সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

বরিশালে প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে শ্বাসরোধে হত্যা, প্রেমিক পলাতক

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ০:১২
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল নগরের মুনসি গ্যারেজ এলাকায় প্রেমিকার বাড়িতে ডেকে এনে সানজিদা কবির অনিতা (২১) নামে এক কলেজছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম হিমুর (৩০) বাসা থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সানজিদা বরিশাল বিএম কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত হিমু পলাতক রয়েছে।

 

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সানজিদা ও হিমু একই এলাকায় বসবাসের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার সকালে বড় বোনের বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন সানজিদা। পরে তার ফোন বন্ধ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা লোকেশন ট্র্যাক করে হিমুর বাসায় গিয়ে সানজিদাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। সানজিদার পরিবারের দাবি, হিমু এর আগেও ঝালকাঠিতে আরেক প্রেমিকাকে হত্যা করেছিল এবং সেই মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

 

অভিযুক্ত হিমুর মা জাহানারা বেগম জানান, সকালে সানজিদা তাদের বাসায় আসে এবং পরে ছেলের কক্ষে তার লাশ দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সে সময় হিমু বাসা থেকে পালিয়ে যায়। তবে কীভাবে এই মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেননি। ফরেনসিক দলের প্রাথমিক ধারণা, সানজিদাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

 

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, নিহত ছাত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালো দাগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে একে শ্বাসরোধে হত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
মেট্রোরেলে স্ট্রোকের পরও সিটে বসতে দেয়নি কেউ, মুহূর্তে লুটিয়ে পড়ে মৃ ত্যু শিক্ষকের
মেট্রোরেলে স্ট্রোকের পরও সিটে বসতে দেয়নি কেউ, মুহূর্তে লুটিয়ে পড়ে মৃ ত্যু শিক্ষকের

