বাংলাদেশ

‘সড়কে চাঁদা’ নিয়ে পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যে যা বললেন তাসনিম জারা

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যে সড়কে চাঁদা আদায়কে ‘সমঝোতা’ বা ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে আখ্যা দেওয়াকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন ডা. তাসনিম জারা। তিনি বলেন, মন্ত্রী যাকে সমঝোতা বলছেন, তা বাস্তবে চালকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি অবৈধ পদ্ধতি। নির্দিষ্ট রুটে গাড়ি চালানোর সময় চালকদের বাধ্যতামূলকভাবে নির্দিষ্ট সংস্থাকে টাকা দিতে হয়। একে সমঝোতার মোড়ক দেওয়া মানে একটি অনিয়মকে বৈধতার আভা দেওয়া।

 

ডা. তাসনিম জারা আরও বলেন, এই অবৈধ লেনদেনের সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের পকেটে। বাসভাড়া বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে সড়কের এই অলিখিত চাঁদা। পণ্যবাহী ট্রাক থেকেও এভাবে অর্থ আদায়ের ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ যাত্রী ও ভোক্তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়।

 

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, মন্ত্রী নিজেই বলেছেন, ‘যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের আধিপত্য থাকে।’ তাহলে কি এই অর্থ আদায় প্রক্রিয়া রাজনৈতিক ক্যাডারদের পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে? যদি তা না হয়, তাহলে এর স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।

 

ডা. তাসনিম জারা বলেন, রাস্তায় টাকা তোলা বন্ধ করতে হবে। মালিক বা শ্রমিক সমিতির কল্যাণ তহবিলের অর্থ আনুষ্ঠানিক ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা উচিত। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা বার্ষিক রেজিস্ট্রেশন ফি-র মাধ্যমে এটি করা যেতে পারে। তিনি আরও দাবি করেন, যে কোটি কোটি টাকা তোলা হচ্ছে তার পূর্ণাঙ্গ অডিট নিশ্চিত করা এবং প্রকাশ করা হোক যে এই অর্থ আসলে কার কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে—সাধারণ চালক-শ্রমিকের জন্য নাকি কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির পকেটে। এই অর্থ আসে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই।

 

ডা. তাসনিম জারা বলেন, সরকারের দায়িত্ব সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং অনিয়মকে ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে জনগণকে হতাশ করা নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি সংকটে বিকল্প উৎসে ঝুঁকছে সরকার, এলএনজি আমদানিতে নতুন উদ্যোগ

বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।   অর্থমন্ত্রী জানান, বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি ও জ্বালানি আমদানির পাশাপাশি দেশে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষি বিমা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে খাদ্য ও জ্বালানি—দুই খাতেই স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।   তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কাজ করছে। ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অনিয়ম দূরীকরণ, ঋণ আদায় জোরদার এবং আমানতকারীদের সুরক্ষায় সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।   নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। ‘জিটুপি’ পদ্ধতির মাধ্যমে এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো হবে।   এছাড়া রাজস্ব ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রবাসী আয় ও রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসার পরিবেশ সহজ করা এবং সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।   সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একটি টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ২৪ উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে আগুন, ফ্লাইট ইমিগ্রেশন সাময়িক বন্ধ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ফাইল ছবি

এ মাসের শেষ দিকে বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীর গ্যাসলাইটার কারখানাটি গতকাল শনিবার আগুনে ভস্মীভূত হয়। পুড়ে যাওয়া কারখানা থেকে বের করে আনা হচ্ছে মরদেহ । ছবি: ফায়ার সার্ভিসের সৌজন্যে
কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারপ্রতি ২ লাখ, আহতদের ১ লাখ টাকা করে সহায়তা পাবে

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা, আহত ও চিকিৎসাধীন শ্রমিকদের সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। এই ঘোষণা দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।   শনিবার তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা পরিদর্শন করেন এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন। নিহত ও আহত শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন মন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গিয়ে চিকিৎসাধীন শ্রমিকদের শয্যাপাশে সময় অতিবাহিত করেন এবং তাদের চিকিৎসার অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন।   মন্ত্রী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আহত শ্রমিকদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সহায়তায় বিশেষ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিল থেকে নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা, আহত ও চিকিৎসাধীন শ্রমিকদের সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।   অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন ও দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার জন্য মন্ত্রী ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা জেলা প্রশাসককেও পৃথক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, “শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কল্যাণে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে সব ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে। কোনো শ্রমিকের জীবন যেন অবহেলার কারণে বিপন্ন না হয়, সে বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করছি।”

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

সপ্তাহজুড়ে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস; ৪ দিন শিলাবৃষ্টির শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ছবি: সংগৃহীত

পাথরঘাটায় বেওয়ারিশ কুকুরের তাণ্ডব; কামড়ে আহত ১২, নেই সরকারি ভ্যাকসিন

ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৬টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সারা দেশে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত আপাতত বহাল থাকছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সাশ্রয় অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ায় এই সময়সীমা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।   বৈঠক শেষে মন্ত্রী জাতীয় স্বার্থে ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি সংকট একটি জাতীয় সমস্যা এবং এটি মোকাবিলায় শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যুৎ ব্যবহার সীমিত করা বাধ্যতামূলক। এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে অফিস এবং বাজার বন্ধের যে সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল, তা কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।   দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকারের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা তারা মেনে নেবেন। তবে ব্যবসায়িক ক্ষতির কথা বিবেচনা করে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই এই সময়সীমা পুনর্বিবেচনা করার জন্য সরকারের কাছে জোর অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।   উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এরই অংশ হিসেবে সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মন্ত্রীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২৭ জেলায় তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত; কাল থেকেই বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

ছবি: সংগৃহীত।

কেরাণীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, পাঁচ মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত।

রামগঞ্জে দিনে দুপুরে যুবদল নেতার মোটরসাইকেলের ট্যাংকি ভেঙে পেট্রল চুরি

0 Comments