ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্কের কুইন্সে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৯ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণী জান্নাত নিশাত তার ছোট বোনের জন্মদিনের জন্য কেক কিনতে গিয়েছিলেন এমন তথ্য জানিয়েছেন তার পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
জান্নাত নিশাতের অকাল মৃত্যুর খবর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিউ ইয়র্কসহ গোটা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া।
পরিবারের বন্ধু আমিন মেহেদি বলেন, তার ছোট বোন তাকে কেক কিনে আনতে বলেছিল। সে দোকানে গিয়েছিল এবং বাড়ি ফিরছিল। পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষা করছিল, কিন্তু সে ফিরছিল না। পরে তার ফোনের শেষ লোকেশন দেখে এক বোন তাকে খুঁজে পায়।
জানা যায়, নিশাত জ্যামাইকার একটি পার্কিং গ্যারেজে খণ্ডকালীন ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি কেক কিনতে থামেন। এরপরই ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
রবিবার রাত প্রায় ১১টা ৫৫ মিনিটে উডসাইড এলাকায় ৬২তম স্ট্রিট পার হওয়ার সময় একটি বেসরকারি স্যানিটেশন ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। ট্রাকটি রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ থেকে মোড় নিচ্ছিল। দুর্ঘটনাস্থলটি তার বাড়ি থেকে প্রায় আধা মাইল দূরে ছিল। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিশাত ম্যানহাটনের সিটি কলেজ অফ নিউ ইয়র্ক -এর একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এই মৃত্যু পরিবারে গভীর শোক নেমে এনেছে, বিশেষ করে তার ছোট বোনের জন্য, যার জন্মদিন এখন চিরদিনের জন্য এই দুঃখজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে।
আমিন মেহেদি বলেন, আমরা সবাই ভীষণ শোকাহত। এত অল্প বয়সে কেউ এভাবে জীবন হারাবে, তা আমরা কখনো ভাবিনি। সে ছিল পরিশ্রমী একটি মেয়ে, পড়াশোনা করছিল, নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করছিল।
নিহতের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ সিদ্দিক বলেন, পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছে। সে খুবই ভালো ও মেধাবী ছাত্রী ছিল। বাবা-মায়ের প্রতি খুব যত্নশীল ছিল। ছোট বয়সেই পরিবারকে সহায়তা করতে কাজ শুরু করেছিল।
মঙ্গলবার তার বাড়ির কাছে বাইতুল জান্নাহ মসজিদ মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুরা উপস্থিত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
৩৮ বছর বয়সী ট্রাকচালক ঘটনাস্থলেই ছিলেন এবং তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়নি। নিশাত তার বাবা-মা এবং চার বোনকে রেখে গেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
তাইওয়ান প্রণালীর কৌশলগত জলসীমায় নিজেদের সামরিক আধিপত্যের জানান দিতে নতুন শক্তিতে হাজির হয়েছে চীনা নৌবাহিনী। পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভি (পিএলএএন) তাদের অন্যতম শক্তিশালী এবং অত্যাধুনিক ‘টাইপ ০৫৫’ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘আনকিং’-এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাস্তবমুখী বা ‘কমব্যাট-স্টাইল’ লাইভ-ফায়ার মহড়া সম্পন্ন করেছে। গত ১ এপ্রিল চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে এই রণতরীটির বিধ্বংসী সক্ষমতা এবং নিখুঁত লক্ষ্যভেদের দৃশ্য উঠে আসে। চীনের ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের অধীনে পরিচালিত এই মহড়ায় মূলত আধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। প্রতিকূল তড়িৎ-চৌম্বকীয় পরিবেশে রাডার ও সেন্সর ব্যবহার করে শত্রুর অবস্থান শনাক্ত করা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রেখে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার ওপর এই মহড়ায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শুরুতে লক্ষ্যভেদে সামান্য বিচ্যুতি ঘটলেও আনকিং-এর ক্রু সদস্যরা অবিশ্বাস্য দ্রুততায় তা সংশোধন করে নেন এবং লক্ষ্যবস্তুকে সফলভাবে গুঁড়িয়ে দেন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি সাধারণ মহড়া নয়, বরং যুদ্ধের ময়দানে ক্রু সদস্যদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও উন্নত হার্ডওয়্যারের সমন্বয় যাচাইয়ের একটি কঠিন পরীক্ষা ছিল। টাইপ ০৫৫’ আনকিং: কেন একে সমুদ্রের দানব বলা হয়? আকার ও ক্ষমতা: ১৮০ মিটার দীর্ঘ এবং ২০ মিটার প্রস্থের এই যুদ্ধজাহাজটি পূর্ণ লোড অবস্থায় ১২,০০০ থেকে ১৩,০০০ টন ওজনের পানি স্থানচ্যুত করতে পারে। এর বিশালাকার ও অত্যাধুনিক কমান্ড ক্ষমতার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একে সাধারণ ডেস্ট্রয়ার না বলে 'ক্রুজার' হিসেবে গণ্য করে। অস্ত্রভাণ্ডার: জাহাজটিতে ১১২টি ইউনিভার্সাল ভার্টিক্যাল লঞ্চ সেল (ভিএলএস) রয়েছে। এর মাধ্যমে বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। গুঞ্জন রয়েছে, এটি হাইপারসনিক মিসাইল বহনেও সক্ষম। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: এতে রয়েছে ১৩০ মিমি মেইন গান, ৩০ মিমি ক্লোজ-ইন ওয়েপন সিস্টেম এবং উন্নত ‘টাইপ ৩৪৬বি’ এইএসএ (AESA) রাডার। এটি আকাশ, জল এবং সাবমেরিনের উপস্থিতি শনাক্ত করে নিখুঁত আক্রমণ চালাতে পারে। বর্তমানে চীনের হাতে থাকা মোট ১০টি ‘টাইপ ০৫৫’ ডেস্ট্রয়ারের মধ্যে নবতম সংযোজন ‘আনকিং (১১০)’ এবং ‘ডংগুয়ান (১০৯)’-কে সরাসরি ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডে মোতায়েন করা হয়েছে। তাইওয়ান প্রণালীর যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে এই কমান্ডটিই চীনের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। নৌ-বহরের রক্ষাকবচ হিসেবে পরিচিত এই আনকিং যুদ্ধজাহাজগুলো বিমানবাহী রণতরী বা ল্যান্ডিং গ্রুপকে দূরপাল্লার সুরক্ষা প্রদান করে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সত্তরের দশকে দেখা চীনের শক্তিশালী নৌ-বাহিনীর স্বপ্ন আজ ‘আনকিং’-এর মাধ্যমে বাস্তবে রূপ নিল। এই মহড়ার মাধ্যমে বেইজিং বিশ্বকে স্পষ্ট বার্তা দিল যে, তারা কেবল সংখ্যায় নয়, প্রযুক্তিতেও এখন অনন্য উচ্চতায়।
ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্কের কুইন্সে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৯ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণী জান্নাত নিশাত তার ছোট বোনের জন্মদিনের জন্য কেক কিনতে গিয়েছিলেন এমন তথ্য জানিয়েছেন তার পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা। জান্নাত নিশাতের অকাল মৃত্যুর খবর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিউ ইয়র্কসহ গোটা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া। পরিবারের বন্ধু আমিন মেহেদি বলেন, তার ছোট বোন তাকে কেক কিনে আনতে বলেছিল। সে দোকানে গিয়েছিল এবং বাড়ি ফিরছিল। পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষা করছিল, কিন্তু সে ফিরছিল না। পরে তার ফোনের শেষ লোকেশন দেখে এক বোন তাকে খুঁজে পায়। জানা যায়, নিশাত জ্যামাইকার একটি পার্কিং গ্যারেজে খণ্ডকালীন ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি কেক কিনতে থামেন। এরপরই ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রবিবার রাত প্রায় ১১টা ৫৫ মিনিটে উডসাইড এলাকায় ৬২তম স্ট্রিট পার হওয়ার সময় একটি বেসরকারি স্যানিটেশন ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। ট্রাকটি রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ থেকে মোড় নিচ্ছিল। দুর্ঘটনাস্থলটি তার বাড়ি থেকে প্রায় আধা মাইল দূরে ছিল। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিশাত ম্যানহাটনের সিটি কলেজ অফ নিউ ইয়র্ক -এর একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এই মৃত্যু পরিবারে গভীর শোক নেমে এনেছে, বিশেষ করে তার ছোট বোনের জন্য, যার জন্মদিন এখন চিরদিনের জন্য এই দুঃখজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে। আমিন মেহেদি বলেন, আমরা সবাই ভীষণ শোকাহত। এত অল্প বয়সে কেউ এভাবে জীবন হারাবে, তা আমরা কখনো ভাবিনি। সে ছিল পরিশ্রমী একটি মেয়ে, পড়াশোনা করছিল, নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করছিল। নিহতের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ সিদ্দিক বলেন, পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছে। সে খুবই ভালো ও মেধাবী ছাত্রী ছিল। বাবা-মায়ের প্রতি খুব যত্নশীল ছিল। ছোট বয়সেই পরিবারকে সহায়তা করতে কাজ শুরু করেছিল। মঙ্গলবার তার বাড়ির কাছে বাইতুল জান্নাহ মসজিদ মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুরা উপস্থিত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। ৩৮ বছর বয়সী ট্রাকচালক ঘটনাস্থলেই ছিলেন এবং তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়নি। নিশাত তার বাবা-মা এবং চার বোনকে রেখে গেছেন।
পারস্য উপসাগরের তপ্ত ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে আগুনের হলকা। ইরানি আকাশসীমায় ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫-এর নিইরানের খোঁজ ক্রু সদস্যকে খুঁজে বের করতে এবার সরাসরি ইরানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এলিট স্পেশাল ফোর্সেস। শুক্রবার দিবাগত রাতে এক রুদ্ধশ্বাস অভিযানের মাধ্যমে বিমানে থাকা দুই ক্রুর মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, দ্বিতীয়জনের সন্ধানে এখনো ইরানি ভূখণ্ডে তল্লাশি চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ও বিবিসি-র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন সামরিক পরিভাষায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ‘কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ’ অভিযানে নেমেছে পেন্টাগন। এই অভিযানে দুটি হেলিকপ্টার ও একটি রিফুয়েলিং বিমান অংশ নেয়। উদ্ধারকাজ চলাকালীন স্থানীয় ইরানি মিলিশিয়াদের হালকা অস্ত্রের গুলিতে মার্কিন হেলিকপ্টারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি হেলিকপ্টার থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলো ইরাকের ঘাঁটিতে নিরাপদে ফিরতে সক্ষম হয়েছে। সাবেক প্যারারেস্কিউ কমান্ডারদের মতে, এই অভিযান কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। নিখোঁজ পাইলটকে খুঁজে পেতে ইরানের গহীন এলাকায় এখন চলছে মার্কিন কমান্ডো আর ইরানি বাহিনীর লুকোচুরি। এদিকে, নিখোঁজ ওই মার্কিন ক্রুকে খুঁজে বের করতে বা ধরিয়ে দিতে ৬০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে ইরান। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালির কাছে একটি এ-১০ ওয়ার্টহগ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও সেটির পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ঘটনা শান্তি আলোচনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তার ভাষ্যমতে, "এটি যুদ্ধ, আর আমরা এখন যুদ্ধের মাঝেই আছি।"