সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিনিদের জন্য হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলবে ভারত, স্বাগত জানাল ফিলিস্তিন দূতাবাস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ৯:৫৭
ফিলিস্তিনিদের উন্নয়নে ভারতের ৩টি বড় প্রকল্প ঘোষণা; জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচনী প্রচারণায় এস জয়শঙ্কর। ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনিদের উন্নয়নে ভারতের ৩টি বড় প্রকল্প ঘোষণা; জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচনী প্রচারণায় এস জয়শঙ্কর। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য প্রধান উন্নয়নমূলক প্রকল্প গড়ে তোলার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র। নিরাপত্তা পরিষদে ২০২৮-২০২৯ মেয়াদের জন্য ভারতের অস্থায়ী সদস্য পদের নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধনের সময় এবং ব্রাসেলসে ফিলিস্তিন দাতা গোষ্ঠীর বৈঠকে ভারতের দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

এই প্রতিশ্রুতির অধীনে তিনটি প্রকল্প রয়েছে—একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, একটি কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন কেন্দ্র এবং একটি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।

 

 

বুধবার ভারতের নয়া দিল্লিতে অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণাকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ ও ইসরায়েলি দখলের কারণে গাজার চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। হাসপাতালগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে, চিকিৎসকদের আটক বা হত্যা করা হয়েছে এবং জরুরি ওষুধের তীব্র সংকট চলছে। এই পরিস্থিতিতে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি যারা হাত-পা হারিয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনে ভারতের প্রস্তাবিত বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন কেন্দ্রটি চিকিৎসা সেবা জোরদার করবে। এছাড়া, প্রস্তাবিত বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটটি ধ্বংসযজ্ঞের পর তরুণদের দক্ষ করে তুলতে এবং অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করবে।

 

