জাতীয়

ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক ও ব্যক্তিগত ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
হাসিনার ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক বা কারও ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
হাসিনার ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক বা কারও ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী প্রচলন থেকে সরে এসে নতুন ধারা অনুসরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণের সময় তিনি দলীয় প্রতীক বা ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করেননি, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–এর সময় জাতির উদ্দেশে ভাষণের পেছনে সাধারণত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান–এর ছবি এবং টেবিলের সামনে রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর প্রতীক নৌকা রাখা হতো।

 

তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণের দৃশ্যপটে ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেওয়া ভাষণের সময় পেছনে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর কোনো ছবি ছিল না।

 

ভাষণের ব্যাকগ্রাউন্ডে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক শাপলা সংবলিত প্রধানমন্ত্রীর লোগো এবং তার ওপর আরবি বাক্য লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ—ইসলামের মৌলিক কালেমা—স্থান পেয়েছে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় প্রতীক বা ব্যক্তিগত ছবি পরিহার করার এই উদ্যোগ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার বার্তা বহন করে। তবে সরকার এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

 

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এ ধরনের দৃশ্যায়ন ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় ভাষণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন ধারা তৈরি করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক’ তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন বিকেলে রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রাণের মেলা ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন তিনি।   সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ওই দিন সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বইমেলা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে লেখক-পাঠক ও প্রকাশকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বইমেলার পর্দা উন্মোচন করবেন। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই জোড়া আয়োজন দেশের শিল্প-সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার বিকাশে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে।   বইমেলায় বিশেষ চমক: এবারের বইমেলায় অংশ নেওয়া প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় এক সুখবর রয়েছে। নতুন সরকার প্রকাশকদের আর্থিক বোঝা লাঘব করতে স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সাহসী পদক্ষেপের ফলে বইমেলায় বইয়ের দাম সহনশীল রাখা এবং সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ আরও সহজ হবে।   ২০২৬ সালের একুশে পদক পাচ্ছেন যারা: এ বছর মোট ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি জনপ্রিয় ব্যান্ড দলকে এই সম্মানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন: চলচ্চিত্রে: ফরিদা আক্তার ববিতা সাংবাদিকতায়: শফিক রেহমান সংগীতে: আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর) চারুকলায়: অধ্যাপক আবদুস সাত্তার স্থাপত্যে: মেরিনা তাবাশ্যুম নাট্যকলায়: ইসলাম উদ্দিন পালাকার শিক্ষায়: অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার ভাস্কর্যে: তেজস হালদার যশ নৃত্যকলায়: অর্থী আহমেদ সংগীত দল হিসেবে: ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’   উল্লেখ্য, মনোনীত প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নগদ ৪ লাখ টাকা, ৩৫ গ্রামের স্বর্ণপদক এবং সম্মাননাপত্র প্রদান করা হবে। ১৯৭৬ সাল থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এই রাষ্ট্রীয় পদক প্রদান করা হয়। এবারের বইমেলা ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানকে ঘিরে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ও সাজসজ্জার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
হাসিনার ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক বা কারও ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক ও ব্যক্তিগত ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান

ছবি: সংগৃহীত

মাতাপিতার মতো হজযাত্রীদের খেদমত করতে হবে: ধর্মমন্ত্রী

ফাইল ছবি

সেনাবাহিনীতে বড় রদবদল: ডিজিএফআই পেল নতুন প্রধান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সচিবালয়ে তৃতীয় দিনেও সময়ানুবর্তিতার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা তৃতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে অফিস করেছেন। সেখানে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এবং সময়ানুবর্তিতার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং নির্ধারিত সময়ে সবাইকে অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেন।   রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান। এত সকালে প্রধানমন্ত্রীকে অফিসে দেখে অনেকেই অভিভূত হন বলে তিনি উল্লেখ করেন।   তিনি আরও জানান, সচিবালয়ে এসে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা কারা কারা অফিসে এসেছেন, সে বিষয়ে খোঁজ নেন এবং মৌখিকভাবে নির্দেশ দেন, যাতে সবাই নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকেন।   উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। পরদিন তিনি সচিবালয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন এবং টানা দুই দিন সেখানে অফিস করেন। এর মধ্যেই শনিবার সরকারি ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও তিনি তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার।

ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ভারতের বার্তা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ছবি: সংগৃহীত

২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক ও বইমেলার দ্বৈত আয়োজন

ফাইল ছবি

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সংশোধনের সিদ্ধান্ত সরকারের

বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। ফাইল ছবি
থার্ড টার্মিনাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা: কাটতে চলেছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার জট

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা। দীর্ঘ ছয় বছর ধরে ঝুলে থাকা এই প্রকল্পের জটিলতা নিরসনে সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।    আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   বিডা চেয়ারম্যান জানান, থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তিনি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু গাইডলাইন দিয়েছেন। ছয় বছরের পুরনো এই ইস্যুটি সমাধানে বিমান মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নেতৃত্বও তৎপর রয়েছে।   আগামীকাল জাপানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠকের কথা উল্লেখ করে আশিক চৌধুরী বলেন, এটি একটি সরকারি পর্যায়ের (G2G) বিষয় হওয়ায় এখনই টেন্ডার বা বিস্তারিত সব জানানো সম্ভব নয়, তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। টার্মিনালটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর পথে এই বৈঠক ও নির্দেশনা বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ড. ইউনূস

নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরলেন ড. ইউনূস: কোথায় আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, করছেন কী?

টাকা

পরিবহণ খাতে দৈনিক ১০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি: সিন্ডিকেটের কবলে পিষ্ট সাধারণ মানুষ

পহেলা বৈশাখের আগেই বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন ইসি মাছউদ

পহেলা বৈশাখের আগেই বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন: ইসি মাছউদ

0 Comments