জাতীয়

ভোটের ৫–৬ দিনের মধ্যেই নতুন সরকার, ১৮০ দিন ক্ষমতায় থাকবে না অন্তর্বর্তী প্রশাসন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ নিয়ে চলা বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে—১৮০ দিন নয়, নির্বাচনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।

 

আরো পড়ুন...

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, এটা পাগলও বিশ্বাস করেনা- ফাহিম ফারুকী

 

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন শেষে যত দ্রুত সম্ভব নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। তিনি জানান, সংসদ সদস্যদের শপথ ও সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলে তিন দিনের মধ্যেও ক্ষমতা হস্তান্তর সম্ভব। তার ভাষায়, ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারিতেও সরকার গঠন হতে পারে, ১৭–১৮ ফেব্রুয়ারির পর যাবে না।

 

আরো পড়ুন...

বিএনপির সঙ্গে জোট না হলেও ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের বিষয়ে আমরা ইতিবাচক

 

এদিকে, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—সে বিষয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, এটি সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত। রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনার—দুই বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে। তবে দ্রুত শপথ গ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

 

আরো পড়ুন...

শুক্রবার বিকালে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা করবেন তারেক রহমান

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস পেজ থেকেও জানানো হয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ব্যাখ্যায় বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ দিন ক্ষমতায় থাকবে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেই। বরং নির্বাচিত সংসদই সরকার পরিচালনার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন করবে।

 

আরো পড়ুন...

নারী কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইসলামী যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশ

 

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে সংসদের দ্বৈত ভূমিকা থাকবে—একদিকে সরকার পরিচালনা, অন্যদিকে সংবিধান সংস্কার। সংস্কার সম্পন্ন হলে সংসদ স্বাভাবিক ভূমিকায় ফিরে আসবে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোট গণনা ও গণভোটের ফলের ওপর নির্ভর করে ১৪–১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফলাফল ঘোষণা হতে পারে এবং দ্রুত সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে ভোট গণনায় দেরি হলে গুজব ও আইনি জটিলতা তৈরির আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন তারা।

 

সব মিলিয়ে, ১৮০ দিন নয়—ভোটের পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নেবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

জাতীয়

View more
সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ
সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠাতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। নির্বাচনের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।   যানবাহন চলাচলের সময়সূচি ও নিষেধাজ্ঞা: মোটরসাইকেল: ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৭২ ঘণ্টা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। ভারী ও হালকা যানবাহন: ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে।   যাদের জন্য নিয়মে শিথিলতা থাকবে: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, কিছু বিশেষ ক্ষেত্র ও যানবাহনের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। এর মধ্যে রয়েছে: ১. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত যানবাহন। ২. জরুরি সেবা যেমন—অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সংবাদপত্র বহনকারী গাড়ি। ৩. বিটিআরসি অনুমোদিত টেলিযোগাযোগ সেবার যানবাহন। ৪. বিমানবন্দর যাত্রী: বিদেশগামী বা বিদেশ ফেরত যাত্রী এবং তাদের আত্মীয়স্বজনদের বহনকারী গাড়ি (টিকিট বা প্রয়োজনীয় প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে) এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। ৫. দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন এবং জাতীয় মহাসড়ক ও বন্দর সংযোগকারী প্রধান সড়কগুলোতে যাতায়াতকারী যানবাহনগুলো চলাচলের সুযোগ পাবে।   বিশেষ অনুমতি: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি পাবে। এছাড়া সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের মোটরসাইকেল বা যানবাহনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ কার্ড বা অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।   সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে যেকোনো যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিলের পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

রংপুরে কালো টাকার ছড়াছড়ি, প্রশাসন নীরব

রংপুর বিভাগে ২,৫৬১ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, কঠোর ৬ স্তরের নিরাপত্তা জোরদার

রংপুর বিভাগে ২,৫৬১ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, কঠোর ৬ স্তরের নিরাপত্তা জোরদার

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের শপথ (ফাইল ছবি)

উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসাব নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

অধিকাংশ উপদেষ্টা নির্বাচনের দিন ঢাকায় অবস্থান করবেন এবং নিজ নিজ এলাকার নির্ধারিত কেন্দ্রে ভোট দেবেন। ফাইল ছবি
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দিচ্ছেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ চলবে।     সচিবালয় ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ উপদেষ্টা নির্বাচনের দিন ঢাকায় অবস্থান করবেন এবং নিজ নিজ এলাকার নির্ধারিত কেন্দ্রে ভোট দেবেন।    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসভুক্ত উদয়ন হাইস্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। একই এলাকার ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরী স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেবেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সিআর আবরার।   এছাড়া রাজধানীর মিরপুর ১২ নম্বর এলাকার ই ব্লকের একটি কেন্দ্রে ভোট দেবেন সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার শ্যামলী শিশু মেলার কাছের একটি কেন্দ্রে এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন মহাখালী ডিওএসএইচ এলাকার একটি স্কুল কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।    ঢাকার অন্যান্য এলাকার মধ্যে উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান গুলশান-২ এর গুলশান মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ধানমন্ডির একটি কেন্দ্রে ভোট দেবেন। তবে ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামের মেহেদীবাগ এলাকায় ভোট দেবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম।   ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, জরুরি দাপ্তরিক কাজের কারণে তিনি সম্ভবত এবার চট্টগ্রামে নিজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারছেন না। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছেন বলেও জানান।    উল্লেখ্য, একই দিনে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

গুলশান-২ এর মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

এবারের ভোটের দিন হোক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন: প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ

মাঠে নামছে সাড়ে ৯ লাখেরও বেশি সদস্য

নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৫০ গাড়ি, শপথের দিন ঠিক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রীদের জন্য ৫০টি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আগামী ১৭ কিংবা ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।   মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, নতুন মন্ত্রীদের শপথের সম্ভাব্য তারিখ ধরা হয়ে হয়েছে ১৭ কিংবা ১৮ ফেব্রুয়ারি।   তবে এর আগেও হতে পারে বলে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।   দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, ‘৫০টি গাড়ি প্রস্তুত রাখা মানে ৫০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী করা হচ্ছে, বিষয়টি এমন নয়। মন্ত্রিসভার যতজন সদস্য করা হবে, তার থেকে বেশি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়। অধিকাংশ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী গাড়ি নিলেও কেউ কেউ নেন না।   গত ৫ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব বলেছিলেন, ‘সবচেয়ে দ্রুত সময়ে (ক্ষমতা) হস্তান্তর হবে। যদি দেখা যায় তিন দিনের মধ্যে এমন হয় যে সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন, তারপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লিডারকে (নেতা) ডাকা হচ্ছে যে আপনি আসেন শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তিন দিনের মধ্যে এটা হয়ে যেতে পারে। ১৫, ১৬ ফেব্রুয়ারিতে হতে পারে।   আমার মনে হয় না এটি ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে।’   উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

আপনার একটি ভোট শুধু একটি সরকার নির্বাচন করবে না, এটি ১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা

১ কোটি ১২ লাখ টাকার সম্পদ কমেছে রিজওয়ানা হাসানের

ভয়কে পেছনে ফেলে সাহসকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

0 Comments