আন্তর্জাতিক

এপির প্রতিবেদন

বর্তমান হারে ছুড়লে কয়েক দিনের মধ্যেই ফুরোতে পারে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান গতিতে ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ অব্যাহত থাকলে ইরানের মজুত কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে—এমন দাবি করেছেন কয়েকজন পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তা। বার্তাসংস্থা Associated Press (এপি) বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

 

প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের মিসাইল লঞ্চার লক্ষ্য করে উল্লেখযোগ্যভাবে সফল হামলা চালাচ্ছে। এর ফলে ইরানের মিসাইল নিক্ষেপের হারও আগের তুলনায় কমে এসেছে বলে তাঁর দাবি।

 

তবে একই কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, ইরান কৌশলগত কারণে তাদের কিছু মিসাইল সংরক্ষণ করে রাখতে পারে। অর্থাৎ, দৃশ্যমান নিক্ষেপের হার কমলেও তা সম্পূর্ণ সক্ষমতা হ্রাসের ইঙ্গিত নাও হতে পারে।

 

এদিকে আরেক কর্মকর্তা এপিকে জানান, ইরানের হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা মিসাইলের মজুতও দ্রুত কমে আসছে। ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরও হিসাবি ও সতর্ক হতে হতে পারে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি—দুই পক্ষের জন্যই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

 

সূত্র: এপি

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

লেবাননে ইরানের কূটনৈতিক মিশনে হামলা হলে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের সব দূতাবাসকে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে Iran। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল Abolfazl Shekarchi বুধবার এই কঠোর বার্তা দেন।   তিনি বলেন, যদি Israel লেবাননে অবস্থিত ইরানি কূটনৈতিক স্থাপনায় কোনো ধরনের হামলা চালায়, তাহলে ইরান বিশ্বজুড়ে থাকা ইসরায়েলি দূতাবাসগুলোকে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করবে। শেকারচি আরও জানান, প্রয়োজন হলে ইরান পাল্টা সামরিক জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।   শেকারচি দাবি করেন, ইসরায়েল বারবার আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও কূটনৈতিক নিয়ম লঙ্ঘন করে আগ্রাসন চালিয়েছে। তবে তিনি বলেন, সামরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তেহরান এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রতি সম্মান রেখে সংযম দেখিয়েছে।   তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ছাড়া বিশ্বের অন্য কোনো দেশের সঙ্গে ইরানের শত্রুতা নেই। তবে লেবাননে ইরানি দূতাবাসে হামলা হলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল ও তার প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এই সামরিক মুখপাত্র। এই লক্ষ্য অর্জনে ইরান অটল থাকবে বলেও জানান তিনি।   এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা Agence France-Presse এবং Tasnim News Agency এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

তেহরানে ফের হামলা শুরু করল ইসরায়েল, সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু

ইরানের সামরিক জাহাজ আইরিস ডেনা ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রিও ডি জেনিরোর বন্দরে নোঙ্গর করার সময়কার ছবি

ভারত মহাসাগরে ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান হারে ছুড়লে কয়েক দিনের মধ্যেই ফুরোতে পারে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল

ছবি: সংগৃহীত
ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মিসাইল কমছে, হিসাব করে করতে হবে ব্যবহার

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ধারাবাহিক হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মিসাইলের মজুত দ্রুত কমে আসছে—এমন তথ্য জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম The Washington Post। সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্রের বরাতে বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলা ঠেকাতে বিভিন্ন দেশে বিপুল পরিমাণ প্রতিরক্ষা মিসাইল ব্যবহার করতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। হামলার তীব্রতা অব্যাহত থাকায় সামনের দিনগুলোতে মিসাইল ব্যবহারে আরও সতর্ক ও পরিকল্পিত কৌশল নিতে হতে পারে। অর্থাৎ, প্রয়োজন বিবেচনা করে হিসাব করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করতে হবে।   তবে এর ঠিক একদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধান জেনারেল Dan Caine (ডেন কেইন) এক ব্রিফিংয়ে দাবি করেছিলেন, দেশটির হাতে আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক—উভয় ধরনের মিসাইলই পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।   সেনাপ্রধানের বক্তব্যের পরদিনই ওয়াশিংটন পোস্টের এই প্রতিবেদন প্রকাশ পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে কৌশলগত মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।   মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ সামনে আসছে।   সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ইরাক ছাড়ার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে মার্কিন নৌবাহিনীকে বন্দর ব্যবহারের অভিযোগ, নাকচ করল ভারত

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা

ইরানে ১৬৫ স্কুলছাত্রী হত্যায় আন্তর্জাতিক নীরবতা অবিশ্বাস্য, নিন্দা রাশিয়ার

ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার পেছনে থাকা ইরানি ইউনিটের নেতা নিহত — পেন্টাগনের দাবি

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ থাকা একটি ইরানি ইউনিটের নেতাকে মার্কিন সামরিক বাহিনী হত্যা করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। বুধবার পেন্টাগনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।     পিট হেগসেথ বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করা সেই ইউনিটের নেতাকে খুঁজে বের করে হত্যা করা হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেন, ইরান ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই এর জবাব দিয়েছে।     মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, নিহত ব্যক্তি একটি ইরানি ইউনিটের প্রধান ছিলেন, যারা ২০২৪ সালে ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ওই ব্যক্তির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। খবরে বলা হয়েছে, এই অভিযানটি মূল সামরিক লক্ষ্য না হলেও পরে তাকে লক্ষ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে তাকে হত্যা করা হয়।    ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ অভিযোগ করেছিল যে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর নির্দেশে ট্রাম্পকে হত্যার একটি পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে তেহরান শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মধ্যে এই ঘোষণা দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।  

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ইরানে হামলায় জনসমর্থন হারাচ্ছেন ট্রাম্প, বাড়ছে নেতানিয়াহুর

ইরানে হামলায় জনসমর্থন হারাচ্ছেন ট্রাম্প, বাড়ছে নেতানিয়াহুর

সের্গেই ল্যাভরভ | ছবি: তাস

পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি বিশ্বজুড়ে বাড়ছে: রাশিয়ার ল্যাভরভ

মারিয়া জেসুস মন্টেরো | ছবি: ফেসবুক

স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী স্পেনের স্বাধীন নীতি রক্ষা নিশ্চিত করেছেন

0 Comments