ইতালির কাছে দেশের বড় ব্যাংক বিক্রি করবে না জার্মানি
ইতালীয় ব্যাংক ইউনিক্রেডিটের পক্ষ থেকে জার্মানির কমার্সব্যাংক কিনে নেওয়ার যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে জার্মান সরকার। মঙ্গলবার জার্মানির অর্থ সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ইউনিক্রেডিটের দেওয়া প্রস্তাবিত মূল্য অত্যন্ত কম এবং তাদের শেয়ার কেনার আগ্রাসী পদ্ধতি নিয়ে বার্লিনের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। কমার্সব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য দুই ব্যাংকের মধ্যে গত কয়েক মাস ধরে চলা লড়াইয়ের পর অবশেষে জার্মানি এই চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত নিল। এর ফলে দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাংক স্বাধীনভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমর্থন পেল।
২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে জার্মানির সরকারের কাছে কমার্সব্যাংকের প্রায় ১২ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে। শুরু থেকেই জার্মান সরকার ইউনিক্রেডিটের এই একীভূতকরণের বা জোরপূর্বক ব্যাংক ক্রয়ের প্রচেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল। জার্মানির অর্থ সংস্থা স্পষ্ট জানিয়েছে যে, আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে ইউনিক্রেডিটের এই প্রস্তাব মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ তারা কমার্সব্যাংকের বর্তমান শেয়ার বাজারের মূল্যের ওপর উপযুক্ত বা আকর্ষণীয় কোনো প্রিমিয়াম বা বাড়তি মূল্য দেওয়ার প্রস্তাব করেনি।
জার্মান সরকারের এই ১২ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা তাদের কমার্সব্যাংকের সুপারভাইজরি বোর্ডে একাধিক আসন নিশ্চিত করে, যা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়োগ এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে সরাসরি ভূমিকা রাখে। অর্থ সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে যে, তারা কমার্সব্যাংকের স্বাধীন অস্তিত্ব বজায় রাখার পক্ষেই সম্পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে। জার্মানির মাঝারি আকারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা 'মিতেলস্ট্যান্ড' কোম্পানিগুলোর অর্থায়নে এবং দেশটির প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্টের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কমার্সব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে।
এরই মধ্যে কমার্সব্যাংকের কর্মীদের একটি পরিষদের দায়ের করা ফৌজদারি অভিযোগের ভিত্তিতে ফ্রাঙ্কফুর্টের সরকারি আইনজীবীরা বাজার কারসাজির একটি প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন। ইউনিক্রেডিট কর্তৃক বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে কমার্সব্যাংকের শেয়ার কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত রোববার এই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল। ইউনিক্রেডিট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা এই তদন্তের বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত আছে। আইনি জটিলতার এই পরিস্থিতির মধ্যে ইউনিক্রেডিট এবং কমার্সব্যাংকের শেয়ারের মূল্যেও বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পর কমার্সব্যাংকের শেয়ারের দাম ইউনিক্রেডিটের প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়েও নিচে নেমে গেছে। বর্তমানে কমার্সব্যাংকের শেয়ার ৩৬.৫৩ ইউরোতে লেনদেন হচ্ছে, অন্যদিকে ইউনিক্রেডিটের শেয়ারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭৬.৯৭ ইউরোতে। ইউনিক্রেডিটের প্রস্তাব অনুযায়ী, কমার্সব্যাংকের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ইউনিক্রেডিটের ০.৪৮৫টি নতুন শেয়ার দেওয়ার কথা, যা হিসাব করলে কমার্সব্যাংকের প্রতি শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় ৩৭.৩৩ ইউরো। শেয়ারের এই ওঠানামার কারণে ইউনিক্রেডিটের প্রস্তাবটি বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশ অনাকর্ষণীয় হয়ে পড়েছে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreঅস্ট্রেলিয়ার কিয়ামা শহরের একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে প্রায় ১৫০ বছর পর ফেরত এসেছে একটি বই। ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত ‘অ্যান্টিকুইটিস অব এথেন্স’ নামের বইটি সম্প্রতি একটি বাড়ি সংস্কারের সময় বন্ধ ফায়ারপ্লেসের ইটের গাঁথুনির ভেতরে রাখা একটি চায়ের বাক্স থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে গত সপ্তাহে সেটি লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়। লাইব্রেরির ম্যানেজার মিশেল হাডসন জানান, পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী হিসাব করলে বইটি দেরিতে ফেরত দেওয়ার জরিমানা দাঁড়ায় প্রায় ২৮ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার, যা প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারের সমান। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ২৪ লাখ টাকা। তিনি জানান, ১৮৭২ সালে লাইব্রেরি চালুর সময় বইটির ভেতরের প্রচ্ছদে উল্লেখ ছিল, প্রতি সপ্তাহে তিন পেন্স হারে বিলম্ব ফি আদায় করা হবে। সেই নিয়ম অনুসারেই এত বছরের জরিমানার হিসাব করা হয়েছে। তবে ১৮৭০-এর দশকের ধার রেজিস্টার সংরক্ষিত না থাকায় শেষবার কে বইটি নিয়েছিলেন, তা আর জানা সম্ভব নয়। সে সময় একটি পরিবারের অন্তত ছয়জন সদস্য পড়তে জানলে তারা সর্বোচ্চ তিনটি বই ধার নিতে পারতেন। পাশাপাশি আগের বই ফেরত না দেওয়া বা জরিমানা পরিশোধ না করলে নতুন বই দেওয়া হতো না। মদ্যপ বা নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের কাছেও বই ইস্যু করা হতো না। মিশেল হাডসনের ধারণা, বিপুল অঙ্কের জরিমানা এড়াতেই হয়তো বইটি আর ফেরত দেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন চিমনির পাশে পড়ে থাকায় বইটিতে পানির দাগও লেগেছে। তার মতে, লাইব্রেরি চালুর কয়েক বছরের মধ্যেই বইটি হারিয়ে গিয়েছিল। লাইব্রেরির প্রাথমিক এক হাজার বইয়ের সংগ্রহে এটি ৫০৬ নম্বর বই হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল। বর্তমানে বইটি লাইব্রেরির স্থানীয় ইতিহাস সংগ্রহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় ভবিষ্যতে বইটি আর কাউকে ধার দেওয়া হবে না, কারণ এটি ফিরে পেতে আর ১৫০ বছর অপেক্ষা করতে চায় না।
