সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম রাডার স্যাটেলাইট ‘রাদ-১’ শিগগিরই উন্মোচন করতে যাচ্ছে ইরান। দেশটির মহাকাশ সংস্থার চেয়ারম্যান হাসান সালারিয়েহ সম্প্রতি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মহাকাশ গবেষণায় এটিকে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং যুগান্তকারী প্রকল্প হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত কিছু চ্যালেঞ্জের কারণে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি থেকে সামান্য পিছিয়ে গেলেও বর্তমানে স্যাটেলাইটটির চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে এবং এটি দ্রুতই আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।
ইরানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ও মহাকাশ সংস্থার প্রধান সালারিয়েহ জানান, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ‘রাদ-১’ উন্মোচনের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল। মহাকাশ প্রকল্পগুলোতে সচরাচর যেসব প্রযুক্তিগত জটিলতা দেখা যায়, তার কারণেই এই সামান্য বিলম্ব। তবে এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ইরানের মহাকাশ শিল্পের সক্ষমতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে তিনি মনে করেন।
একইসঙ্গে তিনি সুখবর দিয়েছেন যে, ইতিমধ্যে ‘রাদ-২’ নামে আরও উন্নত সংস্করণের একটি রাডার স্যাটেলাইটের উন্নয়নকাজও পুরোদমে এগিয়ে চলছে। নতুন এই স্যাটেলাইটটি ‘রাদ-১’-এর তুলনায় আরও নিখুঁত ও উচ্চমানের ছবি ধারণে সক্ষম হবে।
ইরানের মহাকাশ খাতের এই বিশাল অগ্রগতিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও ক্রমশ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন সালারিয়েহ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আগামী প্রজন্মের মাইক্রো ও ন্যানো স্যাটেলাইটগুলোর চিত্র ধারণ ক্ষমতা হবে আরও অত্যাধুনিক।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বর্তমানে স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও চিত্রভিত্তিক সেবার সম্প্রসারণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন খাতে দক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে পর্যটকদের যাতায়াত আরও সহজ ও সাবলীল করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে দুবাই। বিশ্বের সব দেশের নাগরিকদের জন্য স্পনসর বা আয়োজক ছাড়াই পাঁচ বছর মেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিজিট ভিসা চালু করা হয়েছে। এই নতুন সুবিধার ফলে পর্যটকরা এখন থেকে একটিমাত্র ভিসার মাধ্যমেই আগামী পাঁচ বছর ধরে একাধিকবার দুবাইসহ পুরো আরব আমিরাতে অবাধে প্রবেশের দারুণ এক সুযোগ পাবেন। দুবাইয়ের জেনারেল ডিরেক্টরেট ফর আইডেন্টিটি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ার্স (জিডিআরএফএ) সম্প্রতি এই দীর্ঘমেয়াদি ভিসা সুবিধার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই ভিসার আওতায় একজন দর্শনার্থী প্রতিটি সফরে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করতে পারবেন। তবে পর্যটকরা চাইলে এই মেয়াদ আরও ৯০ দিনের জন্য বাড়ানোর সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের একমাত্র শর্ত হলো, কোনোভাবেই এক বছরের মধ্যে মোট অবস্থানের মেয়াদ ১৮০ দিনের বেশি অতিক্রম করা যাবে না। জিডিআরএফএ আরও স্পষ্ট করেছে যে, বিশ্বের যেকোনো দেশের নাগরিকরাই এই আকর্ষণীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এজন্য আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট কিছু নথিপত্র এবং আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দাখিল করতে হবে। আবেদনের অত্যাবশ্যকীয় শর্ত অনুযায়ী, আবেদনকারীর সদ্য তোলা রঙিন ছবি এবং কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্টের কপি জমা দিতে হবে। এছাড়া আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ হিসেবে ব্যাংক স্টেটমেন্টে ন্যূনতম চার হাজার মার্কিন ডলার বা তার সমপরিমাণ ব্যালেন্স দেখাতে হবে। এর পাশাপাশি প্রত্যেক আবেদনকারীর বৈধ স্বাস্থ্য বীমা এবং দেশে ফেরার কনফার্মড রিটার্ন বিমান টিকিট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই শর্তগুলো পূরণ করে যে কেউ দীর্ঘমেয়াদে আমিরাত ভ্রমণের সুবিধা নিতে পারবেন।
ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য প্রধান উন্নয়নমূলক প্রকল্প গড়ে তোলার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র। নিরাপত্তা পরিষদে ২০২৮-২০২৯ মেয়াদের জন্য ভারতের অস্থায়ী সদস্য পদের নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধনের সময় এবং ব্রাসেলসে ফিলিস্তিন দাতা গোষ্ঠীর বৈঠকে ভারতের দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এই প্রতিশ্রুতির অধীনে তিনটি প্রকল্প রয়েছে—একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, একটি কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন কেন্দ্র এবং একটি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। The Embassy of the State of Palestine welcomes the announcement by External Affairs Minister Dr. S. Jaishankar's commitment to establish three major development projects for the Palestinian people, a Specialty Hospital, an Artificial Limb Fiument Centre, and a Vocational Training… pic.twitter.com/s0GMP61d0G — ANI (@ANI) July 15, 2026 বুধবার ভারতের নয়া দিল্লিতে অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণাকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ ও ইসরায়েলি দখলের কারণে গাজার চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। হাসপাতালগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে, চিকিৎসকদের আটক বা হত্যা করা হয়েছে এবং জরুরি ওষুধের তীব্র সংকট চলছে। এই পরিস্থিতিতে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি যারা হাত-পা হারিয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনে ভারতের প্রস্তাবিত বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন কেন্দ্রটি চিকিৎসা সেবা জোরদার করবে। এছাড়া, প্রস্তাবিত বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটটি ধ্বংসযজ্ঞের পর তরুণদের দক্ষ করে তুলতে এবং অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করবে। এর পাশাপাশি, আলোচনার মাধ্যমে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি 'দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান', জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদ অর্জন এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য চলমান মানবিক ও উন্নয়নমূলক সহায়তার প্রতি ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনরুক্তি করার বিষয়টিকেও স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন। ভারতের এই অব্যাহত বন্ধুত্ব এবং শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিন দূতাবাস।
ইসরায়েলি পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী দাবি করেছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি পশ্চিম তীরে (ওয়েস্ট ব্যাংক) বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহারযোগ্য রাসায়নিক পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস ধরে পরিচালিত “দ্য আলকেমিস্ট” নামের একটি গোপন তদন্তের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। এতে ইসরায়েলি সীমান্ত পুলিশ, সেনাবাহিনী (আইডিএফ), অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত এবং দেশটির কর কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে অংশ নেয়। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ইসরায়েলি নাগরিক এবং কয়েকজন ফিলিস্তিনি রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহারযোগ্য দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য (ডুয়াল-ইউজ) রাসায়নিক পশ্চিম তীরে পাচার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ইসরায়েলের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব রাসায়নিকের মূল্য কয়েক মিলিয়ন শেকেল। তদন্তের গোপন পর্যায়ে প্রথমে আটজনকে আটক করা হয়। পরে উত্তর ইসরায়েল, জেরিকো, রামাল্লাহ ও জেনিন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে প্রায় ১৭৫ কেজি সন্দেহভাজন রাসায়নিক জব্দ করার কথাও জানিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীরে সড়কের পাশে পেতে রাখা বিস্ফোরকের হামলা বেড়ে যাওয়ায় এই তদন্ত শুরু করা হয়েছিল। তাদের দাবি, এসব হামলায় ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হতাহত হয়েছেন। তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বা স্বাধীন কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স, এপি বা বিবিসিতেও এই অভিযানের স্বাধীন যাচাইভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। ফলে অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।