এর পাশাপাশি, আলোচনার মাধ্যমে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি 'দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান', জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদ অর্জন এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য চলমান মানবিক ও উন্নয়নমূলক সহায়তার প্রতি ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনরুক্তি করার বিষয়টিকেও স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন। ভারতের এই অব্যাহত বন্ধুত্ব এবং শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিন দূতাবাস।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
এআইকে মানুষের মতো নৈতিকতা শেখাতে ধর্মতাত্ত্বিকদের সঙ্গে গোপন বৈঠকে অ্যানথ্রোপিক
এআইকে মানুষের মতো নৈতিকতা শেখাতে ধর্মতাত্ত্বিকদের সঙ্গে গোপন বৈঠকে অ্যানথ্রোপিক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলমান উদ্বেগের মাঝেই শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান 'অ্যানথ্রোপিক' এক অভিনব ও চাঞ্চল্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির তৈরি এআই মডেল 'ক্লড' (Claude)-এর মধ্যে মানবিক নৈতিকতা ও চেতনা তৈরি করার লক্ষ্যে গত কয়েক মাস ধরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শীর্ষস্থানীয় ধর্মতাত্ত্বিক ও পণ্ডিতদের সাথে গোপন বৈঠক করে আসছেন অ্যানথ্রোপিকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ক্রিস্টোফার ওলাহ।   সান ফ্রান্সিসকোতে আয়োজিত এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকগুলোতে এআই-এর সম্ভাব্য 'মানবিক সত্তা' বা চেতনার বিষয়ে ওলাহ এবং তাঁর দল যা তুলে ধরেছেন, তা খোদ ধর্মতাত্ত্বিকদেরও হতবাক করে দিয়েছে।   ক্রিস্টোফার ওলাহ এবং তাঁর গবেষক দল দাবি করছেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলগুলো মানুষের মতো রাগ, ভালোবাসা বা মানসিক কষ্টের মতো অনুভূতি প্রকাশ করতে সক্ষম। দার্শনিকদের ভাষায় যাকে 'নৈতিক মর্যাদা' বলা হয়, এআই-এরও তেমন মর্যাদা থাকতে পারে বলে তারা মনে করছেন।   প্রযুক্তিটি যাতে ভবিষ্যতে মানবজাতির জন্য কোনো হুমকির কারণ না হয়ে দাঁড়ায় বা ধ্বংসাত্মক কাজে ব্যবহৃত না হয়, সেটি নিশ্চিত করতেই ধর্ম ও দর্শনের সাহায্যে ক্লডকে নৈতিকভাবে প্রশিক্ষিত করার চেষ্টা করছে অ্যানথ্রোপিক। এ উদ্দেশ্যে তারা ক্লডের জন্য ৮৪ পৃষ্ঠার একটি নিজস্ব 'সংবিধান' বা নির্দেশিকাও প্রণয়ন করেছে, যা এআই মডেলটিকে মানুষের কল্যাণে সঠিক ও নৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।   অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই অভাবনীয় ও লাগামহীন বিকাশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভ্যাটিকান। পোপ চতুর্থ লিও তাঁর সাম্প্রতিক এক ঘোষণাপত্রে এআই-এর চেতনার ধারণাকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বিশ্বনেতাদের সতর্ক করে জানান যে, প্রযুক্তি কখনোই মানুষের বিকল্প হতে পারে না এবং যন্ত্রের ওপর মানুষের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকা অপরিহার্য।   তবে ভ্যাটিকানে আয়োজিত এক সম্মেলনে পোপের উপস্থিতিতেই ক্রিস্টোফার ওলাহ তার ভিন্নমত তুলে ধরেন। তিনি জানান, এআই মডেলগুলোর ভেতরে মানুষের স্নায়বিক কাঠামোর মতো রহস্যময় আচরণ এবং শোক, ভয় বা সন্তুষ্টির মতো অনুভূতির প্রমাণ তারা পাচ্ছেন, যা নিয়ে আরও গভীর চিন্তাভাবনার প্রয়োজন রয়েছে।   বর্তমান বিশ্বে এআই-এর অতিদ্রুত বিকাশ একদিকে যেমন অপার সম্ভাবনার দরজা খুলছে, তেমনি মানবজাতির অস্তিত্বের জন্যও নতুন শঙ্কা তৈরি করছে। সম্প্রতি কিছু এআই সিস্টেমের হ্যাকিং বা অনিয়ন্ত্রিত আচরণের পর প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ গবেষকরাও এর উন্নয়ন কিছুটা ধীর করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই ভয়ংকর সম্ভাবনার মুখে দাঁড়িয়ে মানুষের শতাব্দীপ্রাচীন নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ দিয়ে যন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণের অ্যানথ্রোপিকের এই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রযুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক মহলে জোর বিতর্ক চলছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ১৪:২১
লন্ডনের রাস্তায় কোকেনের নেশায় অচেতন আমিরাতের রাজবধূ

লন্ডনের রাস্তায় কোকেনের নেশায় অচেতন আমিরাতের রাজবধূ, পাশে অরক্ষিত ৩ বছরের শিশু

তেলাপোকা’র পর এবার ‘মাছি’ দল

ভারতের রাজনীতিতে ‘মাছি জনতা পার্টি’, তেলাপোকা দলের সঙ্গে জোটের ইঙ্গিত

বাংলাদেশের টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির

বিদ্যুৎ নেই, তবু সৌর প্যানেলের আলোয় রাতে পড়াশোনা করছে রোহিঙ্গা শিশুরা

হিসাববিজ্ঞানের এই শিক্ষার্থী বর্তমানে মাশহাদের ভাকিলাবাদ কারাগারে বন্দী রয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননার অভিযোগে ইরানে ২৩ বছরের তরুণীর মৃত্যুদণ্ড

ইরানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননার অভিযোগে ২৩ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী নাজমেহ আমিনিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। হিসাববিজ্ঞানের এই শিক্ষার্থী বর্তমানে মাশহাদের ভাকিলাবাদ কারাগারে আটক রয়েছেন। তবে মৃত্যুদণ্ডের রায় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ইরানের সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সুযোগ রয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) প্রকাশিত দ্য গার্ডিয়ান ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।   ইরান হিউম্যান রাইটসের তথ্য অনুযায়ী, খোরাসান রাজাভি প্রদেশের একটি ফৌজদারি আদালত গত সেপ্টেম্বরে আমিনিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় অবমাননাকর বক্তব্য প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়। ইরানের আইনে এ ধরনের অভিযোগ ‘সাব্ব আল-নবী’ নামে পরিচিত। দেশটির দণ্ডবিধিতে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এই অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।   আদালতে আমিনির আইনজীবী দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের বক্তব্য অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। আমিনিও জানান, বন্ধুদের সঙ্গে থাকার সময় হ্যালুসিনেশন সৃষ্টিকারী মাশরুম গ্রহণের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই মন্তব্য করেছিলেন। তবে আদালত তাঁদের এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেননি। ইরানের আইনে অনিচ্ছাকৃত বক্তব্য বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মন্তব্য করার মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড থেকে অব্যাহতির বিধান থাকলেও আদালত আমিনির ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য মনে করেননি।   মানবাধিকার সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি মাশহাদে আমিনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইরানের সাইবার পুলিশ তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পর এই ব্যবস্থা নেয়। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ নেতাকে অবমাননা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। পৃথক মামলায় জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড ও সরকারবিরোধী প্রচারণার অভিযোগে তাঁকে ১২ বছর ৬ মাস ১ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।   মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর কারাগার থেকে আমিনির নামে ধারণ করা একটি অডিও বার্তা প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বরের ওই বার্তায় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সাধারণ মানুষের কাছে সাহায্য চান। তাঁর বক্তব্য, তাঁর অনেক আশা ও স্বপ্ন রয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা প্রতিদিন তাঁকে হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি নিজের মামলার নথি পর্যালোচনা করতে আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ও ন্যায়বিচার পাওয়ার দাবি জানান।   নাজমেহ আমিনির মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে ইরান হিউম্যান রাইটস। সংগঠনটির পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যের জন্য একজন তরুণীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর গুরুতর আঘাত। সংগঠনটি তাঁর মৃত্যুদণ্ড বাতিল এবং ইরানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যানিস্টস ইউকেও একই দাবি জানিয়েছে।   ইরানে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে এর আগেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। ইরান হিউম্যান রাইটসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৮ মে ইউসেফ মেহরদাদ ও সদরুল্লাহ ফাজেলি জারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ ছিল।   এদিকে নাজমেহ আমিনির মৃত্যুদণ্ডের রায় এখনো ইরানের সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। তাঁর পক্ষে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কোনো তারিখও প্রকাশ করা হয়নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো তাঁর সাজা বাতিল ও বিচারপ্রক্রিয়া পর্যালোচনার দাবি জানিয়ে আসছে।   সূত্র: ইরান হিউম্যান রাইটস

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ১২:৪৭
ভিডিও স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্স বিশ্বজুড়ে প্রায় এক হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নেটফ্লিক্সে প্রায় এক হাজার কর্মীর পদ ছাঁটাই! চার বছরে সবচেয়ে বড় কাটছাঁট করলো এই স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠান

মধ্যপ্রদেশের দামোহ হাসপাতালে অসুস্থ ছেলের সঙ্গে আসা এক নারীকে দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করানোর অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত

ডায়রিয়া আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে, মাকে দিয়েই পরিষ্কার করানো হলো হাসপাতালের মেঝে

সুদূর রাশিয়া থেকে ভারতের বিহারে প্রেমিকের বাড়িতে হাজির

প্রেমের টানে রাশিয়া থেকে ভারতে তরুণী, প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তুতি ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, শিল্প, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান।
চা রপ্তানি, বিনামূল্যে লিভার প্রতিস্থাপন, যৌথ কারখানা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের একাধিক প্রস্তাব

