জাতীয়

ভোট ছাড়াই ফেরত এসেছে ১১ হাজার পোস্টাল ব্যালট

মোহাইমিনুল ইসলাম জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রবাসীদের কাছে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটের মধ্যে ১১,২২৬টি ব্যালট কোনো প্রকার ভোট ছাড়াই দেশে ফেরত এসেছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পরিসংখ্যান একনজরে (৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত):

  • মোট নিবন্ধিত প্রবাসী ভোটার: ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ জন।

  • বিদেশে পাঠানো মোট ব্যালট: ৭ লাখ ৬৭ হাজার ১৮৮টি।

  • ভোটারের হাতে পৌঁছেছে: ৫ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৪টি।

  • ভোট প্রদান করেছেন: ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৮৭২ জন।

  • ডাকযোগে দেশে ফেরত এসেছে: ৪ লাখ ৭ হাজার ৫৩৩টি (আরও ৫৫ হাজার ব্যালট পথে রয়েছে)।

  • ভোট ছাড়া ফেরত এসেছে: ১১ হাজার ২২৬টি।

 

নির্বাচন কমিশন ও ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই ব্যালটগুলো মূলত ঠিকানা জটিলতার কারণে ভোটারদের হাতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ১. ভুল ঠিকানা: অনেক প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের সময় তাঁদের কর্মস্থল বা বর্তমান আবাসের সঠিক জিপ কোড বা ঠিকানা প্রদান করেননি। ২. ঠিকানায় না পাওয়া: ডাক বিভাগের কর্মীরা ব্যালট নিয়ে নির্দিষ্ট ঠিকানায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে পাননি। অনেকে স্বল্প মেয়াদে থাকার কারণে বাসা পরিবর্তন করেছেন কিন্তু অ্যাপে তথ্য আপডেট করেননি। ৩. যৌথ ঠিকানার ব্যবহার: ইসি আগেই জানিয়েছিল যে, মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অনেকে একই প্রতিষ্ঠানের বা দোকানের ঠিকানা ব্যবহার করেছেন। একটি নির্দিষ্ট ঠিকানায় বিপুল পরিমাণ ব্যালট যাওয়ার ফলে বিতরণে বিভ্রাট ঘটেছে।

 

নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারই প্রথম প্রবাসীদের জন্য এত বড় পরিসরে পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা চালু হয়েছে। গণভোটের ক্ষেত্রে প্রতিটি ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশব্যাপী মোট প্রদত্ত ভোটের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে। ১১ হাজার ভোট নষ্ট হওয়া সামান্য মনে হলেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আসনগুলোতে এটি বড় প্রভাব ফেলতে পারত।

 

এর আগে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছিলেন, ঠিকানা ভুল থাকায় ব্যালট ফেরত আসার হার সবচেয়ে বেশি মালয়েশিয়ায়। যারা ব্যালট পাননি বা যাদের ব্যালট ফেরত এসেছে, কারিগরি কারণে তাদের আর নতুন করে ব্যালট পাঠানোর সুযোগ থাকছে না।

জনপ্রিয় সংবাদ
অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

যুক্তরাষ্ট্রে ধেয়ে আসছে বিশাল বরফ ও তুষার ঝড় — সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত থেকে কম বিপদগ্রস্ত রাজ্য

