আমেরিকা

উড়োজাহাজের জানালা ভেঙে বাইরে ছিটকে পড়া স্বামীকে পা ধরে বাঁচালেন স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ৯:২০
আন্তর্জাতিক বিমান।ছবি:সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক বিমান।ছবি:সংগৃহীত

গ্রিস থেকে জার্মানির উদ্দেশে উড্ডয়ন করা রায়ানএয়ারের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে ঘটে যাওয়া এক রুদ্ধশ্বাস ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মাঝআকাশে হঠাৎ একটি জানালা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে ৬১ বছর বয়সী এক যাত্রী আংশিকভাবে উড়োজাহাজের বাইরে ছিটকে যেতে থাকেন। সেই সংকটময় মুহূর্তে তার স্ত্রী দুই পা শক্ত করে ধরে রাখেন। পরে অন্য যাত্রীদের সহায়তায় তাকে কেবিনের ভেতরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। দ্রুত জরুরি অবতরণ করিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো হয়। 

 


তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটি ঘটে ১০ জুলাই গ্রিসের থেসালোনিকি থেকে জার্মানির মেমিংগেনগামী বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজে। উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর যাত্রীরা বিকট বিস্ফোরণের মতো শব্দ শুনতে পান। এর পরপরই একটি জানালা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং কেবিনের ভেতরের বায়ুচাপ দ্রুত কমে যায়। প্রবল বায়ুচাপের কারণে জানালার পাশে বসা ওই যাত্রী বাইরে টেনে নেওয়া হতে থাকেন।

 


যাত্রীর স্ত্রী সভেতলানা ম্যাকসিমোভিচ জানান, সবকিছু এত দ্রুত ঘটেছিল যে চিন্তা করার সময়ও ছিল না। তিনি সঙ্গে সঙ্গে স্বামীর পা শক্ত করে ধরে ফেলেন। প্রায় দুই মিনিট ধরে তিনি সর্বশক্তি দিয়ে স্বামীকে ধরে রাখেন। পরে পাশের সারিতে থাকা আরও দুই যাত্রী এগিয়ে এসে আহত ব্যক্তিকে কেবিনের ভেতরে টেনে আনতে সহায়তা করেন।

 


প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, জানালা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উড়োজাহাজে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই চিৎকার শুরু করেন এবং অক্সিজেন মাস্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেমে আসে। কেবিন ক্রুরা যাত্রীদের শান্ত রাখার চেষ্টা করেন এবং সবাইকে আসনে বসে নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলেন।

 


পাইলট পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। উড়োজাহাজটি নিরাপদে থেসালোনিকি বিমানবন্দরে অবতরণ করে। অবতরণের পর চিকিৎসাকর্মীরা আহত যাত্রীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

 


চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই যাত্রীর মাথা, ঘাড়, হাত এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লেগেছে। তবে দ্রুত উদ্ধার এবং সময়মতো চিকিৎসা পাওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি মানসিক ট্রমার বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করছেন।

 


রায়ানএয়ার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিকল্প একটি উড়োজাহাজের মাধ্যমে অন্য যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 


প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ইঞ্জিনের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে জানালায় আঘাত করলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কেবিনে হঠাৎ বায়ুচাপ কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে এটি এখনও তদন্তাধীন বিষয় এবং চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ কোনো নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করেনি।

 


গ্রিসের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত সংস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিমান নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যৌথভাবে ঘটনার তদন্ত করছে। তদন্তকারীরা উড়োজাহাজের প্রযুক্তিগত তথ্য, ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার, ককপিট ভয়েস রেকর্ডার এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরীক্ষা করে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণের চেষ্টা করছেন।

 


