারণে জলীয় বাষ্প দ্রুত ঘনীভূত হয়ে স্টিম ফগ বা বাস্পীয় কুয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে। এটি মূলত দক্ষিণা বাতাস, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা ও হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তনের ফল।   স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মার্চের শুরুতে দিনের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছিল এবং শীতের প্রভাব কমে গিয়েছিল। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে ঘন কুয়াশা ও শীত আবারো ফিরে এসেছে। ব্যবসায়ী ঈদীস আলী বলেন, “মার্চের শুরুতে তাপমাত্রা বেড়েছিল, এখন ভোরের শীত হঠাৎ ফিরে এসেছে।” মোবারক আলী ও শামাস্ রায়হান হৃদি সহ স্থানীয়রা এই শীতের অভিজ্ঞতা উল্লেখযোগ্য বলে জানিয়েছেন।   পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “ঠান্ডাজনিত রোগে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। আবহাওয়ার এই বৈরীতার কারণে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।”   অন্যদিকে ঢাকাসহ বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া সংস্থা বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, পাবনা, গোপালগঞ্জ ও নড়াইলে তাপমাত্রা ৩৭–৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। নাটোর, নওগাঁ, দিনাজপুর, রংপুর, গাইবান্ধা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরে তাপমাত্রা ৩৬–৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকতে পারে।   চলমান তাপপ্রবাহ আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত থাকতে পারে। তবে কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বজ্রবৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এপ্রিল মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় এবং কয়েক দফা তীব্র তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে দিনের ১২টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে রোদে দীর্ঘ সময় না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মাহফুজ আলম: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করা অনুচিত

ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জে জমি বিরোধে মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙার অভিযোগ, অভিযুক্ত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ব্রায়ান পি কেম্পের কাছ থেকে জর্জিয়া স্টেট সিনেট কর্তৃক গৃহীত রেজোল্যুশন গ্রহণ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: আইএসপি

জাতিসংঘ শান্তি মিশনে অবদানে বাংলাদেশকে সম্মাননা, জর্জিয়া স্টেটের বিশেষ রেজোল্যুশন

0 Comments