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ২,০০০ মাইল দীর্ঘ এক ভয়াবহ বরফ ও তুষার ঝড় দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। আবহাওয়াবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এই ঝড়ে বরফ, তুষারপাত ও হিমশীতল বৃষ্টির সম্মিলিত প্রভাব পড়তে পারে দেশের মধ্য-পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বহু রাজ্যে। ঝড়ের আগেই শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।   CNN–এর আবহাওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঝড়ের তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হলেও কিছু রাজ্যে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।   সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত রাজ্য (High Impact) টেক্সাস (Texas) ঝড়ের সূচনা এখান থেকেই। ভারী বরফ জমে বিদ্যুৎ লাইন ভেঙে পড়া, ব্ল্যাকআউট ও মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ওকলাহোমা (Oklahoma) বরফালার সঙ্গে তীব্র ঠান্ডা। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা। আর্কানসাস (Arkansas) হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফের স্তর জমে চলাচল প্রায় অচল হতে পারে। কেন্টাকি (Kentucky) মধ্য-পশ্চিম থেকে পূর্বাঞ্চলের সংযোগস্থল হওয়ায় তুষারপাত ও বরফের যুগপৎ প্রভাব পড়তে পারে। ওহাইও (Ohio) ভারী তুষার ও তীব্র ঠান্ডায় বিমান ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা। মাঝারি ঝুঁকির রাজ্য (Moderate Impact) টেনেসি (Tennessee) – বরফ ও তুষারের মিশ্র প্রভাব জর্জিয়া (Georgia) – বিশেষ করে উত্তর জর্জিয়ায় বরফ ঝড়ের সতর্কতা নর্থ ক্যারোলিনা (North Carolina) – হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফ জমার ঝুঁকি সাউথ ক্যারোলিনা (South Carolina) – সীমিত এলাকায় বরফালার সম্ভাবনা ভার্জিনিয়া (Virginia) – তুষার ও ঠান্ডার প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে তুলনামূলক কম ঝুঁকির রাজ্য (Lower Impact) মেরিল্যান্ড (Maryland), ওয়াশিংটন ডিসি, পেনসিলভানিয়া (Pennsylvania), নিউ ইয়র্ক (New York), ম্যাসাচুসেটস (Massachusetts) — এসব রাজ্যে ঝড় পৌঁছালেও প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে, তবে তুষারপাত ও শীতজনিত দুর্ভোগ পুরোপুরি এড়ানো যাবে না। পরিবহন ও জনজীবনে প্রভাব ঝড়ের আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন বড় বিমানবন্দরে শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সড়কে না নামার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রস্তুতি ও সতর্কতা জরুরি খাবার, পানি ও ওষুধ মজুত রাখুন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার প্রস্তুতি নিন স্থানীয় আবহাওয়া সতর্কতা ও নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করুন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝড় আগামী কয়েক দিন ধরে ধাপে ধাপে বিভিন্ন রাজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতির অবনতি হলে আরও জরুরি সতর্কতা জারি করা হতে পারে।

নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হওয়ায়, মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব হবে। কারণ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার—সাপ্তাহিক ছুটি।   এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এখানেও টানা চার দিনের ছুটি মিলছে।   প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।   অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, বছরটিতে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে মিলেছে। এছাড়া, ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে।   সে অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী, সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানিরা

