আন্তর্জাতিক

কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ছুটি, নিউ ইয়র্কে যুগান্তকারী পদক্ষেপ মেয়র মামদানির

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ছুটি, নিউ ইয়র্কে যুগান্তকারী পদক্ষেপ মেয়র মামদানির
কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ছুটি, নিউ ইয়র্কে যুগান্তকারী পদক্ষেপ মেয়র মামদানির

নিউ ইয়র্ক সিটির কর্মজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন মেয়র জোহরান মামদানি। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে নগরীতে সম্প্রসারিত ‘প্রটেক্টেড টাইম অফ’ (Protected Time Off) বা সংরক্ষিত ছুটি আইন কার্যকর শুরু হয়েছে। 

 


এই নতুন আইনের আওতায় কর্মীরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রয়োজনে বাড়তি ছুটির সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান কর্মীদের প্রাপ্য ছুটি দিতে অবহেলা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র।

 


নতুন আইনে যা থাকছে:


লোকাল ল-১৪৫ (Local Law 145) এর অধীনে এখন থেকে নিউ ইয়র্কের নিয়োগকর্তাদের তাদের কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ৩২ ঘণ্টার অবৈতনিক সংরক্ষিত ছুটি বরাদ্দ রাখতে হবে। এই সুবিধাটি নিয়োগের সাথে সাথেই কার্যকর হবে এবং প্রতি ক্যালেন্ডার বছরের শুরুতে নবায়ন করা হবে।


ছুটি ব্যবহারের সুযোগও আগের চেয়ে অনেক বিস্তৃত করা হয়েছে। এখন থেকে অসুস্থতা ছাড়াও সন্তান দেখাশোনা (Childcare), প্রতিবন্ধী পরিবারের সদস্যদের সেবা, আবাসন বা সরকারি সুবিধার জন্য নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টে হাজিরা দেওয়া এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতার শিকার হলে বা জরুরি দুর্যোগের সময় কর্মীরা এই ছুটি ভোগ করতে পারবেন।

 


নিয়োগকর্তাদের প্রতি কড়া বার্তা:


মেয়র মামদানি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নিয়ম অমান্যকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে। শুক্রবারই শহরের ৫৬ হাজার প্রতিষ্ঠানে এই নতুন আইন মেনে চলার সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। মেয়র বলেন, "নিউ ইয়র্কবাসীকে কাজ এবং পরিবারের মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা যাবে না। আপনার জীবনের সংকটে আপনার চাকরি যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, আমরা সেটিই নিশ্চিত করছি।"

 


তিনি আরও জানান, কনজিউমার অ্যান্ড ওয়ার্কার প্রোটেকশন বিভাগ (DCWP) একটি বিশেষ অভিযান (Enforcement Blitz) শুরু করবে। বিশেষ করে রেস্তোরাঁ এবং যেসব প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের ছুটির হার অস্বাভাবিকভাবে কম, সেগুলোকে ডেটা-চালিত প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে তদন্ত করা হবে।

 


জরিমানা ও দণ্ড:


আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিটি কর্মীর জন্য ২৫০ থেকে ২,৫০০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান পর্যাপ্ত ছুটি দিতে ব্যর্থ হবে, তাদের প্রতি বছর ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীকে অন্তত ৫০০ ডলার ক্ষতিপূরণ এবং সমপরিমাণ অর্থ সিটির সিভিল পেনাল্টি হিসেবে দিতে হবে।

 


প্রেক্ষাপট:


উল্লেখ্য, এই আইনটি এর আগে সাবেক মেয়র এরিক অ্যাডামস ভেটো দিয়ে আটকে দিয়েছিলেন। তবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সিটি কাউন্সিল সেই ভেটো বাতিল করে আইনটি পাসের পথ প্রশস্ত করে। মেয়র মামদানি তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন।

 


শুক্রবার কুইন্সে এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র যখন এই ঘোষণা দেন, তখন তার সাথে আমাজন (Amazon) কর্মীদের একটি প্রতিনিধি দলও উপস্থিত ছিল, যারা দীর্ঘদিন ধরে কর্মক্ষেত্রে ছুটির অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করে আসছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি ট্রাম্প প্রশাসনের

