জাতীয়

তারেক রহমানকে ঘিরে ‘ষড়যন্ত্র’ চলছে—ধর্মমন্ত্রী

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘হিফযুল কোরআন ও কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬ সিজন ২’-এর সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। ৪ মার্চ, ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘হিফযুল কোরআন ও কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬ সিজন ২’-এর সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। ৪ মার্চ, ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে ‘ইসলামের দুশমনরা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’—এমন মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ ছাত্রদলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘হিফযুল কোরআন ও কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬ সিজন ২’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

ধর্মমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহল থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, যাতে তিনি ভালো কাজ করতে না পারেন। এ সময় উপস্থিতদের উদ্দেশে তিনি দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে তারেক রহমানের হেফাজতের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর অবদান স্মরণ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি আরও বলেন, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

 

ধর্মমন্ত্রী দাবি করেন, খালেদা জিয়া আলেম সমাজকে মূল্যায়ন করেছেন। ২০০৯ সালে রমজান মাসে দেশের বিশিষ্ট আলেমদের কাছে জায়নামাজ, খেজুর ও আতর পাঠানো হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা মুফতি আবদুল মালেক। তিনি কোরআনের সহিহ ও তাজবিদসহ শুদ্ধ তিলাওয়াতের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এমন প্রতিযোগিতামূলক আয়োজন প্রশংসনীয়।

 

সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসের বাইরে থাকার কারণে এমন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সুযোগ পেয়ে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু করার চেষ্টা করছে।

 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির, সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুমসহ সংগঠনের নেতারা।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

জাতীয়

View more
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘হিফযুল কোরআন ও কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬ সিজন ২’-এর সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। ৪ মার্চ, ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত
তারেক রহমানকে ঘিরে ‘ষড়যন্ত্র’ চলছে—ধর্মমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে ‘ইসলামের দুশমনরা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’—এমন মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ ছাত্রদলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘হিফযুল কোরআন ও কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬ সিজন ২’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।   ধর্মমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহল থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, যাতে তিনি ভালো কাজ করতে না পারেন। এ সময় উপস্থিতদের উদ্দেশে তিনি দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে তারেক রহমানের হেফাজতের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।   অনুষ্ঠানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর অবদান স্মরণ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি আরও বলেন, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।   ধর্মমন্ত্রী দাবি করেন, খালেদা জিয়া আলেম সমাজকে মূল্যায়ন করেছেন। ২০০৯ সালে রমজান মাসে দেশের বিশিষ্ট আলেমদের কাছে জায়নামাজ, খেজুর ও আতর পাঠানো হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা মুফতি আবদুল মালেক। তিনি কোরআনের সহিহ ও তাজবিদসহ শুদ্ধ তিলাওয়াতের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এমন প্রতিযোগিতামূলক আয়োজন প্রশংসনীয়।   সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসের বাইরে থাকার কারণে এমন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সুযোগ পেয়ে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু করার চেষ্টা করছে।   অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির, সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুমসহ সংগঠনের নেতারা।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নিকার গঠন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সম্মতিতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ফাইল ছবি।
ঈদের আগে বাড়ছে আরও একদিন ছুটি

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়ি ফেরা মানুষের যাতায়াত সহজ করতে ঈদের আগে একদিন অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। এতে ১৬ মার্চ অফিস করার পর থেকেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটি শুরু হবে।   সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর আগে ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি রয়েছে। ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা হলে ১৬ মার্চই হবে শেষ কর্মদিবস।   জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।   ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি রয়েছে। ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ঈদের পরও টানা তিন দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

তাবাস্সুম মার্চ ৪, ২০২৬ 0
কলমাকান্দায় জমে উঠেছে ১৮১ বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘চেংগ্নী মেলা’

কলমাকান্দায় জমে উঠেছে ১৮১ বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘চেংগ্নী মেলা’

ফাইল ফটো।

মন্ত্রিসভায় রদবদল: ৮ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, কার দফতর কোথায়?

ছবি: সংগৃহীত।

ইবিতে শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যা করে কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত
‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।   প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ দ্রুত শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হতে বলা হয়েছে।   বৈঠকে বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবন চিহ্নিত করে সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়। জানানো হয়, শুধু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এরই প্রায় ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। এসব ভবন স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহার করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।   সভায় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। প্রতি বছর প্রায় ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম নিচ্ছে—এ তথ্য তুলে ধরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।   এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ (যার ৮০ শতাংশ নারী) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়। দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।   বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের কাছে কী প্রত্যাশা, জানালেন ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী

ছবি: সংগৃহীত

ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তার কোনো সেবা নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বক্তব্য রাখছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

ফেসবুক থেকে কত টাকা আয় করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ? জানালেন নিজেই

0 Comments