সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

Today latest news

20 News
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাস, ১০ উড়োজাহাজে আকাশপথে বড় বিস্তারের পথে বাংলাদেশ

বোয়িংয়ের পর এবার ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে আরও ১০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। আগামী অক্টোবরেই এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা এয়ারবাস কিনছি। ১০টি কিনছি। ইনশাআল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হয়ে যাবে।”    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য এয়ারবাসের দেওয়া প্রস্তাবে রয়েছে মোট ১০টি উড়োজাহাজ। এর মধ্যে চারটি A350-900 ওয়াইডবডি এবং ছয়টি A321neo ন্যারোবডি উড়োজাহাজ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র ও পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে জানা গেছে।   A350-900 মূলত দীর্ঘপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে ব্যবহারের উপযোগী। অন্যদিকে A321neo অপেক্ষাকৃত ছোট ও মাঝারি দূরত্বের রুটে বেশি কার্যকর। ফলে প্রস্তাবিত বহরে দুই ধরনের উড়োজাহাজ থাকলে দূরপাল্লার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রুটে সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।   তবে চূড়ান্ত চুক্তিতে ঠিক কোন মডেল, কত দামে এবং কী অর্থায়ন কাঠামোয় উড়োজাহাজগুলো কেনা হবে, সে বিষয়ে সরকার বা বিমান এখনো বিস্তারিত প্রকাশ করেনি। জুলাইয়ে তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাট জানিয়েছিলেন, চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর মূল্য ও অন্যান্য শর্ত প্রকাশ করা হবে।    এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সরকারের আগের পরিকল্পনায় আগস্টের সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। ২১ জুলাই প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাট জানিয়েছিলেন, ৩১ আগস্টের মধ্যে এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি করার লক্ষ্য রয়েছে এবং উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সাল থেকে বিমানের বহরে যুক্ত হওয়ার কথা।    তবে সেই সময়সীমায় চুক্তি হয়নি। সেপ্টেম্বরে এসে আলোচনা আরও এগিয়েছে এবং এখন অক্টোবরকে সম্ভাব্য চুক্তির সময় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফরাসি রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে জানিয়েছিলেন, বিমান ও এয়ারবাসের মধ্যে আলোচনা তখনও চলছিল। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি বাণিজ্যিক ও কারিগরি বিবেচনার ভিত্তিতে এগোচ্ছে।    এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, অক্টোবর মাসে এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার প্রস্তুতি চলছে এবং প্রস্তাবিত প্যাকেজে চারটি A350-900 ও ছয়টি A321neo রয়েছে।   এয়ারবাসের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তিটি আসছে বিমানের বড় ধরনের বহর সম্প্রসারণ কর্মসূচির মধ্যে। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে। ওই চুক্তিতে রয়েছে আটটি Boeing 787-10, দুটি Boeing 787-9 এবং চারটি Boeing 737 MAX 8। এসব উড়োজাহাজের সরবরাহ ২০৩১ সালের নভেম্বর থেকে ২০৩৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে হওয়ার কথা।   এরপর সেপ্টেম্বরে বিমান আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য অতিরিক্ত চুক্তি করেছে। এর মধ্যে পাঁচটি Boeing 787-10 এবং ছয়টি Boeing 737-8 রয়েছে। ফলে আগে করা ১৪টি এবং নতুন ১১টি মিলিয়ে বিমানের বোয়িং ক্রয় পরিকল্পনা দাঁড়িয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজে।এখন এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজের চুক্তি সম্পন্ন হলে বোয়িং ও এয়ারবাস মিলিয়ে বিমানের নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের পাইপলাইনে মোট ৩৫টি উড়োজাহাজ থাকবে।   বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে সংস্থাটির বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি Boeing 787-9, চারটি Boeing 787-8, চারটি Boeing 777-300ER, চারটি Boeing 737-800 এবং পাঁচটি Dash 8-400 রয়েছে।   অর্থাৎ নতুন ক্রয় পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে বিমানের বহর বর্তমান অবস্থার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড় হবে।বিমানের পক্ষ থেকে সম্প্রতি বলা হয়েছে, নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্য শুধু বহর বড় করা নয়; আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণ, নতুন রুট চালু এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার সক্ষমতা বাড়ানোও এর উদ্দেশ্য। ১১টি অতিরিক্ত বোয়িং কেনার পর বিমান কর্তৃপক্ষ এটিকে বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে।    এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসও থাকবে। অর্থাৎ জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি একটি মিশ্র উড়োজাহাজ বহর বা mixed fleet পরিচালনার দিকে এগোবে।   সরকারের পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছে, দেশের বিমান চলাচল খাতের সম্প্রসারণ এবং নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর জন্য বোয়িং ও এয়ারবাস উভয় ধরনের উড়োজাহাজ প্রয়োজন। জুলাইয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও বলেছিলেন, বাংলাদেশ উভয় নির্মাতার কাছ থেকেই উড়োজাহাজ সংগ্রহ করবে এবং একটি টেকসই মিশ্র বহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।    এয়ারবাসের চুক্তি অক্টোবরে সম্পন্ন হলে সাম্প্রতিক কয়েক মাসে বিমানের বহর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বড় আকার নেবে। এপ্রিলের ১৪টি বোয়িং, সেপ্টেম্বরে অতিরিক্ত ১১টি বোয়িং এবং প্রস্তাবিত ১০টি এয়ারবাস নতুন ৩৫টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের একটি বড় পাইপলাইন তৈরি হবে।এর বাইরে ২০২৭ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও সরকার জানিয়েছে। এর উদ্দেশ্য নতুন কেনা উড়োজাহাজগুলো বহরে যুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক রুটে সক্ষমতার ঘাটতি পূরণ করা এবং বিভিন্ন রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো।    তবে এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত মূল্য, অর্থায়ন, সরবরাহের নির্দিষ্ট সময়সূচি এবং চুক্তির অন্যান্য বাণিজ্যিক শর্ত এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে অক্টোবরের সম্ভাব্য চুক্তি স্বাক্ষরের পর এসব বিষয়ে আরও পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যাবে।   সর্বশেষ মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকার এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তে এগিয়েছে এবং অক্টোবরেই চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্য রয়েছে। চুক্তি সম্পন্ন হলে এটি হবে বিমানের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ কর্মসূচির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৭:১
আই এ সের দখলের আগে দেইর এজ-জোর জাদুঘর থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে প্রাচীন প্রত্নবস্তু
আই এ সের হাত থেকে ৩০ হাজার প্রাচীন নিদর্শন বাঁচাতে জীবন বাজি রাখেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা