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী,সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা স্নেইল ফিভার’ নামে পরিচিত এক ধরনের পরজীবী বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। ত্বকের ভেতর দিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করা এই পরজীবী দীর্ঘদিন রক্তে নীরবে অবস্থান করে এবং পরে ডিম পাড়ে,যা লিভার, ফুসফুসও যৌনাঙ্গসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জমা হতে পারে। ভয়াবহ বিষয় হলো,বছরের পর বছর শরীরে অবস্থান করলেও অনেক ক্ষেত্রে এটি শনাক্তই নাও হতে পারে। শামুকের মাধ্যমে ছড়ানোএ পরজীবীর কারণেই রোগটির নামকরণ করা হয়েছে স্নেইল ফিভার।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, রোগটি এখন বৈশ্বিক উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। কারণ পরজীবীটির গঠন ও বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটছে, যার ফলে এটি নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে এই সতর্কবার্তা এলো,যখন৩০ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ ডে পালন করছে ডব্লিউএইচও।এ দিবসের লক্ষ্য হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, পরজীবীও ছত্রাকজনিত রোগগুলোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো,যা সাধারণত দরিদ্র অঞ্চলের শত কোটিরও বেশি মানুষকে আক্রান্ত করে। কীভাবে ছড়ায় স্নেইল ফিভার :  এই পরজীবী বহন করে নির্দিষ্ট এক ধরনের শামুক।যেসব পানিতে ওই শামুক বসবাস করে,সেখানে পরজীবীর লার্ভা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ যদি সেই পানিতে গোসল করেন বা সংস্পর্শে আসেন,তবে লার্ভা ত্বকের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। পরজীবীগুলো এমন এনজাইম নিঃসরণ করে,যা ত্বক ভেদ করতে সক্ষম। দেহে প্রবেশের পর লার্ভাগুলো ধীরে ধীরে পূর্ণবয়স্ক কৃমিতে পরিণত হয় এবং রক্তনালিতে বাসা বাঁধে।স্ত্রী কৃমিগুলো ডিম পাড়ে। কিছু ডিম মল বা প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে গেলেও বহু ডিম শরীরের ভেতরের টিস্যুতে আটকে থাকে। এতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে আশপাশের সুস্থ টিস্যুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশেষ করে তলপেট যৌনাঙ্গে ডিম জমে থাকলে ইউরোজেনিটাল স্কিস্টোসোমিয়াসিস নামের জটিল রোগ দেখা দেয়। এতে পেটব্যথা, ক্যানসার এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। চিকিৎসাওনতুন উদ্বেগ: সাধারণত অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধে স্নেইল ফিভার চিকিৎসাযোগ্য। ডব্লিউএইচও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী—যেমন শিশু কৃষিশ্রমিকও জেলেদের প্রতি বছর এই ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তবে মালাউই লিভারপুল ওয়েলকাম ক্লিনিক্যাল রিসার্চ প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক জানেলিসা মুসায়া সতর্ক করেছেন, নতুন কিছু ধরন শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো প্রচলিত পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে। হাইব্রিড পরজীবীর আশঙ্কা: গবেষণায় দেখা গেছে,মানুষের শরীরের পরজীবীওপ্রাণীর শরীরের পরজীবী একে অপরের সঙ্গে মিশে ‘হাইব্রিড’ বা মিশ্র ধরন তৈরি করছে। এসব হাইব্রিড পরজীবী মানুষ ওপ্রাণী—উভয়কেই আক্রান্ত করতে পারে।মালাউইতে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নমুনার সাত শতাংশ পরজীবীই ছিল হাইব্রিড,যা গবেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। অধ্যাপক মুসায়া বলেন,এভাবে যদি প্রকৃতিতে সংক্রমণ চলতেই থাকে, তাহলে সংখ্যাটা এক সময় বেশ বড় হয়ে যাবে।তিনি আরও বলেন, গবেষণা যেহেতু নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় করা হয়েছে,এজন্য এটি হয়তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র। শনাক্তকরণে জটিলতা: গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, হাইব্রিড পরজীবীগুলো মানুষের যৌনাঙ্গে সংক্রমণ ঘটালেও তা শনাক্ত করা কঠিন। কারণ এসব ডিম মাইক্রোস্কোপে সাধারণ পরজীবীর মতো দেখায় না। অনেক সময় উপসর্গগুলোকে যৌনবাহিত রোগ ভেবে ভুল করা হয়।চিকিৎসা না হলে বন্ধ্যত্ব, যৌনাঙ্গে ক্ষত এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এপ্রসঙ্গে অধ্যাপক মুসায়া বলেন,“ভাবুন তো,কোনো নারী যদি সন্তান ধারণ করতে না পারেন... আমাদের সংস্কৃতিতে সন্তান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান না হলে ওই নারীকে নানাভাবে কটূক্তি করেন মানুষরা। যা খারাপ এবং খুবই কষ্টের একটি রোগ। বৈশ্বিক প্রস্তুতি: ডব্লিউএইচও’র স্কিস্টোসোমিয়াসিস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান ডা.আমাদু গারবা জিরমে বলেন,রোগটি একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ।তিনি জানান,কিছু দেশে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ না থাকলেও প্রাণীদের শরীরে পরজীবী রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন এই হুমকি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও কৌশল পরিবর্তন করছে।সংস্থাটি প্রাণীদের মধ্যে রোগ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশকে হাইব্রিড পরজীবী নিয়ে আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। যদিও ২০০৬থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ব্যাপক ওষুধ বিতরণের ফলে সংক্রমণ ৬০শতাংশ কমেছে, তবে অর্থায়ন কমে যাওয়ায় এই অগ্রগতি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

