সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

নোবেল জয়ের খবরের পরও সন্তানের স্কুল লাঞ্চ বানালেন স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ৬, ২০২৬ ১০:২৯
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরও সকালে সন্তানদের জন্য স্কুল লাঞ্চ তৈরি করছেন বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ। ছবি: সংগৃহীত
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরও সকালে সন্তানদের জন্য স্কুল লাঞ্চ তৈরি করছেন বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জয়ের খবর পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার ফিরে গেলেন প্রতিদিনের পারিবারিক দায়িত্বে। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ ২০২৬ সালের ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরও সকালে নিজের সন্তানদের জন্য স্কুল লাঞ্চ তৈরি করেছেন। বিশ্বজুড়ে সম্মান পাওয়ার সেই ব্যস্ত সকালেও বাবার দৈনন্দিন দায়িত্ব থেকে সরে যাননি তিনি।

 

৫ অক্টোবর নোবেল অ্যাসেম্বলি ঘোষণা করে, কার্ল ডাইসেরথ, জার্মানির পিটার হেগেম্যান এবং গিওর্গ নাগেল যৌথভাবে ২০২৬ সালের ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন। আলোকসংবেদনশীল আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিকস নিয়ে তাঁদের আবিষ্কারের স্বীকৃতিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

 

ডাইসেরথ স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োইঞ্জিনিয়ারিং এবং সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড বিহেভিয়ারাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক। তিনি হাওয়ার্ড হিউজ মেডিকেল ইনস্টিটিউটের একজন গবেষকও। তাঁর গবেষণা স্নায়ুবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অপটোজেনেটিকস বিকাশে বড় ভূমিকা রেখেছে।

 

অপটোজেনেটিকস এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে আলো ব্যবহার করে জীবন্ত মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষের কার্যক্রম চালু বা বন্ধ করা যায়। এই পদ্ধতি গবেষকদের মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট কোষ কীভাবে আচরণ, অনুভূতি ও বিভিন্ন স্নায়বিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে, তা আরও নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণের সুযোগ দিয়েছে।

 

নোবেল জয়ের খবরটি ডাইসেরথ পান ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ডে নিজের বাড়িতে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত ১২টা ২৭ মিনিটে নোবেল কমিটির প্রথম ফোনটি তিনি ধরতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর তাঁর স্ত্রী মিশেল মঞ্জে ডাইসেরথের ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানতে পারেন, স্টকহোম থেকে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাওয়া হচ্ছে।

 

হঠাৎ এত বড় খবর শুনে কিছু সময় কথা বলতেই পারছিলেন না বলে পরে জানিয়েছেন ডাইসেরথ। এরপর শুরু হয় একের পর এক ফোনকল, সাক্ষাৎকার ও অভিনন্দনের বার্তা। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে কথা বলতে হয় তাঁকে।

 

কিন্তু সকাল হওয়ার পর তিনি স্ট্যানফোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে প্রায় এক ঘণ্টার বিরতি চান। কারণ তখন তাঁর সন্তানদের ঘুম থেকে ওঠার সময় হয়ে গেছে এবং স্কুলে যাওয়ার আগে তাদের লাঞ্চ তৈরি করতে হবে।

 

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, নোবেল জয়ের সকালেও ডাইসেরথ প্রতিদিনের মতো সন্তানদের জন্য খাবার প্রস্তুত করেন। স্ট্যানফোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাড়িতে থাকা তিন সন্তানের জন্য তিনি মোট ছয়টি স্যান্ডউইচ তৈরি করেন। সন্তানের পছন্দ অনুযায়ী প্রতিটির উপকরণও ছিল আলাদা।

 

ডাইসেরথের পাঁচ সন্তান রয়েছে। তাঁর ১০ বছর বয়সী মেয়ে সোফি বাবার নোবেল জয়ের খবর শুনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। ১৩ বছর বয়সী মেয়ে এমাও বাবাকে অভিনন্দন জানায়। তাঁদের ১৬ বছর বয়সী ছেলে হাডসন বাবাকে অত্যন্ত পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বড় ছেলে আলেকজান্ডার বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