সিরিয়ার দেইর এজ-জোর শহর যখন আই এ সের দখলের মুখে, তখন যুদ্ধের ঝুঁকি উপেক্ষা করে প্রায় ৩০ হাজার ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তু সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান দেশটির প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে সেই দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানের বিস্তারিত।   ২০১৪ ও ২০১৫ সালে পরিচালিত ওই অভিযানে দেইর এজ-জোর জাদুঘরের মূল্যবান সংগ্রহগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এসব নিদর্শনের মধ্যে মেসোপটেমিয়ার প্রাচীন সভ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত বহু গুরুত্বপূর্ণ বস্তু ছিল।   গবেষণাটির লেখক ও প্রত্নতত্ত্ববিদ অধ্যাপক মামুন আবদুলকরিমের নেতৃত্বে ওই সময় সিরিয়ার প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর অধিদপ্তর উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। তিনি ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সংস্থাটির মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর সময়কালে সিরিয়ার বিভিন্ন জাদুঘর থেকে প্রায় ৩ লাখ প্রত্নবস্তু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার ছিল দেইর এজ-জোর জাদুঘরের।   দেইর এজ-জোর ছিল সিরিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা। জাদুঘরটির অনেক নিদর্শন এসেছে হালাফ, দুরা-ইউরোপোস ও মারির মতো প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে।   তবে শহরটি তখন ছিল ভয়াবহ সংঘাতের মধ্যে। জাদুঘরটি একটি সামরিক বিমানবন্দরের সঙ্গে সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি পথ দিয়ে যুক্ত ছিল। ফলে প্রত্নবস্তু সরিয়ে নেওয়ার প্রতিটি ধাপেই ছিল বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি।   গবেষণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধের সময় এমন উদ্ধার অভিযান শুধু পরিবহন ও পরিকল্পনার বিষয় নয়। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, পরস্পরের ওপর আস্থা রাখা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলানোর সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   অধ্যাপক আবদুলকরিমের মতে, যুদ্ধের মধ্যে সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা করলে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে। দেইর এজ-জোরের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়াই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।   ২০১৪ সালের পর সিরিয়া ও ইরাকের বড় অংশে আই এ সের নিয়ন্ত্রণ বিস্তৃত হলে বহু জাদুঘর ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা লুট ও ধ্বংসের ঝুঁকিতে পড়ে। ইরাকের মসুলে জাদুঘর লুট এবং নিনেভে ও আসিরীয় সভ্যতার বহু নিদর্শন ধ্বংসের ঘটনাও সিরিয়ার প্রত্নতত্ত্ব কর্তৃপক্ষকে জরুরি সংরক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করতে বাধ্য করে।   অধ্যাপক আবদুলকরিম বলেন, এসব প্রত্নবস্তু শুধু জাদুঘরের সংগ্রহ নয়। এগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের মানব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের স্মৃতি।   তাঁর ভাষায়, ৩০ হাজার নিদর্শন উদ্ধার করার অর্থ শুধু ৩০ হাজার বস্তু রক্ষা করা নয়; বরং যুদ্ধের কারণে মুছে যেতে বসা হাজার বছরের ইতিহাসকে সংরক্ষণ করা।   নতুন গবেষণাটি Museum Management and Curatorship সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে যুদ্ধ বা সংকটের আগেই জাদুঘর ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রক্ষায় প্রস্তুতি, নথিপত্র, পেশাগত সক্ষমতা ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তি তৈরি করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৬:৪৭
কানাডার পণ্যে নতুন মার্কিন নিষে ধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে
কানাডার ম দ, দুগ্ধপণ্য ও মোটরসাইকেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষে ধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার চলমান বাণিজ্য বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন ধরনের ম দ, কিছু দুগ্ধপণ্য এবং মোটরসাইকেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষে ধাজ্ঞা মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের কানাডীয় পণ্য এই ব্যবস্থার আওতায় পড়ছে।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৮ সেপ্টেম্বর এসব আমদানি বন্ধের ঘোষণা দেন। তাঁর প্রশাসনের দাবি, কানাডা মার্কিন দুগ্ধ, অটোমোবাইল ও ম দজাত পণ্যের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। কানাডার পাল্টা শুল্ক আরোপের পরই ওয়াশিংটন নতুন এই পদক্ষেপ নেয়।   নতুন ব্যবস্থায় বিয়ার, বিভিন্ন ধরনের ওয়াইন, হুইস্কি, ভদকা, রাম, টেকিলা, ব্র্যান্ডি ও অন্যান্য ম দজাত পানীয়ের বেশির ভাগই অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দুগ্ধপণ্যের ক্ষেত্রে হুই প্রোটিনসহ কিছু নির্দিষ্ট পণ্য এবং মোলাসেসের ওপরও বিধিনিষেধ রয়েছে। ৮০০ সিসির বেশি ইঞ্জিনযুক্ত কিছু মোটরসাইকেল ও মোপেডও তালিকায় রয়েছে।   কানাডার ম দ শিল্পের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির ম দ রপ্তানির বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারনির্ভর। ফলে নতুন নিষে ধাজ্ঞায় বিশেষ করে ছোট উৎপাদকদের ওপর চাপ বাড়তে পারে বলে শিল্পসংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।   দুই দেশের মধ্যে এরই মধ্যে পাল্টাপাল্টি শুল্ক চলছে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে কানাডার প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল। এর জবাবে কানাডাও মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক বসিয়েছে।   কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, নতুন মার্কিন পদক্ষেপের কারণে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা ও খাতগুলো বাস্তব চাপের মুখে পড়বে। তবে সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের তুলনায় নিষে ধাজ্ঞার আওতাধীন পণ্যের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বছরে প্রায় ৮৮০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়।   এদিকে দুই দেশের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য আলোচনা এখনো স্থবির। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর তাড়া নেই। ফলে নতুন নিষে ধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পরও দুই দেশের বাণিজ্য বিরোধ সহজে কাটছে না।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন পদক্ষেপের সরাসরি অর্থনৈতিক প্রভাব সীমিত হতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ দুই বাণিজ্য অংশীদারের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় ভবিষ্যৎ বাণিজ্য সম্পর্ক ও উত্তর আমেরিকার মুক্তবাণিজ্য কাঠামো নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৬:২৪
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে কটাক্ষ, এনসিপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এক বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি এনসিপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দলটির জনসমর্থন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।   বক্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তিনি তাকে নানা অবমাননাকর শব্দে আখ্যায়িত করেন। তবে এগুলো বক্তার ব্যক্তিগত মন্তব্য ও রাজনৈতিক কটাক্ষ; এগুলোকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।   তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপস্থিতি থাকলেও তার আহ্বানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি জামায়াত-শিবিরের কর্মীরাও মাঠে আসছেন না। এ সময় তিনি জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়েও নানা মন্তব্য করেন।   বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এনসিপি প্রধান বিরোধী দলের অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে জামায়াতের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে অবস্থান নিতে পারে।   পোস্টের শেষাংশে তিনি কয়েকটি স্লোগান ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সমন্বয়কদের সমালোচনা করেন।   রাজনৈতিক বক্তব্যে ব্যবহৃত এসব অভিযোগ ও কটাক্ষের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা দলের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে ভারসাম্যপূর্ণভাবে যুক্ত করা যেতে পারে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৬:২৩
অভিবাসী ও শরণার্থীদের সহায়তার তহবিল বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন
অভিবাসী-শরণার্থীদের সহায়তায় বরাদ্দ ৮১০ মিলিয়ন ডলার বাতিলের পথে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী, শরণার্থী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবার জন্য কংগ্রেস অনুমোদিত প্রায় ৮১০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ অর্থ বাতিলের প্রস্তাব ইতোমধ্যে কংগ্রেসে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ব্যবস্থাপনা ও বাজেট দপ্তর (ওএমবি)।   গত শুক্রবার প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসনের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, আবাসন ও নগর উন্নয়ন এবং বিচার বিভাগের বিভিন্ন খাতে অনুমোদিত অর্থ বাতিলের কথা বলা হয়েছে।   ‘রিসিশন’ নামে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদিত নির্দিষ্ট সরকারি বরাদ্দ বাতিলের জন্য আইনপ্রণেতাদের কাছে প্রস্তাব দিতে পারেন। ট্রাম্প প্রশাসনের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে অ-মার্কিন নাগরিকদের সহায়তায় ফেডারেল করদাতাদের অর্থ ব্যবহারের অবসান ঘটানোর প্রশাসনের লক্ষ্য এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে ‘আমেরিকানদের অগ্রাধিকার’ দেওয়ার নীতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।   তবে প্রশাসনের এই উদ্যোগ নিয়ে কংগ্রেসের ভেতরেই আপত্তি উঠেছে। কয়েকজন আইনপ্রণেতার অভিযোগ, কংগ্রেস যে অর্থ অনুমোদন করেছে, তা নির্বাহী শাখা একতরফাভাবে বাতিল করতে পারে না।   রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স বলেছেন, কংগ্রেসের অনুমোদিত অর্থ কংগ্রেসের সম্মতি ছাড়া বাতিলের যেকোনো চেষ্টা আইনের লঙ্ঘন হতে পারে। এ ধরনের পদক্ষেপ মোকাবিলায় তিনি সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করবেন বলেও জানিয়েছেন।   ডেমোক্র্যাট সিনেটর জেফ মার্কলিও প্রস্তাবটির সমালোচনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া নির্দিষ্ট খাতের বরাদ্দ বাতিলের চেষ্টা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাকে এমনভাবে বাড়িয়ে দেয়, যেন তিনি একাই ঠিক করতে পারেন কোন খাতে সরকারি অর্থ ব্যয় হবে।   এই উদ্যোগকে ট্রাম্প প্রশাসনের বৃহত্তর অভিবাসন নীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ক্ষমতায় ফেরার পর প্রশাসন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।   এর আগে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নীতিতেও পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াই হয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্টে এর বৈধতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।   এ ছাড়া বৈধ মর্যাদা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা কিছু শরণার্থী ও অভিবাসীর ক্ষেত্রে আটক এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ জোরদারের পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। ভিসার মর্যাদা পরিবর্তনের আবেদন করা বিদেশিদের জন্যও নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে।   ফলে ৮১০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল বাতিলের এই প্রস্তাব কংগ্রেসে কীভাবে এগোয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রস্তাবটি কার্যকর করতে কংগ্রেসের প্রক্রিয়া ও অনুমোদনের বিষয়টি সামনে থাকবে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৬:১৪
রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহে নতুন জটিলতা
রূপপুরের জ্বালানি আনতে গিয়ে পাকিস্তানের আকাশসীমায় বাধাপ্রাপ্ত রুশ বিমান

বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে আসা একটি বিমানের পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি। এর ফলে নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে বিকল্প পথে জ্বালানি পাঠানোর ব্যবস্থা করায় প্রকল্পের সামগ্রিক সময়সূচিতে প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম।   রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রথম ধাপের পারমাণবিক জ্বালানি ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। রাশিয়া থেকে আসা বিমানটির রুট ছিল আজারবাইজান, কাজাখস্তান, পাকিস্তান ও ভারত হয়ে ঢাকা। কিন্তু পাকিস্তান ওই বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি।   বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, পাকিস্তান অনুমতি না দেওয়ার কোনো নির্দিষ্ট কারণ বাংলাদেশকে জানানো হয়নি। তিনি বলেন, কেন পাকিস্তান আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, তা এখনো স্পষ্ট নয়।   বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব তৌহিদুল ইসলাম জানান, বিমানবন্দরে জ্বালানি গ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। পরে রোসাটমের কাছ থেকে জানানো হয়, বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি পায়নি।   তবে পাকিস্তান হাইকমিশন ঘটনাটিকে কারিগরি ও প্রক্রিয়াগত বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছে। ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় ইসলামাবাদ। তাই ঘটনাটিকে এর যথাযথ কারিগরি প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত।   এদিকে রোসাটম বিকল্প রুটে জ্বালানি সরবরাহের সময়সূচি নতুন করে নির্ধারণ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, রূপপুরের বাকি জ্বালানির চালানগুলো অক্টোবরে আবার পাঠানো শুরু হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে সাতটি পৃথক কার্গো ফ্লাইটে বাকি জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। রোসাটমের দাবি, এতে প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সূচিতে প্রভাব পড়বে না।   বাংলাদেশের জন্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যে থাকা দেশটি নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে এই প্রকল্পের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে প্রকল্পটি এরই মধ্যে প্রায় দুই বছর পিছিয়েছে।   চলতি বছরের এপ্রিলে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু হয়। আগস্টে শুরু হয় পরীক্ষার শেষ ধাপ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, অক্টোবরে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি চলছে। বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ডিসেম্বরে।   দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকটের কারণে রূপপুর দ্রুত চালু করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গ্রামাঞ্চলের কোথাও দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে, আবার বিদ্যুৎ সংকটে বিভিন্ন শিল্পকারখানার উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে আমদানি করা গ্যাসের ওপর নির্ভরতা বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবের মুখে ফেলেছে।   এই পরিস্থিতিতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুত চালু হলে জাতীয় গ্রিডে বড় পরিমাণ নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ যোগ হওয়ার পাশাপাশি আমদানি-নির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৫:৫৮
আব্বাস প্রামানিক—বয়সের ভারেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন বলে পরিবারের দাবি
বয়স ১২৩, তবু চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন নাটোরের আব্বাস

