আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ থামাতে ভারত-পাকিস্তানকে ২০০% শুল্কের হুমকি দিয়েছিলাম: ডোনাল্ড ট্রাম্প

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ২০২৫ সালের সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আবারও বিতর্কিত দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনে ‘বোর্ড অব পিস’ ইভেন্টে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গত বছর এই দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের যুদ্ধ থামাতে তিনি উভয় দেশকে ২০০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। তার ভাষায়, টাকার চেয়ে বড় কিছু নেই; বিপুল আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখেই তারা যুদ্ধ থামাতে রাজি হয়।

 

এই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানানোর অনুরোধ করে এক বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেন এবং দাবি করেন, শাহবাজ শরিফ নিজেই তাকে বলেছেন যে তার মধ্যস্থতায় অন্তত ২৫ মিলিয়ন মানুষের জীবন বেঁচেছে।

 

ট্রাম্প আরও বলেন, যুদ্ধের সময় দুই দেশের অন্তত ১১টি অত্যন্ত দামী যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। তবে এই সংখ্যাটি তিনি আগেও কয়েকবার পরিবর্তন করেছেন—প্রথমে ৫টি, পরে ৮টি, ১০টি এবং এবার ১১টি বিমান ধ্বংসের দাবি করেন।

 

ভারত শুরু থেকেই ট্রাম্পের এই মধ্যস্থতার দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পর যে অস্ত্রবিরতি হয়েছিল, তা ছিল দুই দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস-এর সরাসরি আলোচনার ফল, কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ নয়। ভারতীয় বিমান বাহিনীও তাদের কতগুলো বিমান ভূপাতিত হয়েছে, সে বিষয়ে ট্রাম্পের দেওয়া সংখ্যার সঙ্গে একমত নয় এবং কোনো পাইলটের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেনি।

 

২০২৫ সালের ৭ মে ভারতের পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে পাকিস্তানে বিমান হামলা চালালে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। ট্রাম্পের দাবি, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন এবং তার চাপেই দুই দেশ যুদ্ধ থেকে সরে আসে।

 

তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও ভারতীয় কূটনীতিকরা ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে অতিরঞ্জিত ও তার নিজস্ব প্রচারণার অংশ হিসেবে দেখছেন।

 

সূত্র: এনডিটিভি।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ফাইল ছবি
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালু

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন পুনরায় ভিসা কার্যক্রম চালু করেছে। গত দুই মাস ধরে ভিসা প্রদান স্থগিত থাকায় ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। এটি করা হয়েছিল ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু ঘিরে দ্বিপক্ষীয় কূটনীতিক সম্পর্কের অবনতি এবং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার কারণে।   শুক্রবার থেকে হাইকমিশন ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রদান শুরু করেছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার তিন দিনের মাথায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের এই অগ্রগতি ঘটে। নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে।   ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণার আগে, ১৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানান। ফল ঘোষণার পর বিকেলে মোদি তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি সমর্থনের আশ্বাস দেন। ভারতের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার জানানো হয়, তারা শিগগিরই বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম চালু করবে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি তেহরানের

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ থামাতে ভারত-পাকিস্তানকে ২০০% শুল্কের হুমকি দিয়েছিলাম: ডোনাল্ড ট্রাম্প

করাচিতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ

করাচিতে সেহরির সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ভবন ধসে নিহত বেড়ে ১৬

ইরানে হামলায় বাদ সাধল যুক্তরাজ্য ট্রাম্পের অনুরোধ ফেরালেন স্টারমার
ইরানে হামলায় বাদ সাধল যুক্তরাজ্য: ট্রাম্পের অনুরোধ ফেরালেন স্টারমার

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে নিজেদের বিমানঘাঁটি ব্যবহারের মার্কিন অনুরোধ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হতে পারে এমন কোনো অভিযানে ব্রিটিশ ভূমি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না।   এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের মিত্র দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে।   মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মধ্যে এক ফোনালাপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। দ্য টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন ইংল্যান্ডের ‘আরএএফ ফেয়ারফোর্ড’ এবং ভারত মহাসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘দিয়েগো গার্সিয়া’ ঘাঁটি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছিল।   বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী, তৃতীয় কোনো দেশের বিরুদ্ধে এসব ঘাঁটি ব্যবহারের আগে লন্ডনের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলাকে ‘প্রি-এম্পটিভ’ বা আগাম আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করে ব্রিটেন এই অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছে।   যুক্তরাজ্যের এই অবস্থানে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি ব্রিটিশ সরকারকে ‘ওকিজম’ বা অতি-উদারপন্থি নীতি পরিহার করে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন। এমনকি পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ব্রিটিশ সরকারের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্তে মার্কিন সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামও ব্রিটেনের এই সিদ্ধান্তকে ‘ইতিহাসের ভুল পক্ষ বেছে নেওয়া’ বলে মন্তব্য করেছেন।   এদিকে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প আলোচনাকে প্রাধান্য দিলেও তার হাতে সব বিকল্প খোলা আছে। ইরানকে নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে আসার জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি, অন্যথায় ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
মুক্তি পেয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ রাজপুত্র অ্যান্ড্রু, তদন্ত চলবে

মুক্তি পেয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ রাজপুত্র অ্যান্ড্রু, তদন্ত চলবে

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৪ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৪ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত

সের্গেই ল্যাভরভ। ছবি সংগৃহীত

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হলে ভয়াবহ পরিণতি, সতর্ক করল রাশিয়া

ছবি: সংগৃহীত
গাজা পুনর্গঠনে ৭ বিলিয়ন ডলারের তহবিল

গাজা পুনর্গঠনের জন্য ৭ বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠকে তিনি জানান, বিভিন্ন দেশ এই তহবিলে অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।   বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, হামাস নিরস্ত্র হলে গাজাকে পুনর্গঠন ও নিরাপদ করার কাজ দ্রুত শুরু হবে। এ লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত এ বাহিনী শুরুতে রাফাহ এলাকায় কাজ করবে এবং পর্যায়ক্রমে ২০ হাজার সেনা ও ১২ হাজার পুলিশ প্রস্তুত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বোর্ডে ইসরায়েল অংশ নিলেও এতে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা নেই।   বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে অর্থ ও সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। সৌদি আরব ১ বিলিয়ন ডলার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং কাতার ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ৮ হাজারের বেশি সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে এবং তুরস্ক পুনর্গঠন ও পুলিশ প্রশিক্ষণে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।   ট্রাম্প আরও বলেন, গাজার যুদ্ধ শেষ হয়েছে এবং হামাস অস্ত্র সমর্পণ করবে বলে তিনি আশা করছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ সংস্কারের উদ্যোগ নেবে, তবে গাজা পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দেবে বোর্ড অব পিস।   অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ভূখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক। ছবি: সংগৃহীত

ইরান ছাড়তে পোলিশ নাগরিকদের জরুরি নির্দেশ

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। সিউলে সাংবিধানিক আদালতে, ২৩ জানুয়ারি ২০২৫। ফাইল ছবি : রয়টার্স

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

জিপিএসের ফাঁদে অ্যামাজন ভ্যান, কাদামাটিতে আটকে বিপাকে চালক

0 Comments