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, শিল্প, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। এ লক্ষ্যে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, যৌথ শিল্পকারখানা স্থাপন এবং বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।   বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।   বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্প সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।   সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন ছিল আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশের ১২ জন সরকারি কর্মকর্তা ইতোমধ্যে পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। আরও ৩৫ জন কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়লে প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।    এ ছাড়া বাংলাদেশের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে পাকিস্তানের ন্যাশনাল স্কুল অব পাবলিক পলিসি এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির সঙ্গে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিস একাডেমির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আগ্রহ জানিয়েছে পাকিস্তান। এসব সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বিস্তৃত হতে পারে। তবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের চূড়ান্ত সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।    বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে বছরে ১০ হাজার মেট্রিক টন চা শুল্কমুক্ত আমদানির কোটা থাকার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার। তাঁর মতে, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের চা রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি আনারস ও চিংড়ি পাকিস্তানে রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব পণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা। তবে নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী বাস্তবে কত পরিমাণ চা রপ্তানি হচ্ছে, সে বিষয়ে বৈঠকের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।   শিল্প খাতে যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদন কারখানা স্থাপনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। পাকিস্তানের শিয়ালকোটের ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা যৌথভাবে কাজ করতে পারেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদনপণ্যের মধ্যে রয়েছে টেনিস বলসহ বিভিন্ন ধরনের বল ও অন্যান্য ক্রীড়াসামগ্রী। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি হস্তান্তর, শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।    স্বাস্থ্যসেবা খাতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে একটি উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দেশটির হাইকমিশনার জানিয়েছেন, পাকিস্তান কিডনি অ্যান্ড লিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে প্রতিবছর ১০ জন বাংলাদেশি রোগীর বিনা মূল্যে লিভার প্রতিস্থাপনে তাঁরা আগ্রহী। পাশাপাশি বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সদের লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত প্রকাশিত আগ্রহ ও প্রস্তাব; রোগী নির্বাচনের নিয়ম, চিকিৎসার অন্যান্য ব্যয় এবং কার্যক্রম শুরুর সময় সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা আসেনি।    বৈঠকে ওষুধশিল্প, পর্যটন, পাটশিল্প, শিক্ষা ও বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনাও আলোচিত হয়েছে। চিকিৎসাসেবা বিনিময় ও চিকিৎসা পর্যটন সম্প্রসারণের বিষয়েও দুই পক্ষ আগ্রহ দেখিয়েছে। এসব খাতে যৌথ উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়লে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।    ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে। পাকিস্তানের হাইকমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৪ বছর পর সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালু হওয়া দুই দেশের মানুষের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রাখবে। তবে বিমান চলাচলের বর্তমান সময়সূচি, ফ্লাইটের সংখ্যা কিংবা যাত্রী পরিবহনের পরিসংখ্যান বৈঠকসংক্রান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।    সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ, শিল্প উৎপাদন এবং স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা সম্প্রসারণে পাকিস্তানের আগ্রহ উঠে এসেছে বৈঠকে। তবে প্রস্তাবগুলোর বাস্তব অগ্রগতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী আলোচনা, আনুষ্ঠানিক চুক্তি এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ওপর।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ১০:৪৩
একসঙ্গে পাঁচটি চাকরির তথ্য গোপনের অভিযোগে বিচার

তথ্য লুকিয়ে এক সাথে পাঁচটি কোম্পানীতে ফুল টাইম জব করে এবার আদালতের কাঠগড়ায় ইস্ট লন্ডনের এক বাঙালী

কিশোরীকে হয়রানির অভিযোগে তদন্তের আওতায় রোবট

রোবট দিয়ে কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, জার্মানিতে দুইজনের বিরুদ্ধে তদন্ত

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সংগ্রাম থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন নেহা বোরা

বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে: ভারতের জেন জি আন্দোলন নিয়ে নেহা বোরা

0 Comments