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার যোগেন্দ্রনগর গ্রামের আব্বাস প্রামানিকের বয়স ১২৩ বছর। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯০৩ সালে। বয়সের ভারে শরীর দুর্বল হয়ে পড়েছে, চলাফেরায় এখন লাঠির প্রয়োজন হয়, কমেছে শ্রবণশক্তিও। তবে এই বয়সেও তাঁর দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকার বিষয়টি পরিবারের কাছে বিস্ময়ের।   পরিবারের সদস্যদের দাবি, আব্বাস প্রামানিক এখনো চশমা ছাড়াই কোরআন শরিফ পড়তে পারেন। নিয়মিত নামাজ আদায় ও কোরআন তিলাওয়াত তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তাঁর এই অভ্যাস দীর্ঘদিনের।   দীর্ঘ জীবনে আব্বাস প্রামানিক ব্রিটিশ শাসনের শেষ সময়, পাকিস্তান আমল, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় দেখেছেন। কর্মজীবনে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। একসময় মাত্র ৬০ টাকা বেতনে শিক্ষকতা করেছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি এলাকার শিশুদের বিনা পারিশ্রমিকে কোরআন শিক্ষা দেওয়ারও অভ্যাস ছিল তাঁর।   পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোটবেলা থেকেই আব্বাস সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। বিলাসিতা তাঁর পছন্দ ছিল না। জীবনের বড় একটি সময় তিনি হেঁটেই চলাফেরা করেছেন। বর্তমানে বয়সের কারণে স্বাভাবিক চলাফেরা কঠিন হলেও নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করেন।   আব্বাস প্রামানিকের দুই মেয়ে ও ছয় ছেলে। স্ত্রী মরিয়ম আক্তার প্রায় ৫০ বছর আগে মারা গেছেন। এখন সন্তান ও নাতি-নাতনিরাই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁর দেখাশোনা করেন। তাঁর পছন্দের খাবারের মধ্যে রয়েছে বাতাসা, গরুর দুধ ও মসুর ডাল।   তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর জীবনযাত্রাও কঠিন হয়েছে। বাড়ির অবস্থাও ভালো নয়। চলাচলের সুবিধার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ির সামনে সিঁড়ি করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রবীণ সেবা কেন্দ্র তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে বলেও উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।   জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী ১২৩ বছরের আব্বাস প্রামানিকের জীবন বাংলাদেশের এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের পরিবর্তনের সাক্ষী। বয়সের ভারে শরীর দুর্বল হলেও কোরআন পড়ার অভ্যাস এখনো অটুট রয়েছে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৫:৩১
প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা স ন্ত্রা সবাদ ভারতের অন্যতম প্রধান সমস্যা : জয়শঙ্কর
প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা স ন্ত্রা সবাদ ভারতের অন্যতম প্রধান সমস্যা : জয়শঙ্কর