আধুনিক উড়োজাহাজে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল। তবে এই ঘটনায় কেবিন ক্রু, পাইলট, যাত্রীদের তাৎক্ষণিক সহযোগিতা এবং একজন স্ত্রীর অসাধারণ সাহসিকতার কারণে একটি সম্ভাব্য প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা বড় ট্র্যাজেডিতে রূপ নেওয়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
৫ বছরের মেয়েকে ঘরে তালাবদ্ধ রেখে অনাহারে হত্যার দায়ে বাবা রবার্ট বাসকিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ছবি: সংগৃহীত
ঘরে ছিল খাবার, তবু অনাহারে মৃত্যুর কোলে ৫ বছরের শিশু: বাবার ২৭ বছর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের স্কেনেকটাডি শহরে পাঁচ বছর বয়সী কন্যাশিশুকে মাসের পর মাস একটি কক্ষে তালাবদ্ধ রেখে খাবার ও পানি না দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার ঘটনায় বাবা রবার্ট এস. বাসকি জুনিয়র (৩৫) ২৭ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। একই মামলায় একটি শিশুকে নিয়ন্ত্রিত মাদক দেওয়ার অভিযোগেও তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।   স্কেনেকটাডি কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বাসকি দ্বিতীয়-ডিগ্রি হত্যা এবং একটি শিশুকে নিয়ন্ত্রিত মাদক দেওয়ার অভিযোগে আদালতে দোষ স্বীকার করেন। চলতি বছরের ৩ এপ্রিল আদালত তাকে ২৫ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগে আরও দুই বছরের সাজা দেন। ফলে তার মোট সাজা দাঁড়ায় ২৭ বছর থেকে যাবজ্জীবন। একই সঙ্গে বেঁচে থাকা ছেলের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের যোগাযোগের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।     মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল জরুরি সেবাকর্মীরা স্কেনেকটাডির একটি বাড়িতে পৌঁছে পাঁচ বছর বয়সী শার্লট বাসকির নিথর দেহ উদ্ধার করেন। শিশুটিকে একটি শোবার ঘরে বাইরে থেকে অতিরিক্ত তালা ও টেপ দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল, যাতে সে বের হতে না পারে। ঘরের ভেতরে ছিল কেবল একটি ছোট পোর্টেবল শিশু খাট (প্যাক-অ্যান্ড-প্লে), যেখানে স্বাভাবিকভাবে শোয়াও সম্ভব ছিল না।     প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়িতে পর্যাপ্ত খাবার থাকলেও শার্লটকে ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘ সময় খাবার ও পানি থেকে বঞ্চিত করা হয়। ময়নাতদন্তে দেখা যায়, শিশুটি মারাত্মক অপুষ্টি ও পানিশূন্যতায় মারা গেছে। তার শরীর ছিল চরম রকমের ক্ষয়প্রাপ্ত এবং পাকস্থলীতে কোনো খাবারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর সময় তার ওজন ছিল মাত্র ৩০ পাউন্ড, যা আড়াই বছর বয়সে তার ওজনের চেয়েও কম ছিল।     তদন্তে আরও উঠে আসে, শার্লটের তিন বছর বয়সী ভাইকেও বাড়ির ডাইনিং রুমে তৈরি করা একটি অস্থায়ী খাঁচায় আটকে রাখা হতো। দুই শিশুর শরীরেই কোকেনের উপস্থিতি পাওয়া যায়। আদালতে বাসকি একটি শিশুকে নিয়ন্ত্রিত মাদক দেওয়ার অভিযোগও স্বীকার করেন।     ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, অভিযুক্ত বাবা সন্তানদের তালাবদ্ধ করে রেখে নিজে মাদক সেবন ও ভিডিও গেম খেলতেন। তদন্তে আরও জানা যায়, শিশুরা দীর্ঘদিন বাইরের বিশ্বের সঙ্গে কার্যত বিচ্ছিন্ন ছিল। তারা নিয়মিত চিকিৎসা বা স্বাভাবিক সামাজিক পরিবেশ থেকেও বঞ্চিত ছিল।     সাজা ঘোষণার সময় বিচারক বলেন, একজন অভিভাবকের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নিজের সন্তানকে নিরাপদ রাখা। কিন্তু এই মামলায় সেই দায়িত্ব চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। আদালত বাসকির কর্মকাণ্ডকে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও মানবতাবিরোধী বলে উল্লেখ করেন।     এই ঘটনাটি নিউইয়র্কের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত শিশু নির্যাতন ও হত্যার মামলাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তদন্তকারীদের ভাষায়, এটি ছিল এমন এক ট্র্যাজেডি যেখানে একটি শিশুকে ধীরে ধীরে অনাহারে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়, অথচ একই বাড়িতে পর্যাপ্ত খাবার মজুত ছিল।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ১০:১৭
আন্তর্জাতিক বিমান।ছবি:সংগৃহীত

উড়োজাহাজের জানালা ভেঙে বাইরে ছিটকে পড়া স্বামীকে পা ধরে বাঁচালেন স্ত্রী

ম্যাগনেটিক-স্ট্রাইপ কার্ডের পরিবর্তে নিরাপদ চিপ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কমবে ফুড স্ট্যাম্প জালিয়াতির ঝুঁকি। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ফুড স্ট্যাম্পে জালিয়াতি ঠেকাতে কার্ডে যুক্ত হচ্ছে চিপ প্রযুক্তি

ডোমিনিক রোডোলিকো,অ্যারিয়ানা জোন্স।ছবি:সংগৃহীত

অনলাইনে পরিচয়ের পর সাক্ষাতে গিয়ে তরুণী মা নিহত, গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি