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব খর্ব করতে একটি নতুন ও আক্রমণাত্মক সামরিক রণকৌশল গ্রহণের পথে এগোচ্ছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজ-এর এক বিশেষ বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, ওয়াশিংটন এখন আর সীমিত বা স্বল্পমেয়াদী হামলার পরিকল্পনায় আটকে নেই; বরং কয়েক সপ্তাহব্যাপী একটি দীর্ঘমেয়াদী ‘ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ’ বা ‘অ্যাট্রিশন ক্যাম্পেইন’-এর প্রস্তুতি চলছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগনের আগের পরিকল্পনায় ছিল ইরানের নির্দিষ্ট কিছু সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় এক বা দুই দিনের ঝটিকা হামলা চালানো। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক পরিকল্পনাকারীরা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদী অভিযানে ইরানের মূল শক্তি কাঠামো ভাঙা সম্ভব নয়। সে কারণে এখন ধারাবাহিক ও দীর্ঘস্থায়ী সামরিক অভিযানের ছক আঁকা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হবে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে কৌশলগতভাবে দুর্বল করা এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করা।   এই কঠোর অবস্থানের অন্যতম বড় ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে ভূ-মধ্যসাগরে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’-এর মোতায়েন। এই রণতরী থেকে দৈনিক ১৫০টিরও বেশি বিমান হামলা চালানো সম্ভব। পাশাপাশি রয়েছে স্টিলথ ফাইটার এফ-৩৫ এবং টমাহক ক্রুজ মিসাইল সজ্জিত একাধিক ডেস্ট্রয়ার ও সাবমেরিন। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, এই বিশাল সামরিক সমাবেশ কেবল সতর্কবার্তা নয়, বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পূর্ণ প্রস্তুতির অংশ।   বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য অভিযানের চারটি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর ও বাসিজ মিলিশিয়াদের সক্ষমতা কমিয়ে শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা, ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে হামলার মাধ্যমে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম কয়েক বছর পিছিয়ে দেওয়া, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা ও মজুদ ধ্বংস করা এবং সামরিক চাপের মাধ্যমে কঠোর আন্তর্জাতিক পরিদর্শন মেনে নিতে ইরানকে বাধ্য করা।   প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযানটি কয়েক ধাপে পরিচালিত হতে পারে। শুরুতে টমাহক মিসাইল দিয়ে ইরানের রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অকার্যকর করা হবে, এরপর চলবে ধারাবাহিক বিমান হামলা। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালাতে পারে, যার জন্য অঞ্চলজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।   এদিকে কাতার, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশগুলো সম্ভাব্য এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তবে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এবার আলোচনার টেবিলে সীমাবদ্ধ থাকতে রাজি নয়; বরং সামরিক শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ বদলে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
আফগানিস্তানে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে বাদ্যযন্ত্র, তালিবানি ফতোয়ায় বিপন্ন সুর ও সংস্কৃতি

আফগানিস্তানে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে বাদ্যযন্ত্র, তালিবানি ফতোয়ায় বিপন্ন সুর ও সংস্কৃতি

কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ছুটি, নিউ ইয়র্কে যুগান্তকারী পদক্ষেপ মেয়র মামদানির

কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ছুটি, নিউ ইয়র্কে যুগান্তকারী পদক্ষেপ মেয়র মামদানির