রাজধানী ঢাকার মেট্রোরেলে অসুস্থ হয়ে পড়া এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে বসার জন্য আসন ছেড়ে দেননি কোনো সহযাত্রী। এমন অভিযোগ করেছেন তাঁর ছেলে নাকিবুর রহমান। গত শনিবার, ২৪ অক্টোবর, শাহবাগ থেকে উত্তরা যাওয়ার পথে শেওড়াপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি অসুস্থ হয়ে পড়েন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজীবুর রহমান। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাবার মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরে প্রবীণ ও অসুস্থ যাত্রীদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর ছেলে।   জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান জানান, ঘটনার দিন তাঁর বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে দুপুরে মেট্রোরেলে করে উত্তরার বাসায় ফিরছিলেন। যাত্রাপথে শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনের মধ্যবর্তী এলাকায় তিনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হওয়ায় আশপাশের যাত্রীদের কাছে বসার জন্য জায়গা চান। কিন্তু কেউ তাঁকে আসন ছেড়ে দেননি বলে অভিযোগ করেন নাকিবুর। একপর্যায়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেই তিনি মেট্রোরেলের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।   মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পোস্টে নাকিবুর রহমান লেখেন, তাঁর বাবা গত ২৪ অক্টোবর দুপুরে মেট্রোরেলে শাহবাগ থেকে উত্তরা ফেরার পথে শেওড়াপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি স্ট্রোক করে মারা যান। মৃত্যুর আগে অসুস্থ বোধ করায় তিনি আশপাশের মানুষের কাছে বসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কেউ তাঁকে জায়গা ছেড়ে দেননি। পরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে নিচে পড়ে যান। বাবাকে এভাবে হারানোর বিষয়টি সন্তান হিসেবে মেনে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর বলে জানান নাকিবুর। তবে এ ঘটনায় কারও প্রতি তাঁর কোনো রাগ বা অভিমান নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   নাকিবুর রহমানের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনার সময় তাঁর বাবার একজন সহকর্মী একই মেট্রোরেলে ছিলেন। পেশায় চিকিৎসক ওই সহকর্মী নজীবুর রহমান মেঝেতে পড়ে যাওয়ার পর এগিয়ে আসেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করেন। প্রাথমিকভাবে তিনি বুঝতে পারেন, নজীবুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। পরে তাঁকে উত্তরা উত্তর স্টেশনে নেওয়া হয়। সেখান থেকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর তাঁকে উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাবার আরেক সহকর্মীর কাছ থেকে খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান নাকিবুর।   তবে নজীবুর রহমানের মৃত্যুর সময় ও পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত বিবরণে কিছু পার্থক্য রয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২৪ অক্টোবর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মেট্রোরেলে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁকে উত্তরার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। অন্যদিকে তাঁর ছেলের বক্তব্য অনুযায়ী, মেট্রোরেলের ভেতরেই তিনি মারা যান। নাকিবুর রহমান বাবার মৃত্যুর কারণ হিসেবে স্ট্রোকের কথা জানালেও হাসপাতালের চিকিৎসা নথি থেকে তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। একইভাবে যাত্রীরা তাঁকে আসন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   বাবার মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরে নাকিবুর রহমান সাধারণ মানুষের প্রতি মানবিক আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চলাফেরার সময় বয়স্ক বা প্রবীণ নাগরিকদের যেখানেই দেখা হোক, তাঁদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করা উচিত। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, 'আপনি আজকে যাকে ইগনোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্য কারও বাবা।' একই সঙ্গে বাবার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাউকে দোষারোপ না করার অনুরোধ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, গণপরিবহনে চলাচলের সময় আশপাশের মানুষের অসুবিধা ও প্রয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করা সবার উচিত।   বাবার মৃত্যুর সময় পরিবারের কেউ তাঁর পাশে থাকতে পারেননি বলেও জানান নাকিবুর রহমান। তাঁর মা ও ছোট ভাই তখন সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে ছিলেন। আকস্মিক মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরও তাঁরা দ্রুত দেশে ফেরার টিকিটের ব্যবস্থা করতে পারেননি। নাকিবুরের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবরের আগে দেশে ফেরার টিকিট পাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে পরিবারের অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতেই শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়েছে। বাবাকে শেষ মুহূর্তে দেখতে না পারার বিষয়টি পরিবারের জন্য আরও বেদনাদায়ক হয়ে উঠেছে।   মৃত্যুকালে ড. মুহাম্মদ নজীবুর রহমানের বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাজধানীর উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরে বসবাস করতেন তিনি। তাঁর গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদী উপজেলায়। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও শিক্ষার্থী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত শোকবার্তায় তাঁকে একজন সজ্জন, বিনয়ী ও নিষ্ঠাবান শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২৪ অক্টোবর রাতে উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের আইইএস স্কুল মসজিদে নজীবুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদীতে নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে তাঁর ছেলের ফেসবুক পোস্ট সামনে আসার পর গণপরিবহনে প্রবীণ, অসুস্থ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত আসনের ব্যবহার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মেট্রোরেলে এসব যাত্রীর জন্য সংরক্ষিত আসন থাকলেও প্রয়োজনে অন্য যাত্রীদের সহযোগিতার গুরুত্বও সামনে এসেছে। নাকিবুর রহমানের আহ্বান, এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কাউকে দোষারোপ না করে অসুস্থ ও প্রবীণ মানুষের প্রতি আরও সহমর্মী হতে হবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ১৩:৫৩
ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহ

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বসিয়ে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিলেই ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা ৫০ পয়সা প্রণোদনা

: মাথাপিছু জিডিপির পূর্বাভাসে বাংলাদেশ ও ভারত

২০২৬ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ, পূর্বাভাস আইএমএফের

শ্যালিকাকে বিয়ে ঘিরে নওগাঁয় মাসুদ রানাকে নিয়ে বিতর্ক (ছবি: সংগৃহীত)

শ্যালিকাকে বিয়ে করে বিতর্কে মাসুদ রানা, এবার মুখে চুন-কালি মাখিয়ে এলাকা থেকে বের করে দিল গ্রামবাসী

তাশরীফের বাবার বিয়ে নিয়ে মা পরিচয় দেওয়া নারীর দাবি (ছবি: সংগৃহীত ও সম্পাদিত)
তাশরীফের বাবার ১৭ থেকে ১৮টি বিয়ের দাবি, ভিডিওতে যা বললেন মা পরিচয় দেওয়া নারী