 

ডাইসেরথের স্ত্রী মিশেল মঞ্জে ডাইসেরথ নিজেও স্ট্যানফোর্ডের একজন বিজ্ঞানী ও শিশু নিউরো অনকোলজিস্ট। নোবেল জয়ের খবর পাওয়ার সেই সকালে পরিবারের সদস্যদের প্রতিক্রিয়ার কিছু মুহূর্ত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ করেছে।

 

কার্ল ডাইসেরথের জন্ম ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিক্যাল সায়েন্সেসে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে স্ট্যানফোর্ড থেকে নিউরোসায়েন্সে পিএইচডি এবং মেডিকেল ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ২০০৪ সালে তিনি স্ট্যানফোর্ডে নিজের গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করেন।

 

নোবেল পুরস্কারের আগে তিনি লাস্কার বেসিক মেডিকেল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড, কিয়োটো প্রাইজ, ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন লাইফ সায়েন্সেস, জাপান প্রাইজসহ একাধিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন।

 

২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। তিন বিজয়ী এই অর্থ সমানভাবে ভাগ করে নেবেন।

 

তবে নোবেল জয়ের সকালটির সবচেয়ে আলোচিত দৃশ্য হয়ে উঠেছে তাঁর গবেষণাগার বা পুরস্কারের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একটি সাধারণ পারিবারিক মুহূর্ত। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরও সন্তানদের স্কুলের খাবার তৈরি করতে রান্নাঘরে ফিরে যাওয়া ডাইসেরথের সেই মুহূর্ত এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরও সকালে সন্তানদের জন্য স্কুল লাঞ্চ তৈরি করছেন বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ। ছবি: সংগৃহীত
নোবেল জয়ের খবরের পরও সন্তানের স্কুল লাঞ্চ বানালেন স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানী

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জয়ের খবর পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার ফিরে গেলেন প্রতিদিনের পারিবারিক দায়িত্বে। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ ২০২৬ সালের ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরও সকালে নিজের সন্তানদের জন্য স্কুল লাঞ্চ তৈরি করেছেন। বিশ্বজুড়ে সম্মান পাওয়ার সেই ব্যস্ত সকালেও বাবার দৈনন্দিন দায়িত্ব থেকে সরে যাননি তিনি।   ৫ অক্টোবর নোবেল অ্যাসেম্বলি ঘোষণা করে, কার্ল ডাইসেরথ, জার্মানির পিটার হেগেম্যান এবং গিওর্গ নাগেল যৌথভাবে ২০২৬ সালের ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন। আলোকসংবেদনশীল আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিকস নিয়ে তাঁদের আবিষ্কারের স্বীকৃতিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।   ডাইসেরথ স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োইঞ্জিনিয়ারিং এবং সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড বিহেভিয়ারাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক। তিনি হাওয়ার্ড হিউজ মেডিকেল ইনস্টিটিউটের একজন গবেষকও। তাঁর গবেষণা স্নায়ুবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অপটোজেনেটিকস বিকাশে বড় ভূমিকা রেখেছে।   অপটোজেনেটিকস এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে আলো ব্যবহার করে জীবন্ত মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষের কার্যক্রম চালু বা বন্ধ করা যায়। এই পদ্ধতি গবেষকদের মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট কোষ কীভাবে আচরণ, অনুভূতি ও বিভিন্ন স্নায়বিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে, তা আরও নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণের সুযোগ দিয়েছে।   নোবেল জয়ের খবরটি ডাইসেরথ পান ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ডে নিজের বাড়িতে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত ১২টা ২৭ মিনিটে নোবেল কমিটির প্রথম ফোনটি তিনি ধরতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর তাঁর স্ত্রী মিশেল মঞ্জে ডাইসেরথের ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানতে পারেন, স্টকহোম থেকে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাওয়া হচ্ছে।   হঠাৎ এত বড় খবর শুনে কিছু সময় কথা বলতেই পারছিলেন না বলে পরে জানিয়েছেন ডাইসেরথ। এরপর শুরু হয় একের পর এক ফোনকল, সাক্ষাৎকার ও অভিনন্দনের বার্তা। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে কথা বলতে হয় তাঁকে।   কিন্তু সকাল হওয়ার পর তিনি স্ট্যানফোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে প্রায় এক ঘণ্টার বিরতি চান। কারণ তখন তাঁর সন্তানদের ঘুম থেকে ওঠার সময় হয়ে গেছে এবং স্কুলে যাওয়ার আগে তাদের লাঞ্চ তৈরি করতে হবে।   অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, নোবেল জয়ের সকালেও ডাইসেরথ প্রতিদিনের মতো সন্তানদের জন্য খাবার প্রস্তুত করেন। স্ট্যানফোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাড়িতে থাকা তিন সন্তানের জন্য তিনি মোট ছয়টি স্যান্ডউইচ তৈরি করেন। সন্তানের পছন্দ অনুযায়ী প্রতিটির উপকরণও ছিল আলাদা।   ডাইসেরথের পাঁচ সন্তান রয়েছে। তাঁর ১০ বছর বয়সী মেয়ে সোফি বাবার নোবেল জয়ের খবর শুনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। ১৩ বছর বয়সী মেয়ে এমাও বাবাকে অভিনন্দন জানায়। তাঁদের ১৬ বছর বয়সী ছেলে হাডসন বাবাকে অত্যন্ত পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বড় ছেলে আলেকজান্ডার বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।   ডাইসেরথের স্ত্রী মিশেল মঞ্জে ডাইসেরথ নিজেও স্ট্যানফোর্ডের একজন বিজ্ঞানী ও শিশু নিউরো অনকোলজিস্ট। নোবেল জয়ের খবর পাওয়ার সেই সকালে পরিবারের সদস্যদের প্রতিক্রিয়ার কিছু মুহূর্ত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ করেছে।   কার্ল ডাইসেরথের জন্ম ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিক্যাল সায়েন্সেসে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে স্ট্যানফোর্ড থেকে নিউরোসায়েন্সে পিএইচডি এবং মেডিকেল ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ২০০৪ সালে তিনি স্ট্যানফোর্ডে নিজের গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করেন।   নোবেল পুরস্কারের আগে তিনি লাস্কার বেসিক মেডিকেল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড, কিয়োটো প্রাইজ, ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন লাইফ সায়েন্সেস, জাপান প্রাইজসহ একাধিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন।   ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। তিন বিজয়ী এই অর্থ সমানভাবে ভাগ করে নেবেন।   তবে নোবেল জয়ের সকালটির সবচেয়ে আলোচিত দৃশ্য হয়ে উঠেছে তাঁর গবেষণাগার বা পুরস্কারের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একটি সাধারণ পারিবারিক মুহূর্ত। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরও সন্তানদের স্কুলের খাবার তৈরি করতে রান্নাঘরে ফিরে যাওয়া ডাইসেরথের সেই মুহূর্ত এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৬, ২০২৬ ১০:২৯
রাশিয়ার সাইবেরিয়ার ইরকুতস্ক অঞ্চলে সম্ভাব্য প্লেগ সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ায় ‘প্লেগে দ্বিতীয় মৃত্যুর’ দাবি, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা

এআই অনুসন্ধান ঘিরে বেঙ্গালুরুর চাঞ্চল্যকর হ ত্যা কাণ্ড

লিভ-ইন পার্টনারের বাবা-মা ও বোনকে হ ত্যা, এআইকে প্রশ্ন করেই ফাঁসলেন হ ত্যা কারী

স্কুলের ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার মুখে শিক্ষক

স্কুলের ডিভাইসে পর্ণো গ্রাফি দেখার অভিযোগে শিক্ষককে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করল কর্তৃপক্ষ