গাজার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না: হুঁশিয়ারি হামাসের

গাজার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না: হুঁশিয়ারি হামাসের

ট্রাম্পের শুল্ক নীতি অবৈধ ঘোষণা, বাংলাদেশের কোন লাভ হবে
ট্রাম্পের শুল্ক নীতি অবৈধ ঘোষণা, বাংলাদেশের কোন লাভ হবে?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত সর্বজনীন শুল্ক নীতির ওপর বড় ধরনের আইনি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এক ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়েছেন, ট্রাম্পের 'ইউনিভার্সাল বেসলাইন ট্যারিফ' মার্কিন সংবিধানের পরিপন্থী এবং আইনিভাবে অবৈধ।   এই রায়ের ফলে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পাদিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   আদালতের রায় ও ট্রাম্পের পাল্টা চাল আদালত স্পষ্ট করেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প 'ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট' (IEEPA) ব্যবহার করে যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা ছিল মূলত 'অর্থনৈতিক জবরদস্তি'। এই রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে পিছু না হটে তিনি 'ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪'-এর ধারা ১২২ ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছেন।   হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগের চুক্তিগুলো বাতিল না হলেও এখন থেকে দেশগুলোকে ১৯ শতাংশের পরিবর্তে নতুন এই ১০ শতাংশ শুল্ক হারের আওতায় আসতে হবে।   বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট: স্বস্তি নাকি নতুন শঙ্কা? ২০২৫ সালের শুরুতে ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতির কারণে বাংলাদেশ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের কবলে পড়েছিল। পরবর্তীতে দীর্ঘ দরকষাকষি এবং বোয়িং বিমান ও কৃষিপণ্য আমদানির শর্তে 'অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড' চুক্তির মাধ্যমে তা ১৯ শতাংশে নেমে আসে। অর্থনীতিবিদরা এই চুক্তিকে 'অসম' ও 'জবরদস্তিমূলক' বলে অভিহিত করেছিলেন।   বর্তমান পরিস্থিতিতে শুল্ক ১৯ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশ হওয়াকে আপাতদৃষ্টিতে ইতিবাচক মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে কঠোর শর্ত। 'ধারা ১২২' অনুযায়ী, আগামী ১৫০ দিন ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের শ্রমবাজার, কর্মপরিবেশ এবং পরিবেশগত মান তদন্ত করবে। তদন্তে সন্তোষজনক ফলাফল না মিললে এই শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত করার এখতিয়ার রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।   বিশেষজ্ঞদের মত বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণ করে বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের রায় আমাদের জন্য সুখবর হলেও এখনই পুরনো চুক্তি নিয়ে উচ্চবাচ্য করা ঠিক হবে না। আমাদের উচিত চুপ থেকে সময় নেওয়া এবং অভ্যন্তরীণ পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স ও শ্রম অধিকার নিশ্চিত করা। কারণ তদন্তে কোনো ত্রুটি পেলে ট্রাম্প প্রশাসন আরও কঠোর হতে পারে।"   অন্যদিকে, বিকেএমইএ-র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, "ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতি বরাবরই অনিশ্চিত। আগের চুক্তিতে আমাদের প্রাপ্তির চেয়ে হারানোই বেশি ছিল। এখনকার ১০ শতাংশ শুল্ক কতদিন বহাল থাকে, সেটাই দেখার বিষয়।"   ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের কয়েক হাজার কোটি টাকার ভাগ্য এখন নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ওয়ালমার্ট বা গ্যাপ-এর মতো বড় ক্রেতাদের ধরে রাখতে হলে মার্কিন প্রশাসনের তদন্তের মুখে পড়ার আগেই নিজেদের অভ্যন্তরীণ শিল্প পরিবেশ উন্নত করার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   তথ্য : বিবিসি।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও তাঁর ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা ট্রাম্পের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও তাঁর ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা ট্রাম্পের? চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

মাতৃভাষা দিবসে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাংলায় বার্তা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

মাতৃভাষা দিবসে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাংলায় বার্তা: শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘হাস্যকর’ আখ্যা ট্রাম্পের: বিচারকদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন

লেবাননে ইসরায়েলের আঘাতে হিজবুল্লাহর কমান্ডারসহ ১২ জন নিহত
লেবাননে ইসরায়েলের আঘাতে হিজবুল্লাহর কমান্ডারসহ ১২ জন নিহত

লেবাননের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বিমান ও ড্রোন হামলায় হিজবুল্লাহর এক কমান্ডারসহ অন্তত ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)–এর তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্ব লেবাননের বেকা উপত্যকায় প্রথম দফার বিমান হামলায় ছয়জন নিহত ও ২৫ জনের বেশি আহত হন। পরে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ে; সর্বশেষ তথ্যে নিহতের সংখ্যা ১০ ছাড়িয়েছে এবং আহত অন্তত ৩০ জন বলে জানানো হয়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।   বেকা গভর্নরেটের রিয়াক শহরের একটি ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা জানতে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাটি।   ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা বালবেক এলাকায় হিজবুল্লাহর একটি কমান্ড কেন্দ্র লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর একটি সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তাদের এক সামরিক নেতা রয়েছেন।   এর আগে শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননের সাইদন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত আইন আল-হিলওয়ে শরণার্থী শিবিরেও হামলার ঘটনা ঘটে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে অন্তত দুজন প্রাণ হারান।   রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, একটি ইসরায়েলি ড্রোন শিবিরের হিত্তিন এলাকায় আঘাত হানে। ইসরায়েলি বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়ায় হামাসের একটি কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে হামাস অভিযোগ করেছে, ওই হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন।   শরণার্থী শিবিরে হামলার ফলে একটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনটি আগে যৌথ ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে সেখানে খাদ্য সহায়তা বিতরণের একটি রান্নাঘর পরিচালিত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।   সাম্প্রতিক এসব হামলার জেরে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে আবারও উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতি বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতি বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত

রণধীর জয়সওয়াল | ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে আগ্রহী নয়াদিল্লি

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির | ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রকৃত শাসক আসিম মুনির? যা বললেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

0 Comments