প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা স ন্ত্রা সবাদ ভারতের অন্যতম প্রধান উদ্বেগ। ভারতের অংশীদারেরা এই উদ্বেগ যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে না বুঝলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কীভাবে আরও ভালো করা যায়, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।   সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে এশিয়া সোসাইটির এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন, কয়েক দশক ধরে প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা স ন্ত্রা সবাদের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত। তাঁর ভাষায়, ভারতের কাছে বিষয়টি গভীরভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এ নিয়ে অংশীদারদের যথেষ্ট বোঝাপড়া, গুরুত্ব বা সহমর্মিতা না থাকলে সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হয়।   ওই বক্তব্যে জয়শঙ্কর প্রতিবেশী দেশটির নাম বলেননি। তবে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক যোগাযোগ এবং স ন্ত্রা সবাদ নিয়ে ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানের প্রেক্ষাপটে তাঁর মন্তব্যটি এসেছে। এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণেও তিনি পাকিস্তানের নাম না নিয়ে স ন্ত্রা সবাদ বিষয়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরেছিলেন।   ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের পেছনে শুধু নিরাপত্তার বিষয়ই নেই। শুল্ক ও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে দুই দেশের মধ্যে। পাশাপাশি রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের জ্বালানি কেনা এবং তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে জয়শঙ্কর এ বিষয়ে ভারতের উদ্বেগ জানান।   বাণিজ্য আলোচনা সম্পর্কে জয়শঙ্কর বলেন, দুই পক্ষ একটি চুক্তি নিয়ে মোটামুটি বোঝাপড়ায় পৌঁছেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসায় নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভারতের ছোট কৃষক ও উৎপাদকদের স্বার্থের কথাও আলোচনায় বিবেচনা করতে হচ্ছে। তাই চুক্তি শেষ করতে ধৈর্য এবং বিস্তারিত কাজ প্রয়োজন বলে তিনি জানান।   এই আলোচনার মধ্যেই ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সফরে দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হবে।   সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ভারত চায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক। বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হলে তা সম্পর্ক উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। তবে স ন্ত্রা সবাদসহ যেসব বিষয়ে ভারতের উদ্বেগ রয়েছে, সেগুলোরও সমাধান প্রয়োজন বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৫:১৩
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের নথি নিয়ে ফিফা-উয়েফার আইনি বিরোধ
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের নথি নিয়ে ফিফা-উয়েফার আইনি বিরোধ

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বসংক্রান্ত একটি বাতিল হওয়া পরিকল্পনার নথি চেয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সেই আবেদনের বিরোধিতা করে ফিফা অভিযোগ করেছে, উয়েফা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে এবং আগামী বছরের ফিফা সভাপতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে চাইছে। উয়েফা এ অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।   বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্বকাপসহ ফিফার বড় প্রতিযোগিতাগুলোর কিছু বাণিজ্যিক স্বত্ব ওই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হতো এবং তাতে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ থাকত। আপত্তির মুখে জুলাইয়ে পরিকল্পনাটি বাদ দেওয়া হয়।   উয়েফা গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে নথি ও সাক্ষ্য সংগ্রহের অনুমতি চায়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতিতে এসব তথ্য ব্যবহার করতে চায় সংস্থাটি। উয়েফার অভিযোগ, পরিকল্পনাটি ফিফার স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এড়িয়ে সীমিত পরিসরে তৈরি করা হয়েছিল এবং স্বত্বের মূল্য যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি।   ফিফা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আদালতে জমা দেওয়া জবাবে সংস্থাটি বলেছে, পরিকল্পনা কার্যকর করতে সদস্য অ্যাসোসিয়েশন ও ফিফা কাউন্সিলের অনুমোদন প্রয়োজন হতো। প্রকল্পটির মূল্যায়ন নিয়ে উয়েফার হিসাবও ভুল বলে দাবি করেছে ফিফা।   ফিফার আরও অভিযোগ, ইনফান্তিনোর ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্য ছিল বলে উয়েফা ভিত্তিহীন ইঙ্গিত দিয়েছে। আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি নির্বাচন সামনে রেখে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি সংস্থাটির। এগুলো আদালতে দেওয়া ফিফার বক্তব্য; উয়েফার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আদালতের কোনো সিদ্ধান্ত নয়।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৪:৫৫
তারেক রহমানের ভারত সফরে তাড়াহুড়ো নেই
তারেক রহমানের ভারত সফরে তাড়াহুড়ো নেই, বললেন ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে চলছে, তবে সফরের দিনক্ষণ ঠিক করতে তাড়াহুড়োর কিছু নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের সরকারপ্রধানের সুবিধাজনক সময়ে সফরটি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।   মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ত্রিবেদী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, তারেক রহমানকে ভারত সফরের যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তা এখনো বহাল রয়েছে।   ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, সফর নিয়ে দুই দেশই ইতিবাচক। তবে নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী ভারতে যেতে পারেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পক্ষে তিনি কোনো নিশ্চিত তথ্য দেননি। এখন পর্যন্ত সফরের নির্দিষ্ট তারিখ বা আনুষ্ঠানিক সূচিও ঘোষণা করা হয়নি।    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানিয়েছে, সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকারও জানিয়েছে বাংলাদেশ।    চলতি মাসের ৭ সেপ্টেম্বরও তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ জানিয়েছিলেন ত্রিবেদী। মঙ্গলবারের বক্তব্যেও সেই অবস্থান বজায় রেখেছেন তিনি; সফরের নতুন কোনো দিনক্ষণ জানাননি। 

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৪:৪৭
রাশিয়ায় আরও ১০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি
রাশিয়ায় আরও ১০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি

রাশিয়ায় আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী সেনাদের বাছাই করা হচ্ছে; এরপর প্রশিক্ষণ দিয়ে তাঁদের রাশিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।   জেলেনস্কির হিসাবে, বর্তমানে রাশিয়ার ভূখণ্ডে আট হাজারের বেশি উত্তর কোরীয় সেনা রয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, রাশিয়া বিদেশি নাগরিকদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বাড়াচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারকে সতর্ক করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের আরেক দাবি, সামরিক সহায়তার বিনিময়ে উত্তর কোরিয়াকে প্রযুক্তি দিচ্ছে রাশিয়া। রুশ প্রযুক্তিগত সহায়তায় সেখানে শাহেদ ধরনের আক্রমণকারী ড্রোন উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এই দাবির স্বাধীন নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।   রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার হিসাবে ২০২৪ সাল থেকে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে সহায়তা করতে আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগকে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে আগের মোট সেনা পাঠানোর হিসাব এবং বর্তমানে রাশিয়ায় অবস্থানরত সেনার সংখ্যা এক নয়।   জেলেনস্কির বক্তব্যটি এসেছে ইউক্রেনে নতুন দফা হামলার পর। তাঁর দেওয়া হিসাবে, সোমবার দেশজুড়ে রুশ ড্রোন হামলায় নয়জন নিহত ও ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরেও কিয়েভে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।  