দিল্লির পাঁচ তারকা হোটেল ঘিরে নারীর অভিযোগ
জরুরি প্রয়োজনে পাঁচ তারকা হোটেলের শৌচাগার ব্যবহার করতে না দেওয়ার লাইভে এসে নারীর ক্ষোভ

জরুরি প্রয়োজনে শৌচাগার ব্যবহার করতে চাইলেও দিল্লির একটি পাঁচ তারকা হোটেল তাঁকে অনুমতি দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন এক নারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তিনি শাংরি-লা ইরোস নিউ দিল্লি হোটেলের বাইরে দাঁড়িয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেন। ঘটনাটি নিয়ে ভারতে আলোচনা শুরু হলেও ভিডিওতে হোটেলকর্মীদের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন দেখা যায় না। ফলে ঠিক কী কারণে তাঁকে অনুমতি দেওয়া হয়নি, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   ভিডিওটি ৫ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুনরায় প্রকাশ করা হয়। পোস্টদাতা প্রশ্ন তোলেন, হোটেলে থাকার জন্য নিবন্ধিত না হলেই জরুরি প্রয়োজনে কাউকে শৌচাগার ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না কেন। পোস্টে ভারতের ১৮৬৭ সালের সরাই আইনের কথাও উল্লেখ করা হয়।   তবে ওই আইনের উল্লেখ করে যে কেউ যেকোনো হোটেলের শৌচাগার ব্যবহার করতে পারেন, এমন দাবি প্রতিষ্ঠিত হয় না। সরাই আইনের ৭(২) ধারায় ‘অবাধ প্রবেশাধিকার’ বলতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা তাঁর অনুমোদিত ব্যক্তির পরিদর্শনের জন্য প্রবেশের কথা বলা হয়েছে। ধারাটিতে সাধারণ মানুষের হোটেলের শৌচাগার ব্যবহারের সরাসরি অধিকার লেখা নেই। অন্য কোনো স্থানীয় নিয়ম এই হোটেলে প্রযোজ্য কি না, সেটিও এই ভিডিও থেকে নির্ধারণ করা যায় না।   অনলাইনে প্রতিক্রিয়াও বিভক্ত। অনেকে বলেছেন, জরুরি পরিস্থিতিতে শৌচাগার ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত। অন্যরা হোটেলের নিরাপত্তা ও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তুলেছেন। কেউ কেউ নারীর বর্ণনা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন। তবে এসব মন্তব্য ঘটনাস্থলে কী ঘটেছিল, তার প্রমাণ নয়।   ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, তারা অভিযোগের বিষয়ে হোটেলের বক্তব্য চেয়েছে। প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো জবাব জানানো হয়নি। হোটেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ছাড়া নারীর অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রকাশ: অক্টোবর ৬, ২০২৬ ৫:৫২
উচ্চ ভবনে কাজের সময় ব্যবহৃত নিরাপত্তার দড়ি কেটে ফেললেন বৃদ্ধ

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী কমানোর বড় পরিকল্পনা বিরোধী জোটের, পরিবর্তনের প্রস্তাব শিক্ষার্থী ভিসায়

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য বাড়ছে আইনি ঝুঁকি

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য বাড়ছে আইনি ঝুঁকি, একটি ভুলেই জেল ও ডিপোর্টেশন

মহানবী (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, শ্রীলঙ্কান যুবকের মৃত্যুদণ্ড

মহানবী (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, শ্রীলঙ্কান যুবকের মৃত্যুদণ্ড