ইসলামী বক্তা হাফেজ ক্বারি জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহর একাধিক বিয়ে নিয়ে দাবি করেছেন তাশরীফের মা পরিচয় দেওয়া এক নারী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হেদায়েতুল্লাহ ওই নারীর সঙ্গে সংসার করার সময় সাতটি বিয়ে করেছিলেন। পরে তিনি শুনেছেন, বিয়ের সংখ্যা ১৭ থেকে ১৮টি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে তাশরীফের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ওই নারী এসব কথা বলেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম কালবেলা। তবে ভিডিওতে থাকা নারী তাশরীফের মা কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি সংবাদমাধ্যমটি। ভিডিওর ফটোকার্ডে ওই নারীর বক্তব্য তুলে ধরে লেখা হয়েছে, ‘তাশরীফের বাবা তো অনেক বিয়ে করেছেন। আমি তার ঘরে থাকতেই তিনি সাতটি বিয়ে করেন। আমি আসার পর শুনেছি, তিনি ১৭ থেকে ১৮টি বিয়ে করেছেন।’ তবে তাঁর দাবির পক্ষে কোনো স্বাধীন প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি। ফলে বিয়ের সংখ্যা নিয়ে করা মন্তব্যগুলোকে ওই নারীর বক্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে। বাবার অভিযোগ ঘিরে আগে থেকেই আলোচনা এর আগে তাশরীফের বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ ছেলের বিরুদ্ধে অসুস্থ অবস্থায় খোঁজখবর না রাখা এবং আর্থিক সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ছেলের কথায় মসজিদে ইমামতির চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। বিনিময়ে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার আশ্বাস থাকলেও পরে তিনি সেই অর্থ পাননি বলে অভিযোগ করেন। হেদায়েতুল্লাহ আরও দাবি করেন, অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ছেলের কাছে সহায়তা চেয়েও প্রত্যাশিত সাড়া পাননি। এসব অভিযোগের বিষয়ে তাশরীফের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বাবার অভিযোগের পর এবার একাধিক বিয়ে নিয়ে নতুন দাবি সামনে আসায় ঘটনাটি ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে দুই পক্ষের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট নথি এবং স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য ছাড়া এসব অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৫:৪৩
অপূর্ণ রয়ে গেল ৪০০ কবর খোঁড়ার স্বপ্ন

৩৯৬টি কবর খুঁড়ে বিদায় নিলেন হাফেজ শিকদার, অপূর্ণ রয়ে গেল ৪০০ পূরণের স্বপ্ন

বিভিন্ন সরকারি কাজে প্রয়োজন হওয়ায় ই-টিন সার্টিফিকেট

ঘরে বসেই টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে, জেনে নিন আবেদনের নিয়ম

এক দিনের জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টরের প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী লাবনী। ছবি: সংগৃহীত

এক দিনের জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর হলেন নবম শ্রেণির লাবনী

