খুলনার তেরখাদায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৪ আসনের বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ও জামায়াত প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনকে নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন— সুজন (২৫), এমরান শেখ (৬০), এরাদত মোল্যা, আনোয়ার মোল্যা, কমরুল শেখ (৩২), হুমায়ুন মোল্যা, সাদী শেখ, সাইফুল মোল্যা (৩০) ও রাসেল মোল্যা। আহতরা সবাই বিএনপির সমর্থক বলে জানা গেছে।
তেরখাদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য খুলনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে। প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী— • রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন • জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী • প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান • স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি) • পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির • অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী) • শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান • আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান • তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন • পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান • বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির • শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু • নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ • শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান • পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু • মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান • সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান • সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি • স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন • যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি • ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন • বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী • বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু • কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু • গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস • ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর • রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় • জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ • সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী • পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।
সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুরু হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রোজা শুরুর একদিন পর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে রোজা শুরু হয়। সেই হিসাবে বাংলাদেশে রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি)। এতে করে ২০ ফেব্রুয়ারি রোজার প্রথম দিন এবং সম্ভাব্যভাবে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। বাংলাদেশ ও ভারতে ঐতিহ্যগতভাবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই রমজান শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। শাবান মাসের ২৯তম রাতে সূর্যাস্তের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে গঠিত চাঁদ দেখা কমিটি আকাশ পর্যবেক্ষণ করে। চাঁদ দেখা গেলে পরদিন রমজান শুরু হয়, না দেখা গেলে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ করা হয়। একইভাবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রমজান শেষ হয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়, যা ১৯ অথবা ২০ মার্চ হতে পারে। ইসলামী চন্দ্র বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, রমজানের সূচনা নির্ধারিত হয় হিলাল বা অর্ধচন্দ্র দেখার মাধ্যমে। সৌদি আরবসহ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বহু দেশ প্রত্যক্ষ চাঁদ দেখার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে, কিছু দেশ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী চাঁদের অবস্থান নির্ধারণ করে রমজান শুরুর ঘোষণা দিয়ে থাকে।
গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া এলাকায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় ঢাকামুখী একটি ট্রাক ও খুলনাগামী যাত্রীবাহী বাস মুখোমুখি সংঘর্ষের শিকার হয়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সংঘর্ষের সময় উভয়ের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সড়কের উপর থাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে উদ্ধারকাজ শেষে যানবাহন সরিয়ে মহাসড়কে চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার দেওয়া এ নির্দেশনায় পুলিশ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, মঙ্গলবার বিকেল চারটায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশ এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে পুলিশ প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অধিদপ্তর–এর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ইতোমধ্যে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল কেন্দ্র করে বহুস্তর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে এবং গোটা এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতেও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় পুলিশ প্রোটেকশন, পিজিআর প্রোটেকশন, এসএসএফ প্রোটেকশন, নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে জ্যামার, এসএসএফ টেস্টার, অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসকসহ পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। সাধারণত বঙ্গভবন–এর দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হলেও এবার ব্যতিক্রম ঘটছে। প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ আয়োজন হতে যাচ্ছে। এর আগে সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। সংবিধান অনুযায়ী, বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় এ গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে তারা।