Advertisement

জাতীয়

View more
ভূমিকম্প | প্রতীকী ছবি
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুই দফা ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, প্রথম দফায় বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিট ১ সেকেন্ডে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। এরপর রাত ৯টা ৫১ মিনিটে দ্বিতীয় দফা ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।   আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা প্রথম আলোকে জানান, প্রথম দফার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মিংডু অঞ্চল। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৫২১ কিলোমিটার। দ্বিতীয় দফার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নির্ধারণে কাজ করছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশের প্রতিটি ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ স্টেশনেই কম্পনটি রেকর্ড হয়েছে।   এ বিষয়ে ভূমিকম্পবিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার বলেন, মিয়ানমারের যে এলাকায় ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে, সেটি একটি ভূমিকম্পপ্রবণ সাবডাকশন জোন। সাধারণত এই অঞ্চলের ভূমিকম্পের প্রভাব বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে কম পড়ে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলকে সাবডাকশন জোন বলা হয়, যেখানে একটি প্লেট অন্যটির নিচে ঢুকে যায়। বাংলাদেশে এই সাবডাকশন জোন সিলেট থেকে কক্সবাজারের পাহাড়ি অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ প্রায় ৫০০ কিলোমিটার।   এর আগে একই দিনে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা সাতক্ষীরায়ও ভূকম্পন অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়।   ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলা। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।   এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের পক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এবং জাপানের পক্ষে রাষ্ট্রদূত সাইডা শিনিচি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত

সাবেক শিল্প সচিবসহ দুই শীর্ষ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম ও লোগো

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা নয়, আপসহীন কঠোর অবস্থানে সরকার!

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে এবার চূড়ান্ত বার্তা দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো সদস্যের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে নেওয়া হবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা। মূল হাইলাইটস: জিরো টলারেন্স নীতি: কোস্ট গার্ড বা যেকোনো বাহিনীর সদস্য কোনো ব্যক্তি, দল বা রাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে জড়িত হলে বিভাগীয় ও কঠোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। বিশাল নিরাপত্তা বহর: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সারাদেশে প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে কোস্ট গার্ডের রয়েছেন ৩,৫৮৫ জন। মাঠে নামছে ১০০ প্লাটুন: এরই মধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কোস্ট গার্ডের ১০০টি প্লাটুন দায়িত্ব পালন শুরু করেছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতিকে রাষ্ট্রের প্রধান শত্রু হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেয়। অর্জনের স্বীকৃতি: সাহসিকতা ও দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদানের জন্য ৪০ জন কোস্ট গার্ড সদস্যকে পদক প্রদান করা হয়েছে। উপকূলীয় নিরাপত্তা রক্ষা থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচন—বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পেশাদারিত্ব এখন বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। আসন্ন নির্বাচনে তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা হবে গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী।

ইসতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0

কাল পবিত্র শবে বরাত: দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

কোনো অবস্থাতেই সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না: সেনাপ্রধান

টিআইবি

গুমে জড়িত সেনাবাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহি নিশ্চিতে সরকার দুর্বল

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। ফাইল ছবি
নির্বাচন এলেই কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ আমাদের সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় সরকার উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।   রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অধিবেশনে এসব কথা বলেন তিনি।   পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচন ঘিরে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও অবহিত ও আশ্বস্ত করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৫৫ শতাংশের বেশি হতে পারে।   এক প্রশ্নের জবাবে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৫ শতাংশ। এবারের নির্বাচনে তার চেয়েও বেশি ভোট পড়তে পারে বলে আমরা আশা করছি।   তিনি আরও বলেন, প্রধান তিন থেকে চারটি রাজনৈতিক দলই ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে বড় কোনো সমস্যা তৈরি হবে বলে আমি মনে করি না। তবে কিছু মানুষ ভোট দিতে না-ও যেতে পারে—এটা প্রতিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। এবার কী হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা কঠিন।   নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক তৎপরতা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন এলেই এই ধরনের দৌড়ঝাঁপ একটি নিয়মিত চর্চায় পরিণত হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, সমাজের একটি অংশ বিদেশি কূটনীতিকদের কাছ থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য প্রত্যাশা করে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0

বাংলাদেশে এলপিজিও অটোগ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা

দুই দফা রিমান্ড শেষে হাদি হত্যায় রুবেলের দায় স্বীকার

ছবি সংগৃহীত

টানা ৪ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

0 Comments