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৪:৮
যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাঋণের সুদে ছাড় পেতে অটো পে চালুর সময় শেষ বুধবার
যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাঋণের সুদে ছাড় পেতে অটো পে চালুর সময় শেষ বুধবার

যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট ফেডারেল শিক্ষাঋণের সুদে অস্থায়ী ছাড় পেতে বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে অটো পে চালু করতে হবে। সময়টি যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন টাইম অনুযায়ী। ইতোমধ্যে অটো পে চালু থাকা যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে না।   যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অটো পেতে আগে সুদের হারে ০ দশমিক ২৫ শতাংশ পয়েন্ট ছাড় মিলত। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের জন্য মোট ছাড় বেড়ে হয়েছে ১ শতাংশ পয়েন্ট। অর্থাৎ এটি আগের ছাড়ের সঙ্গে আরও ১ শতাংশ পয়েন্ট যোগ হওয়ার ঘোষণা নয়।   অতিরিক্ত ছাড়টি প্রযোজ্য ২০১২ সালের ১ জুলাই বা তার পরে বিতরণ করা ফেডারেল ডাইরেক্ট লোনে। ঋণটি পরিশোধের পর্যায়ে থাকতে হবে এবং ছাড় ধরে রাখতে অটো পে চালু রেখে নিয়মিত কিস্তি দিতে হবে। এই বাড়তি সুবিধা চলবে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের দেওয়া সব শিক্ষাঋণে একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।   অটো পে চালু করলে প্রতি মাসে নির্ধারিত কিস্তি ঋণগ্রহীতার ব্যাংক হিসাব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়া হয়। আবেদন করতে হবে নিজের শিক্ষাঋণ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে। ঋণ কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে আছে, তা ফেডারেল স্টুডেন্ট এইড অ্যাকাউন্টে দেখা যায়।   ছাড়টি ঋণের সুদের হারে, সরাসরি মাসিক কিস্তির অঙ্কে নয়। কত টাকা সাশ্রয় হবে, তা বকেয়া ঋণ, সুদের হার ও পরিশোধ পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করবে। ঋণ স্থগিত থাকলে বা পরিশোধের পর্যায়ে না থাকলে এই ছাড় পাওয়ার শর্তও বদলে যেতে পারে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৩:৫৯
কানাডার মদ, দুগ্ধপণ্য ও মোটরসাইকেলে মার্কিন আমদানি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর
কানাডার মদ, দুগ্ধপণ্য ও মোটরসাইকেলে মার্কিন আমদানি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর

কানাডা থেকে নির্দিষ্ট কিছু মদ, দুগ্ধপণ্য ও মোটরসাইকেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আজ মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ১২টা ১ মিনিটে কার্যকর হয়েছে। চলমান বাণিজ্য বিরোধের মধ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতে ঘোষিত এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।   নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা পণ্যগুলোর ২০২৫ সালের আমদানিমূল্য প্রায় ৯৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার, আমেরিকান অ্যাকশন ফোরামের হিসাব অনুযায়ী। এর ৮৭ শতাংশ মদজাতীয় পানীয়। এটি আগের বছরের আমদানি ধরে করা হিসাব; আজ সীমান্তে আটকে দেওয়া পণ্যের মূল্য নয়।   হোয়াইট হাউসের ঘোষণায় তালিকাভুক্ত কানাডীয় পণ্যের আমদানি বন্ধ করা হয়েছে। দুগ্ধপণ্যের মধ্যে রয়েছে দুধ থেকে তৈরি হুইজাতীয় কিছু পণ্য। মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারক কুইবেকের প্রতিষ্ঠান বিআরপি জানিয়েছে, তাদের তিন চাকার ক্যান-অ্যাম স্পাইডার ও ক্যানিয়ন মডেল নিষেধাজ্ঞায় পড়েছে। তবে চলতি মৌসুমের বেশির ভাগ উৎপাদন ও চালান শেষ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আগামী বছরের আগে বড় প্রভাব আশা করছে না।   বিরোধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার প্রায় দুই হাজার কোটি ডলারের পণ্যে অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। জবাবে কানাডা ৮ সেপ্টেম্বর থেকে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক কার্যকর করেছে। কানাডার অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পণ্যভেদে সেই শুল্কের হার ১৫, ২৫ ও ৫০ শতাংশ।   হোয়াইট হাউসের দাবি, মার্কিন মদ, দুগ্ধপণ্য ও যানবাহনের প্রতি কানাডার আচরণ বৈষম্যমূলক। অন্যদিকে কানাডা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের জবাবেই তারা পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। দুই দেশের এই বিরোধের মধ্যেই এবার কিছু কানাডীয় পণ্যে শুল্কের বদলে সরাসরি আমদানি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলো।   নিষেধাজ্ঞায় তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক প্রভাব সীমিত হতে পারে বলে এপিকে জানিয়েছেন বাণিজ্য আইনজীবী প্যাট্রিক চাইল্ড্রেস। তাঁর যুক্তি, তালিকাভুক্ত অনেক পণ্যে আগে থেকেই ৫০ শতাংশ শুল্ক ছিল, যা সেগুলোর আমদানি ব্যয়বহুল করে তুলেছিল। তবে নতুন পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়ল।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৩:৫৩
নিউইয়র্কের সরকারি ভবনে প্রায় ৪ হাজার এফোর্ডেবল হাউসিং নির্মাণের পরিকল্পনা মামদানির
নিউইয়র্কের সরকারি ভবনে প্রায় ৪ হাজার এফোর্ডেবল হাউসিং নির্মাণের পরিকল্পনা মামদানির

নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটনে ১০০ গোল্ড স্ট্রিটের পুরোনো সরকারি ভবনের জায়গায় প্রায় ৪ হাজার বাসা নির্মাণের পরিকল্পনা জনপর্যালোচনার পর্যায়ে নিয়েছে মেয়র জোহরান মামদানির প্রশাসন। ২২ সেপ্টেম্বর সিটির ঘোষণায় বলা হয়, প্রস্তাবিত বাসাগুলোর প্রায় ১ হাজার স্থায়ীভাবে সাশ্রয়ী ভাড়ার ও রেন্ট স্ট্যাবিলাইজড হবে। প্রকল্পটি এখনো নির্মাণ পর্যায়ে পৌঁছায়নি।    সিটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থা এনওয়াইসিইডিসি জানিয়েছে, নতুন পরিকল্পনায় আগের হিসাবের চেয়ে প্রায় ৩০০টি বাসা বেশি রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন মেয়র এরিক অ্যাডামসের প্রশাসন প্রায় ৩ হাজার ৭০০ বাসা নির্মাণের জন্য জিএফপি রিয়েল এস্টেটকে নির্বাচিত করেছিল। মামদানি প্রশাসন সেই প্রকল্পের পরিসর বাড়িয়ে জনপর্যালোচনা শুরু করেছে।    ১০০ গোল্ড স্ট্রিটে বর্তমানে সিটির কয়েকটি দপ্তর এবং বয়স্কদের একটি সেবাকেন্দ্র রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পে সেবাকেন্দ্রটির জন্য নতুন জায়গা, জনসাধারণের ব্যবহারের উন্মুক্ত পরিসর ও অন্যান্য সুবিধা থাকবে। বর্তমানে ভবনটিতে থাকা সরকারি দপ্তরগুলোকে অন্য অফিসে সরানো হবে।    সিটির তথ্য অনুযায়ী, আগামী মাসে প্রকল্পের পরিবেশগত পর্যালোচনা নিয়ে গণশুনানি হবে। ভূমি ব্যবহারসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রকল্পটি ২০২৭ সালে প্রবেশ করতে পারে। ফলে বাসা নির্মাণের সংখ্যা, সময়সূচি ও চূড়ান্ত রূপ পর্যালোচনার পরই নিশ্চিত হবে।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৩:২
তিন মাসের বদলে প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
তিন মাসের বদলে প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

ভ্যাট রিটার্ন জমার নিয়ম আবার মাসিক পদ্ধতিতে ফেরাতে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি তিন কর মেয়াদ শেষে একবারের পরিবর্তে প্রতিটি কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে হবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এর অর্থ, আবার প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করা।    সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ খসড়াটি উপস্থাপন করে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ে রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম গতিশীল করতে ভ্যাট আইনের ৬৪ ধারা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   চলতি বছরের অর্থ আইনে প্রতি তিন কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমার বিধান রাখা হয়। নতুন খসড়ায় সেই বিধান বদলে প্রতিটি কর মেয়াদের জন্য আলাদা রিটার্ন জমার প্রস্তাব করা হয়েছে।   প্রস্তাবিত সময়সীমার ১৫তম দিনে সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ২০ দিনের মধ্যে রিটার্ন দিতে পারবে।   মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে মন্ত্রিসভার আগের দিনের সিদ্ধান্তটি প্রকাশ করেছে। এখনো অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদনের খবরই পাওয়া গেছে; নতুন নিয়ম কার্যকরের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। 

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ২:৫৬
মাত্র ২৬ দিনে সবাইকে অবাক করে কোরআন মুখস্থ করেছে গাজার ১৪ বছরের মুহান্নাদ
মাত্র ২৬ দিনে সবাইকে অবাক করে কোরআন মুখস্থ করেছে গাজার ১৪ বছরের মুহান্নাদ

গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের মুহান্নাদ আল-হাসানি ২০১৫ সালে মাত্র ২৬ দিনে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করেছিলেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৪ বছর। ওই বছরের ২৫ জুলাই প্রকাশিত আল জাজিরা নেটের প্রতিবেদনে তাঁর এই অর্জনের কথা উঠে আসে।    মুহান্নাদ জাবালিয়ার ‘আল-আওদা ইলাল্লাহ’ মসজিদে ‘আন-নুখবা’ নামের নিবিড় কোরআন মুখস্থ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন। ফজরের নামাজের পর থেকে আসরের নামাজ পর্যন্ত তিনি সেখানে থাকতেন। প্রতিদিন প্রায় ২৫ পৃষ্ঠা মুখস্থ করে শিক্ষকের কাছে পড়ে শোনাতেন।    আল জাজিরাকে মুহান্নাদ বলেছিলেন, কর্মসূচিটি নিবিড় হলেও তাঁর কাছে বিরক্তিকর লাগেনি। কোরআন মুখস্থ শেষ করার পর তিনি তা মনে রাখার জন্য নিয়মিত পুনরাবৃত্তি করছিলেন। একই কর্মসূচিতে গাজার আরও কয়েকজন কিশোর কোরআন মুখস্থ করেছিলেন। ঘটনাটি ২০১৫ সালের; এটি সাম্প্রতিক কোনো অর্জনের খবর নয়।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ২:৪৯
সৌদি থেকে এক সপ্তাহে ১২ হাজার ৬২৮ অভিবাসীকে ফেরত
সৌদি থেকে এক সপ্তাহে ১২ হাজার ৬২৮ অভিবাসীকে ফেরত