ছবি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
কাশ্মীর থেকে ১৫০ বাংলাদেশি গ্রেফতার, ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ১৫০ বাংলাদেশি নাগরিককে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের দাবি, তাঁরা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাশ্মীর উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সোমবার, ৫ অক্টোবর বিশেষ ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি উড়োজাহাজে তাঁদের শ্রীনগর থেকে পশ্চিমবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। সেখান থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ।   প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন এবং পুলিশের যৌথ তৎপরতায় বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের শনাক্ত করতে অভিযান ও জরিপ চালানো হয়। ওই প্রক্রিয়ায় কয়েক শ বাংলাদেশি নাগরিককে শনাক্ত বা আটক করার দাবি করেছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা। তাঁদের মধ্য থেকে প্রথম ধাপে ১৫০ জনকে পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হয়েছে।   শ্রীনগর পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিশেষ বিমানটি সোমবার বাগডোগরায় পৌঁছানোর পর ওই ১৫০ জনকে বিএসএফের হেফাজতে দেওয়া হয়। পরবর্তী ধাপে সীমান্তের নির্ধারিত পয়েন্ট দিয়ে তাঁদের বাংলাদেশে পাঠানোর কথা রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরও একটি দলকে আগামী ৭ অক্টোবর একই প্রক্রিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে।   তবে ওই ব্যক্তিদের প্রত্যেকের নাগরিকত্ব, ভারতে প্রবেশের পথ, কত দিন ধরে তাঁরা সেখানে অবস্থান করছিলেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে কোনো মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এই ১৫০ জনের পরিচয় বা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কাশ্মীর উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় থাকা অনেক বাংলাদেশি নাগরিক অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারে কাজ করতেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ভাঙারি সংগ্রহসহ দৈনিক মজুরিভিত্তিক নানা কাজে যুক্ত ছিলেন। প্রশাসনের সাম্প্রতিক যাচাই কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই তাঁদের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।   ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরে অবৈধ অভিবাসী শনাক্তে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করে শ্রীনগরের উপকণ্ঠে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল। অন্য কয়েকটি ভারতীয় প্রতিবেদনে শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা আরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মোট কতজন বাংলাদেশি নাগরিক বর্তমানে হেফাজতে আছেন, সে বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে কিছু পার্থক্য রয়েছে।   ভারতীয় কর্মকর্তারা আরও দাবি করেছেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদেরও শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাঁদেরও পর্যায়ক্রমে বহিষ্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, অঞ্চলটিতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা এবং কয়েক শ বাংলাদেশি নাগরিক অবস্থান করছেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।   এই অভিযান এমন সময়ে সামনে এলো, যখন ভারত সরকার অনিয়মিত অভিবাসন ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের বিষয় পর্যালোচনায় আরও কড়াকড়ি শুরু করেছে। চলতি বছরের মে মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। পরে ওই কমিটি জম্মু ও কাশ্মীর সফর করে স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে।   তবে কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত করার ক্ষেত্রে তাঁর নাগরিকত্ব যাচাই এবং বাংলাদেশ সরকারের সম্মতি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সাধারণত প্রত্যাবাসনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে দুই দেশের কর্তৃপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ প্রয়োজন হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে চলমান প্রক্রিয়াকে বহিষ্কার বা প্রত্যাবাসনের অংশ বলা হলেও সব ব্যক্তিকে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।   বর্তমানে নিশ্চিত তথ্য হলো, ১৫০ জনকে শ্রীনগর থেকে বাগডোগরায় নেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর কথা জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এই প্রক্রিয়া কখন সম্পন্ন হবে এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ কীভাবে তাঁদের গ্রহণ করবে, সে বিষয়ে আরও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশের অপেক্ষা রয়েছে।   সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

প্রকাশ: অক্টোবর ৬, ২০২৬ ২:১৪
পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদের মূল উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবীর গ্রেপ্তার

পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদের মূল উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবীর গ্রেপ্তার, মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা

শাবানা মাহমুদ

নৌকায় যুক্তরাজ্যে আসার পথে নারীদের ভয়াবহ নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার প্রায় সবাই

ভারতে প্রধানমন্ত্রী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভারত–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা থমকে গেল, রুশ তেল নিয়ে বাড়ছে শুল্কের চাপ

0 Comments