জাতীয়

তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

 

মোদির পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, “ঈদ মোবারক। ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।”

 

প্রধানমন্ত্রী মোদি রমজান মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এক মাস ধরে ভারতসহ সারা বিশ্বের মুসলমানরা রোজা ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে পবিত্র রমজান পালন করেছেন।” তিনি ঈদকে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা এবং একসঙ্গে থাকার চিরন্তন মূল্যবোধের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

মোদির আশীর্বাদ, “আমরা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করি। আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও শক্তিশালী হোক।”

 

৩০ দিন রোজা রাখার পর আগামী শনিবার বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

জাতীয়

View more
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।   মোদির পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, “ঈদ মোবারক। ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।”   প্রধানমন্ত্রী মোদি রমজান মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এক মাস ধরে ভারতসহ সারা বিশ্বের মুসলমানরা রোজা ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে পবিত্র রমজান পালন করেছেন।” তিনি ঈদকে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা এবং একসঙ্গে থাকার চিরন্তন মূল্যবোধের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।   মোদির আশীর্বাদ, “আমরা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করি। আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও শক্তিশালী হোক।”   ৩০ দিন রোজা রাখার পর আগামী শনিবার বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন যমুনা

যমুনায় না থাকার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

বগুড়ায় ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, উদ্ধার বাকি ৫

বগুড়ায় ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, উদ্ধার বাকি ৫

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যেখানে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
যমুনা সেতুতে একদিনে টোল আদায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের ঢল নেমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই মহাসড়ক দিয়ে যমুনা সেতু পার হয়েছে ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন, যার মাধ্যমে টোল আদায় হয়েছে সাড়ে ৩ কোটির বেশি টাকা।   বৃহস্পতিবার ভোর থেকে মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা গেছে। পুলিশ জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তে যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সড়কে যানবাহনের চাপও বেড়েছে। এর সঙ্গে বৃষ্টির কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।   এদিনও ধাপে ধাপে গার্মেন্টস ছুটি থাকায় মহাসড়কে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়ক পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও কাজ করছে।   সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫১ হাজার ৫৪৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ছিল ১৮ হাজার ৭৪৪টি, যেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। আর উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ৮৪০টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা। সব মিলিয়ে মোট টোল আদায় দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫১ লাখ ৮২ হাজার ৬০০ টাকা।   যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সেতুর দুই পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা বুথও রয়েছে।   এদিকে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে এখনো বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সার্বক্ষণিক কাজ করছে।   উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে চালু হওয়ার পর থেকে সেতুটি দিয়ে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে। বর্তমানে চীনের চায়না রোড ব্রিজ কর্পোরেশন টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
২০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি, ভোগান্তি বাড়ছে

২০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি, ভোগান্তি বাড়ছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: বিএনপির ফেসবুক পেজ

বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বেঁচে থাকা শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে আটকে পড়া প্রবাসীরা সৌদি হয়ে বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন: কুয়েত দূতাবাসের নির্দেশনা

সরকারের এক মাস
বিএনপি সরকারের এক মাস, জনতুষ্টি নাকি সুশাসনের পথে যাত্রা?

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভের পর ১৭ই ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর এই নির্বাচিত সরকারের প্রথম ৩০ দিন বা এক মাস পূর্ণ হলো। এই স্বল্প সময়ে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো রাষ্ট্র পরিচালনায় কোন বার্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ সরকার গঠনের পরপরই নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথাগত ১০০ দিনের পরিবর্তে এবার ১৮০ দিনের দীর্ঘমেয়াদী অগ্রাধিকার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই, যার মাধ্যমে প্রতিটি পরিবার মাসে ২,৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। এছাড়া প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ এবং সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালু করাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। প্রশাসন ও নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক জনকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি কিছু বিষয়ে সমালোচনাও পিছু ছাড়ছে না। বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদগুলোতে দলীয় নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আগের আমলের মতোই দলীয় শিক্ষকদের উপাচার্য হিসেবে পদায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ এবং লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনারকে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া নিয়েও পেশাদার কূটনীতিক ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কূটনীতি: ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ভারতের সাথে সম্পর্কের বরফ গলানোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদীর অভিনন্দন এবং শপথ অনুষ্ঠানে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতি একটি ইতিবাচক সূচনার ইঙ্গিত দেয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ স্পষ্ট করেছেন যে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি অনুসরণ করেই সার্বভৌমত্ব ও সমতার ভিত্তিতে সব রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা ও সংবিধান সংস্কার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কার ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিএনপি সংসদীয় পদ্ধতিতে সংবিধান সংশোধনের পক্ষে অনড় অবস্থানে থাকায় গণভোট পরবর্তী এই প্রক্রিয়াটি নতুন মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তাফিজুর রহমানের মতে, সামাজিক সুরক্ষার পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক হলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিনিয়োগ চাঙ্গা করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হবে এই সরকারের আগামীর আসল পরীক্ষা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
মহাসড়কে মাইক্রোবাসের গ্যাস বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত

মহাসড়কে মাইক্রোবাসের গ্যাস বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত

ছবি: সংগৃহীত

চা বিক্রেতা বৃদ্ধা ও নাতনির কাছে ঈদ উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0 Comments