জাতীয়

হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0

২০২৬ সালের হজযাত্রীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার সময় বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যাবে।

 

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে যেকোনো তথ্যের জন্য হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

 

এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছিল। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই হজযাত্রীদের টিকা দেওয়া হবে।

 

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের Urine R/M/E, Random Blood Sugar (RBS), X-Ray Chest (P/A view) রিপোর্টসহ, ECG রিপোর্টসহ, Serum Creatinine, Complete Blood Count (CBC with ESR) এবং Blood Grouping ও Rh Typing পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

 

এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি শনাক্তের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কিছু বিশেষ পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে—

  • সন্দেহজনক হৃদ্‌যন্ত্রের অকার্যকারিতার ক্ষেত্রে Echocardiography;
  • কিডনি জটিলতায় Serum Creatinine ও KUB-এর আলট্রাসনোগ্রাফি;
  • লিভার সিরোসিস সন্দেহ হলে Whole Abdomen USG ও Upper GIT Endoscopy;
  • এবং দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ে Sputum for AFB, Chest CT Scan, Serum Bilirubin, SGPT ও Albumin–Globulin Ratio পরীক্ষা।

 

স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইলের কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে জমা দিয়ে টিকা গ্রহণের পর হজযাত্রীরা স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।

 

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

জাতীয়

View more
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান | ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অন্য দেশের সাথে তুলনা করে দেখার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চলমান নানা সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি চুক্তিটিকে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রেখে মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চুক্তিটি পড়ার সময় ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াসহ অন্যান্য দেশের সম্পাদিত অনুরূপ চুক্তিগুলো পাশে নিয়ে তুলনা করলে এর প্রকৃত গুরুত্ব ও প্রেক্ষাপট বোঝা সহজ হবে।   আজ মঙ্গলবার (৫ মে) যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। চুক্তির শর্তে থাকা বাধ্যবাধকতা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যেকোনো চুক্তি নিয়ে মুক্ত আলোচনা হওয়া ভালো। বাংলাদেশ চুক্তিতে ১৩১টি ক্ষেত্রে ‘শ্যাল’ (বাধ্যতামূলক শব্দ) ব্যবহার করলেও ইন্দোনেশিয়া একই ধরণের চুক্তিতে ২৩১টি ক্ষেত্রে ‘শ্যাল’ বলেছে। ফলে এটি কোনো একক ঘটনা নয়।   একই দিনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সকালের দিকে ব্রেন্ডান লিঞ্চের সাথে বৈঠক শেষে এই চুক্তি নিয়ে কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতির মাধ্যমে তৈরি হয়। বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনাকারী না হলেও রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে, যা চাইলেই ব্যক্তিগত চুক্তির মতো বাতিল করা সম্ভব নয়।   বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, সরকার জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী প্রমাণিত হয়, তবে তা সংশোধনের সুযোগ খোদ চুক্তির ভেতরেই রয়েছে। চুক্তির ভেতরে এই ‘সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট’ বা সংশোধন করার বিধান থাকায় এটি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মে ৫, ২০২৬ 0
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু | ছবি: সংগৃহীত

দেশে তেলের কোনো সংকট কখনো হয়নি এবং হবেও না: জ্বালানিমন্ত্রী

উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম | ছবি: সংগৃহীত

ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদকে চট্টগ্রামে এসপি হিসেবে বদলি

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ | ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ক্ষমতার পরিবর্তনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না: শামা ওবায়েদ

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া ঋণ পরিশোধ করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী

অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধ করেছে এবং নতুন করে টাকা ছাপিয়ে ঋণ নেওয়া হয়নি।   শনিবার অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভাটি আয়োজন করে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং এতে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও সাংবাদিকরা অংশ নেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সভায় জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েজ অ্যান্ড মিনস ও ওভারড্রাফট খাতে সরকারের ঋণ ছিল ১৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা, যা ২২ এপ্রিল কমে ১১ হাজার ১০৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।   অন্যদিকে অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) মুখ্য অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান দাবি করেন, মার্চ মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ‘হাইপাওয়ার মানি’ হিসেবে ঋণ নিয়েছে, যা মূল্যস্ফীতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।   তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এই দাবি নাকচ করে বলেন, এমন তথ্য সঠিক নয়। তার মতে, দেশের ক্রেডিট রেটিং কমে যাওয়ায় বরোয়িং কস্ট বেড়েছে, তবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরাসরি টাকা ছাপিয়ে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি বাস্তব নয়।   বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবীবুর রহমান জানান, গত দুই বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের কোনো ট্রেজারি বিল বা বন্ড ক্রয় করেনি। তিনি আরও বলেন, ওয়েজ অ্যান্ড মিনস ও ওভারড্রাফটের মাধ্যমে সরকারের ঋণ মার্চে ২৭ হাজার ৬০১ কোটি টাকা থাকলেও তা পরে অর্ধেকেরও বেশি কমে এসেছে।   তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের ব্যাংক হিসেবে কাজ করে এবং এখানে মূল বিষয় হলো মুদ্রা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, টাকা ছাপানো বা নষ্ট করার মতো কোনো বিষয় নয়।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২৬, ২০২৬ 0
সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত | ছবি: সংগৃহীত

সেচ সুবিধা দিতে এবার ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত

ছবি: সংগৃহীত

সংসদ ভবন থেকেই লোডশেডিং শুরু করার প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১৪,৯৪২ জন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হাম টিকা আমদানি হয়নি: প্রধানমন্ত্রীর দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শিশুদের জন্য হামের টিকা বিদেশ থেকে আনা হয়নি বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   বুধবার সংসদের অধিবেশনে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামে আক্রান্ত হয়ে অনেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।   তিনি আরও বলেন, একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটাতে দেশের সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করেছে। কিন্তু সেই সময়ের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও কয়েক বছর ধরে শিশুদের জন্য হামের টিকা আমদানি করা হয়নি, যা বর্তমান সমস্যার অন্যতম কারণ।   তারেক রহমান জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউনিসেফ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছে এবং দ্রুত হামের টিকা সরবরাহ করেছে। এর ফলে প্রায় ২ কোটি শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনা সম্ভব হবে।   হাম শনাক্তে ব্যবহৃত টেস্ট কিটের কিছু ঘাটতি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এ সমস্যা সমাধানে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু কিট দেশে পৌঁছেছে এবং আরও কিছু কিট বিমানবন্দরের কাস্টমসে রয়েছে, যা দ্রুত ছাড় করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও হরমুজে জাহাজ চলাচলে সহায়তা দেবে ইরান

ছবি: সংগৃহীত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি আমাদের অবস্থান পরিষ্কার: প্রধানমন্ত্রী

বাংলার জয়যাত্রা

কেন হরমুজ প্রণালি পার হতে ইরানের অনুমতি পাচ্ছে না বাংলাদেশি জাহাজ?

0 Comments