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনসংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় এক সপ্তাহে ১২ হাজার ৬২৮ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, ১৭ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে যৌথ অভিযান চালানো হয়।   ওই সপ্তাহের অভিযানে আটক হয়েছেন ১৩ হাজার ৬২৮ জন। তাঁদের মধ্যে ৬ হাজার ৫৯৩ জনকে আবাসনবিধি, ৩ হাজার ৫৩১ জনকে সীমান্ত নিরাপত্তাবিধি এবং ৩ হাজার ৫০৪ জনকে শ্রমবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।   অনুমতি ছাড়া সীমান্ত পেরিয়ে সৌদিতে প্রবেশের চেষ্টার সময় আরও ১ হাজার ১৯৭ জনকে আটক করা হয়। বিধি লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় বা কাজে সহায়তার অভিযোগে আটক হয়েছেন ২২ জন।   সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ভ্রমণ নথির জন্য ১৮ হাজার ৫৪৯ জনকে তাঁদের দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। আরও ৩ হাজার ৮১৫ জনের ফেরার টিকিটের ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।   সৌদি আরবে এমন অভিযান নিয়মিত চলছে। এর আগের সপ্তাহে, ১০ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর, ১২ হাজার ৬৩৫ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। তার আগের সপ্তাহে ফেরত পাঠানো হয় ১২ হাজার ৫৭ জনকে।    সর্বশেষ ফেরত পাঠানো অভিবাসীদের দেশভিত্তিক পরিচয় সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেনি। ফলে তাঁদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন, তা জানা যায়নি।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ২:২৭
বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি, বন্ধ করা হলো দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস
বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি, বন্ধ করা হলো দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রিকে কেন্দ্র করে ঢাকার বাংলাবাজারে প্রকাশনা সংস্থা দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) বিক্রয়কেন্দ্রে তালা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঘটনাটি ঘটে। বিক্রয়কেন্দ্রের দুই কর্মীকে কিছু সময় আটকে রাখার অভিযোগও উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।   প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দুই যুবক বিক্রয়কেন্দ্রে এসে বইটি কিনতে চান। কর্মীরা বই বের করে দিলে ওই যুবকেরা সেটি বিক্রির বিষয়ে আপত্তি জানান এবং বইটি নিষিদ্ধ বলে দাবি করেন। পরে আরও কয়েকজনকে জড়ো করে বিক্রয়কেন্দ্রের শাটার নামিয়ে তালা দেওয়া হয়।   বিক্রয়কেন্দ্রের কর্মী আমিনুল ইসলাম ও হুমায়ূন কবীরকে আটকে রাখার অভিযোগ সম্পর্কে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের থানায় নেওয়া হয়নি। ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি বলেও জানান তিনি।   ইউপিএল এক বিবৃতিতে বলেছে, বইটি নিষিদ্ধ করার কোনো সরকারি বা আদালতের পদক্ষেপের কথা তাদের জানা নেই। এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানটি সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।   অন্যদিকে ওসি মতিউর রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের পর বইটি আর ছাপানো হয়নি এবং সেটি আর বিক্রি না করার শর্তে দুই কর্মীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বই বিক্রি বন্ধের এই শর্তের আইনি ভিত্তি সম্পর্কে প্রতিবেদনে পুলিশের কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।   সূত্র: প্রথম আলো  

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ২:২১
বাংলাদেশে এআই খাতে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগে মার্কিন কোম্পানির আগ্রহ
বাংলাদেশে এআই খাতে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগে মার্কিন কোম্পানির আগ্রহ: ববি হাজ্জাজ

বাংলাদেশের এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগে কয়েকটি মার্কিন কোম্পানি আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তাঁর দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর নাম বা কোনো বিনিয়োগ চুক্তির তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর জানায়, সোমবার ক্যালিফোর্নিয়ার ইস্ট পালো আল্টোতে প্রযুক্তি খাতের প্রধান নির্বাহী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গোলটেবিল আলোচনায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়। এআই ও ডেটা অবকাঠামো, সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, গবেষণা এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ছিল আলোচনার বিষয়।   ববি হাজ্জাজ বলেন, এই আগ্রহকে বাস্তব বিনিয়োগে রূপ দিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন। প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে বলেও তিনি মত দেন।   বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদও ছিলেন।   এই গোলটেবিলের আগের দিন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ও সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি পেশাজীবীদের পৃথক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তির বরাতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সেখানে এআই, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, দক্ষ জনশক্তি ও অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ কনস্যুলেট আগ্রহী অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে পরবর্তী সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার কথা জানিয়েছে। ওই সংলাপের বিজ্ঞপ্তিতে ১০০ কোটি ডলারের কোনো বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির উল্লেখ নেই।    বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর খাত গড়ে তোলার আলোচনা আগে থেকেই চলছে। সরকারি বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চিপের নকশা, সংযোজন ও পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে একটি টাস্কফোর্স গঠনের কথা জানিয়েছিল। তাই নতুন আলোচনার পরের যাচাইযোগ্য ধাপ হবে নির্দিষ্ট কোম্পানি, প্রকল্প, অর্থায়নের কাঠামো ও সময়সূচি প্রকাশ।

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ২:৭
রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও পাবে ফ্যামিলি কার্ড! চার বছরের মধ্যে সবার কাছেই পৌঁছাবে
রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও পাবে ফ্যামিলি কার্ড! চার বছরের মধ্যে সবার কাছেই পৌঁছাবে: প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, আগামী চার বছরের মধ্যে সবার কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রংপুরে তিনি এ কথা বলেন। কার্ড বিতরণে কাউকে বাদ দেওয়া হবে না বোঝাতে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, একই সময়ের মধ্যে কৃষকদের কাছেও কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে তাঁর বক্তব্যে কার্ড বিতরণের বিস্তারিত পরিকল্পনা বা সময়সূচি উল্লেখ করা হয়নি।   ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জরিপ করা সব পরিবারকে কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নিয়মিত নগদ সহায়তা পাবেন নির্বাচিত পরিবারগুলো। ফলে কার্ড পাওয়া এবং নগদ সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি এক নয়।   এ সময় ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচির সমালোচনা করে মীর শাহে আলম অভিযোগ করেন, বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তারা অহেতুক কর্মসূচি নিচ্ছে। তাঁর এই অভিযোগের পক্ষে কোনো তথ্য বক্তব্যে তুলে ধরা হয়নি।   জ্বালানি তেলের সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন করেন, সংকট থাকলে ১১ দল লং মার্চ করল কীভাবে। লং মার্চে সমস্যার সমাধান হলে বিএনপি টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত লং মার্চ করত বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। সূত্র: সময় টিভি নিউজ

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ১:৫০