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট বিপর্যয়ে আটকে পড়া এবং আকামার মেয়াদ শেষ হওয়া বাংলাদেশি কর্মীরাও সৌদি আরবে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। ছবি: সংগৃহীত
আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে ফেরার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশি কর্মীরা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট বিপর্যয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে ফিরতে না পারায় যেসব বাংলাদেশি কর্মীর আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাঁরাও দেশটিতে পুনরায় প্রবেশের সুযোগ পাবেন। পরবর্তী সময়ে সৌদি আরবে পৌঁছালে ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে তাঁদের প্রবেশের প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।   এদিন বিয়াম ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় অনেক প্রবাসী কর্মী নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে ফিরতে পারেননি। এর মধ্যে কারও কারও আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এসব কর্মীকে পুনরায় সৌদি আরবে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তবে কোন তারিখের মধ্যে আকামার মেয়াদ শেষ হওয়া কর্মীরা এই সুবিধার আওতায় আসবেন কিংবা কী ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়নি।   সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ থেকে বহু ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত করা হয়েছে। এতে ছুটিতে দেশে আসা হাজারো প্রবাসী কর্মী বিপাকে পড়েছেন। অনেকের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়েছে, আবার কারও আকামা ও এক্সিট-রিএন্ট্রি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে ১৪৪টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে যাতায়াত পরিকল্পনায় সমস্যায় পড়েছেন ২২ হাজারের বেশি যাত্রী।   এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ঢাকা-রিয়াদ ও ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট স্থগিতের সময়সীমা আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে জেদ্দা ও মদিনা রুটে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে সৌদি আরবগামী যাত্রীদের বিকল্প হিসেবে এসব বিমানবন্দর ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স, সৌদি নিয়োগকর্তা এবং প্রয়োজনীয় ভিসা ও প্রবেশের অনুমতি যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।   অনুষ্ঠানে বিদেশগামী কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, তিন লাখ টাকায় যেখানে একজন কর্মীর বিদেশে যাওয়া সম্ভব, সেখানে সাত থেকে আট লাখ টাকা নেওয়া অনুচিত। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কারণে প্রবাসী কর্মীদের দীর্ঘদিন ঋণের বোঝা বহন করতে হয়। সরকার ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো যৌথভাবে কাজ করলে জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি কর্মীদের আর্থিক চাপও কমানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।   আরিফুল হক চৌধুরী জানান, বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটিতে আধুনিক প্রযুক্তি চালুর কাজ চলছে। বিশেষ করে ভিসার বৈধতা দ্রুত যাচাই এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মীদের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য উন্মুক্ত ই-মেইল সেবা চালু এবং তা ব্যাপকভাবে প্রচারের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনকানুন সম্পর্কে কর্মীদের সচেতন করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।   সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সৌদি আরবে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের আগামী রমজানে বিশেষ ক্ষমার আওতায় আনার বিষয়ে সৌদি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি বিদেশগামী কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ করতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এই বিশেষ ক্ষমার আবেদন গ্রহণ করেছে, এমন কোনো ঘোষণা আসেনি।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া বাংলাদেশি কর্মীদের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সৌদি আরবে নিজ দেশের নাগরিকদের পর সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় বসবাস করেন বাংলাদেশি কর্মীরা। বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভবিষ্যতে শ্রমবাজার ও কর্মসংস্থান খাতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ, বিএমইটির মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   এদিকে সভায় অংশ নেওয়া রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা তাকামুল পরীক্ষা সহজ করা, পরীক্ষার ফি কমানো এবং বিএমইটির ম্যানপাওয়ারসংক্রান্ত জটিলতা দূর করার দাবি জানান। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, এসব প্রক্রিয়া সহজ হলে বিদেশগামী কর্মীদের সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে। সরকারও কর্মীদের বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করার বিষয়ে কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।   তবে সৌদি আরবে পুনঃপ্রবেশের বিষয়ে মন্ত্রীর ঘোষণার পরও কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আকামা এবং এক্সিট-রিএন্ট্রি ভিসা দুটি পৃথক অনুমোদন। কোনটির মেয়াদ শেষ হলে কীভাবে পুনঃপ্রবেশের অনুমতি পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত লিখিত নির্দেশনা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তাই মেয়াদোত্তীর্ণ আকামা নিয়ে শুধু মন্ত্রীর বক্তব্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে যাওয়ার পরিবর্তে সৌদি নিয়োগকর্তা, সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স এবং সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে নিজের প্রবেশের অনুমতি যাচাই করা প্রয়োজন।   সব মিলিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবে ফিরতে না পারা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর ঘোষণা স্বস্তির খবর। বিশেষ করে আকামার মেয়াদ শেষ হওয়ায় যাঁরা চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন, তাঁদের জন্য পুনঃপ্রবেশের সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে সুবিধাটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে এবং কোন কোন কর্মী এর আওতায় আসবেন, তা সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনায় আরও স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১০:৫৪
রাস্তা না থাকায় বাড়ি থেকে বের হওয়াই কঠিন চার ভাই-বোনের

যাতায়াতের রাস্তা নেই, চার প্রতিবন্ধী ভাই-বোনের জীবন কাটছে চরম দুর্ভোগে

মানিক পশারীর মৃত্যুর পর সাঈদীকে নিয়ে বোনের মন্তব্য

সাঈদী আল্লাহর ওলি ছিলেন, ভাই কেন সাক্ষ্য দিয়েছেন জানেন না মানিকের বোন

ময়মনসিংহ থেকে অক্সফোর্ড, চিকিৎসা গবেষণায় ডা. ফারাহ দিভা খান

ময়মনসিংহ মেডিকেল থেকে অক্সফোর্ড! লন্ডনে চিকিৎসা ও গবেষণায় ডা. ফারাহ দিভা খান

0 Comments