স্কটল্যান্ডের ২২ বছর বয়সী যুবক মিসৌরিতে আটক হওয়া ব্রায়ান প্যাট্রিক নেভিন। ছবি:সংগৃহীত
স্কটল্যান্ডের ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিসৌরিতে পরিবারকে অনলাইনে হয়রানির অভিযোগে মামলা ও গ্রেপ্তার

স্কটল্যান্ডের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের একটি পরিবারকে দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইনে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পরে সরাসরি তাদের বাসায় যাওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদন্তে ঘটনাটি আন্তঃদেশীয় সাইবার হয়রানি ও স্টকিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে।   আদালতের নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্রায়ান নেভিন (৪১) স্কটল্যান্ডের এডিনবরার বাসিন্দা। তদন্তে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে একটি অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মিসৌরির এক কিশোরের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শুরুতে সাধারণ কথোপকথন হলেও পরে যোগাযোগের মাত্রা বাড়তে থাকে। কিশোরের পরিবারের দাবি, নেভিন নিয়মিত ব্যক্তিগত বার্তা পাঠাতে থাকেন এবং সম্পর্ক বজায় রাখতে চাপ সৃষ্টি করেন।   পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে অভিযুক্তকে যোগাযোগ বন্ধ করার অনুরোধ জানান। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তদন্তকারীদের ভাষ্য, নেভিন বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে কিশোর ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছে বারবার বার্তা পাঠান। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি দেন এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেন।   স্থানীয় পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালে ডিজিটাল বার্তা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের যোগাযোগের রেকর্ড এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়। তদন্তকারীরা জানান, অভিযুক্তকে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে আর যোগাযোগ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।   তবে অভিযোগ অনুযায়ী, সেই সতর্কবার্তার পরও ব্রায়ান নেভিন স্কটল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন। তিনি মিসৌরির লিভিংস্টন কাউন্টির চিলিকোথি শহরে পৌঁছে পরিবারের বাসায় যান এবং তাদের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন। পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে।   পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে স্টকিং (অনুসরণ করে হয়রানি), হয়রানি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে উপস্থাপিত নথিতে প্রসিকিউটররা দাবি করেন, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ড ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এ কারণে আদালত তাকে জামিন না দিয়ে আটক রাখার নির্দেশ দেন।   তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অনলাইন যোগাযোগের শুরু ছিল গেমিং প্ল্যাটফর্মে। বর্তমানে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অনলাইন গেমের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্ল্যাটফর্মে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করা এবং শিশু-কিশোরদের কার্যক্রমে অভিভাবকদের নজরদারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ অনেক সময় বাস্তব জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রূপ নিতে পারে।   সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভাষ্য, অনলাইন হয়রানির ঘটনাগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি আন্তঃদেশীয় হয়ে উঠেছে। একজন ব্যক্তি এক দেশে অবস্থান করেও অন্য দেশের ভুক্তভোগীকে লক্ষ্য করে অপরাধ সংঘটিত করতে পারেন। ফলে এ ধরনের মামলায় স্থানীয় পুলিশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্টকিং ও সাইবার স্টকিংকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এ ধরনের অপরাধের জন্য কারাদণ্ড, জরিমানা এবং ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন শাস্তির বিধান রয়েছে। যদি হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা অঙ্গরাজ্য ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে ফেডারেল আইনও প্রযোজ্য হতে পারে।   আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে অনলাইন হয়রানি শুধু ভার্চুয়াল জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। অনেক ক্ষেত্রে তা বাস্তব জীবনে অনুসরণ, ভয়ভীতি বা সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি করে। তাই অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত, ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ এবং ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এদিকে, অভিযুক্ত ব্রায়ান নেভিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিচারিক কার্যক্রম এখনো চলমান। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী নন। মামলার পরবর্তী শুনানিতে প্রসিকিউশন ও ডিফেন্স উভয় পক্ষ তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করবে। ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য—উভয় দেশেই অনলাইন নিরাপত্তা, শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল সুরক্ষা এবং আন্তঃদেশীয় সাইবার অপরাধ মোকাবিলা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা অভিভাবকদের পরামর্শ দিচ্ছেন, সন্তানদের অনলাইন গেমিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিয়মিত নজরদারি রাখতে, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য ভাগ না করতে এবং কোনো ধরনের হুমকি বা সন্দেহজনক আচরণ দেখা দিলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ৮:৪০
ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনার ল্যাংহাম হোটেল। ছবি:সংগৃহীত