পাকিস্তানে তুষারধসে নিহত বিশ্বখ্যাত পর্বতারোহী নির্মল পুরজাসহ ১০ জন
গাছে ঝুলে প্রাণে বাঁচলেন স্বামী, স্রোতে ভেসে গেল স্ত্রী ও দুই মেয়ে
ভারতে এবার ‘জেন আলফার’ আন্দোলন
রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ভলগোগ্রাদ অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় অন্তত একজনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুক্রবার চালানো এই হামলায় রুশ ই-কমার্স জায়ান্ট ওয়াইল্ডবেরিজের একটি লজিস্টিক সেন্টার ও একটি জ্বালানি স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভলগোগ্রাদ অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রেই বোচারভ শুরুতে ৫ জন আহতের কথা জানালেও পরবর্তীতে একটি ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি হামলার শিকার জ্বালানি স্থাপনাটির নাম প্রকাশ করেননি। হামলার পর নাসার ফায়ার মনিটরিং সিস্টেম (এফআইআরএমএস) ভলগোগ্রাদ শহরের ঠিক দক্ষিণে লুকোয়েল পরিচালিত একটি বড় তেল শোধনাগারে বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ছবি ধারণ করেছে। লুকোয়েল কর্তৃপক্ষ তাদের স্থাপনায় হামলার বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে এক বিবৃতিতে ওয়াইল্ডবেরিজ কর্তৃপক্ষ ড্রোন হামলার পর তাদের একটি লজিস্টিক হাব-এ আগুন লাগার কথা নিশ্চিত করেছে এবং সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে। শুক্রবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে শহরের আকাশে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা যায়। শুধু ভলগোগ্রাদেই নয়, পার্শ্ববর্তী রোস্তভ অঞ্চলের গুকাভো শহরেও আলাদা এক ড্রোন হামলায় এক নারী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গভর্নর ইউরি স্লিইসার। অন্যদিকে, তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রে বিমান হামলার সতর্কতার কারণে ওয়াইল্ডবেরিজের প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান ওজোন তাদের একটি গুদাম খালি করতে বাধ্য হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দূরে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার মুহূর্তে কর্মীরা আতঙ্কে ভবন ছেড়ে পালাচ্ছেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত তারা রাশিয়া এবং অধিকৃত ক্রিমিয়া জুড়ে ৩৭১টি ইউক্রেনীয় ড্রোন আটকে দিয়েছে বা ভূপাতিত করেছে। উল্লেখ্য, গত দুই সপ্তাহে ড্রোন হামলায় ওয়াইল্ডবেরিজের এক ডজনেরও বেশি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে কোম্পানিটির স্টোরেজ ক্ষমতার একটি বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ইউক্রেনের অভিযোগ, ওয়াইল্ডবেরিজ রুশ সামরিক বাহিনীকে ড্রোনের যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ করে সহায়তা করছে। তবে কোম্পানিটি বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। এদিকে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার পাল্টা হামলায় দেশজুড়ে অন্তত ৯ জন নিহত এবং ৪৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বৃহস্পতিবার রাতে কিয়েভে অবস্থিত একটি আমেরিকান কোম্পানির ড্রোন কারখানায় রুশ সামরিক বাহিনীর হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
ইসরাইলকে সর্বশক্তি দিয়ে রক্ষা করছে সৌদি আরব: হুথি নেতার বিস্ফোরক বক্তব্য
মানবদেহে প্রথম পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য পেল রাশিয়ার ক্যানসার টিকা ‘নিওনকোভ্যাক’
স্পেনে একদিনে ৬০ হাজার অভিবাসীর অনুপ্রবেশ, সীমান্তে জরুরি সেনা মোতায়েন
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ উপকূলে রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৮ জন রোহিঙ্গাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, তবে মাঝিসহ আরও ১৩ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে পশ্চিমপাড়া ঘাটসংলগ্ন সাগরে নৌকাটি ডুবে যায়। স্থানীয় জেলেরা উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের তীরে নিয়ে আসেন। পরে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং সেখান থেকে টেকনাফ মডেল থানায় নেওয়া হয়। নিখোঁজদের উদ্ধারে স্থানীয় জেলে, কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। নৌকাটিতে মোট ৩১ জন আরোহী ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এই দুর্ঘটনা আবারও রোহিঙ্গাদের ঝুঁকিপূর্ণ নৌপথে যাত্রার ভয়াবহ বাস্তবতা সামনে নিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বহুদিন ধরেই সতর্ক করে আসছে যে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরের এই রুট বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী শরণার্থী নৌপথে পরিণত হয়েছে।
সিডনির ‘কোডিং ফেস্ট ২০২৬’-এ সেরা এআই প্রজেক্টের পুরস্কার জিতল বাংলাদেশি গবেষক দল
সীমান্তে নজিরবিহীন অনুপ্রবেশে প্রাণ গেল অন্তত ৩৪ জনের, ২৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে স্পেন