দাবানলের সময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ল্যাংহাম হোটেলের মালিকের ৩২০ হাজার ডলার জরিমানা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার হামলায় আরও উত্তপ্ত ইরান, ‘অন্তহীন যুদ্ধে’ জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা

ডুবুরী দলের দুই জন। ছবি:সংগৃহীত

প্রায় ৪০০ বছর পরও শেষ হয়নি সেই খোঁজ, ফ্লোরিডার সাগর থেকে মিলল ২২.৫ পাউন্ডের রূপার বার

অনশনরত ব্যক্তি। ছবি:সংগৃহীত
‘থ্রি ইডিয়টস’-এর বাস্তব অনুপ্রেরণা সোনম ওয়াংচুকের অনশন: শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

ভারতের প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ, উদ্ভাবক ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক, যিনি বলিউডের বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘থ্রি ইডিয়টস’–এর ‘ফুনসুখ ওয়াংডু’ চরিত্রের বাস্তব অনুপ্রেরণা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত, শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের প্রতিবাদে শুরু করা অনির্দিষ্টকালের অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। অনশন ১৭ দিনে পৌঁছানোর পর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় দেশজুড়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।   গত ২৮ জুন দিল্লির যন্তর-মন্তরে অনশন শুরু করেন ওয়াংচুক। তাঁর অভিযোগ, ভারতের জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায়, বিশেষ করে জাতীয় যোগ্যতা ও প্রবেশিকা পরীক্ষা (এনইইটি)-এ প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির ঘটনা লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, পরীক্ষা ব্যবস্থায় পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং শিক্ষা খাতে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।   চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ অনশনের কারণে ওয়াংচুকের প্রায় সাড়ে ৮ কেজি ওজন কমেছে, শরীরে পেশির ক্ষয় শুরু হয়েছে এবং তিনি তীব্র দুর্বলতায় ভুগছেন। তাঁর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনশন অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। একই আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।   ওয়াংচুকের এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক সংগঠন। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনে পরে ওয়াংচুক যোগ দেন। সংগঠনটির দাবি, এটি কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং ভারতের তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ন্যায্যতার দাবির প্রতীক। সংগঠনটি ইতোমধ্যে এক দিনের গণঅনশনের ঘোষণা দিয়েছে এবং সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার পরিকল্পনাও প্রকাশ করেছে।   ওয়াংচুকের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে একটি আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর জীবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আদালত এ বিষয়ে কেন্দ্র ও দিল্লি সরকারের কাছে জবাবও চেয়েছে।   আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একের পর এক এগিয়ে আসছেন রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্পী ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা। ‘থ্রি ইডিয়টস’ ছবিতে ‘চতুর রামালিঙ্গম’ চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা ওমি বৈদ্য সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় বলেন, “আমি বাস্তবের ফুনসুখ ওয়াংডুকে হারাতে চাই না।” তিনি সাধারণ মানুষকে ওয়াংচুকের আন্দোলনের প্রতি নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।   এছাড়া প্রবীণ অভিনেত্রী জিনাত আমান, শাবানা আজমি, অভিনেতা অভয় দেওল, নাসিরউদ্দিন শাহ, সোনি রাজদান, স্বরা ভাস্করসহ বহু শিল্পী সরকারকে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, মতভেদ থাকলেও একজন সমাজ সংস্কারকের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে রাখা উচিত নয়।   সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘ তিন দশক ধরে লাদাখে শিক্ষা সংস্কার, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত লাদাখ শিক্ষার্থী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন (সেকমল) আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি শিক্ষা মডেল। তিনি র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কারসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। যদিও অনেকেই তাঁকে ‘ফুনসুখ ওয়াংডু’ বলে ডাকেন, ওয়াংচুক নিজেই একাধিকবার বলেছেন, তিনি চলচ্চিত্রের চরিত্র নন; তিনি একজন বাস্তব মানুষ, যিনি শিক্ষা ও সমাজ পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ১৫, ২০২৬ ৭:২
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টন ভিত্তিক একজন অভিবাসন আইনজীবী হুগো বল্দেরাস-ইবারা। ছবি:সংগৃহীত

আইসিই গুলিকাণ্ডের সাক্ষীদের আইনজীবীকে ঘিরে সাবেক কর্মীর অভিযোগ, বাড়ছে আইনি বিতর্ক ও প্রশ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শহরে বাড়ি কেনার চেয়ে ভাড়ায় থাকা তুলনামূলকভাবে বেশি সাশ্রয়ী: গবেষণা

অতি তাপমাত্রায় ট্রাফিকের অবস্থা। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও রেকর্ড তাপপ্রবাহ, ১০ কোটির বেশি মানুষ ঝুঁকিতে

0 Comments